পদ্মায় আবারো বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার

পদ্মা নদীর মাঝে বাঁধ দিয়ে আবার মাছ ধরা শুরু করেছে একটি চক্র। ২০১৬ সালের পর চক্রটি আবার সক্রিয় হয়েছে। তারা পদ্মায় পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বাশের ব্লক ব্যবহার করে মাছ শিকার শুরু করেছে। যার নেপথ্যে রয়েছে  স্থানীয় প্রভাবশালী মুরাদ মৃধা ও কাশেম মেম্বার নামে দুই ব্যক্তি। আর এ কাজে তাঁদের সহযোগী হিসেবে আছেন আরও কয়েকজন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নদীতে এভাবে বাঁধ দেওয়ার কোন ধরণের নিয়ম না থাকলেও তা তোয়াক্কা করেনি ওই দুই প্রভাবশালী ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, দোহার উপজেলার মৈনট দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদীতে বাঁশ দিয়ে আড়াআড়ি দুটি ব্লক বাঁধ দেওয়া হয়েছে। নদীর ওপারে রয়েছে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গোপালপুর ট্রলারঘাট। বাঁশ ও জালের দীর্ঘ এই দুটি বাঁধ নদীর মূল প্রবাহে আড়াআড়িভাবে তৈরি করা হয়েছে। বাঁশের সঙ্গে আটকানো জালের নিচে ভারী পাথর বাঁধা। নিচের অংশে রয়েছে ‘রাক্ষুসে জাল’। এমন জাল ইলিশ ধরার ফাঁদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আড়াআড়ি এমন বাঁধে নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

সেখানে কর্মরত মৎস্যজীবীরা জানান, প্রতি দুই ঘণ্টা পর পর জালগুলোতে মাছ ধরা পড়েছে কি না, তা দেখা হয়। ইলিশ, ছোট ছোট জাটকা সহ সবই ধরা পড়ছে এ জালে। এ মাছ ধরার কাজ করেণ বেশ কয়েকজন জেলে। নৌকা ব্যবহার করে তাঁরা জালে আটকানো মাছগুলো সংগ্রহ করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেখানে দায়িত্বে থাকা জেলেরা বলেন, ‘মুরাদ মৃধা ও কাশেম মেম্বার আমাদেরকে মাছ ধরার কাজে খাটাচ্ছেন। কোনো কোনো দিন ১০/১২ মণ মাছ ধরা পড়ে। আবার কোনো দিন চার-পাঁচ মণ মাছ পাওয়া যায়। বেশির ভাগ মাছ দোহারের মৈনট ঘাটে বিক্রি করা হয়। গত ২/৩ সপ্তাহ ধরে মাছ ধরার কাজ চলছে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৈনট ঘাটের এক মাছ ব্যবসায়ী জানান, এভাবে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকারের কারণে সাধারণ জেলেরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। বাঁশের ওই দুটি বাঁধে মাছ বেশি আটকা পড়ছে। তিনি বলেন, এই বাঁধের কারণে নদীতে মাছের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে এ অঞ্চলের মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটবে না।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মুরাদ মৃধা বলেন, “আমি এই বাঁধের সাথে জড়িত নই। কাশেম মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, ওনি সব জানেন।”

বিষয়টি জানতে কাশেম মেম্বার কে ফোন দেয়া হলে তিনিও বাঁধের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেণ। তবে তিনি এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য এই প্রতিবেদককে অনুরোধ করে বলেন, ‘আসেন আমরা একটু সামনে বসে কথা বলি।’

দোহার উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, বাঁধের বিষয়ে আমরা অবগত নই। মাছ শিকারে নদীতে এভাবে বাঁধ দেয়া দেশের প্রচলিত মৎস্য আইনের পরিপন্থী। যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে তাহলে ২/১ দিনের মধ্যে আমরা অভিযান চালাব।

ঢাকার ৪ জনসহ আওয়ামী লীগের ৪১ সংরক্ষিত নারী আসনের নাম ঘোষণা

0

আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলটির স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের কাছে নামের তালিকা তুলে ধরেন।

