কুসুমহাটিতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা; হামলা নাটক দাবি এলাকাবাসীর

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় কুসুমহাটি ইউনিয়নের চরকুশাই গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি খামার বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। কুসুমহাটি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আজহারুল ইসলামে খামার বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ রাসেল নামে একজনকে আটক করেছে। রাসেল স্থানীয় শেখ জব্বারের ছেলে।

খামার বাড়ির মালিক কুসুমহাটি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজহারুল ইসলামের অভিযোগ করে বলেন, এই জমিটি আমি মূল মালিক কদম আলী ও মদন আলীর কাছ থেকে পাওয়ার নিয়েছি এবং কোর্ট আমাকে জমি দখলে যেতে অনুমতি দিয়েছে। অথচ মিলন গং এই জমির মালিক দাবী করে আমাকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য বারবার হুমকি দিয়ে আসছে। সেই বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে মিলন ২০/২৫ জন দুর্র্বৃত্তদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, রড ও চাপাতিসহ তার মালিকানাধিন মদিনা ডেইরি ফার্মে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এসময় ফার্মের তত্ত্বাবধায়ক বাবুল হোসেন হামলার শিকার হন। আহত বাবুল হোসেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এবিষয়ে কদম আলী জানান, আমি মিলন গংদের কাছে অন্য জমি বিক্রি করেছি তারা যে অংশ দাবী করছে এই জমি আমি আজাহারের নামে পাওয়ার দিয়েছি। যার সমস্ত দালিল আমার কাছে আছে।

মিলন ও তার মা জহুরা খাতুন অভিযাগ অস্বীকার করে বলেন, ১৯৭৪ সালে আমরা এই জমি কদম আলীর কাছ থেকে কিনে নিয়েছি। এখন তারা এই জমির মালিকানা দাবী করছে। আর ঘরে হামলার বিষয়ে আমরা কিছুই জানিনা। তারা নিজেরাই এই ঘটনা ঘটিয়ে আমাদেরকে ফাঁসানোর চেস্টা করছে।

দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের  করা হয়েছে। এঘটনায় শুক্রবার রাতে রাসেল নামে এক আসামীকে আটক করে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

এইদিকে এই হামলার ঘটনাকে নাটক হিসাবে উল্লেখ করেছে এলাকাবাসী। এই ঘটনায় হামলার শিকার কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আজাহার আলী বেপারীর বিচারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল করে এলাকাবাসী।

রবিবার বিকেলে মিছিলটি উপজেলার রতন চত্বর থেকে বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদে এসে শেষ হয়। মিছিলে শত শত নারীরা ঝাড়ু নিয়ে অংশ গ্রহণ করেন। তারা ইউপি সদস্য আজাহার ও তার ছেলে আসিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে বিক্ষোভকারীরা। পরে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেনের বরাবর একটি স্বারকলিপি প্রদান করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা জানান, আজাহার মেম্বার পূর্বে বিএনপি করতো অথচ এখন সে আওয়ামীলীগে এসে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে, দিচ্ছে মিথ্যা মামলা। আজাহার মেম্বার ও তার ছেলে আসিফের অত্যাচারে অতিষ্ট এলাকাবাসী। তাদের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে বাধ্য হয়ে তারা উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।

কুসুমহাটি ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড মহিলা সদস্য হিমুল বেগম জানান, আজাহারের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ট। আমার নিজের জমি নিয়েও আজাহার আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। তার কাছে কেউই নিরাপদ না, তাই আজ আমরা রাস্তায় নেমেছি।

উপস্থিত কয়েকজন নারী অভিযোগ করেন, আজাহার মেম্বার ও তার ছেলে ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের জমি দখল করছে। কেউ বাঁধা দিলে তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে আজাহার মেম্বার।

দোহার-নবাবগঞ্জে মীনা দিবস পালিত

 “মনের মত স্কুল পেলে শিখব মোরা হেসে খেলে” এই প্রতিপাদ্যে ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জে মীনা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন উপজেলাদ্বয়ের শিক্ষা অফিস।

দোহারের অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলা আওয়ামিলীগ এর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আলমগীর হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আফরোজা আক্তার রিবা, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. লিয়াকত আলী।

অনুষ্ঠানে দোহার উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক র‌্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অপরদিকে নবাবগঞ্জে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু।  এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াসমিন আক্তার, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. লিয়াকত হোসাইন, কলাকোপা ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহীম খলিল প্রমূখ।

কার্তিকপুরে অবৈধ পশুর হাট তুলে দিলো পুলিশ

0

ঢাকার দোহার উপজেলার কার্তিকপুর ব্রিজ সংলগ্ন বটতলায় দীর্ঘদিন ধরে বসেছিল অবৈধ পশুর হাট। এতে সরকার রাজস্ব হারালেও স্থানীয় প্রভাবশালী সেন্টু ও তার ভাই মোতালেব দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে হাটটি বসিয়ে গরু প্রতি ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছিলেন। খবর পেয়ে গতকাল হাটটি বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, স্থানীয় সেন্টু ও তার ভাই মোতালেব চলতি বছরে কার্তিকপুর বাজারের হাটের ইজারা নেয়। কিন্তু যেখানে হাটটি বসানো হয়েছে সেই স্থানে পশু বিক্রয়ের কোন অনুমোদন নেননি তারা। অথচ প্রতি রবিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন অবৈধভাবে বসেছিল পশুর হাট।

স্থানীয় আয়ূব আলী ফকির জানান, গরু প্রতি ৫০ টাকা নেয় সেন্টু ও তার ভাই মোতালেব। তবে অন্য একটি সূত্র বলছে, গরু প্রতি নেয়া হয় ২০০ টাকা। এর মধ্যে বিক্রেতা ৫০ টাকা ও ক্রেতা গরু প্রতি ২০০ টাকা দেন সেন্টুকে।

এ বিষয়ে কার্তিকপুর বাজার ব্যবসায়ী উন্নয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও কুসুমহাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, সেন্টু অবৈধ প্রক্রিয়ায় যে গরুর হাট বসিয়েছে আমি বাজারের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিষেধ করেছিলাম। তবুও সে অবৈধভাবে হাটটি বসায়। কারও কথাই শুনছে না। আমি জেনেছি গরু প্রতি খাজনা ২০০ টাকা করে সেন্টু ও তার ভাই মোতালেব আদায় করছে।

এদিকে পুলিশ অবৈধ গরুর হাটটি থেকে বেপারী ও ক্রেতাদের গরু সহ বের করে দেয়। নিজেকে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক পরিচয় দিয়ে অভিযুক্ত সেন্টু বলেন, আমি বাজারের হাটের ইজারা এনেছি। তবে যেখানে পশুর হাটটি বসে তার কোন ইজারা নেই। গরু প্রতি ২০০ টাকা না আমরা ৫০ টাকা করে নেই খরচ বাবদ। তবে আজ হাটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. মোজ্জামেল হক বলেন, অবৈধ প্রক্রিয়ায় হাটটি বসেছিল। ওসি স্যারের নির্দেশে হাটটি উচ্ছেদ করা হয়েছে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে শুধু কার্তিকপুর বাজার হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে। তবে কার্তিকপুরে পশু হাটের কোন ইজারা বা অনুমোদন নাই।

হকিং বিকিরণ

0

হকিং_বিকিরণ হল কৃষ্ণগহ্বর হতে নিঃসরিত এক ধরণের বিকিরণ যার উৎস হল কৃষ্ণগহ্বরের আশে পাশের এলাকা। কৃষ্ণবিবরের ঘটনা দিগন্ত হতে এই বিকিরণের যাত্রা শুরু বলে ধরে নেয়া হয়। হকিং বিকিরণ নামকরণ করা হয়েছে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের নাম অনুসারে। বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংই ১৯৭৪ সালে একটি অঙ্ক কষে দেখান এর অস্তিত্বের কথা।কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যাকর্ষণ শক্তি এতই বেশি যে সবচে দ্রুত বেগে ধাবমান আলোর কণাও এর মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনা। একবার কৃষ্ণগহ্বরের ঘটনা দিগন্তের (Event Horizon) ব্যাসার্ধের মধ্যে যদি কোন কিছু ঢুকে যায়, ফেরত আসার আর কোন পথ থাকেনা। যেহেতু আলোও এর মধ্য থেকে বের হতে পারেনা তাই কৃষ্ণগহ্বর দেখা যায়না। এমন বৈজ্ঞানিক বিশ্বাসের মাঝে বিজ্ঞানী হকিং বললেন কৃষ্ণগহ্বর থেকেও বিকিরণ সম্ভব। এবং এটা নিয়মিত হচ্ছে। এই বিকিরণের জন্য যে শক্তি দরকার তা ঐ কৃষ্ণগহ্বরই সরবারহ করে। এই বিকিরণকেই হকিং বিকিরণ বলা হয়। বিজ্ঞানী জ্যাকব বেকেনস্টাইন, যিনি কৃষ্ণগহ্বরের এনট্রপি এবং তাপমাত্রা নিয়ে অনেক গবেষণা করে গেছেন এবং বলে গেছেন যে কৃষ্ণগহ্বরের একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও এনট্রপি থাকবে যা শূন্যও নয়, অসীমও নয় বরং সসীম। তাই এই বিজ্ঞানীর নামকে অন্তর্ভুক্ত করে অনেক সময় এ বিকিরণকে হকিং-বেকেনস্টাইন বিকিরণও বলা হয়।

হকিং এর কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৭৩ সালে তার মস্কো পরিদর্শনের পর যেখানে সোভিয়েত বিজ্ঞানী ইয়াকভ যেলদোভিচ এবং অ্যালেক্সেই স্টারোবিনস্কি তাকে দেখান যে কোয়ান্টাম বলবিদ্যার অনিশ্চয়তার নীতি অনুসারে ঘূর্ণায়মাণ কৃষ্ণগহ্বরের কণা তৈরি এবং নির্গমন করার কথা। হকিং বিকিরণ কৃষ্ণগহ্বরের ভর এবং শক্তি কমায় যেটা black hole evaporation নামেও পরিচিত। এই কারণে, যেসব কৃষ্ণগহ্বরের অন্য কোনো কারনে ভর বৃদ্ধি পায় না তারা ছোটো হতে থাকবে এবং সবশেষে নিঃশেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হয়। ধারণা করা হয় যে, ছোটো কৃষ্ণগহ্বর বড় কৃষ্ণগহ্বর হতে বেশি পরিমাণে বিকিরণ নিঃসরণ করে এবং তাড়াতাড়ি ছোটো এবং নিঃশেষ হয়।

২০০৮ সালের জুন মাসে নাসা ফার্মি স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ করে যেটা প্রান্তীয় গামা রশ্মির খোঁজ করছে প্রাথমিক পর্যায়ের কৃষ্ণগহ্বর থেকে নিঃসৃত বলে আশা করা হয়। এই ঘটনায় লার্জ এক্সট্রা ডাইমেনশন এর তত্বগুলো সঠিক হলে সার্নের লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার হয়তবা ছোটো আকারের কৃষ্ণগহ্বর তৈরি করতে সক্ষম হবে এবং তার নিঃশেষকরণ দেখতে পারবে।

২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দাবি করা হয় যে একটা পরীক্ষাগারে অপ্টিকাল লাইট পালস নিয়ে পরীক্ষনে একটা সঙ্কেত দেখা যায় যেটা কৃষ্ণগহ্বরের হকিং বিকিরণের সাথে খুব সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাও ফলাফলগুলো অপরীক্ষিত এবং বিতর্কিতই থেকে যায়। এই বিকিরণ শনাক্ত করতে অন্য প্রজেক্টও শুরু হয়েছে অ্যানালগ গ্র্যাভিটির কাঠামোতে।

চরকুশাইতে  ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে আহত

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় শারজাহান (৪০) নামে এক ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের চরকুশাই কালভার্টের কাছে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহত শারজাহান চরকুশাই এলাকার মো. আবুলের ছেলে।

গাড়ির যাত্রী  রাকিব ও সোহাগ জানান, জরুরি কাজ শেষে মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে তারা ইজিবাইকে বাহ্রা যাচ্ছিলেন।  চরকুশাই কালভার্টের কাছে আসা মাত্র দুর্র্বৃত্তরা কলাগাছ ফেলে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং ইজিবাইক লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে। হঠাৎ কয়েকজন দুর্বৃত্তরা এসে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে চালককে কুপিয়ে আহত করে। যাবার সময় দুর্বৃত্তরা যাত্রীদের মোবাইল ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। আহত অবস্থায় চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে জানা যায়, চর কুশাইর এই এলাকাটি গত কয়েকদিন ধরেই নিয়মিত এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। এর আগে একই জায়গা থেকে প্রসুতি মাকে নামিয়ে দিয়ে অটো ছিনতাই করেছি দূর্বিত্ত্বরা।

মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোজাম্মেল বলেন, পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা তদন্ত করে ঘটনা জানার চেষ্টা করছি।

দোহারে দুই মাদকসেবীর কারাদন্ড

0

ঢাকার দোহারে মো. রুবেল (২৪) ও শফিউদ্দিন (৫০) নামে দুই মাদকসেবীকে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা’র ভ্রাম্যমান আদালত রুবেলকে ১৫ দিনের এবং শফিউদ্দিনকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন।

বুধবার সকালে জয়পাড়া থানার মোড় এলাকা থেকে রুবেলকে ও বৌবাজার খালপার থেকে শফিউদ্দিনকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের দোহার সার্কেলের ইন্সপেক্টর শিবনাথ কুমার শাহার নেতৃত্বে একটি দল।

পরে আটককৃতদের দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আফরোজা আক্তার রিবা দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

কারাদন্ড প্রাপ্ত শফিউদ্দিন উপজেলার খালপার বৌ-বাজার এলাকার মো. রহমান বেপারীর ছেলে  এবং রুবেল মাদারিপুর শিবচর চাঁনগাও এলাকার নুরু বেপারীর ছেলে।

দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা আমাদের পরিবারের রক্তে মিশে আছেঃ শায়ান এফ রহমান

দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলা আমাদের পরিবারের রক্তে মিশে আছে। আমার বাবার স্বপ্ন এই দুই উপজেলাকে মডেল উপজেলায় রূপান্তিত করার। তিনি রাত দিন এই দুই উপজেলার উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন। আমার পিতা এই দুই উপজেলাকে আপন হাতে সাজাতে চান। আমিও আবার বাবার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবো বলে মন্তব্য করেছেন্ আই এফ আইসি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ও বেক্সিমকো গ্রুপের পরিচালক সায়ান এফ রহমান। ঢাকার নবাবগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ অনূর্ধ্ব-১৭ চূড়ান্ত পর্বের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দিন মনজুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেক্সিমকো গ্রুপের ডিরেক্টর ও আইএফআইসি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান শায়ান এফ রহমান। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘মাদকমুক্ত দেশ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই খেলার মাঠে যুবকদের আসার আহ্বান জানাচ্ছি। খেলাধুলার প্রতি এলাকার মানুষের যে টান রয়েছে আজ নবাবগঞ্জে না আসলে দেখতে পারতাম না।’ খেলাধুলার উন্নয়নের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন শায়ান এফ রহমান।

নবাবগঞ্জে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা সম্পন্ন

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঢাকার নবাবগঞ্জে শেষ হলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭। মঙ্গলবার বিকেলে নবাবগঞ্জ পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠেয় ফাইনাল খেলায় শোল্লা ইউনিয়ন পরিষদকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয়লাভ করে  কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদ।

এর আগে অনাড়ম্বর আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ফাইনাল খেলা। খেলা শুরুর আগ মূহুর্তে বর্ণিল ডিসপ্লে ও নাচে-গানে দর্শক এবং অতিথিদের মুখরিত করে তোলে নবাবগঞ্জ উপজেলা ললিতকলা একাডেমি (নাফা)র শিল্পীরা।

খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ১০ মিনিটের মাথায় কলাকোপা ইউনিয়নের ৭ নম্বর জার্সি পরিহিত খেলোয়ার ইমন পেনাল্টি শর্ট করে শোল্লা ইউনিয়নের জালে গোল জড়িয়ে দেয়। আর ঐ গোলের মধ্য দিয়েই খেলা ১-০ তে জয় লাভ করে কলাকোপা  ইউনিয়ন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দীন মনজুর সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আই এফ আইসি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ও বেক্সিমকো গ্রুপের পরিচালক সায়ান এফ রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগেরে সাংগঠনিক স¤পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিবুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জালাল উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো.মোস্তফা কামাল, দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ হোসেনসহ  উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও বেক্সিমকোর সৌজন্যে এ টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। খেলার ধারা বর্ণনা করেন  দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ হোসেন ও আবদুল্লাহ।

নবাবগঞ্জে বৃদ্ধাকে অজ্ঞান করে হাসপাতাল থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট

বাসন্তি সরকার (৫০) নামে এক গৃহবধূকে নেশাযুক্ত জুস পান করিয়ে টাকা ,স্বর্ণালঙ্কার ও মোবইল সেট নিয়ে গেছে এক দুষ্কৃতিকারী। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর ) সন্ধ্যায় নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এঘটনা ঘটে। বাসন্তি সরকার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকৃত রোগী উপজেলার তাশুল্যা বাংলাবাজারে গুরুদাস সরকারের স্ত্রী।

বাসন্তি সরকার জানান, ব্যথা জনিত কারনে সোমবার বিকাল ৫ টায় তার স্বামী গুরুদাস সরকারকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সন্ধ্যার দিকে ২৮/৩০ বছরের এক যুবক তার ছেলের শিক্ষক বলে পরিচয় দেয়। এসময় তাকে জিজ্ঞাসা করেন আঙ্কেলের কি হয়েছে? তাদের পরিবারের সবাই ভাল আছেন কি-না বলেও খোঁজ খবর নেন। এরপর একটি জুসের বোতল বাসন্তির হাতে দিয়ে বলে কাকিমা এটা খান ভাল লাগবে। যুবককে বিশ্বাস করে বাসন্তি জুস পান করার কিছুক্ষন পর অজ্ঞান হয়ে পড়ে। আশপাশের রোগীরারা বাসন্তিকে হাসপাতালের মেঝেতে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে নার্স ও চিকিৎসকদের ডেকে আনেন। বাসন্তি চিকিৎসার পর সুস্থ্য হয়ে উঠেই কানে হাত দিয়ে দেখেন তার কানের দুল নেই। ব্যাগের ভিতরে থাকা ২ হাজার টাকা ও মোবাইল সেটটিও নিয়ে গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অনাকাািঙ্খত। হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং থানা পুলিশকে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

দোহারে বৃদ্ধাকে বোকা বানিয়ে হাসপাতাল থেকে স্বর্ণালংকার লুট

0

ঢাকার দোহারে জুলেখা আক্তার (৬৬) এক বৃদ্ধাকে বোকা বানিয়ে প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিল দুষ্কৃৃতিকারীরা। সোমবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। জুলেখা উপজেলার বটিয়া গ্রামের হাজী রমজান আলীর স্ত্রী।

রমজান আলী জানান, সোমবার সকাল পৌনে ১১টায় তার স্ত্রী জুলেখা আক্তার ও তার নাতনি সাবিহাকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা নিতে যান।  তিনি টিেিকট কাউন্টারে স্ত্রী ও নাতিনকে রেখে নিজে ডাক্তার দেখাতে যান। এসময় দুষ্কৃতিকারীরা জুলেখা আক্তারকে বোকা বানিয়ে তার গলার একটি স্বর্ণের চেইন  ও এক জোড়া কানের দুল নিয়ে পালিয়ে যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমরা জানতে পেরেছি। এধরনের ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে এব্যাপারে নিজেদের সচেতন হতে হবে।