জাকির হোসেন নিউজ৩৯: আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০২০ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এম,পি এর নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (গুলিস্তান,পল্টন, তোপখানা রোড, মতিঝিল, শাহবাগ) বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ এবং নৌকা মার্কায় ভোট চান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসিরুদ্দিন ঝিলু, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক উপকমিটির সদস্য সুরুজ আলম সুরুজ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোয়াজ্জেমসহ আরো অনেকে।
সালমান রহমানের নির্দেশে দোহার নবাবগঞ্জের নেতা-কর্মীরা সিটি নির্বাচনে সরব
হাতে-নাতে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীকে ধরলেন মুশফিকুর লিমনঃ এসি ল্যান্ড দিলেন অর্থদণ্ড
তৌহিদ, নিউজ৩৯ঃ দোহারে শীর্ষ দশ বালু ব্যবসায়ীর অন্যতম চঞ্চল মোল্লা। নামে দোহারের এক বালু ব্যবসায়ীকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। অবৈধ বালু ব্যবসায়ী চঞ্চল মোল্লা দোহার উপজেলার প্রভাবশালী এক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ভাতিজা। দীর্ঘদিন দোহারে পদ্মা নদী থেকে তিনি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিলেন। সোমবার গোড়াবন এলাকায় পদ্মা নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের সময় তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন দোহার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ঢাকা -১ সাংসদ সালমান এফ রহমান এমপির প্রতিনিধিত্বকারী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান লিমন।
বিষয়টি তৎক্ষনাৎ তিনি দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রকে জানান। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল থেকে চঞ্চল মোল্লাকে আটক করে উপজেলায় নিয়ে আসেন। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে চঞ্চল তার অপরাধ স্বীকার করায় তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়।
মুশফিকুর রহমান লিমন নিউজ৩৯কে বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে সালমান এফ রহমান এমপির কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। আমাদের কাছে অন্যান্য বালু ব্যবসায়ীদের তথ্য রয়েছে। তিনি বলেন, অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধে দোহারবাসীকে স্বোচ্চার হতে হবে।
দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে বালু তোলার সাথে সম্পৃক্ত কেউ ছাড় পাবে না।
উল্ল্যেখ নিউজ৩৯ অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কিছু তথ্য ঢাকা -১ সাংসদ জননেতা সালমান এফ রহমান এমপি ও তার ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়েছে।
নবাবগঞ্জের যন্ত্রাইলে ‘বর্ণমালা’ বিদ্যালয়ের নতুন শাখার উদ্বোধন
আবু নাইম, নিউজ৩৯ঃ দোহার-নবাবগঞ্জ তরুণ প্রজন্মের উদ্যোগে এবং নবাবগঞ্জ ব্লাড ডোনার্স ক্লাব এর সার্বিক সহযোগিতায় উদ্বোধন হলো যন্ত্রাইল শাখায়া ভাওয়ালিয়া ইটভাটায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য “বর্ণমালা বিদ্যালয়”। এটি বর্ণমালা বিদ্যালয়ের তয় শাখা।
শাখাটি ‘শুভ উদ্বোধন’ করেন দেওয়ান তুহিনুর রহমান (তুহিন), চেয়ারম্যান, শোল্লা ইউনিয়ন পরিষদ। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি তরুণ প্রজন্মের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা, সার্বিক সহযোগিতা এবং তরুনদের এই কার্যক্রমের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।তিনি শিশুদের শিক্ষা উপকরন বিতরণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে অতি শীঘ্রই শীতবস্ত্র প্রদান করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নবাবগঞ্জ ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্ণমালা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য তাসদীদ আহমেদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দোহার থানার ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজীব শরীফ, মনোয়ার মৃধা জনি, ওয়ালিদ, জামান, শাহ আলম, মোয়াজ, ইয়াসিন, আওলাদ, রিফাত, সজল সহ বর্ণমালার একঝাঁক তরুণ সেচ্ছাসেবক।
