দোহারে ইয়াবাসহ যুবক আটক

0

ঢাকার দোহারে অভিযান চালিয়ে ৩১ পিচ ইয়াবাসহ আমজাদ হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। রবিবার দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপাড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আমজাদ  উপজেলার চর লটাখোলার শেখ সোনামউদ্দিনের ছেলে।

দোহার থানার এএসআই আলী আকবর খন্দকার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আমজাদকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ৩১ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সোমবার মাদক মামলা আমজাদকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নবাবগঞ্জে প্রচারণায় ব্যস্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিরউদ্দিন ঝিলু

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণায় ব্যস্ত নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু। শনিবার উপজেলায় দিনব্যাপী আনারস প্রতিকে ভোট চেয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি।

সকাল থেকে উপজেলার জয়কৃষ্ণপুর, তিতপালদিয়া, বালেঙ্গা বাজার, শিকারীপাড়া, দাউদপুর, যন্ত্রাইলসহ প্রায় ১০টি স্থানে গণসংযোগ করেন এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এসময় তিনি বলেন, আপনাদের ভালবাসা নিয়ে নির্বাচনে এসেছি। গত নির্বাচনে আপনারা দেখেছেন আমাকে কি ভাবে পরাজিত করা হয়েছিলো। আপনারা আমার শক্তি, আপনারা আমার পাশে থাকলে এবার আর কেউ রুখতে পারবে না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক এমপি হারুন অর রশিদ, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা দেওয়ান আওলাদ হোসেন, অসীম সরকার, ইউপি চেয়ারম্যান নন্দলাল সিং, ড. মো. শাফিল উদ্দিন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. পলাশ চৌধুরী, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নিতাই চাঁদ প্রমুখ।

নবাবগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উদ্বোধন

একটি পরিচ্ছন্ন নবাবগঞ্জ উপজেলা গড়তে ‘সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় বেসরকারি উদ্যোগে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা’ কার্যক্রমের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন।

দীপন ওয়েস্ট  ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি চুক্তির ভিত্তিতে পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব নিয়েছে বলে জানা যায়। উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, উপজেলার প্রতিটি অফিস কক্ষ পরিষ্কার করার মধ্য দিয়ে কার্যক্রমের সূচনা হলো। পর্যায়ক্রমে রাস্তাঘাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ এবং জনবহুল স্থানগুলোকে কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।

নবাবগঞ্জে মাদক সেবনকারীর বিনাশ্রম কারাদন্ড

ঢাকার নবাবগঞ্জে মাদক সেবন ও বহনের অপরাধে কৃষ্ণ রাজবংশী নামে একজনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার বিকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনজুর হোসেনের ভ্রাম্যমান আদালত এই রায় দেন। কৃষ্ণ বক্সনগর ইউনিয়নের কোমরগঞ্জ এলাকার শ্রী মনিন্দ্র রাজবংশীর পুত্র।

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে মাদক সেবন ও বহনের অপরাধে কৃষ্ণ রাজবংশীকে কোমরগঞ্জ থেকে ১০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমান আদালতে  হাজির করা হলে, আদালত ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর নবাবগঞ্জ সার্কেল পরিদর্শক ইউনুছ হাওলাদার বলেন, কৃষ্ণ একজন নিয়মিত মাদক সেবনকারী । মাদকের বিষয় জিরো ট্রলারেন্স নীতির ব্যস্তবায়নে আমরা তাকে আটক করেছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

দোহারের মৈনটে পিকনিকে এসে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

ঢাকার দোহার উপজেলায় মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনট ঘাটের পদ্মা নদীর পানিতে ডুবে মোঃ রবিন (১৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রবিন ঢাকার জুড়াইন এলাকার মোঃ রফিক হোসেন (৪৫) এর ছেলে।