ওবায়দুল কাদের জানান, কুমিল্লা থেকে আনজুম সুলতানা, বরগুনা থেকে সুলতানা নাদিরা, জামালপুর থেকে মিসেস হোসনে আরা, গাজীপুর থেকে রুমানা আলি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, নেত্রকোণার হাবিবা রহমান খান শেফালী, পিরোজপুরের শেখ এ্যানি রহমান, টাঙ্গাইলের অপরাজিতা হক, সুনামগঞ্জের শামীমা আক্তার খানম, গাজীপুরের শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, মুন্সিগঞ্জের ফজিলাতুন নেসা, নীলফামারী রাবেয়া আলীম, নরসিংদীর তামান্না নুসরাত বুবলী, গোপালগঞ্জের নার্গিস রহমান, ময়মনসিংহের মনিরা সুলতানা, ঢাকার নাহিদ ইজহার খান, ঝিনাইদহের খালেদা খানম, বরিশালের সৈয়দা রুবিনা মিরা, চট্টগ্রামের ওয়াসিকা আয়শা খান, পটুয়াখালীর  কাজী কানিজ সুলতানা, খুলনার ঝর্না সরকার, ঢাকার সুবর্ণা মোস্তাফা, দিনাজপুর থেকে জাকিয়া তাবাসসুম, নোয়াখালীর ফরিদা খানম সাকী, খাগড়াছড়ির বাসন্তী চাকমা, কক্সবাজারের কানিজ ফাতেমা আহমেদ, ফরিদপুরের রুশেনা বেগম, কুষ্টিয়ার সৈয়দা রাশিদা বেগম, মৌলভীবাজারের সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, রাজশাহীর আনজুম মিতা, কুমিল্লার আরমা দত্ত, খুলনার শিরিনা নাহার, চাঁদপুরের ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, শরীয়তপুরের পারভীন হক সিকদার, রাজবাড়ির নুসরাত, ঢাকার শবনম জাহান শিলা, চট্টগ্রামের খাদিজাতুল আনোয়ার, নেত্রকোণার জাকিয়ার পারভীন খানম, মাদারীপুরের তাহমিনা বেগম, ঢাকার শিরীন আহমেদ ও জিন্নাতুল সংরক্ষিত আসনে মনোনীত হয়েছেন।

বিকেল সাড়ে ৪ টা থেকে আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে  দলটির সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা এই প্রতিবেদন লেখার পরও চলে। সভায় দলটির সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছিলেন ১৫১০ জন। গত ১৫ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ফরম বিক্রি করে দলটি। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে মহিলা আসন বণ্টন করা হয়। প্রতি ৬টি আসনের বিপরীতে যে কোনো দল বা জোট ১টি সংরক্ষিত আসন পেয়ে থাকে। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার ৫০টি সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হবে। ইসি সচিব এ বিষয়ে জানিয়েছেন, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার আওয়ামী লীগ ৪৩টি। কিন্তু আজ আওয়ামী লীগ ৪১ জনের নাম ঘোষণা করেন। জাতীয় পার্টি ৪টি, বিএনপি ১টি, অন্যান্য দল ১টি (ওয়ার্কার্স পার্টি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোটভুক্ত হয়ে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবেন।

দোহারে পাগলা কুকুরের কামড়ে ২ দিনে ২৭ জন আহত

দোহারে পাগলা কুকুরের কামড়ে ২ দিনে ২৭ জন আহত । দোহার উপজেলার সর্বত্র এখন বেওয়ারিশ কুকুর আতঙ্ক। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত হওয়ার ঘটছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে ২৭ জন আহত হওয়ার সত্যতা মিলেছে। এসব কুকুর নিধনে দোহার পৌরসভা ও প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন-সুবিধা না থাকায় আক্রান্ত ব্যক্তিরাও চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাহমুদপুর, চরলটাখোলা, হরিচন্ডি এ তিন গ্রামে একের পর এক মানুষকে পাগলা কুকুর কামড় দেয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। শুধু বৃহস্পতি ও শুক্রবার তিন গ্রামে শিশু, কিশোর, কিশোরী, বৃদ্ধ নারী-পুরুষসহ ২৭ জন আহত হয়েছেন। দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিষ্ট্রার থেকে জানা যায়, গত একমাসে ৫০ জন বেওয়ারিশ কুকুর কামড়ে আহত হয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. মাজহারুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত অনেক রোগী এখানে আসছে। ভ্যাকসিন সুবিধা না থাকায় জরুরি চিকিৎসা সেবা দেয়া যাচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে ব্যয়বহুল হওয়া সত্ত্বেও রোগীদের জরুরি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।

সত্তর মুন্সি নামে আহত এক ব্যক্তি বলেন, কুকুরে কামড়ের পর তিনি ভ্যাকসিনের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান, কিন্তু পাননি। বাধ্য হয়ে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে যেতে হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধু ড্রেসিং করে দেয়া হয়েছে।

দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন নেই। তাই আক্রান্তদের ভ্যাকিসিন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। মাহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভ্যাকসিন দেয়া হয়। আক্রান্তদের সেখান থেকে এই সেবা নেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

পূর্ব ধোয়াইর প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারীকরনের দাবিতে অভিভাবক সমাবেশ

 দোহার উপজেলার নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধোয়াইর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আহম্মেদ হান্নান। বিদ্যালয়টি সরকারী করার দাবীতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মনির মোল্লা, আওয়ামী লীগ নেতা তৈয়ূব রহমান তরুন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার, বিদ্যালয়ের জমি দাতা আব্দুল মজিদ মোল্লা, ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম, ফাতেমা বেগম, সাবেক ইউপি সদস্য ফজর আলী মোল্লা, সমাজ সেবক আবুল বাশার।

পূর্ব ধোয়াইর

দোহারে বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

দোহার উপজেলার লটাখোলায় অবৈধভাবে  বালু উত্তোলনে ভ্রাম্যমান আদালতের বিশেষ অভিযানে চারটি শ্যালো মেশিন আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন জানান, উপজেলার লটাখোলা বড় ব্রিজ সংলগ্ন খাল থেকে ভূমিদস্যুরা বালু উত্তোলন করছে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে চারটি শ্যালো মেশিন আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এসময় বালু উত্তোলনে ব্যবহ্নত পাইপগুলো ধ্বংস করা হয়।

মনোনয়নপত্র কিনলেন আলমগীর হোসেন

উপজেলার তফসিল ঘোষণার পর থেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র কেনার ধুম পড়ে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আলমগীর হোসেন  মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। মঙ্গলবার  (৫ ফেব্রুয়ারি ) বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে এ মনোনয়ন পত্র কেনা হয়। তিনি নেতাকর্মীদের  নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ধানমন্ডি-৩ থেকে মনোনয়নপত্র কিনেন।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগের উপ-কমটিরসহ-সম্পাদক সুরুজ আলম সুরুজ, আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াগ উদ্দীন সোহাগ, উপজেলার ছাত্রলীগ সভাপতি আমিনুল ইসলাম, উদয় আহমেদ, পৌরসভার ছাত্রলীগ সভাপতি পাপেল মাহমুদ সহ অসংখ্য নেতাকর্মী।

প্রতিদিনের হাদিসঃ ঈমান

0

হাদিস নং ২: মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী (রহঃ) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়া’মার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মা’বাদ (আল জুহানী) তাকদির- সম্পর্কে তার মত ব্যক্ত করলে আমরা তা অস্বীকার করি। তিনি (ইয়াহইয়া ইবনু ইয়া’মার) বলেন, আমি ও হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান আল হিময়ারী হাজ্জ (হজ্জ) পালন করতে গিয়েছিলাম। এরপর কাহমাস-এর হাদীসের অনুরুপ মর্ম ও সনদের সাথে হাদীসটি বর্ণিত আছে। তবে এই বর্ণনায় কিছু বেশকম রয়েছে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ৩: মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ)…ইয়াহইয়া ইবনু ইয়া’মার ও হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান আল হিময়ারী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তাঁরা বলেন, আমরা উভয়ে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করি এবং তাকদির- সম্পর্কে যা বলা হয়, তা নিয়ে আলোচনা করি। তারা উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত উক্ত হাদীসটি কিছু বেশ কমসহ বর্ণনা করেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

হাদিস নং ৪: হাজ্জাজ ইবনু শা’ইর (রহঃ)…. ইয়াহইয়া ইয়া’মার (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) সূত্রে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিসটির উপরোক্ত হাদীসের অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ কিতাবুল ঈমান

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার, ধামরাই, শ্রীনগর, সিরাজদিখানে তফসিল হবে ২০ ফেব্রুয়ারিঃ ভোটগ্রহণ ৩১ মার্চ

