জোবায়ের শরিফঃ দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারের কাঠ ও ফার্নিচার পট্টিতে বুধবার ভোর ৫টায় আগুন লাগে। বাজার মসজিদের মাইকের আহবানে সাড়া দিয়ে ঘটনাস্থলে শত শত জনসাধারণ ও ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর কাজে অংশ দিলে রক্ষা পায় প্রায় শত কোটি টাকার সম্পত্তির কাঠ, ফার্নিচার ও স’মিল। তাতক্ষণিক ক্ষতির পরিমাণ অর্ধ কোটি টাকা। ৬টি দোকান সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়। তবে কেউ হতাহত হয়নি।
স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম টিপু নিউজ৩৯ কে বলেন, কাঠ বাজারের পশ্চিম পাশে মওলা স’মিলের সাথের মোস্তফার চা’য়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে আমাদের ধারণা। আগুন লাগার স্থানটি ফার্নিচার কারখানা, স্পিরিট কেমিক্যাল ও স’মিলের গুদাম। আমরা সবাই মসজিদের মাইকের আহবানে জানতে পেরে দ্রুত উপস্থিত হই এবং যে যার মতো পানি নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
জয়পাড়া বাজারে পানির উৎস নেই, কল ছাড়া আর বড় কোন রাস্তা না থাকার কারনে ফায়ার সার্ভিসের আগুন নিভাতে অনেক সমস্যা ও কষ্ট করতে হয়েছে। এছাড়া পরে তাদেরকে নদী থেকে পানি টানতে হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকতা হক নিউজ৩৯কে জানান, যে আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথে চলে আসি আর সে সময় থেকে আমরা আগুন নিভানোর কাজ শুরু করি আর আমাদের আগুন নেভাতে অনেক ধরনে সমস্যা হয় এর মধ্যে অন্যতম হল রাস্তা বড় নয় আর পানির কোন উৎস নেই আর নদীর পাশ দিয়ে যে রাস্তাটি আছে সে টি দিয়ে আমরা গাড়ি টুকাতে পারলে আরো কম ক্ষয়ক্ষতি হত।
সেখান দিয়ে কাঠ ব্যবসায়ীরা গাছ ফেলে রেখে রাস্তাটি বন্ধ করে রেখেছে সে জন্য আমরা ওখান দিয়ে টুকতে পারি নাই আর আমাদের গাড়িতে পানি থাকে ২০০০ লিটার আর রাস্তা বড় হওয়া করনে পানি গাড়ি থেকে আসতে আসতে দ্রুত নিভানোর সম্ভব হয় নাই আমরা ৬ঃ ৪০ আগুন নিভাতে সক্ষম হই আর এখানে ৪টি দোকানের ক্ষতি হয় এতে কেউ হতাহত হয় নাই। খতির পরিমান এখন আমরা বলতে পারতেছিনা আর আমাদের প্রাথমিক ধারনা এই অগ্নিকান্ড বিদ্যুৎ এর শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছে আমরা তদন্ত করবো তারপর সঠিকটা বলতে পারবো।
জয়পাড়া বাজার মসজিদ মোয়াজ্জেম মাওলানা শহিদুল ইসলাম নিউজ৩৯ কে জানায়, আগুন লাগার সাথে সাথে ইমাম হান্নান সাহেব ফোন দেয় যে, জয়পাড়া বাজারে কাঠপট্টিটে আগুন লেগেছে; তাড়াতাড়ি মাইকে বলে সাহায্যের আহবান জানান।
ঘটনাস্থলে জনসাধারণ ছাড়াও দোহার উপজেলা প্রশাসন, দোহার থানা পুলিশ, ফায়ারসার্ভিসের একটি ইউনিট, আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ সরাসরি উপস্থিত থেকে আগুন নেভাতে ও চুরি রোধে সহায়তা করেন।
জয়পাড়া বাজারে আগুনঃ মসজিদের আহবানে রক্ষা পেলো শত কোটি টাকার সম্পত্তি
জয়পাড়া বাজারে আগুনঃ মসজিদের আহবানে রক্ষা পেলো শত কোটি টাকার সম্পত্তি
জোবায়ের শরিফঃ দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারের কাঠ ও ফার্নিচার পট্টিতে বুধবার ভোর ৫টায় আগুন লাগে। বাজার মসজিদের মাইকের আহবানে সাড়া দিয়ে ঘটনাস্থলে শত শত জনসাধারণ ও ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভানোর কাজে অংশ দিলে রক্ষা পায় প্রায় শত কোটি টাকার সম্পত্তির কাঠ, ফার্নিচার ও স’মিল। তাতক্ষণিক ক্ষতির পরিমাণ অর্ধ কোটি টাকা। ৬টি দোকান সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়। তবে কেউ হতাহত হয়নি।
স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম টিপু নিউজ৩৯ কে বলেন, কাঠ বাজারের পশ্চিম পাশে মওলা স’মিলের সাথের মোস্তফার চা’য়ের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে আমাদের ধারণা। আগুন লাগার স্থানটি ফার্নিচার কারখানা, স্পিরিট কেমিক্যাল ও স’মিলের গুদাম। আমরা সবাই মসজিদের মাইকের আহবানে জানতে পেরে দ্রুত উপস্থিত হই এবং যে যার মতো পানি নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
জয়পাড়া বাজারে পানির উৎস নেই, কল ছাড়া আর বড় কোন রাস্তা না থাকার কারনে ফায়ার সার্ভিসের আগুন নিভাতে অনেক সমস্যা ও কষ্ট করতে হয়েছে। এছাড়া পরে তাদেরকে নদী থেকে পানি টানতে হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকতা হক নিউজ৩৯কে জানান, যে আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথে চলে আসি আর সে সময় থেকে আমরা আগুন নিভানোর কাজ শুরু করি আর আমাদের আগুন নেভাতে অনেক ধরনে সমস্যা হয় এর মধ্যে অন্যতম হল রাস্তা বড় নয় আর পানির কোন উৎস নেই আর নদীর পাশ দিয়ে যে রাস্তাটি আছে সে টি দিয়ে আমরা গাড়ি টুকাতে পারলে আরো কম ক্ষয়ক্ষতি হত।
সেখান দিয়ে কাঠ ব্যবসায়ীরা গাছ ফেলে রেখে রাস্তাটি বন্ধ করে রেখেছে সে জন্য আমরা ওখান দিয়ে টুকতে পারি নাই আর আমাদের গাড়িতে পানি থাকে ২০০০ লিটার আর রাস্তা বড় হওয়া করনে পানি গাড়ি থেকে আসতে আসতে দ্রুত নিভানোর সম্ভব হয় নাই আমরা ৬ঃ ৪০ আগুন নিভাতে সক্ষম হই আর এখানে ৪টি দোকানের ক্ষতি হয় এতে কেউ হতাহত হয় নাই। খতির পরিমান এখন আমরা বলতে পারতেছিনা আর আমাদের প্রাথমিক ধারনা এই অগ্নিকান্ড বিদ্যুৎ এর শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছে আমরা তদন্ত করবো তারপর সঠিকটা বলতে পারবো।
জয়পাড়া বাজার মসজিদ মোয়াজ্জেম মাওলানা শহিদুল ইসলাম নিউজ৩৯ কে জানায়, আগুন লাগার সাথে সাথে ইমাম হান্নান সাহেব ফোন দেয় যে, জয়পাড়া বাজারে কাঠপট্টিটে আগুন লেগেছে; তাড়াতাড়ি মাইকে বলে সাহায্যের আহবান জানান।
ঘটনাস্থলে জনসাধারণ ছাড়াও দোহার উপজেলা প্রশাসন, দোহার থানা পুলিশ, ফায়ারসার্ভিসের একটি ইউনিট, আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ সরাসরি উপস্থিত থেকে আগুন নেভাতে ও চুরি রোধে সহায়তা করেন।
কার্তিকপুরে মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় যুবক নিহত
ঢাকার জেলার দোহার উপজেলার কার্তিকপুর বাজারের কাছে ইজিবাইকের সাথে সংঘর্ষে নাঈম (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। নাঈম দোহার উপজেলার শিলাকোঠা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।
নিহত নাইমের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ফুফাত ভাই আবিরকে নিয়ে নাঈম মোটর সাইকেলে দোহার যাওয়ার পথে কার্তিকপুর কালিমন্দিরের সামনে পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা ইজিবাইকের সাথে মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় মোটর সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি বৈদ্যুতিক খামের উপর ছিটকে পড়লে নাঈম গুরুত্বর আহত হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার আহত আবিরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
দোহার থানার ওসি (তদন্ত) আরাফাত হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার ব্যাপারটি আমরা অবগত। নিহতের পরিবারের সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর নির্মাণে কাজ করছেন সালমান এফ রহমান
তারেক রাজীব, নিউজ৩৯ঃ মুন্সীগঞ্জ – দোহার সীমান্তের আড়িয়াল বিলে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে কাজ করছেন ঢাকা -১ আসনের সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
এই ব্যাপারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, ‘বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য আমরা কিছু জায়গা বাছাই করে রেডি (প্রস্তুত) রেখেছি। পদ্মার ওপারে শিবচরের চরজানাজাতও ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এত লোক উচ্ছেদ করে আমি বিমানবন্দর করব না।’
তিনি বলেন, ‘প্রথমে যে স্থান অর্থাৎ আড়িয়াল বিল ঠিক করেছিলাম, সেখানেই এখন চেষ্টা চলছে। আর সেখানকার লোকজনও স্বেচ্ছায় জমি দিতে চাচ্ছেন। এখন আমরা কোথাও কিছু করলে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে, তাদের মতামতের ভিত্তিতেই করব।’
‘আমরা আড়িয়ল বিল নিয়ে চিন্তা করছি। কিন্তু এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন প্রয়োজন। আশা করছি উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন আদায় করতে সমর্থ হবেন।’
সিনিয়র সচিব আরও বলেন, ‘(আড়িয়ল বিল এলাকার) স্থানীয়রা এখন মিছিল-মিটিং করছেন। তারা বলছেন, আমাদের এখানে করেন। স্মারকলিপিও দিয়ে গেছেন।’
বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আড়িয়ল বিলে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান কাজ করছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বোঝাচ্ছেন। আগে বিমানবন্দর করতে না দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী কষ্ট পেয়েছেন, তাই তিনি এখন রাজি হচ্ছেন না। প্রধানমন্ত্রী এখন বলছেন, তারা একবার না করে দিয়েছে, করতে দেয়নি। এখন চাইছে, দেব না। শিল্প উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীকে নরম করার চেষ্টা করছেন। যেহেতু এলাকাবাসী এখন জমি দিতে সম্মত এবং তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে, তাই ঢাকা -১ সাংসদ, সালমান এফ রহমান আশা করা যায় প্রধানমন্ত্রীকে বোঝাতে এবং বিমানবন্দর আদায় করতে সম্মত হবেন।’
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই একটি সর্বাধুনিক বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়, যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি হবে আঞ্চলিক সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এর নাম ঠিক করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। কিন্তু নানা জটিলতায় বিমানবন্দর নির্মাণে এখনও উপযুক্ত একটি স্থানই নির্বাচন করা যায়নি।
আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর পিপিপি প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়ন হবে। এতে ২৫ হাজার একর জমি ও ৫০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।
সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে কুসুমহাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের মিছিল
নিউজ৩৯, জোবায়ের শরিফঃ দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রিমান্ডে নেয়ার প্রতিবাদে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ কোন মিছিল না করলেও, কুসুমহাটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ এক প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করে। এই বিক্ষোভ মিছিলটি কার্তিকপুর ব্রিজ থেকে শুরু হয়ে কার্তিকপুর বাজার ঘুরে সেখানে শেষ হয়।
মিছিলের নেতৃত্ব দেন দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক আক্তার উজ্জামান, যুবলীগ যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মামুন খান এবং লিটন খান। তাদের দাবি আমিনুল ইসলামকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে মামলাঃ ছাত্রলীগের প্রতিবাদ
নিউজ৩৯ঃ দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দোহার উপজেলা প্রশাসনের প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহ। জানা গেছে, ঠিকাদারি কাজের বিষয়ের বচসা থেকে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহ দোহার ছাত্রলীগ ও এর সভাপতিকে নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করায়, উপস্থিত ছাত্রলীগের এক কর্মী তার দিকে ক্যালকুলেটর ছুড়ে মারেন; এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কবির উদ্দিন শাহ তার বিরুদ্ধে দোহার থানায় মামলা করেন৷
এই মামলা কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে দ্রুত মামলা প্রত্যাহার ও কবিরউদ্দিন শাহএর অপসারণ দাবি করেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ।
প্রেস রিলিজে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের দাবী –
দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সভাপতি আমিনুল ইসলামের বড় ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে একটি স্কুলের নির্মাণ কাজ চলছে। সেই কাজ বাবদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অজুহাতে বিভিন্ন অংকের টাকা নিয়েছে উপজেলা প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহ। ভবনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এখন ছাদ ঢালাই জন্য দীর্ঘদিন ইঞ্জিনিয়ার কাজের প্রক্রিয়া নানা অজুহাতে ঝুলিয়ে রেখেছেন কবির উদ্দিন শাহ। এখন সেই ইঞ্জিনিয়ার কাজ শেষ করার পূর্বে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে ছাদ ঢালাই এর জন্য। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ সভাপতিকে টাকার জন্য ফোনে গালিগাল করে এবং টাকা নিয়ে অফিসে আসতে বলে। ছাত্রলীগ সভাপতি অফিসে এসে বলে, আমার বড় ভাই তো শতভাগ মান অক্ষুণ্ণ রেখে কাজ করতেছে এখন আপনাকে বার বার টাকা দিবে কেন? আর ছাত্রলীগের একজন কর্মি হিসাবে আমি আর টাকা দিবো না৷
তখন দোহার উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন এইরকম “বালের ছাত্রলীগ” আমার অনেক দেখা আছে।
এসব বলে লাভ হবে না।
ঘটনার সময় ছাত্রলীগ সভাপতির সাথে ছাত্রলীগের উপস্থিত নেতাকর্মীরা ছিলো। এসময় ছাত্রলীগের এক কর্মী ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ক্যালকুলেটর ছুড়ে মারে।
আর এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইঞ্জিনিয়ার কবীর উদ্দিন শাহ নির্দোষ ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে অনভিপ্রেতভাবে মামলা দায়ের করে।
এই মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে দোহার উপজেলা থেকে কবির উদ্দিন শাহ এর অপসারণ চাই৷
– বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, দোহার উপজেলা।
দোহার উপজেলা প্রকৌশলীকে পেটানোর অভিযোগ উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক: দোহার উপজেলার প্রশাসনের নির্বাহী প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহকে নিজ অফিস কক্ষে ঢুকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দোহার থানায় মামলা করেছেন কবির উদ্দন শাহ্। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
মামলায় কবির খান শাহ উল্ল্যেখ করেছেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজের প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম ও প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহর অফিস কক্ষে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও তার কর্মিরা চড়াও হয় এবং তাকে পিটিয়ে আহত করে এবং অফিস কক্ষের প্রায় সাড়ে নয় হাজার টাকার মালামাল ক্ষতি সাধন করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
কবির উদ্দিন শাহ অভিযোগ করেণ, আমিনুল ও তার সহযোগীরা টেবিলের গ্লাসসহ কিছু জিনিসপত্র ভেঙে ফেলে।
এ ঘটনায় রবিবার সন্ধায় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে দোহার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, কার্তিকপুর একটি স্কুলের ভবনের ঢালাই কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এর ছারপত্র চাইলে প্রকৌশলী কবির উদ্দিন শাহ্ আমার কাছে ঘুষ দাবি করেন। ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় আমার সাথে তার সাথে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে সে ছাত্রলীগকে নিয়ে গালিগালাজ করলে আমার সাথে থাকা এক কর্মী তাকে ক্যালকুলেটার ছুড়ে মারে।
দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার কবির উদ্দিন শাহ মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনা ষড়যন্ত্র মূলক আখ্যায়িত দিয়ে, অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার ও ইঞ্জিনিয়ার কবির উদ্দিন শাহকে অপসারন দাবী করেছে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগ।
দোহারের মৈনটঘাট থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ এক জন আটক
নিউজ৩৯, ডেস্কঃ দোহার থানা পুলিশের বরাত থেকে জানা যায়, ২রা ফেব্রুয়ারী রোববার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ সাজ্জাদ হোসেন এবং ওসি তদন্ত মো. আরাফাতের নেতৃত্বে মাহমুদপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো.শাহ আলম, এসআই মো. মনিরুজ্জামান এবং এএসআই দিনেশ ঘোষ সহ পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে মৈনটঘাট থেকে ৩০০০(তিন হাজার) পিস ইয়াবাসহ জহর আলী নামক এক ব্যাক্তিকে আটক করে।
আটককৃত জহর আলী গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার দিকনগড় ইউনিয়নের ছদ্দি গ্রামের আনারউদ্দিনের ছেলে।
দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহারের মৈনট ঘাট থেকে স্পিডবোট যোগে গোপালগঞ্জে যাবার সময় তাকে আটক করা হয়।
সালমান এফ রহমানের হুশিয়ারিকে বৃদ্ধাংগুলিঃ যাত্রার শুরুতেই বিআরটিসি কে ধাক্কা
নিউজ৩৯ঃ দোহার নবাবগঞ্জের পরিবহন খাতের নৈরাজ্য নিরসনের জন্য বান্দুরা-ঢাকা এবং বাহ্রাঘাট – ঢাকা বিআরটিসি বাস সার্ভিস একক উদ্যোগে চালু করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ঢাকা -১ সাংসদ সালমান এফ রহমান । ২৫ জানুয়ারি তিনি বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন। কিন্তু এরপর দোহারে এবং নবাবগঞ্জের পরিবহন সিণ্ডিকেটরা উঠে পড়ে লেগেছে এই সার্ভিস বন্ধ ও অজনপ্রিয় করতে। সালমান এফ রহমান এমপি সেদিন বলেছিলেন, বিআরটিসি বাস সার্ভিসকে নিয়ে কেউ অপচেষ্টা করলে, প্রশাসন তা কঠোর ভাবে দমন করবে। কিন্তু তার সেই হুশিয়ারিকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে নবাবগঞ্জের নার্গিস মল্লিক তথা এন মল্লিক দুর্দান্ত সাহস দেখিয়েছে। আর দোহারে আরাম-নগরের সেই সাইড না দিয়ে যাত্রা অব্যাহত রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত থেকে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৮:০০ টায় বান্দুরা থেকে BRTC এর একটি বাস যাত্রা শুরু করে ঢাকার উদ্দেশ্যে। বাসটি নবাবগঞ্জে যাওয়ার পরই সামনে পড়ে এন মল্লিক বাস পুলের একটি বাস। শুরু হয় হয়রানি। সামনে কোন গাড়ির জ্যাম না থাকলেও এন মল্লিক আর এগোয় না। দোহার থেকে আসা জয়পাড়া পরিবহন ও নবাবগঞ্জের দ্রুতি পরিবহনের অনেকগুলো বাসকে টিকিরপুরে সাইড দিয়ে ছেড়ে দেয় এন মল্লিক। কিন্তু বিধি বাম। BRTC কে যেন কোনভাবেই রাস্তায় সাইড দেয়া যাবে না, এব্যাপারে এন মল্লিকের বাস চালক যেন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই অবস্থায় BRTC যখন বেনুখালি ও খাড়শুরের মাঝ বরাবর রাস্তায় ঠিক তখনই এন মল্লিক বাসটি সামনে যাওয়ার জন্য সাইড দেয় BRTC বাসকে। BRTC যেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেই মুহূর্তে এন মল্লিক রাস্তার সামনে এসে BRTC বাসকে ধাক্কা মারে আর রাস্তা থেকে ছিটকে যায় BRTC. অল্পের জন্য যাত্রীরা বড় দূর্ঘটনার থেকে বেঁচে যায়।
শামীম শিপলু নামে কাচারিঘাটের এক যাত্রী নিউজ৩৯কে বলেন, আমরা এত কষ্ট করে কাজের জন্যই ঢাকা যাই। সময় মত যদি কাজের জায়গায় পৌঁছাতে না পাড়ি তবে কেমন লাগে বলেন? যেখানে দুই ঘণ্টার পৌঁছে যাওয়ার কথা সেখানে যদি চার ঘণ্টা লাগে তাতেই বা কেমন লাগে?
তিনি আরো বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই এন মল্লিক যে কাজটা গতকাল করলো সেটা কি ঠিক করেছে?এতে যদি গাড়িটি খাদে পড়ে অর্ধশতাধিক মানুষের প্রাণহানি হতো তবে এর দায়ভার কে নিতো….??????এই প্রশ্নের উত্তরটা চেয়ে গেলাম…এন মল্লিক যে অমানবিক কাজ গতকাল করলো তার সুষ্ঠু বিচার হবে কিনা জানি না। তবে চাইবো সাংসদ বা প্রশাসন যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।
হকার থেকে হঠাৎ পীর, নুরুল্লাহপুর ফকিরবাড়ীর মুরিদ আসেদ চান
হকার থেকে হঠাৎ পীর, নুরুল্লাহপুর ফকিরবাড়ীর মুরিদ আসেদ চান ক্রেডিট,আরটিভি অনলাইনঃ দশ বছর আগেও রিকশা চালিয়ে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের সফি কাজির মোড় মেহের আলী মাদবরকান্দি গ্রামের মরু মোল্লার ছেলে আসেদ চাঁন মোল্লা (৩০)। পরে ঢাকার দোহার নূরুল্লাহ্পুর পাক দরবার শরিফে মুরিদ হয়ে নাম পরিবর্তন করে নিজে পীর সেজে এখন নাম রেখেছেন ফকির হযরত শাহ্ আসেদ চাঁন ফকির পাগলা। এক সময় তিনি দোচালা টিনের ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। এখন পীর হয়ে চিকিৎসা দেয়ার নামে তাবিজ-কবজ দিয়ে সাধারণ মানুষের কাজ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল দুটি মাজার শরিফ। সেই মাজারে বিভিন্ন জেলা থেকে মুরিদানরা ও এলাকার কিছু খেটে খাওয়া স্বল্প শিক্ষিত সাধারণ লোকজন এসে আসেদ চাঁন ফকিরের পায়ে সেজদা দেয়। শুধু তাই নয় পীর হয়ে নারী-পুরুষদের নিয়ে রাত জেগে মাদক ও বিভিন্ন নেশাজাত দ্রব্য সেবন করে এবং নাচগান করে থাকে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আসেদ চাঁন ফকিরের এসব কার্যকলাপের বেশকিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় জাজিরা বিলাসপুর এলাকাবাসী গতকাল সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত জাজিরা উপজেলা শহীদ মিনার চত্বরে পীর আসেদ চাঁন ফকিরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধ করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে। মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, তথাকথিত ভণ্ড পীর আসেদ চাঁন ফকির। তিনি কয়েক বছর আগে এলাকায় রিকশা চালিয়ে হকারি করে কাঁচামালের ব্যবসা করত। কিছু ভণ্ড লোকের প্ররোচণায় প্রথমে ফকিরের বেশ, পরে ভণ্ড পীর হয়েছেন তিনি। আস্তানা করে কিছু সহজ-সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে টাকা আদায় করছেন। ওরশের নামে নারী-পুরুষদের দিয়ে রাতভর নাচানাচি করায়। শুধু তাই নয় তার আস্তানায় মাদকসেবন ও মাদক বিক্রি হচ্ছে। এই কারণে সমাজের যুবকরা কুসংস্কার ও ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই ভণ্ড পীর আসেদ চাঁন ফকিরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধ করার দাবি জানান। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আসেদ চাঁন ফকির পাগলার বড় ভাই খোরশেদ আলম আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমরা মুসলমান। ইসলামবিরোধী কোনও কাজ করি না। এলাকার এক শ্রেণির লোক আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমাদের মাজার শরিফে সেজদা দেয়া নিষেধ। তাছাড়া এখানে খারাপ কোনও কার্যকলাপ হয় না। জাজিরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল সরকার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আসেদ চাঁন ফকির পালিয়েছে। ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ যেই করুক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