নিহত রবিনের বাবা রফিক জানায়, শুক্রবার সকালে পিকনিকের উদ্দেশ্যে রবিন তার ৪০ জন বন্ধুর সাথে দোহারের এই মৈনট ঘাটে আসে। সারাদিন শেষে বিকেল সাড়ে ৪ টার সময় রবিনের বন্ধুরা আমায় ফোন দিয়ে বলে পদ্মায় গোসল করতে নেমে সবাই উঠলেও রবিন উঠেনি। আশেপাশে খোজ করেও রবিনের কোনো খোজ পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে আমি সাথে সাথে রওনা দিয়ে রাত ৯ টার সময় এইখানে মৈনট ঘাটে আসি। সারারাত খোজাখোজির পরে সকালে কার্তিকপুর ফাড়ির পুলিশ ও দোহার ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ডুবুরী দল এসে প্রায় ঘন্টা খানিক খোঁজাখুঁজির পর সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পানিতে থেকে রবিনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

রবিন তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। সে একজন মটর মেকানিকস বলে জানায় তার বাবা রফিক হোসেন। এ দিকে একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছেন রবিনের মা।

কার্তিকপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই নুরুল হুদা বলেন, পানিতে ডুবে যেনো কারো কোনো প্রাণহানি না হয় সে জন্য আমরা সর্বদা এই মৈনট ঘাটে ভ্রমণকারী সকলে পদ্মা নদীর পানির গভীরতা সম্পর্কে অবগত করি। পাশাপাশি আমাদের পুলিশ ফাড়ি ও দোহার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদ্মায় নেমে গোসল করা থেকে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই আমরা কার্তিকপুর ফাড়ি পুলিশ সব সময় এই মৈনট ঘাটের দিকে নজড় রাখে। তবুও প্রাশাসনের চোখ ফাকি দিয়ে অনেকেই গোসল করতে গিয়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটে। আগামীতে যেনো আর কারো কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে সে দিকে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

শুরু হলো স্বপ্নের যাত্রাঃ কোঠাবাড়ী কলেজের মাটি ভরাটের জন্য স্বেচ্ছাশ্রম

সলীল চৌধুরি তার ও আলোর পথযাত্রী-তে আহবান জানিয়ে বলেছিলেন – ও আলোর পথযাত্রী,এ যে রাত্রী
এখানে থেমোনা/এ বালুচরে আশার তরণী তোমার যেন বেঁধোনা/ ………………/ যাত্রা শুরু উচ্ছল চলে দূর্বার বেগে তটিনী/ উত্তাল তালে উদ্যাম নাচে মুক্ত স্রোত নটিনী/ এ শুধু সত্য যে নব প্রাণে জেগেছে/ রণ সাজে সেজেছে, অধিকার অর্জনে। আর সেই যাত্রা কোঠাবাড়ি কলেজের নির্মাণে।

“কোঠাবাড়ী কলেজ” এর ভিটি নির্মানে দোহারের পশ্চিঞ্চলের স্বপ্নবান মানুষের স্বপ্ন প্রতিষ্ঠার এক নতুন যাত্রা শুরু হলো। সকল স্বপ্নদ্রষ্টাদের মাটি কাটায় সম্মিলিত অংশ গ্রহনে যোগ হলো নতুন মাত্রা।  সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আর প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্পখাত বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমানের সহায়তায় কলেজটি ইতমধ্যে অনুমোদন লাভ করেছে।

১৬ই মার্চ ২০১৯, শনিবার, এই অঞ্চলের স্বপ্নবান মানুষ গুলোর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরনে তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শুরু হয় নয়াবাড়ী, কুসুমহাটী, মাহমুদপুর, জয়কৃষ্নপুর ইউনিয়নের আপামর জনসাধারনের স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি কাটার বদৌলতে কর্মসূচী আমরা “কোঠাবাড়ী কলেজ” স্থাপনা তৈরীর ভিটি তৈরী করি।
আর এই কাজে সবাই মাথায় ঝুড়ি তুলে কোঠাবাড়ি কলেজ প্রতিষ্ঠায় ইতিহাসের অংশ হয়ে রইলেন।

এই কাজে অংশগ্রহণ করেন আই জি আর খান মোঃ আব্দুল মান্নান, উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, কোঠাবাড়ি কলেজের সভাপতি এডভোকেট রমজান আলী শিকদার, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, শ্রী নির্মল রন্জন গুহ, কসুমহাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ হান্নান, মাহমুদপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন, মাসুদুর রহমান মাসুদ, কোঠাবাড়ী কলেজের আহবায়ক/ পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, উদ্যোক্তাগন সহ এলাকার সকল গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গ।

আবার মৈনটে পদ্মা পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনট ঘাটের পদ্মা নদীর পানিতে ডুবে মো. রবিন (১৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে মৈনট ঘাটের পদ্মা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। রবিন ঢাকার জুড়াইন এলাকার মো. রফিক হোসেনের ছেলে।

রবিনের বাবা জানান, শুক্রবার সকালে পিকনিকের উদ্দেশ্যে রবিন তার ৪০ জন বন্ধুর সঙ্গে দোহারের মৈনট ঘাটে যায়। বিকেল সাড়ে ৪টায় তার বন্ধুরা আমাকে ফোন দিয়ে জানায় পদ্মায় গোসল করতে নেমে সবাই উঠলেও রবিন ওঠেনি। আশপাশে খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। খবর পেয়ে রাত ৯টায় মৈনট ঘাটে আসি। সারারাত খোঁজাখুঁজির পর সকালে ডুবুরি দল এসে রবিনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

রবিন বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। তিনি মোটর মেকানিক বলে জানান তার বাবা রফিক হোসেন। অন্যদিকে একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন রবিনের মা।

মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল হুদা বলেন, পানিতে ডুবে যেন কারও প্রাণহানি না হয় সেজন্য আমরা সর্বদা ভ্রমণকারীকে পদ্মা নদীর পানির গভীরতা সম্পর্কে অবগত করি। পাশাপাশি আমাদের পুলিশ ফাঁড়ি ও দোহার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদ্মায় নেমে গোসল করা থেকে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রাশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অনেকেই গোসল করতে গিয়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে প্রাণহানি ঘটে। আগামীতে যেন কারও কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে।

আলমগীর হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দ মিছিল

0

ঢাকার দোহার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আলমগীর হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম বেপারীর মনোনয়নটি বাতিল ঘোষণা হওয়ায় পর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।

আলমগীর হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দ মিছিল করেছে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এই মিছিলটি দোহার উপজেলা থেকে বের হয়ে থানার মোড় হয়ে পুনরায় উপজেলায় এশে শেষ হয়। এরপর আলমগীর হোসেনকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন নেতাকর্মীরা। এসময় নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি এবং তার এই আনন্দে সবাইকে মিষ্টি মুখ করান নেতাকর্মীরা। তারপর তিনি তার সমাপ্তি বক্তব্য বলেন প্রথমে আমি স্মরণ করছি যারা আমাদের এই দেশটাকে স্বাধীন করেছে এবং আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ও ঢাকা -১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব সালমান এফ রহমানকে, দোহার থানার সকল আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলালীগ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের।

আজকের এই আনন্দের দিনে যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই ও সাংবাদিক ভাইদের কেও ধন্যবাদ জানাই। আমি আজকে এই দিনে শপথ নিতে চাই যে আওয়ামী লীগ আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে আল্লাহর রহমতে যাতে আমি সেই দায়িত্ব পালন করতে পারি ও আমি যেন জনগণের খেদমত করতে পারি এবং আমি তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাই যারা আমাকে সম্মান দেখিয়ে এবং সালমান এফ রহমান কে সম্মান দেখিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হন নাই এবং আমি জনগণকে নিয়ে দোহার থানাকে একটি আদর্শ মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

দোহারে উৎসব মুখর পরিবেশে স্কুল ক্যাবিনেট নির্বাচন

স্কুলজীবন থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণতন্ত্রচর্চার অভ্যাসসহ সাতটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও মূল্যবোধ অর্জনে সারাদেশের সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কেবিনেট নির্বাচনের অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার  ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার ১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোহারে ১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীরা সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তাদের নেতা নির্বাচন করবে। এই নির্বাচনে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির যেকোনো ছাত্রছাত্রী নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে। একজন ভোটার সর্বোচ্চ আটটি ভোট দেবে। এর মধ্যে প্রতি শ্রেণিতে একটি করে এবং যেকোনো তিন শ্রেণিতে সর্বোচ্চ দুটি করে ভোট দিতে পারবে। প্রতি শ্রেণি থেকে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে। পাঁচ শ্রেণিতে পাঁচজন নির্বাচনের পর তাদের মধ্য হতে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত তিনজন নির্বাচিত হবে। নির্বাচনী প্রচারের জন্য কোনো রকম ছাপানো পোস্টার, ফেস্টুন, লিফলেট ব্যবহার ও দেয়াল লিখন করা যাবে না। তবে শিক্ষার্থীদের হাতে লেখা পোস্টার, ফেস্টুন, লিফলেট ব্যবহার করতে পারবে। তবে প্রতিষ্ঠানের সীমানা বা চত্বরের বাইরে প্রচার করা যাবে না। নির্বাচন পরিচালনার জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়েই তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং সহকারী শিক্ষকরা দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অষ্টম ও নবম শ্রেণির একজন করে দুজন শিক্ষার্থীকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে মনোনীত করবেন। নির্বাচন ও এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রয়োজনে একজন সহকারী শিক্ষককে সমন্বয়কারী হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট কক্ষ স্থাপন করে গোপনীয়তার সঙ্গে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। স্টুডেন্টস কেবিনেটের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা প্রথম সভায় একজন প্রধান প্রতিনিধি মনোনীত করবে। একই সঙ্গে প্রত্যেকের দায়িত্ব বণ্টন এবং সারা বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। পাশাপাশি প্রতিটি শ্রেণি থেকে দুজন করে সহযোগী সদস্য মনোনীত করতে হবে, যারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সহায়তা করবে। তাদের ভোটাধিকার থাকবে না। প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সংরক্ষণ (বিদ্যালয়, আঙিনা ও টয়লেট পরিষ্কার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুস্তক ও শিখন সামগ্রী, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সহপাঠ কার্যক্রম, পানিসম্পদ, বৃক্ষ রোপণ ও বাগান তৈরি ইত্যাদি দিবস ও অনুষ্ঠান উদ্যাপন, অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ণ এবং আইসিটি) এই ৮টি প্রধান দায়িত্বে আটজন প্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করবেন। স্টুডেন্টস কেবিনেট প্রতি মাসে কমপক্ষে একবার সভা করবে। ছয় মাস পর সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থিতিতে সাধারণ সভা করতে হবে। কেবিনেটের মেয়াদ হবে এক বছর।

এই নির্বাচন অনুষ্ঠানে  নির্বাচন কমিশনার, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসারসহ শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও ছিল শিক্ষার্থীদের উপর। শিক্ষক, পরিচালনা পরির্ষদ এবং অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করেন। এসময় স্কুল কেবিনেট নির্বাচনের পরিস্থিতি দেখতে বিভিন্ন স্কুল গুলো পরির্দশন করেন দোহার উপজেলার শিক্ষা অফিসার মোঃ লিয়াকত আলী। তখন তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আজহার আলী স্কুলের ব্লাড বাস্ক দেখে বলেন যে এই গুলো পরিবর্তন করতে হবে এই কাগজের বাস্ক দিয়ে নিবার্চন হবে না।

দোহার কাটাখালি মেছের খান উচ্চ বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ অহিদুল ইসলাম খান অনু বলেন যে স্কুলের শিক্ষার্থীরা আনন্দ সাথে নিবর্বাচন করছে তারা উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট প্রাধন করেছে।

দোহার

পদ্মা কলেজ, ডিএন কলেজের শিক্ষকদের আত্তীকরন প্রস্তাব

দোহারের পদ্মা কলেজ, নবাবগঞ্জের ডিএন কলেজ, কেরানীগঞ্জের ইস্পাহানী ডিগ্রি কলেজসহ সরকারিকৃত ২০ কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের আত্তীকরণের লক্ষ্যে পদসৃজনের প্রস্তাব চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। বুধবার (১৩ মার্চ) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

আদেশে বলা হয়, সরকারিকৃত কলেজগুলোর পদসৃজনের লক্ষ্যে প্রকাশিত ৩টি ছক পূরণ করে আগামী ১৮ মার্চের মধ্যে পদসৃজনের প্রস্তাব শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

জেলা সদরের কলেজের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক বা তাঁর প্রতিনিধি আর উপজেলায় অবস্থিত কলেজের ক্ষেত্রে ইউএনও এবং কলেজ অধ্যক্ষের যৌথ স্বাক্ষরে পদসৃজনের প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে।