শেষ দিনে জমজমাট পূর্ব বাজার নির্বাচনের প্রচারণা

নিউজ৩৯ : শেষ দিনের মতো জয়পাড়া পূর্ব বাজার নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন বাজার সমিতির বিভিন্ন পদের জন্য নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীরা। সকাল থেকেই প্রার্থীদের গণসংযোগে জমে উঠে জয়পাড়া পূর্ব বাজারের দোকান গুলোতে। আগামীকাল জয়পাড়া পূর্ব বাজার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা ছুটছেন দোকানে দোকানে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
বাজার উন্নয়ন, যানজটের নিরসন, চাদাবাজ ও সন্ত্রাস মুক্ত পূর্ব বাজার গঠনে তারা দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। সেই জন্য সবাই চালাচ্ছেন শেষ মূহুর্তের প্রচারনা।
শেষ দিনের প্রচারণা চালানোর সময় নিউজ৩৯ এর সাথে কথা হয় দোহার পূর্ব বাজারের সভাপতি পদপ্রার্থী রুবেল হোসেনের সাথে। নিউজ৩৯কে রুবেল হোসেন জানান, বাজারের উন্নয়নে তিনি কাজ করতে চান। বাজারে যানজট ও অটো স্ট্যান্ড নিয়ে যেই জটিলতা আছে সেটা তিনি বাজারের সবাইকে নিয়েই সমাধান করবেন। তিনি মনে করেন বাজারের ব্যবসায়ীরা এবার তাকেই মনোনীত করবেন এবং বাজারের সকল ব্যবসায়ীকে নিয়ে ব্যবসায় বান্ধব ও আধুনিক জয়পাড়া পূর্ব বাজার গঠন করবেন।
এবার জয়পাড়া পূর্ব বাজার নির্বাচনে সভাপতি পদে ২ জন, সহ-সভাপতি পদে ২ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন, সহ-সাধারন সম্পাদক পদে ২ জন, কোষাধ্যক্ষ পদে ২ জন, প্রচার সম্পাদক পদে ২ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ২ জন নির্বাচন করবে। নির্বাচন প্রচারণা ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে প্রার্থীরা তাদের নিজের মার্কা দোকানিদের কাছে দিয়ে তার মূলবান ভোট তাকে দিতে বলতেছে।

জাসাসের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: সহ-সভাপতি হলেন দোহারের দুই জন

0

জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) এর কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর সই করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসাবে জায়গা করে নিয়েছেন দোহারের দুই কৃতি সন্তান সালাউদ্দিন মোল্লা ও কে এম খালেকুজ্জামান জুয়েল। সদ্য ঘোষিত এই কমিটির সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মোল্লার বাড়ি দোহারের বানাঘাটায় ও কে এম খালেকুজ্জামান জুয়েলের বাড়ি মুকসুদপুরে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. মামুন আহমেদকে সভাপতি এবং হেলাল খানকে সাধারণ সম্পাদক করে জাসাসের ১৮৪ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনুমোদন করেছেন। উক্ত কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে ২৩ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। কমিটির মেয়াদ দেওয়া হয়েছে ২০১৭ থেকে ২০২০ পর্যন্ত।
সভাপতি ড. মামুন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান ছাড়াও কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন অভিনেতা বাবুল আহমেদ, সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সহ-সভাপতি ছড়াকার আবু সালেহ, সহ-সভাপতি আনিসুল ইসলাম সানি, সহ-সভাপতি ইথুন বাবু, সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মোল্লা, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ চৌধুরী, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদার, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম রিপন, সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী, সহ-সভাপতি শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা, সহ-সভাপতি হাসান চৌধুরী, সহ-সভাপতি জাহেদুল আলম হিটো, সহ-সভাপতি মীর সানাউল হক, সহ-সভাপতি শায়রুল কবির খান, সহ-সভাপতি আবু সাঈদ খান, সহ-সভাপতি শামসুল আলম, সহ-সভাপতি ড. রিজিয়া জোবেদ, সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন দিদার, সহ-সভাপতি এস এম মনিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি শরীফ মাহমুদুল হক সঞ্চয়, সহ-সভাপতি কে এম খালেকুজ্জামান জুয়েলসহ ৪০ জন। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন রোকন।
২০১৭ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে সভাপতি ও চলচ্চিত্র অভিনেতা হেলাল খানকে সাধারণ সম্পাদক করে জাসাসের ৩০ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাস আগে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলো।

