মুকসুদপুরে কৃষকদের নিয়ে কর্মশালা

0

মুকসুদপুর ইউনিয়নে এনএটিপি-২ প্রকল্পের আওতায় সিআইজি ও নন-সিআইজি কৃষক এবং কৃষাণীদের সমন্বয়ে টেকনোলজি শেয়ারিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন।প্রায় ১০০ জন কৃষক ও কৃষাণীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ১৯ শে ফ্রেব্রুয়ারী রোজ মঙ্গল বার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মুকসুদপুর সামসুদ্দিন সিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ে এ প্রশিক্ষন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.এ হান্নান খান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে কৃষির ভূমিকা অপরিসীম। কৃষক সমৃদ্ধ মানেই, দেশ সমৃদ্ধ। আওয়ামীলীগ সরকার চায় কৃষকের মুখে উজ্জ্বল হাসি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার এ বি এম ওহিদুর রহমান, এ এম

আনোয়ার হোসেন (SAAO) এস টি আহমেদ ( SAAO) জহিরুল ইসলাম (SAAO)

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদের সকল মেম্বার মুসা কলিমুল্লা, চান মিয়া সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

মুকসুদপুর

নবাবগঞ্জে ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করায় প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে জনতা। মঙ্গলবার বিকালে ৫টায় নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে উপজেলার প্রধান সড়ক গুলো প্রদক্ষিণ করে পরে শহীদ মিনারে ফিরে এসে সেখানে সংক্ষিপ্ত পথ করেণ।

এসময় পথ সভায় বক্তারা বলেন, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান যমুনা টেলিভিশন ও যুগান্তর পত্রিকার মালিক তার রাজনীতি স্বার্থ উদ্ধারের জন্য যে কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করবে। এটা হতে পারে না। আমরা সাধারণ জনগন হিসেবে এই তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সত্য ও বস্তু নিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করলে আমরা খুশি কিন্তু কোন রকমের মিথ্যা বা হয়রানি মূলক সংবাদ প্রকাশ করলে পত্রিকার বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে বলে বক্তারা জানান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রনি, এস এম সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক মো. পলাশ, উপজেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব,ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আতিক বাবু, ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদি হাসান রানা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুবেদুজ্জামান সুবেদ, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক মুন্না প্রমূখ।

এবিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী সালমা ইসলাম ঢাকা-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করেছে। তখন তিনি আমাকে তার দলের হয়ে কাজ করতে বলেছিল। সে সময় তার দলের এক নেতা জাহাঙ্গীর চৌকদারকে নির্বাচনের আচরনবিধি ভঙ্গ করে টাকা বিতরণের সময় আটক করি। এসময় কারণে তারা আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা নিউজ করেছে। তিনি আরও বলেন, আমার বাবা দীর্ঘ ৪০বছর যাবত শিক্ষকতা করেন এবং আমিও দীর্ঘ ১৮বছর যাবত চাকুরী করি এসব টাকা দিয়েই আমাদের বাড়িটি গড়া।

প্রতিদিনের হাদিস: ঈমান

0

হাদিস নং ৯: ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব ও কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) … তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মালিক-এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বর্ণনায় রয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তার পিতার কসম, সে সত্য বলে থাকলে সফলকাম হবে। কিংবা তার পিতার কসম সে সত্য বলে থাকলে জান্নাতে চলে গেল।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ)

হাদিস নং ১০: আমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুু বুকায়র আল নাকিদ (রহঃ) … আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করার ব্যাপারে আমাদের নিষেধ করা হয়েছিল। তাই আমরা চাইতাম যে, গ্রাম থেকে কোন বুদ্ধিমান ব্যাক্তি এসে তাঁকে প্রশ্ন করুক আর আমরা তা শুনি।

তারপর একদিন গ্রাম থেকে এক ব্যাক্তি এসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমাদের কাছে আপনার দুত এসে বলেছে, আপনি দাবি করেছেন যে, আল্লাহ আপনাকে রাসুল হিসাবে পাঠিয়েছেন। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ সত্যই বলেছে। আগন্তুক বলল, আসমান কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেনঃ আল্লাহ। আগন্তুক বলল, যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ। আগন্তুক বলল, এসব পর্বতমানা কে স্থাপন করেছেন এবং এর মধ্যে যা কিছু আছে তা কে সৃষ্টি করেছেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ। আগন্তুক বলল, কসম সেই সত্তার! যিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন এবং এসব পর্বতমালা স্থাপন করেছেন। আল্লাহই আপনাকে রাসুলরূপে পাঠিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ।