বর্ণমালা বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম বিজয়ের মাসে শুরু হয়ে ভাষার মাস পর্যন্ত চলমান থাকবে।
শিক্ষা হোক আনন্দ, উৎসাহ ও বুদ্ধির সংমিশ্রণ – পদ্মা সরকারি কলেজে অস্ট্রেলিয়ান প্রতিনিধি দল
তারেক রাজীব, নিউজ৩৯ঃ সোমবার দুপুর সাড়ে এগারোটায় পদ্মা সরকারি কলেজে স্নায়ু ও শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এর আয়োজক ছিলো পদ্মা সরকারি কলেজ ও সিমবায়োসিস অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি দল।
এই সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল শিক্ষা হোক আনন্দ, উৎসাহ ও বুদ্ধির সংমিশ্রণ। মানুষের মধ্যে চিন্তা শক্তিকে জাগ্রত করা, নিজের মধ্যকার সুপ্ত শক্তিকে কাজে লাগানো এবং সামাজিক গণমাধ্যম যেন ব্যাক্তিকে অসামাজিক না করে। এসব বিষয় গুরুত্ব দিয়ে পরস্পরের মধ্যে সামাজিক সম্পর্কের উন্নয়ন ও বিকাশ ঘটাতে হবে। সেমিনারে মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপস্থাপনা করেন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক মিসেস মনিক হুয়াইট, সাথে সহযোগিতায় ছিলেন রজার হোয়াইট ও সিমবায়োসিস বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ডাঃ আব্দুর রহমান পাখি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি পদ্মা কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মোঃ জালাল হোসেন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান তফিজ উদ্দিন, প্রভাষক নুরুল আমিন হাওলাদার, মশিউর রহমান,আলমগীর হোসেন, নিউজ৩৯ সম্পাদক তারেজ রাজিব, প্রভাষক নাজমুল ইসলাম, এবং এস.আই ফুল মিয়াসহ অত্র কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ ও সিমবায়োসিস বাংলাদেশের সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন প্রভাষক আলমগীর হোসেন। খাবার পরিবেশনায় ছিল পদ্মা গার্ডেন ক্যাফে। সার্বিক সহযোগিতায় ছিল পদ্মা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ।
একনজরে নবাবগঞ্জ উপজেলার জেএসসি ফলাফল
জেএসসি পরীক্ষা ২০১৯ঃ নবাবগঞ্জের বিদ্যালয়গুলোর ফলাফলঃ-
নবাবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৯১
অকৃতকার্যঃ ৩২
জিপিএ-৫ঃ ৫ জন
নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ২২৭
অকৃতকার্যঃ ৬৪
জিপিএ-৫ঃ ২ জন
কলাকোপা কে.পি.উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ২০৮
অকৃতকার্যঃ ৩৯
জিপিএ-৫ঃ ৪ জন।
বান্দুরা হলিক্রশ উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৭৮
অকৃতকার্যঃ ৬২
জিপিএ-৫ঃ ১ জন
বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৫১
অকৃতকার্যঃ ৭১
জিপিএ-৫ঃ ০
বক্সনগর উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১১৬
অকৃতকার্যঃ ৬৩
জিপিএ-৫ঃ ০
বাহ্রা ওয়াসেক মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৩১
অকৃতকার্যঃ ৫২
জিপিএ-৫ঃ ১
পি.কে.বি. উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৩৫
অকৃতকার্যঃ ২২
জিপিএ-৫ঃ ৩
দাউদপুর উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৯৩
অকৃতকার্যঃ ৪১
জিপিএ-৫ঃ ০
তাশুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৩১
অকৃতকার্যঃ ৬৪
জিপিএ-৫ঃ ০
বারুয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ২১৫
অকৃতকার্যঃ ৬১
জিপিএ-৫ঃ ১
সেন্টইউফ্রেজি’স বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
কৃতকার্যঃ ১৬২
অকৃতকার্যঃ ৪৫
জিপিএ-৫ঃ ২
বেগম হাসিবা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১২৫
অকৃতকার্যঃ ৫১
জিপিএ-৫ঃ ০
হরেকৃষ্ণ কুসুমকলি উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৮৮
অকৃতকার্যঃ ৬০
জিপিএ-৫ঃ ১
শিকারীপাড়া টি.কে.এম. উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৮৬
অকৃতকার্যঃ ৮৯
জিপিএ-৫ঃ ০
সেন্টথেকলা’স বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৪৯
অকৃতকার্যঃ ১০
জিপিএ-৫ঃ ০
ঘোষাইল উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৬৯
অকৃতকার্যঃ ৬১
জিপিএ-৫ঃ ০
তুইতাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৪৭
অকৃতকার্যঃ ১৯
জিপিএ-৫ঃ ০
খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৮৯
অকৃতকার্যঃ ২১
জিপিএ-৫ঃ ১
মহব্বতপুর উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৩১
অকৃতকার্যঃ ৩৭
জিপিএ-৫ঃ ০
তাশুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৩১
অকৃতকার্যঃ ৬৪
জিপিএ-৫ঃ ০
মহাকবি কায়কোবাদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৬৪
অকৃতকার্যঃ ৩৩
জিপিএ-৫ঃ ০
গালিমপুর সোনাবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৭০
অকৃতকার্যঃ ২৫
জিপিএ-৫ঃ ০
চুড়াইন তারিণী বামা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৯১
অকৃতকার্যঃ ৩৮
জিপিএ-৫ঃ ০
গালিমপুর রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৪৬
অকৃতকার্যঃ ১১২
জিপিএ-৫ঃ ০
আগলা চৌকিঘাটা জনমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ২১৯
অকৃতকার্যঃ ৬৮
জিপিএ-৫ঃ ০
মেলেং উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৬৭
অকৃতকার্যঃ ৩০
জিপিএ-৫ঃ ০
দুধঘাটা বালুখন্ড উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৫২
অকৃতকার্যঃ ১৫
জিপিএ-৫ঃ ০
কৈলাইল ইউনিয়ন টেকনিক্যাল উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৫৯
অকৃতকার্যঃ ৫২
জিপিএ-৫ঃ ০
এম. মহিউদ্দিন ভুইয়াঁ উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৮৯
অকৃতকার্যঃ ৩১
জিপিএ-৫ঃ ০
পাতিলঝাপ উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১১৯
অকৃতকার্যঃ ৭২
সিংহরা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৫৯
অকৃতকার্যঃ ২৬
জিপিএ-৫ঃ ০
শোল্লা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৮৮
অকৃতকার্যঃ ৫৪
জিপিএ-৫ঃ ০
আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৯৩
অকৃতকার্যঃ ৩০
জিপিএ-৫ঃ ০
মুন্সিনগর উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৫৪
অকৃতকার্যঃ ২২
জিপিএ-৫ঃ ০
বকচর তুইতাইল উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১০৬
অকৃতকার্যঃ ৭৭
জিপিএ-৫ঃ ০
উত্তর বালুখন্ড P G উচ্চ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৪
অকৃতকার্যঃ ৩০
জিপিএ-৫ঃ ০
ভাঙাভিটা সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ১৮
অকৃতকার্যঃ ০৮
জিপিএ-৫ঃ
চন্দ্রখোলা সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৩৯
অকৃতকার্যঃ ১১
জিপিএ-৫ঃ ০
বান্দুরা সরঃ বালক প্রাঃ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৬১
অকৃতকার্যঃ ৫৯
জিপিএ-৫ঃ ০
কুমারবারিল্লা সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ২১
অকৃতকার্যঃ ৫
জিপিএ-৫ঃ ০
কবি নজরুল জুনিয়র সেকেন্ডারি স্কুল
কৃতকার্যঃ ৭৭
অকৃতকার্যঃ ৬৯
জিপিএ-৫ঃ ০
গোবিন্দপুর সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়
কৃতকার্যঃ ৪৩
অকৃতকার্যঃ ০৬
জিপিএ-৫ঃ ০
২০১৯ সালে আমারা যাদেরকে হারালাম
চলতি বছর সংস্কৃতি অঙ্গন হারিয়েছে অবদান রাখা বেশ ক’জন কৃতী ব্যক্তিত্বকে। এক সময় যারা তাদের প্রতিভার আলোয় আলোকিত করেছে শিল্পাঙ্গন। তারা আজ চিরদিনের জন্য পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।
* বছরের শুরুতেই ৫ জানুয়ারি পরলোক গমন করেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’-এর প্রযোজক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইফতেখারুল আলম।
* ২২ জানুয়ারি পৃথিবী ত্যাগ করেন মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।
* ৬ ফেব্রুয়ারি না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক আওলাদ হোসেন চাকলাদার।
* ১৫ ফেব্রুয়ারি মারা যান বাংলার আধুনিক কবি আল মাহমুদ।
* ১৬ ফেব্রুয়ারি মারা যান চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কনিকা মজুমদার।
* বাংলাদেশের সুস্থধারার চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ মহম্মদ খসরু পরপারে চলে যান ১৯ ফেব্রুয়ারি।
* ১১ মার্চ না ফেরার দেশে চলে যান চলচ্চিত্র নির্মাতা সাইফুল আজম কাশেম।
* ১৭ মার্চ চিত্রপরিচালক শাহেদ চৌধুরী পরলোক গমন করেন।
* ২৪ মার্চ দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী শাহনাজ রহমতউল্লাহ মারা যান।
* ৬ এপ্রিল চলে যান চলচ্চিত্রের অত্যন্ত শক্তিশালী ও জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদ।
* ১৯ এপ্রিল মারা যান চিত্রপরিচালক হাসিবুল ইসলাম মিজান।
* ২৪ এপ্রিল পরলোক গমন করেন নাটকের জনপ্রিয় মুখ সালেহ আহমেদ।
* ২০ এপ্রিল মারা যান লোকগানের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী অমর পাল।
* ২৯ এপ্রিল মারা যান প্রখ্যাত কৌতুকাভিনেতা আনিসুর রহমান আনিস।
* ৭ মে মারা যান একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী।
* ৮ মে মারা যান অভিনেত্রী তমা খান।
* ১৯ মে মারা যান চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মায়া ঘোষ।
* নজরুলসঙ্গীতের বরেণ্য শিল্পী, গবেষক, স্বরলিপিকার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সঙ্গীতগুরু খালিদ হোসেন ২২ মে মারা যান।
* ২ জুন মারা যান প্রখ্যাত নাট্যকার, নির্দেশক, অভিনেতা ও ভাষাসৈনিক মমতাজউদদীন আহমদ।
* ২ জুন চলচ্চিত্র পরিচালক নাজমুল হুদা মিন্টু মারা যান।
* চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক খলিলুর রহমান বাবর মারা যান ২৬ আগস্ট।
* ৫ সেপ্টেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক পারভেজ রব নিহত হন।
* ১৯ অক্টোবর চলচ্চিত্র নির্মাতা মুহাম্মদ জাকির খান মারা যান।
* ২৫ অক্টোবর, অভিনেতা, নাট্য পরিচালক হুমায়ুন সাধু মারা যান।
* ২৩ নভেম্বর মারা যান অভিনেতা কালা আজিজ।
* ৫ ডিসেম্বর মারা যান অভিনেত্রী সূচনা ডলি।
* ৬ ডিসেম্বর দশবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া বরেণ্য চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান পরলোক গমন করেন।
* ১৫ ডিসেম্বর মারা যান গায়ক ও সঙ্গীতপরিচালক পৃথ্বিরাজ।
সাদেক হোসেন খোকা
অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা ৪ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। খোকা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছিলেন গেরিলা যোদ্ধা। তিনি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে (ন্যাপ) যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে পা রাখেন। ২০০২ সালে তিনি ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি প্রায় ৯ বছর ধরে এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এইচ এম এরশাদ
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ ১৪ জুলাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জাতীয় পার্টির প্রধান ও সাবেক সেনাশাসকের ঘটনাবহুল জীবনের সমাপ্তি ঘটে।
১৯৮২ সালে সেনাপ্রধান থাকাকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেন এরশাদ। পরে তিনি জাতীয় পার্টি গঠন করেন এবং ১৯৮৬ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জয়লাভ করেন। পরে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী প্রবল গণআন্দোলনের মুখে এরশাদ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।
দোহারে রঙিন বইয়ের উৎসবে মাতোয়ারা শিক্ষার্থীরা
জোবায়ের শরিফ, নিউজ৩৯ঃ সারাদেশের মত ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বই উৎসব পালন কারা হয়। সে সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বছরের রঙিন বই তুলে দেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন। সে সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লিয়াকত হোসেন, জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম খালেক, সাবেক ছাত্রনেতা সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ ও সুরুজ আলম সুরুজ সহ আরও অনেকে।
এরপরে দোহারের স্কুল এন্ড কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই উৎসবে যোগ দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
ওবায়দুল কাদেরের সাথে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পুনঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জননেতা ওবায়দুল কাদেরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু। এ সময় তারা তারা ওবায়দুল কাদেরকে ফুলেল শুভেচছা জানান।
নির্মল রঞ্জন গুহ এ সময় দলের সকল নির্দেশনা মেনে নেত্রীর আস্থাশীল হয়ে চলার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।
বড়দিন উপলক্ষে নবাবগঞ্জের গীর্জায় গীর্জায় সালমান এফ রহমানের শুভেচ্ছা উপহার
বড়দিন উপলক্ষে ঢাকা ০১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সালমান এফ রহমানের পক্ষ থেকে কেক ও ফুল দিয়ে বিভিন্ন গির্জায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তার প্রতিনিধি ইফতেখার আহম্মেদ রিদয় ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দীন মঞ্জু, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ।
এ সময় তারা বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সকলের সাথে কুশল বিনিময়, শুভেচ্ছা জানান। নিরাপত্তাসহ সকল ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
বড়দিন উপলক্ষে রঙিন দোহার-নবাবগঞ্জের খ্রিস্টান পল্লী
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বুধবার পালিত হচ্ছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারীরা যিশু খ্রিস্টের এই জন্মতিথি উদযাপন করেছে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা খুব বেশি নয়। তারপরেও খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সাধারণ পরিবারগুলো কিভাবে উদযাপন করেছ এই উৎসব? সেটি দেখতে ঢাকার কাছে নবাবগঞ্জের বান্দুরায় গিয়ে দেখা যায়।
বড়দিন উপলক্ষে বাড়িতে বাড়িতে ঢোল আর গানবাজনাই জানান দিচ্ছে যে এখানকার খ্রিস্টান পরিবারগুলোতে উৎসব চলছে। তবে বড়দিন উদযাপনের সূচনা হয়েছিলো আসলে রোববার মধ্যরাতে, গীর্জা ও উপাসনালয়ে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে।
১৭৭০ খ্রিষ্টব্দের দিকে ফাদার রাফায়েল গমেজ নামক একজন ধর্মযাজক ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এই অঞ্চলে আগমন করেন। ১৭৭৪ খ্রিষ্টব্দে হাসনাবাদ ধর্মপল্লী প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৭৭৭ খ্রিষ্টব্দে পর্তুগীজ আমলে হাসনাবাদ পবিত্র জপমালা রাণীর নামে প্রথম গীর্জার ঘরটি নির্মিত হয়। যার বেদীর অংশটুকু ছিল পাকা িএবং বাকী অংশ কাঁচা। এর চাল শন ও হোগলার ছাউনি এবং বেড়া ছিল বাাঁশের। পরবর্তী সময়ে ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে মাননীয় ফাদার ব্রিটোর সময়ে বর্তমান পাকা গীর্জাটি নির্মিত হয়।
বান্দুরার হাসনাবাদ গীর্জার ফাদার ম্যাক্সওয়েল আলেকজান্ডার টমাস বলছেন, এবারের বড়দিনে তার গীর্জায় প্রার্থনায় অংশ নিয়েছে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রায় আড়াই হাজার মানুষ।
তিনি বলেন, “এবার খুব শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠান করছি। সবাই মিলে কীর্তন করেছি। নাচ গান করেছি। শান্তিপূর্ণভাবে জীবন যাপন করতে চাই সেজন্য প্রার্থনা করেছি।”
তথ্য অনুযায়ী এই বান্দুরা এলাকায় সাতটি গ্রামে সাড়ে তিন হাজার খ্রিস্টান রয়েছে। এছাড়া মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থেকে শুরু করে নবাবগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ১৮টি গ্রাম রয়েছে খ্রিস্টানদের।
খ্রিস্টান একটি পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলার সময় পরিবারটির একজন সদস্য রাজু গোমেজ বলেন, সকালে গীর্জা থেকে এসে কেক ও পিঠা খাই। আত্মীয়স্বজন আসে এবং তাদের নিয়ে খুব মজা হয়।
তিনি বলেন, “ঘর সুন্দর করে সাজাই, ক্রিসমাস ট্রি সাজাই, আত্মীয়স্বজন সবাই একসাথে হয়ে উৎসব পালন করি।”
উৎসবের এ আমেজ দেখা যাচ্ছিলো প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই,অনেককেই দেখা গেছে নতুন জামা কাপড় পরে প্রতিবেশীদের বাড়ি যাচ্ছেন, কেউবা উৎসব করছেন নিজ বাড়ির আঙ্গিনাতেই। রাস্তার পাশে অনেকে পসরা সাজিয়েছেন মেলার মতো করে।
এ আনন্দ উদযাপন যাতে নির্বিঘ্নেই হয় সেজন্য প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। বড়দিনের আগের দিন গীর্জায় গীর্জায় সাংসদ সালমান এফ রহমানের পক্ষ থেকে ফুল, কেক ও শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়েছে।
উৎসব আর আমেজে ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার আঠার গ্রামের খ্রিস্টান পল্লীর বাড়িতে বাড়িতে চলছে সাজসজ্জা। অতিথিদের নিমন্ত্রণ করা হচ্ছে মোবাইল ম্যাসেজ, কার্ডসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। বড়দিনে শুধু খ্রিস্টান সম্প্রদায় নয়, ওইসব এলাকার হিন্দু ও মুসলিম পরিবারগুলোকেও দাওয়াত করতে ভুল করছেন না তারা। অতিথি আপ্যায়নে কোনো ত্রুটি না রাখতে বাড়ি বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে রকমারি পিঠাপুলি। তবে বড়দিনের অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নে কেকই প্রাধান্য দেয়া হয়। প্রতিটি বাড়ির সামনে সাজানো হচ্ছে ক্রিসমাস ট্রি। শিশুদের বন্ধু হিসেবে পরিচিত সান্তাক্লজের উপহার পেতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে শিশুরা। অপেক্ষার দিনক্ষণ শেষ হতে হাতে বেশি সময় না থাকলেও মহাব্যস্ত এ এলাকার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পরিবারগুলো।
সরেজমিন দেখা যায়, দোহার-নবাবগঞ্জের গ্রামের গির্জা ও উপধর্মপল্লীগুলোকে সাজানো হচ্ছে ঝলমলে আলোকসজ্জায়। দোহারের ইকরাশী উপধর্মপল্লী, নবাবগঞ্জের সোনাবাজু উপধর্মপল্লী, হাসনাবাদ জপমালা রানীর গির্জা, সাধু ফ্রান্সিস জেভিয়ার গোল্লা গির্জা, তুইতাল গির্জা।
অন্যদিকে, বড়দিন উপলক্ষে নবাবগঞ্জের বান্দুরা বাজারে তৈরি পোশাক মার্কেটগুলোতে ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় জমে উঠেছে।
দোহারের ঈমামনগর গ্রামের জন গমেজ জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বড়দিন পালনের প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতিমধ্যে নতুন পোশাক কেনা হয়ে গেছে। এলাকার হিন্দু, মুসলমানদেরও দাওয়াত করেছি।
খ্রিস্টান অধ্যুষিত বান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিল্লাল মিয়া জানান, বান্দুরা ইউনিয়নে মুসলমান, হিন্দু ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বসবাস। আমরা অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে বসবাস করছি। বড়দিন এলে এই এলাকা সব সম্প্রদায়ের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
নবাবগঞ্জের হাসনাবাদ গির্জার প্যারিস কমিটির সহ-সভাপতি সেলেস্টিন রোজারিও জানান, নবাবগঞ্জ ও দোহারের আঠার গ্রামের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মূল কেন্দ্র হাসনাবাদ জপমালা রানীর গির্জা। সাত গ্রামের মূল অনুষ্ঠান হাসনাবাদে হয়ে থাকে। ২৪ ডিসেম্বর রাত থেকে আমাদের ধর্মীয় আচার শুরু হবে।
হাসনাবাদ জপমালা রানীর গির্জার ফাদার ম্যাক্সওয়েল জানান, নবরাজ খ্রিস্টকে গ্রহণ করতে বড়দিনের ৯ দিন আগে থেকে নভেনা খ্রিস্ট যাগ বা পাপস্বীকার পর্ব চলছে। দোহার, নবাবগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার প্রায় তিন হাজার পরিবার উৎসব পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল বলেন, গির্জা ও এর আশপাশে সর্বাত্মক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ইতিমধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য চাওয়া হয়েছে।
নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জু বলেন, বড়দিন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের বিশেষ টিম মাঠে থাকবে।