0

নিউজ৩৯ঃ

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ১০ মার্চ প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে। এছাড়া বাকি চার ধাপের খসড়া তফসিলও প্রস্তুত করেছে ইসি। ইসির খসড়া অনুযায়ী ১৮, ২৪, ৩১ মার্চ ও ১৮ জুন বাকি চার ধাপগুলোতে উপজেলা নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। ইসি সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার, ধামরাই, শ্রীনগর, সিরাজদিখানে তফসিল হবে ২০ ফেব্রুয়ারিঃ ভোটগ্রহণ ৩১ মার্চ।

সূত্র জানায়, খসড়া তফসিল অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপে তফসিল ঘোষণা হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং ভোটগ্রহণ ১৮ মার্চ।

তৃতীয় ধাপের তফসিল হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র দাখিল ২৬ ফেব্রুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৫ মার্চ ও ভোটগ্রহণ ২৪ মার্চ।

চতুর্থ ধাপের তফসিল হবে ২০ ফেব্রুয়ারি। এতে মনোনয়নপত্র দাখিল ৪ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ মার্চ ও ভোটগ্রহণ ৩১ মার্চ।

চতুর্থ ধাপে ভোটের সম্ভাব্য উপজেলা
বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, মুলাদী, হিজলা, পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ, দুমকী, বাউফল, দশমিনা, গলাচিপা, কলাপাড়া, ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, লালমোহন, তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন, মনপুরা, বরগুনা সদর, আমতলী, বেতাগী, বামনা, পাথরঘাটা, পিরোজপুর সদর, ইন্দুরকানী, মঠবাড়ীয়া, ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী, নেছারাবাদ, নাজিরপুর, ঝালকাঠি সদর, নলছিটি, রাজাপুর, কাঁঠালিয়া, ধনবাড়ী, মধুপুর, গোপালপুর, ভূঞাপুর, ঘাটাইল, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার, নাগরপুর, মির্জাপুর, বাসাইল, সখীপুর, কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর, কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল, করিমগঞ্জ, ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, নিকলী, বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, ভৈরব, দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার, ধামরাই, কাপাসিয়া, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কালীগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ সদর, টঙ্গীবাড়ী, লৌহজং, শ্রীনগর, সিরাজদিখান, গজারিয়া, সোনারগাঁ, আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ, নরসিংদী সদর, পলাশ, শিবপুর, মনোহরদী, বেলাব, রায়পুরা, দৌলতপুর, ঘিওর, শিবালয়, সিঙ্গাইর, হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ সদর, সাটুরিয়া, তিতাস, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, বুড়িচং, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চান্দিনা, বরুড়া, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, মনোহরগঞ্জ, চৌদ্দগ্রাম, মেঘনা, হোমনা, কচুয়া, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর সদর, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি, চাটখিল, সেনবাগ, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট, সুবর্ণচর, বেগমগঞ্জ, সোনাইমুড়ী, নাসিরনগর, আশুগঞ্জ, সরাইল, সদর, আখাউড়া, কসবা, নবীনগর, ফেনী সদর, দাগনভূঞা, সোনাগাজী, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া, পরশুরাম, লক্ষ্মীপুর সদর, রামগঞ্জ, রায়পুর, কমলনগর, রামগতি, পেকুয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ।

সর্বশেষ পঞ্চম ধাপের তফসিল হবে ১২ মে। এতে মনোনয়নপত্র দাখিল ২১ মে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ মে ও ভোটগ্রহণ ১৮ জুন নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে যেসব উপজেলায় ভোট

প্রথম ধাপে ১০ মার্চ যেসব উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- পঞ্চগড় জেলার সদর, আটোয়ারী, বোদা, দেবীগঞ্জ ও তেঁতুলিয়া। কুড়িগ্রাম জেলার সদর, ভুরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ী, উলিপুর, নাগেশ্বরী, রাজারহাট, রাজিবপুর, চিলমারী ও রৌমারী। নীলফামারী জেলার সদর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ। লালমনিরহাট জেলার সদর, পাটগ্রাম, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ ও আদিতমারী।

জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ী, মেলান্দহ, ইসলামপুর, বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ ও মাদারগঞ্জ। নেত্রকোনা সদর বারহাট্টা, দুর্গাপুর, খালিয়াজুরী, কলমাকান্দা, কেন্দুয়া, মদন, মোহনগঞ্জ, পূর্বধলা। সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, দোয়ারাবাজার, জামালগঞ্জ, শাল্লা, ধর্মপাশা, বিশ্বম্ভবপুর ও তাহিরপুর। হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল, মাধবপুর, চুনারুঘাট, নবীগঞ্জ, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং ও লাখাই। সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি, চৌহালী কাজিপুর, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, তাড়াশ ও উল্লাপাড়া। জয়পুরহাট জেলার সদর, পাঁচবিবি, আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল। নাটোর সদর, বাগাতিপাড়া, গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, লালপুর ও সিংড়া। রাজশাহীর তানোর, গোদাগাড়ী, পবা, মোহনপুর, বাগমারা, পুঠিয়া, দুর্গাপুর, চারঘাট ও বাঘা।

দ্বিতীয় ধাপে ভোটের সম্ভাব্য উপজেলা

ঠাকুরগাঁও সদর, বালিয়াডাঙ্গী, রানীশংকৈল, পীরগঞ্জ, হরিপুর, গঙ্গাচড়া, তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ, কাউনিয়া, পীরগাছা, পীরগঞ্জ, গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা, পলাশবাড়ী, গাইবান্ধা সদর, সাদুল্লাপুর, ফুলছড়ি, বীরগঞ্জ, কাহারোল, বিরল, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর সদর, খানসামা, চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, সদর, আদমদীঘি, দুপচাঁচিয়া, ধুনট, কাহালু, গাবতলী, নন্দীগ্রাম, সারিয়াকান্দি, শাজাহানপুর, শেরপুর, শিবগঞ্জ, সোনাতলা, রানীনগর, মহাদেবপুর, নিয়ামতপুর, সাপাহার, পত্নীতলা, বদলগাছী, নওগাঁ সদর, আত্রাই, পোরশা, ধামইরহাট, মান্দা, সদর, বাগাতিপাড়া, গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, লালপুর, সিংড়া, কুষ্টিয়া সদর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, মিরপুর, খোকসা, দৌলতপুর, শার্শা, ঝিকরগাছা, চৌগাছা, যশোর সদর, বাঘারপাড়া, অভয়নগর, মনিরামপুর, কেশবপুর, দীঘলিয়া, কয়রা, ডুমুরিয়া, পাইকগাছা, রূপসা, তেরখাদা, ফুলতলা, বটিয়াঘাটা, দাকোপ, মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর, গাংনী, রাজবাড়ী সদর, গোয়ালন্দ, পাংশা, বালিয়াকান্দি, আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, মধুখালী, নগরকান্দা, সালথা, সদর, চরভদ্রাসন, সদরপুর, ভাঙ্গা, হাতিয়া, মীরসরাই, সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, হাটহাজারী।

তৃতীয় ধাপে ভোটের সম্ভাব্য উপজেলা
চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা, জীবননগর, মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা, মহম্মদপুর, নড়াইল সদর, কালিয়া লোহাগড়া, ঝিনাইদহ সদর, শৈলকুপা, হরিণাকুণ্ডু, কালীগঞ্জ, ফকিরহাট, মোল্লাহাট, চিতলমারী, বাগেরহাট সদর, কচুয়া, রামপাল, মোংলা, মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, আশাশুনি, শ্যামনগর, কালীগঞ্জ, কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, তালা দেবহাটা, ভোলাহাট, গোমস্তাপুর, নাচোল, শিবগঞ্জ, পুঠিয়া, দুর্গাপুর, চারঘাট, বাগা, সদর, আটঘরিয়া, বেড়া, ভাংগুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর, ঈশ্বরদী, সাঁথিয়া, সুজানগর, সদর, টুঙ্গিপাড়া, কোটালীপাড়া, কাশিয়ানী, মুকসুদপুর, শিবচর, কালকিনি, রাজৈর, সদর, জাজিরা, নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা, গোসাইরহাট, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, ফুলপুর, গৌরীপুর, সদর, মুক্তাগাছা, ফুলবাড়ীয়া, ত্রিশাল, ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল, গফরগাঁও, ভালুকা, সিলেট সদর, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, বড়লেখা, জুড়ী, কুলাউড়া, রাজনগর, সদর, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, বোয়ালখালী, পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী।