আগন্তুক বলল, আপনার দূত বলে যে, আমাদের উপর দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায/নামাজ) ফরয। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সত্যই বলেছে। আগন্তুক বলল, যিনি আপনাকে রাসুলরুপে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম, আল্লাহ-ই কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। আগন্তুক বলল, আপনার দূত বলে যে, আমাদের উপর আমাদের মালের যাকাত দেওয়া ফরয। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ঠিকই বলেছো আগন্তুক বলল, যিনি আপনাকে রাসুলরুপে পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম, আল্লাহ-ই কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। আগন্তুক বলল, আপনার দূত বলে যে, প্রতি বছর রমযান মাসের রোযা পালন করা আমাদের উপর ফরয। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সত্যই বলেছে।

আগন্তুক বলল, যিনি আপনাকে রাসুল হিসেবে পাঠিয়েছেন, তার কসম, আল্লাহ-ই কি আপনাকে এর নির্দেশ দিয়েছেন? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। আগন্তুক বলল, আপনার দূত বলে যে, আমাদের মধ্যে যে বায়তুল্লায় যেতে সক্ষম তার উপর হাজ্জ (হজ্জ) ফরয। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সত্যি বলেছে। রাবী বলেন যে, তারপর আগন্তুক চলে যেতে যেতে বলল, যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন তার কসম, আমি এর অতিরিক্তও করব না এবং এর কমও করব না। এ কথা শুনে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, লোকটি সত্য বলে থাকলে অবশ্যই সে জান্নাতে যাবে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ কিতাবুল ঈমান

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

প্রতিদিনের হাদিস: ঈমান

0

হাদিস নং ৭: যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমাকে প্রশ্ন কর। সাহাবা কিরাম তার কাছে প্রশ্ন করতে ভয় পেলেন। (রাবী বলেন) তারপর একজন লোক এলেন এবং তাঁর কাছে বসে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল! ইসলাম কী? রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ইসলাম হল, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, সালাত (নামায/নামাজ) কায়েম করবে, যাকাত দিবে, রামাযানের রোযা পালন করবে। আগন্তুক বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন।

তারপর বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! ঈমান কী? রাসুল বললেনঃ আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রতি, উত্থানের বিষয়ে এবং পুরোপুরি তাকদীরে ঈমান রাখবে। আগন্তুক বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন।

তারপর বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! ইহসান কী? রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহকে এমনভাবে ভয় করবে, যেন তাঁকে দেখছো, যদি তাকে না-ও দেখ; তাহলে (ধারণা করবে যে) তিনি তো তোমাকে দেখছেন। আগন্তুক বললেন, আপনি যথার্থ বলেছেন।

তারপর বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! কিয়ামত কখন ঘটবে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ বিষয়ে যাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে সে ব্যাক্তি প্রশ্লকারীর চাইতে অধিক অবহিত নয়। তবে আমি কিয়ামতের কিছু আলামত বর্ণনা করছি। যখন দেখবে, দাসী তার মুনিবকে জন্ম দেবে, এটা কিয়ামতের একটি আলামত। আর যখন দেখবে নগ্নপদ, বস্ত্রহীন, বধির ও মূকেরা দেশের শাসক হয়েছে, এটিও কিয়ামতের একটি আলামত। আর যখন দেখবে, মেষপালক বিরাট বিরাট অট্টালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত, এটিও কিয়ামতের একটি আলামত।

পাঁচটি অদৃশ্য বিষয়ে আল্লাহ ব্যতীত কেউ কিছু জানেনা। তারপর (তিনি কুরআনুল -এর আয়াত) তিলাওয়াত করলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ, তাঁর কাছে রয়েছে কিয়ামতের মতের জ্ঞান। তিনি নাযিল করেন বৃষ্টি এবং তিনি জানেন, যা রয়েছে মাতৃগর্ভে। জাননা কেউ, কি উপার্জন করবে সে আগামীকাল। আর জাননা কেউ, কোন মাটিতে (দেশে) সে মারা যাবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ সব জানেন, সব খবর রাখেন। (সূরা লুকমানঃ ৩৪)

তারপর আগন্তুক উঠে চলে গেলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের বললেনঃ তাঁকে আমার কাছে ফিরিয়ে আন। তাঁকে তালাশ করা হল, কিন্তু তাঁকে পাওয়া গেল না। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইনি জিবরীল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তোমরা প্রশ্ন না করায়, তিনি চাইলেন যেন তোমরা দ্বীন সমন্ধে জ্ঞান লাভ কর।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

হাদিস নং ৮: কুতায়বা ইবনু সাঈদ ইবনু আমিল ইবনু তারীফ ইবনু আবদুল্লাহ আল সাকাফী (রহঃ) … তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, নাজদের বাসিন্দা এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খেদমতে হাযির হলেন। তাঁর মাথার চুল ছিল এলোমেলো। আমরা তার অস্পষ্ট আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। তিনি যা বলছিলেন তা আমরা বুঝতে পারছিলাম না। অবশেষে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছাকাছি এলেন। তারপর তাঁর কাছে ইসলাম সমন্ধে জানতে চাইলেন। জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দিনেরাতে পাঁচবার ফরয সালাত (নামায/নামাজ) কায়েম করা। আগন্তুক জিজ্ঞেস করলেন, এ ব্যাপারে আরো কিছু আছে কি? তিনি বললেনঃ না, তবে নফল সালাত (নামায/নামাজ) করা যায়। আর রামাযান মাসে রোযা পালন করা। আগন্তুক জানতে চাইলেন, এ ছাড়া আরও কিছু আছে কি? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, তবে নফল রোযা পালন করা যায়। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে যাকাতের কথা বললেন। আগন্তুক জানতে চাইলেন, এ ছাড়া আরও কিছু আছে কি? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না, তবে অতিরিক্ত দান করা যায়।

রাবী বললেন, তারপর আগন্তুক এ কথা বলতে বলতে চলে গেলেন। আল্লাহর কসম, আমি এর চাইতে বেশি করব না এবং কমও করব না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ লোকটি সত্য বলে থাকলে সফল হবে।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ কিতাবুল ঈমান

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান তারেক হোসেন

0

আসন্ন দোহার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন তারেক হোসেন। তিনি দোহার উপজেলার ইকরাশী গ্রামের আব্দুস সামাদ মাষ্টারের ছেলে। পূর্বে তিনি সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার প্রেস সচিব ছিলেন।

তারেক হোসেন নিজের প্রার্থীতার সত্যতা নিশ্চিত করে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের জানান, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা সাহেব আমার মুরব্বী। দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত ওনার সঙ্গে আমার পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক। তিনি যদি আমাকে অনুমতি ও সহযোগিতা করেন তবেই নির্বাচন করবো।

বিলাশপুরে দুটি শহিদ মিনারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

0

ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের দুটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। লায়ন আব্দুস সালাম চৌধুরীর অর্থায়নে শহিদ মিনার ভিত্তি প্রস্তুত স্থাপন করা হয়।

দোহার উপজেলা বিলাসপুর ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা’র উপস্থিতিতে লায়ন আব্দুল সালাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় শহিদ মিনার ভিত্তি প্রস্তুত স্থাপন করা হয়।

এসময় প্রধান অতিথি আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, শহীদ মিনার স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও নতুন প্রজন্মের সকলেই ২১ এর চেতনার ধারণা নিবে,বুঝবে বঙ্গবন্ধুর কথা, বুঝবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা। এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো সাজ্জাদ হোসেন, তিনিও ইতিহাস ও জ্ঞান গম্ভীর বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথি বিলাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ইসলাম হোসনে চৌধুরী।

এছাড়া লায়ন আব্দুস সালাম চৌধুরীর অর্থায়নে বিলাসপুর গণি শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়’ এর শহিদ মিনারের ভিত্তি প্রস্তর করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেন।

এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বাশার চোকদার, উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কারী আব্দুল শুকুর, সামসুল আলম মোল্লা, বিলাস পুর ইউনিয়ন সেবকলীগের সভাপতি ও জয়পাড়া পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির অবিভাবক সদস্য রাশেদ চোকদার,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম,জয়পাড়া কলেজে শাখার সভাপতি মোশাররফ হোসেন শান্ত, সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন রিয়াদ,পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সাদ্দাম প্রমুখ

অস্তিত্ব সংকটে দোহার-নবাবগঞ্জের বাঁশ শিল্প

প্লাস্টিক সামগ্রীর প্রসার, প্রয়োজনীয় পুঁজি, পরিকল্পিত উদ্যোগের অভাবে চরম অস্তিত্ব সংকটে দোহার নবাবগঞ্জেরর বাঁশ শিল্প। উৎপাদিত পণ্য সামগ্রীর ন্যায্য মূল্য না থাকায় এ শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের অনেকেই পাল্টাতে শুরু করেছেন পেশা। দারিদ্রতাকে আলিঙ্গন করে পিতৃ পুরুষের ঐতিহ্যবাহী পেশাকে যারা আগলে রয়েছেন তারাও রয়েছেন নানা সমস্যায়। বাজারে প্রচলিত প্লাস্টিক দ্রব্য সামগ্রীর সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে তারাও হয়ে পড়েছেন কোনঠাসা। ফলে আবহমান বাংলার এ শিল্পের ঐতিহ্য হারানোর পাশাপাশি বাঁশ শিল্পীদের ভাগ্যে নেমে এসেছে দুর্দিন।

একসময় মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গের মধ্যে বাঁশের তৈরি দ্রব্য সামগ্রীর প্রয়োজনীয়তা ছিল অনেক। কুলা, খাঁচা, চালনি, চাটাই, ডোল, ঝুড়ি, পলো, ডালা প্রভৃতি বাঁশজাত পণ্যের ছিল ব্যাপক চাহিদা। কিন্তু কালের বিবর্তনে আধুনিক বিজ্ঞানের প্রসারতায় বর্তমানে বাঁশের তৈরি এসব সামগ্রীর অনেক পন্যই তৈরি করছে প্লাস্টিক পন্য র্নিমান প্রতিষ্ঠান। সাশ্রয়ী মূল্যসহ টেকসই ও স্থায়ীত্বের কারনে এসব প্লাস্টিক সামগ্রী দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সাধারনের ব্যবহারে। ফলে প্রতিনিয়ত কমছে বাঁশের তৈরি পন্য সামগ্রীর কদর। উপজেলাদ্বয়ের প্রতিটি গ্রামীন জনপদে বাশেঁর তৈরি সামগ্রী তৈরি হলেও এর বড় একটি অংশের জোগান হত দোহার উপজেলা থেকে। এক সময়ে এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছিল প্রায় শতাধিক বাঁশ শিল্পী পরিবারের বসবাস। বাশেঁর সামগ্রী তৈরি করে স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন যাপনসহ আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতো পরিবারগুলো । কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে বাশঁ শিল্পে বিরাজ করছে চরম মন্দাবস্থা। একদিকে ব্যবহারকারীর অভাব, অন্যদিকে বাঁশের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাঁশ শিল্পীদের অনেকেই তাদের পৈত্রিক পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। ফলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাতে গোনা কয়েকজন শিল্পী অনেকটা নিরুপায় হয়ে এ পেশায় টিকে থাকার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ কুটির শিল্পের ওপর নির্ভরশীলতায় যে সব শিল্পীরা রয়েছেন, তারাও অনেকে বেকারত্বসহ আর্থিক দৈন্যতায় মানবেতর জীবন যাপন করছে।

বাঁশ শিল্পী আয়নাল জানান, বাপ দাদার পেশা তাই আকড়ে ধরে আছি। ছেলে-মেয়েরা এখন আর এ পেশায় থাকতে চাচ্ছেনা। পরিশ্রম বেশি, লাভ কম। আগের মত চাহিদাও নেই। ঝরনা রানী জানান, বাশেঁর দাম বেড়ে গেছে। পুজিঁ সংকট রয়েছে। চাহিদা ও মুনাফা ভাল না থাকায় পরিবারেও যাচ্ছে দুর্দিন। আধুনিক প্রযুক্তির প্লাস্টিকের সামগ্রীর ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এ শিল্পের ক্ষুদ্র বিক্রেতাদেরও যাচ্ছে দুর্দিন।

বাঁশের তৈরি সামগ্রীর বিক্রেতা হরেন পাল জানান, এক যুগ আগেও ছিল বাশের সামগ্রীর কদর। পরিবারের দৈনন্দিন কাজে বাঁশের তৈরি কুলা, চালনি, ঝুড়ি, ডালা মানুষ ব্যবহার করত। এখন এসব পন্য প্লাস্টিকের পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বেচা-বিক্রি খুবই কমে গেছে। এখন খাঁচা, চাটাই, ডোল, পলো এসব বিক্রি হচ্ছে। এসবেরও এখন আগের মত চাহিদা নেই। চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতির অংশ পরিবেশ বান্ধব বাঁশ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে, পেশা সংশ্লিস্টদের বিনা সুদে কিংবা স্বল্প সুদে পরিবার ভিত্তিক ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা গ্রহনসহ পৃস্টপোষকতা প্রদান করা জরুরী বলে মনে করছেন অভিজ্ঞরা।

দোহারে ইটভাটায় অভিযান

0

ঢাকার দোহার উপজেলার ইসলামপুরের মেসার্স জয়পাড়া ব্রিকস্’ নামে একটি ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইসলামপুর ‘মেসার্স জয়পাড়া ব্রিকস্’ ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন বলেন, ইটভাটা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এবং লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন ২০১৩ এর ১৪ ধারায় আইন লংঘনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (ঢাকা) মিহির লাল সরদার, দোহার থানার এস আই আব্দুল বারেক।

প্রতিদিনের হাদিস: ঈমান

0

হাদিস নং ৫: আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকসমক্ষে ছিলেন, এমতাবস্হায় তাঁর কাছে একজন লোক হাযির হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! ঈমান কী? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ঈমান হল, আল্লাহ, তার ফেরেশতা, তাঁর কিতাবসমুহ, তাঁর সঙ্গে মুলাকাত, তাঁর প্রেরিত রাসুলদের প্রতি ঈমান আনা এবং শেষ উত্থানের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।

তারপর আগন্তুক প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! ইসলাম কী? রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ইসলাম হল, আল্লাহর ইবাদত করা, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক না করা, ফরয সালাত (নামায/নামাজ) কায়েম করা, নির্ধারিত যাকাত আদায় করা এবং রামাযানের রোযা পালন করা।

আগন্তুক আবার প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! ইহসান কী? রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ইহসান হল, তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত- বন্দেগী করবে যেন তাঁকে দেখছ; যদি তুমি তাকে নাও দেখ, তাহলে ভাববে যে, তিনি তোমাকে দেখছেন।

আগন্তুক প্রশ্ন করলেন, কিয়ামত কখন হবে? রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এ বিষয়ে প্রশ্নকারীর চাইতে যাকে প্রশ্ন করা হয়েছে, তিনি অধিক অবহিত নন। তবে হ্যাঁ কিয়ামতের কিছু আলামত বর্ণনা করছি, দাসী তার প্রভূকে জন্ম দেবে। এটি কিয়ামতের আলামতের একটি। বিবস্ত্রদেহ, নগ্নপদ লোক হবে জনগণের নেতা; এটা কিয়ামতের আলামতের একটি। আর রাখালদের বিরাট বিরাট অট্টালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত দেখতে পাবে, এটিও কিয়ামতের একটি আলামত।

পাঁচটি বিষয়ে আল্লাহ ব্যতীত কেউ কিছু জানেনা। এ বলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এ আয়াতটি) তিলাওয়াত করেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ, তাঁরই কাছে রয়েছে কিয়ামতের জ্ঞান। তিনি নাযিল করেন বৃষ্টি এবং তিনি জানেন, যা রয়েছে মাতৃগর্ভে। আর কেউ জাননা কি কামাই করবে সে আগামীকাল এবং জাননা কেউ কোন মাটিতে সে মারা যারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব জানেন, সব খবর রাখেন। (সূরা লূকমানঃ ৩৪)

রাবী বলেন, তারপর লোকটি চলে গেল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ লোকটিকে আমার কাছে ফিরিয়ে আন। তাঁরা তাকে আনার জন্য গেলেন। কিন্তু কাউকে পেলেন না। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইনি জিবরীল (আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকদের দ্বীন শিক্ষা দেওয়ার জন্য এসেছিলেন।

হাদিসের মানঃ  সহিহ (Sahih)

বর্ণনাকারী রাবীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)

গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম

অধ্যায়ঃ কিতাবুল ঈমান

পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সংরক্ষিত নারী আসন : জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেলেন সালমা ইসলাম

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ চারজন মনোনয়ন পেয়েছেন।

অন্য তিনজন হলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন আরা মান্নান, মাসুদা এম রশিদ ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা নাজমা আক্তার।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তাদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন।

সোমবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপ-প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পাওয়া চারজনের মধ্যে অ্যাডেভোকেট সালমা ইসলাম এর আগেও দুবার সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেন। সবশেষ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১ আসন থেকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে জয়ী হন। তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরও দায়িত্ব পালন করেন।

সালমা ইসলাম বর্তমানে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি।

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ৪ মার্চ। মনোনয়ন দাখিল ১১ ফেব্রুয়ারি, যাচাই-বাছাই ১২ ফেব্রুয়ারি এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৬ ফেব্রুয়ারি।

একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ৪৩, বিরোধী দল জাতীয় পার্টি চার, বিএনপি এক, ওয়ার্কার্স পার্টি এক ও অন্যান্যদের মধ্যে স্বতন্ত্র তিনটি আসনের বিপরীতে একজন প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন। আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে ৪৩ জনের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনে ভোটের জন্য ওই দিন নির্ধারণ করে রাখা হলেও ফল জানা যাবে তার আগেই। সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল থেকে যাকে মনোনয়ন দেয়া হয় তিনিই এমপি নির্বাচিত হন।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়। প্রতি ৬টি আসনের বিপরীতে যে কোনো দল বা জোট একটি সংরক্ষিত আসন পেয়ে থাকে। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার ৫০টি সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হয়ে থাকে।