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড (জিএম) পদ্ধতির ধান চাষের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

0

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জেনেটিক্যালি মোডিফায়েড (জিএম) পদ্ধতির ধান ‘গোল্ডেন রাইস’ চাষের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। উদ্ভাবকদের দাবি, উন্নয়নশীল বিশ্বের শিশুদের অন্ধত্ব ও মৃত্যু ঠেকাতে জিনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে এই জাতের ধান। তবে এই জাতের ধান চাষ উন্নয়নশীল বিশ্বে স্বাস্থ্যগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ। কৃষক সংগঠনের বিরোধিতার পরও ধানটির চাষ জনপ্রিয় করতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থাকে সহযোগিতা করছে বিল অ্যান্ড মেলিন্দা গেটস ফাউন্ডেশন। ২০ নভেম্বর অ্যামেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্স কর্তৃক প্রকাশিত সায়েন্স ম্যাগ জার্নালের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে।

সায়েন্স ম্যাগ জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ২০ বছর আগে প্রথম সংবাদ শিরোনাম হয় গোল্ডেন রাইস। দীর্ঘ সময় ধরে জিএম শস্যটি নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক হয়েছে। এই ধানের সমর্থকদের দাবি, মানবতার সম্ভাব্য উপকারের উদাহরণ হতে পারে এটি। তবে সমালোচকদের যুক্তি হলো, উন্নয়নশীল বিশ্বের স্বাস্থ্য উন্নয়নে এটি ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগ।

১৯৯০ দশকের শেষ দিকে ‘গোল্ডেন রাইস’র উন্নয়ন ঘটান জার্মান উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ইনগো পোটরিকাস ও পিটার বেয়ার। ভিটামিন-এ’র অভাব মোকাবিলায় এই উদ্যোগ নেন তারা। ভিটামিন-এ শিশুদের অন্ধত্বের অন্যতম কারণ। এছাড়া এর স্বল্পতায় হামের মতো সংক্রামক রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায়। শাক, মিষ্টি আলু ও অন্যান্য সবজিতে যথেষ্ট পরিমাণে এই ভিটামিন থাকলেও বেশ কিছু দেশে এখনও এর অভাব রয়েছে। বিশেষ করে যেসব দেশের প্রধান খাদ্য ভাত সেসব দেশে এই ভিটামিনের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশেরও ২১ শতাংশ শিশু ভিটামিন-এ’র অভাবে আক্রান্ত।

ফিলিপাইনের লস ব্যানোসের আন্তর্জাতিক ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট (আইআরআরআই) উদ্ভাবন করে গোল্ডেন রাইস। বর্তমানে তা বাংলাদেশের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। গবেষকরা ধান-২৯ নামে প্রচলিত একটি জাতে এর বেটা-ক্যারোটিন জিন সংযোজন করেছেন। বাংলাদেশে শুষ্ক মৌসুমে এই জাতের ধানের ব্যাপক চাষ হয়। জাতীয় ফলনের প্রায় ১৪ শতাংশ আসে ওই জাতটি থেকে। গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিআরআরআই) গবেষকেরা একাধিক স্থানে ধান-২৯ গোল্ডেন রাইসের পরীক্ষামূলক চাষ চালিয়েছে। এসব পরীক্ষায় এই ধান চাষে নতুন কোনও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়নি। এমনকি ভিটামিন-এ’র উপস্থিতি ছাড়া গুণগত মানেও বড় কোনও পরিবর্তন হয়নি।

২০১৭ সালের নভেম্বরে গোল্ডেন রাইস সংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশের বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে পাঠায় বিআরআরআই। মন্ত্রণালয়ের জৈব-নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি কোর কমিটি ফসলটির পরিবেশগত ঝুঁকি পর্যালোচনা করছে। এই কমিটিতে বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে আটজন সদস্য রয়েছেন। এতে ফসলটি আগাছায় রুপান্তরিত হওয়ার আশঙ্কা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ওই পর্যালোচনা প্রায় শেষ। গত ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ঢাকা ট্রিবিউনের খবরে বলা হয়, ১৫ নভেম্বর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে জৈবনিরাপত্তা সংক্রান্ত কোর কমিটির এক সদস্যের মৃত্যুর কারণে নির্দিষ্ট ওই তারিখ পার হয়ে গেলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কমিটির আলোচনার বিষয়ে ওয়াকিবহাল একটি সূত্র জানিয়েছে, কয়েক জন সদস্য গোল্ডেন রাইস নিয়ে এখনও সন্দেহপ্রবণ। মানুষ যখন আরও বেশি শাকসবজি খেতে পারে তখন এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেন তারা।

তবে এর প্রবক্তারা এখনও আশাবাদী। তারা বলছেন, এর পক্ষে জোরালো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে। এর আগেও জৈব-নিরাপত্তা কমিটি আরেকটি জিনগত পরিবর্তিত শস্য অনুমোদন করেছে আর গোল্ডেন রাইসের বিষয়ে বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক সমর্থন রয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট যুক্তরাজ্যের রথহ্যামস্টেড রিসার্চের উদ্ভিদ জৈব-প্রযুক্তিবিদ জোনাথান নেপিয়ার সম্প্রতি সায়েন্স ম্যাগ’কে বলেছেন, ‘এটি সত্যিই খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, আমরা গোল্ডেন রাইস চাষের অনুমতি প্রায় চূড়ান্ত করার কথা বলতে পারছি’। তিনি আরও বলেন, ‘অনুমোদন পেলে প্রমাণ হবে যে, জনস্বার্থে সরকারি অর্থে পরিচালিত গবেষণাকেন্দ্র সফলভাবে কৃষি জীবপ্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাতে পারে। ২০২১ সালের আগে প্রথমবারের মতো এই ফসল চাষের আশা করা হচ্ছে না। এছাড়া গোল্ডেন রাইস থেকে বাস্তবিক উপকারের প্রমাণ দেখাতে আরও গবেষণা দরকার পড়বে’।

জোনাথন বলেন, ‘এই ধান চাষের অনুমোদন পেতে দেখতে পাওয়া অসাধারণ বিষয় হবে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর এটি অনুমোদন পেতে যাচ্ছে’।

ফার্মিং ফিউচার বাংলাদেশের পরিচালক আরিফ হুসেইন বলেন, ‘শিগগিরই গোল্ডেন রাইস সবুজ সংকেত পাবে বলে আমরা আশাবাদী’। এই প্রতিষ্ঠানটি বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে জৈবপ্রযুক্তি সম্পর্কে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক ও অন্যদের অবহিত করে থাকে।
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর গোল্ডেন রাইসকে অবশ্যই কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ অনুমোদনকারী সংস্থার নিবন্ধন নিতে হবে। এজন্য বীজের মান যাচাইয়ে একাধিক স্থানে পরীক্ষা করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২১ সাল নাগাদ গোল্ডেন রাইস আবাদ করতে পারবে কৃষকেরা।

তবে এই ফসলটি কতোটা জনপ্রিয় হবে তা অনিশ্চিত। নেদারল্যান্ডসের ওয়েজেনিনজেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিবিষয়ক কলামিস্ট জাস্টাস ওয়েসেলার বলেন, ২০১৪ সালে জিএম পদ্ধতির একটি বেগুনের প্রচলন হলে বাংলাদেশের কৃষকরা তা দ্রুত লুফে নেয়। ওই ফসলে কৃষকদের তাৎক্ষণিক একটি লাভ ছিল: এতে কীটনাশকের প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। তবে গোল্ডেন রাইসের স্বাস্থ্যগত সুফল পাওয়া যাবে খুব ধীরে। ফলে কৃষকরা এটি খুব ধীরে গ্রহণ করতে পারে। আরিফ হুসেইন মনে করেন, এটি জনপ্রিয় করতে সরকারি উদ্যোগের প্রয়োজন হবে, এমনকি এই ধান চাষে কৃষকদের ভর্তুকি দেওয়া লাগতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মেডিসনের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিটামিন-এ ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য বিষয়ে অধ্যয়নকারী শেরি তানুমিহারজো বলেন, চালের রঙ সোনালী হওয়া ভোক্তা পর্যায়ে এই ধানের গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা। মানুষ যে খাবার খায় সেটির রঙ পরিবর্তনের সময় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। আর বাংলাদেশের বহু মানুষ সাদা ভাত খেতেই পছন্দ করে। অন্যদিকে রান্না করা গোল্ডেন রাইস দেখতে অনেকটা খিচুড়ির মতো হবে। হয়ত এ কারণে এর গ্রহণযোগ্যতা কিছুটা বাড়তে পারে।

বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও অপুষ্টির হার বেশি এমন শহর ও গ্রামাঞ্চলে এই ফসল চাষে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করার কৌশল প্রণয়নে কাজ করছে আইআরআরআই ও বিআরআরআই। এতে সহায়তা দিচ্ছে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

বেসরকারি সংগঠন ও এনজিও বিরোধিতায় এই ফসল প্রচলনের বাধা হতে পারে। গত মাসে বাংলাদেশের দুটি কৃষক সংগঠন গোল্ডেন রাইস ও জিএম পদ্ধতির বেগুন নিষিদ্ধের আহ্বান জানিয়েছে। গ্রুপ দুটি হলো কৃষক শ্রমিক ফেডারেশন এবং জাতীয় নারী কৃষক ও শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশন।

বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জায়েদ ইকবাল খান বলেন, বহুজাতিক কোম্পানির উদ্ভাবিত গোল্ডেন রাইসে অতিমাত্রায় সংক্রমণ ঘটে,যা আশেপাশের জমিতে ছড়িয়ে যায়। শুধু তাই নয়,এটি পানি,মাটি ও বায়ুর মাধ্যমে ক্রস পলিনেশন অথবা এক প্রজাতির পরাগ রেনু,আরেক প্রজাতির পরাগকে নিশিক্তকরণ ক‌রে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গোল্ডেন রাইস চালু হলে কৃষি ও কৃষকের চরম ক্ষতি হবে। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে জিএম বেগুন চাষ করে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। অনেক কৃষক সেখানে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। সেখানে প্রায় ২৫ লাখ কৃষক আত্মহত্যা করেছে। এ ধান বাংলাদেশে চাষ করা হলে কৃষকের নিজস্ব বীজ সংরক্ষণ ও উৎপাদন প্রক্রিয়া চূড়ান্তভাবে ব্যাহত হবে।

দোহারে পদ্মার পাড়ে হবে শেখ কামাল গ্রিন সিটি : আলমগীর হোসেন

বুধবার জয়পাড়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ছাত্রলীগের আয়োজিত এক আলোচনা সভার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি বক্তব্য দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন ইতিমধ্যে দোহারে পদ্মার পাড়ে সেনাবাহিনীর অধিনে কাজ শুরু হয়েছে পদ্মার বাম তীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পের। পদ্মার ড্রেজিং প্রকল্পের বালি উত্তলনের পর তা নদী তীরে রাখা হবে, এতে করে প্রায় এক হাজার একর জমি তৈরি হবে আর সেই জমিতেই স্থাপিত হবে শেখ কামাল গ্রিন সিটি।” তিনি আরো বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমানের সাথে কথা বলেছেন খুব শীঘ্রই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। পদ্মার পাড়ে শেখ কামাল গ্রিন সিটি দেখতে পূর্বাচলের প্রকল্পের থেকেও সুন্দর হবে বলে জানান তিনি। এছাড়াও দোহার ও নবাবগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য আরো বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন তার বক্তব্যে। সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক উদয় হোসেন, দোহার পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি পাপেল মাহমুদ নিজাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি পান্নু চোকদার, সাধারণ সম্পাদক শান্ত সহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

একজন নির্মল রঞ্জন গুহের বেড়ে ওঠা

ছোটবেলা দাদার পড়ার টেবিলে কালো একটি ফ্রেমে যার ছবি অতি যত্ন সহকারে থাকত, আবেগ ও গভীর ভালবাসা দিয়ে যে ছবিটির দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতেন, তিনি হলেন বাঙ্গালী জাতির পিতা  বঙ্গবন্ধু শেখ_মুজিবুর_রহমান। দাদা যখন নবম শ্রেণির ছাত্র তখন তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নয়াবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন।

নয়াবাড়ি ইউনিয়নের একটি অভিজাত হিন্দু জমিদার পরিবারে বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ জন্মগ্রহণ করেন। সেকালে তাদের জমিদারি ছিল এবং রাজনৈতিকভাবে দাদার পরিবার ছিল প্রতিষ্ঠিত। সমাজের একজন রাজনৈতিক ও অভিজাত পরিবারের সন্তান হিসেবে মানুষের সেবা করা, মানুষের সুখে -দুখে পাশে থাকার ইচ্ছাটা দাদার ছোটবেলা থেকেই ছিল।

উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে দাদা ভর্তি হন মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে। দাদার শৈশব ও কৈশোরের আবেগ ছিল বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। কলেজ জীবনে  দাদা ছাত্র রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। সাধারণ  ছাত্র-ছাত্রীদের যে কোন সমস্যায় পাশে এসে দাঁড়াতেন, তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত করতেন। দাদা দেবেন্দ্র কলেজের ছাত্র থাকা অবস্থায় কলেজের  সাধারণ_সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যান্ত নিষ্ঠার সাথে। পরবর্তী সময়ে দাদা মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এরপর দাদা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ছাত্র রাজনীতির আঁতুড় ঘর মধুর ক্যাণ্টিন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর থেকে দাদার ছাত্র রাজনীতির নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচিত হয়। দাদা  ‘৯০ এর দশকে  স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের নিয়ে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তৎকালীন এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে দাদার ভূমিকা ছিল অনন্য।

ঐ সংকটময় সময়ে দাদা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরের কমিটিতে জননেত্রী শেখ হাসিনা দাদাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের  সহ সভাপতির দায়িত্ব দেন। নেত্রীর দেওয়া সেই দায়িত্ব দাদা অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করেন এবং সারা বাংলাদেশে ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করেন। দলের প্রতি আনুগত্য ও নেত্রীর সিদ্ধান্তে সবসময় অবিচল থাকা এই ত্যাগী নেতা দেশরত্ন শেখ হাসিনার রাষ্ট্রদর্শন বাস্তবায়ন করার জন্য যৌবনের সোনাঝরা দিন গুলি ব্যয় করেছেন মিটিং-মিছিলে, রাজপথে।

পরীক্ষিত এই ত্যাগী নেতা ঢাকা জেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের  প্রতিষ্ঠাকালীন আহবায়ক ছিলেন। পরবর্তীতে জনবান্ধন প্রিয় নেতা সেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরের বার জাতীয় সম্মেলনে সিনিয়র সহ সভাপতির দায়িত্ব পান।

খালেদা-নিজামী জোট সরকারের সময় প্রিয় দাদাকে মিথ্যা মামলায় কারাবরণ করতে হয় এবং অনেক অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে হয়। ওয়ান-এলিভেনের সময় যখন আমাদের প্রিয় নেত্রীকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয় তখন বাংলাদেশ সেচ্ছাসেবক লীগ নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন  করে।  তখন কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাসিম ভাইয়ের নির্দেশে ও নেতৃত্বে প্রিয় নেতা বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নেত্রীর মুক্তি চেয়ে পোস্টার করেন এবং গভীর রাতে সেই পোস্টার ঢাকা শহরে লাগিয়ে দেন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, পরিচ্ছন্ন, সৎ, ত্যাগী ও কর্মীবান্ধব নেতা বাবু নির্মল রঞ্জন গুহকে ১৬ নভেম্বর ২০১৯ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ আওয়ামী  সেচ্ছাসেবক লীগের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনে আমাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন।  দাদাকে সভাপতি নির্বাচিত করার মাধ্যমে দলে ত্যাগ ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

একজন নিরহংকার, সদা হাস্যোজ্জল ও কর্মীবান্ধব নেতাকে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে প্রাণপ্রিয় নেত্রী আপনাকে  অভিনন্দন।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন দোহার নবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান নির্মল রঞ্জন গুহ

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্বাচিত হলেন দোহার নবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান নির্মল রঞ্জন গুহ। এই প্রথম কোন দলীল প্রধান হলেন দোহার নবাবগঞ্জের কেউ। নিউজ৩৯ এর পক্ষ থেকে নির্মল রঞ্জন গুহ কে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।৷ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আফজাল বাবু।

শনিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের তৎকালীন সংসদ সদস্য মকবুল হোসেনকে আহ্বায়ক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রথম কমিটি গঠিত হয়। ২০০২ সালে প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাধারণ সম্পাদক হন পঙ্কজ দেবনাথ। সর্বশেষ ২০১২ সালে মোল্লা মো. আবু কাওছারকে সভাপতি ও পঙ্কজ দেবনাথকে সাধারণ সম্পাদক করে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটি প্রায় ১৭ বছর ধরে সংগঠনটির নেতৃত্বে ছিল।

রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করেন। সেখানে তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সেবার মানসিকতা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, সারাদেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে এই সেবার মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে হবে। শুধু তা-ই নয়, নিজেরাও একটা সুশৃঙ্খল জীবন-যাপন করতে হবে যাতে শিশু-কিশোরদের মাঝে সেবার মানসিকতা গড়ে ওঠে এবং তারা উদ্বুদ্ধ হয়।

মুকসুদপুর স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু

0

মুকসুদপুর সামসুদ্দিন শিকদার স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ স্যার (১৯৭২-১৯৯১)আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। ইনালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাযিউন।

মরহুমের নামাজে জানাযা সামসুদ্দিন শিকদার স্কুল মাঠে আগামীকাল সকাল ৯ টায় অনুষ্ঠিত হবে।

এই জনপ্রিয় শিক্ষানুরাগী স্যার এর মৃত্যুতে উক্ত জনপদ সহ দোহারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একইসাথে নিউজ ৩৯ পরিবারও এই শিক্ষাগুরুর মৃত্যুতে শোকাহত।

আল্লাহ ওনাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে নসীব করুন। আমরা শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাচ্ছি।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দোহার – নবাবগঞ্জের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক উৎসাহ

শনিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দোহার ও নবাবগঞ্জে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। তাদের এই উৎসাহের মূল কারণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ।

ছাত্রলীগের ধারাবাহিকতায় তৃণমূল থেকে উঠে আসা দোহার-নবাবগঞ্জের জনসাধারণের আত্মার আত্মীয় নির্মল রঞ্জন গুহ এই সম্মেলনে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মনোনীত হতে পারেন এই আশায় দোহার-নবাবগঞ্জের নেতা – কর্মিদের মাঝে ব্যাপক উদ্দ্বীপনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় অর্ধশতাধিক গাড়ীতে করে নেতা-কর্মীরা শনিবারের সম্মেলনে যোগ দিবেন।

সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক নির্মল রঞ্জন গুহ্ বলেন, আমার প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। দলের যে কোন দুরদিনে দূর্যোগে কখনো হাল ছাড়েনি। সব ধরনের দূর্যোগ মোকাবেলা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনা মেনে প্রতিটি কর্মকান্ড চালিয়েছি। ব্যক্তি স্বার্থকে কখনো বড় করে দেখেনি দলকে সবসময়ই প্রাধান্য দিয়ে কাজ করেছি। তাই সবার ভালোবাসা ও আশির্বাদ নিয়ে আগামীতে আমাকে যে দায়িত্ব অর্পণ করবে তা সততা ও নিষ্ঠার সাথে দলকে নেতৃত্বে দিয়ে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন এ নেতা।

জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভার আহবায়ক বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ্ সম্মেলনকে সফল ও স্বার্থক করার লক্ষ্যে সারাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে সভা সমাবেশ সম্পন্ন করেছেন।

দোহার নবাবগঞ্জে একাধিক বৈঠক করেছেন। এখন শুধুই অপেক্ষার পালা। সম্মেলন সফল করার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। জানা গেছে, আগামীকাল সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যে দোহার নবাবঞ্জের সকল নেতৃবৃন্দকে স্ব স্ব ইউনিয়নে উপস্থিত থেকে নির্ধারিত পরিবহনে করে ঐতিহাসিক ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাণচাঞ্চল্য করে তোলার আহবান জানানো হয়েছে।

তাই আগামীকালের সম্মেলনে ঢাকা , নারায়ণগঞ্জ , গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ মানিকগঞ্জসহ সারাদেশ থেকে প্রিয় নেতা নির্মল রঞ্জন গুহের ছবি সম্বলিত ফেষ্টুন ব্যানার প্লেকার্ড নিয়ে উপস্থিত থাকবেন সম্মেলন স্থলে।

দোহার উপজেলা যুবলীগের নতুন কমিটি গঠন উপলক্ষে পুরাতন কমিটির শূন্য পদ পূরণ

খুব শীঘ্রই দোহার উপজেলা যুবলীগের নতুন কমিটি গঠিত হতে যাচ্ছে। সেই নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সম্ভাবনাময়ী ও আগামীর নেতৃত্ব গঠনের লক্ষ্যে দোহার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের কমিটিতে থাকা শূণ্যপদ গুলো পূর্ণ করা হয়েছে। কমিটিতে থাকা বেশ কয়েকটি শূন্য পদে নতুন করে জায়গা করে নিয়েছেন কয়েকজন নেতা।

কমিটির সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক সাবেক আহবায়ক, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ মো. আলমগীর হোসেন কে।

এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সজল আশরাফ, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তিনটি শূণ্য পদে আব্দুস সালাম শুকুর, সাদ্দাম হোসেন রাজিব ও আব্দুলাহ আল মাসুম কে সংযুক্ত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের মুক্তিযোদ্ধা জমানো ভাতা দিয়ে দিলেন অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের

0

নিজের জমানো মুক্তিযোদ্ধা ভাতা অসহায় দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে সহায়তা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি দোহার, নবাবগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও শ্রীনগরের সাব-কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।

শুক্রবার সকালে ধানমন্ডির সরকারি বাসভবনে ২০ জন অসহায় দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা নগদ অর্থ সহায়তা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন থেকে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছেন, তখন থেকেই তিনি তার প্রাপ্ত ভাতা সঞ্চয় করে নির্দিষ্ট সময় পর পর তা অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিতরণ করে আসছেন।

ভাতা বিতরণের সময় মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে বার্তা আছে, সেটি বাস্তবায়িত হলে দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের দারিদ্র্যতা কিছুটা হলেও লাঘব হবে। এ লক্ষ্যে আমি সব সামর্থ্যবান মুক্তিযোদ্ধাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

তিনি আরো বলেন, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী মুক্তিযোদ্ধাদের সব সময় পিছিয়ে পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে থাকা উচিত। বাংলাদেশে অনেক সচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করে থাকেন। তারা যেন আরও সহায়তার হাত বাড়ান সেটাই আমাদের কাম্য।