পঞ্চম ধাপে ভোটের সম্ভাব্য উপজেলা
আটপাড়া, শেরপুর সদর, নকলা, নলডাঙ্গা, সদর, কামারখন্দ, রংপুর সদর, সুন্দরগঞ্জ, মেহেন্দিগঞ্জ, রাঙ্গাবালী, তালতলী, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, গাজীপুর সদর, বন্দর, মাদারীপুর সদর, কালুখালী, শায়েস্তাগঞ্জ, বাঞ্ছারামপুর, বিজয়নগর, হাইমচর, আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ, সাতকানিয়া।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পর (১৯ জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের কমিশন। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত মোট ছয় ধাপে ওই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়।

কে হচ্ছেন নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের প্রার্থী

ঢাকার নবাবগঞ্জে আগামী উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে ঢাকায় দোহার ও নবাবগঞ্জের তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান ঢাকায় তার নিজস্ব কার্যালয়ে মত বিনিময় সভা করেন। সভায় দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন একক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন।

অন্যদিকে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আব্দুল বাতেন মিয়া, নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, মো. জালাল উদ্দিন সহ একাধিক নেতাকর্মী নির্বাচনে অংশ নেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিএনপিসহ অন্য কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর প্রচারণা নেই এই উপজেলায়।

নবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের কোন্দল ও গ্রুপিং এর কারণে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ফলে কাক্ষ্খিত চেয়ারম্যান পদটি বিএনপির ঘরে চলে যায়। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার আবু আশফাক দুইবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে উপজেলার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। এবার মাঠ পর্যায়ে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই উপজেলা চেয়ারম্যান কে হবেন এই বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করেন।

বিগত দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাতেন মিয়া এবং বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু অংশগ্রহণ করেন। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হতে এবারও তারা দুজন চেষ্টা চালাচ্ছেন।

অন্যদিকে সাবেক ছাত্রনেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তিনি দলীয় মনোনয়ন পেলে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সাথে নিয়ে নবাবগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করবেন বলে জানান তিনি। আরো বলেন, বিগত সময়ে দলের একজন কর্মী হিসেবে প্রতিটি মিছিল, মিটিং ও আন্দোলনে অংশ নিয়েছি। তৎকালীন জামাত ও বিএনপি জোট সরকারের রোষানলে পড়ে একাধিক মামলা ও হামলা শিকার হয়েছি। যার ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছি। আমি মনে করি, দল আমাকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিলে আমি নির্বাচিত হয়ে সংগঠন দল ও এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারবো ইনশাল্লাহ।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু বলেন, দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি দোহার নবাবগঞ্জের বর্তমান সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের নির্বাচনকালীন নবাবগঞ্জের উন্নয়নে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আমি মাননীয় এমপি মহোদয়ের সেই উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে তার পাশে থেকে কাজ করবো।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাতেন মিয়া বলেন, ৭৫ পরবর্তী দলের দুর্দিনে সংগঠনকে ধরে রেখেছি দলের জন্য কাজ করেছি। অনেক অত্যাচার, হামলা, মামলা শিকার হয়েও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। নেত্রী সুযোগ দিলে নবাবগঞ্জ উপজেলাকে একটি আধুনিক উপজেলায় রূপান্তর করাই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

এসএসসি পরীক্ষা: নবাবগঞ্জে প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৩১ জন; দোহারে উপস্থিত শতভাগ শিক্ষার্থী

বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এবার দুই উপজেলায় মোট ৬ হাজার ৮ শত ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। শনিবার পরীক্ষার প্রথম দিন  ঢাকার দোহারে কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত না থাকলেও নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৩১জন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ জানান, নবাবগঞ্জে মোট পরীক্ষার্থী ৩ হাজার ৯ শ’ ৬১ জন। প্রথম দিন ৩১জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আরো জানান, বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার প্রথম পরীক্ষায় দাখিল ও ভোকেশনালসহ উপজেলার সাতটি কেন্দ্রের ৩টি ভেন্যুতে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে।

এছাড়া দোহারের তিনটি কেন্দ্র ও একটি ভেন্যুতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ৮ শত ৪৬ জন।  দোহারে কোন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল না বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.লিয়াকত আলী।

নবাবগঞ্জে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন ও দোহারের কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা।