কেরানীগঞ্জবাসীর নেই নিজস্ব বাস সার্ভিস, চলছে বাদুর ঝুলে যাতায়াত

সাধারণত বাদুর ঝুলে থাকে ডালে ডালে। কিন্তু কেরাণিগঞ্জে সাধারণ যাত্রীরা বাদুরের মতো ঝুলে ঝুলে যাতায়াত করেন নিলয় পরিবহনসহ বিভিন্ন ধরনের গতি গাড়ীতে। ঢাকার সবচেয়ে সন্নিকটের উপজেলা এবং বিসিক শিল্পনগরী থাকা সত্ত্বেও, তাদের নেই নিজস্ব কোন বাস সার্ভিস। নেই বিআরটিসি বাসের যথাযথ সার্ভিস। কবে ঘুচবে তাদের এই কষ্ট। তারা পাবে তাদের নিজস্ব আধুনিক, মানসম্মত পরিবহন সেবা। অথচ কেরাণিগঞ্জবাসীর বাপ-দাদা কিংবা পূর্বপুরুষদের জমিতেই গুলিস্তান-নবাবাগঞ্জ-দোহার আঞ্চলিক মহাসড়কসহ ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক। চোখের সামনে দিয়ে চলে সরকারি বাসসহ বিভিন্ন কোম্পানির হাজার হাজার যাত্রীবাহী বাস ও মিনিবাস।

এখন অন্যের আয়েশি যাতায়াত তাকিয়ে দেখা ছাড়া যেন তাদের আর কিছুই করার নেই। আর নিলয় পরিবহনের মতো এরকম যে কোন একটি গতি গাড়ীতে কোন মতে ঠেলাঠেলি – ধ্বাক্কাধাক্কী করে উঠা গেলেও, অধিকাংশ সময় বাদুড় ঝুলা করে অস্বাভাবিক ভাড়ায় কর্মস্থলে যেতে হয় তাদের।

আসলে বলছি কেরানীগঞ্জ উপজেলার রুহিতপুর, কলাতিয়া, হযরতপুর, শাক্তা, বাস্তাসহ পাশের সিরাজদিখান, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার লাখো মানুষের দুর্ভোগের কথা।

এছাড়া রুহিতপুর থেকে গুলিস্তান ছেড়ে যাওয়া নিলয় পরিবহনের গাড়ীগুলোত আরও বিপদজনক! যে হেলপার সেই চালক! যেন দুয়ের ভিতর এক।

আসলে এসব গাড়ীগুলো মালবাহী গাড়ী না যাত্রীবাহী বুঝারও নেই কোন উপায়। আবার দূর থেকে মনে হয়, পাহাড়ি রাস্তায় চলছে কোন গাড়ী।

মহিলা, শিশু কিংবা রুগীদের কথা তো বাদই দিলাম, সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে যায় অতিরিক্ত চাপাচাপির কারনে। তার মধ্যে চলছে দেশে দ্বিতীয় ধাপে করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব। ৪/৫ জনের সিটে বসানো হয় ৬/৭ জন। ড্রাইভারের ডানপাশে একজন, বামপাশে দুইজন আর পিছনে বাদুড় ঝুলা আরও পাঁচ থেকে ছয়জন! এ যেন দমবন্ধ পুলিশি প্রিজনভ্যান।

এই রোডের দুর্ভোগ নিয়ে নিয়মিত গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। রামেরকান্দা বাজার থেকে নিয়মিত যাতায়াতকারী ভুক্তভোগী শফিউর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৩০/৪০ কিলোমিটার দূর থেকে নবাবগঞ্জ দোহারের মানুষ সকালে বাসে করে ঢাকায় গিয়ে অফিস- আদালত করে। আর আমরা কেরানীগঞ্জবাসী লাইনে দাঁডিয়ে থাকতে থাকতেই সময় চলে যায়। আর নিলয় পরিবহনের করে পরিবার পরিজন নিয়ে যাওয়াত দূরের কথা নিজের কাপড়চোপড়ই নষ্ট হয়ে যায়। আমরা এর থেকে পরিত্রাণ চাই। আমরা কেরাণিগঞ্জবাসী আমাদের জন্য উন্নত আধুনিক পরিবহন চাই।

ভুক্তভোগী জনসাধারণের চাওয়া একটাই নবাবগঞ্জ- গুলিস্তান রোডের বাসগুলোতে ন্যায্য ভাড়ায় সীট অথবা রুহিতপুর- গুলিস্তান রোডে চলাচলকারী লক্কর ঝক্কর নিলয় পরিবহনের পরিবর্তে নতুন বাস বা মিনিবাস চালু করা।

এশিয়ান ট্রাফিক টেকনােলজিস্ দোহার শাখার উদ্বোধন

ঢাকার দোহারের জয়পাড়া বেগম আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সে ৩য় তালায় এশিয়ান ট্রাফিক টেকনােলজিস্ লিমিটেড এর দোহার শাখার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়ােগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন এশিয়ান ট্রাফিক টেকনােলজি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মেহবুব কবির ও নির্বাহী পরিচালক মো. মাসুদ করিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খােকন শিকদার, সহ-সভাপতি বেলাল মােল্লা, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মহিউদ্দিন, নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন দরানী, বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা, নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহম্মেদ হান্নান, কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ, দোহার পল্লিবিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম খোরসেদ আলম, এশিয়ান ট্রাফিক টেকনোলজিস লিমিটেড ডি.জি.এম মোহাম্মদ আলী প্রমূখ
সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন দোহার প্রেসক্লাব সভাপতি মো.কামরুল হাসান এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দোহার প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান টিপু।

দোহারে নতুন করে ৭ জন  করোনায় আক্রান্ত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় নতুন করে করোনা ভাইরাসে ৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। এই নিয়ে দোহার উপজেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছে ৫৭৬ জন। এ পর্যন্ত এক নারীসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমনে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিম জানায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা পাঠানো হয়। সে নমুনা থেকে ৭ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এ সাতজন নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৫৭৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩৪ জন।

এর মাঝে এক নারীসহ নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছে হাসপাতালে ৬ এবং বাড়িতে আছে ২৭ জন। আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা চলছে এবং তাদের স্বজনদেরও কোয়ইনন্টে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দোহার-নবাবগঞ্জে ৮ মাদকসেবী আটক

ঢাকার দোহার- নাবাবগঞ্জ হতে শনিবার (৭ই নভেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৮ মাদকসেবী কে আটক করে র‍্যাব-১১। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৬জন কে জেল ও ২ জন কে অর্থদন্ড দেয়া হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিক্তিতে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় মেঘুলা ও মালিকান্দা গ্রামের মোঃ সাইফুল আহমেদ রাজন (৩৩)(পিতাঃ সাইদুর রহমান), টিটু শেখ (৩৫)(পিতাঃরাজ্জাক শেখ) , দক্ষিন শিমুলিয়া গ্রামের বাহালুলকে (৪৩)(পিতাঃ সঈজদ্দীন মোড়ল) আটক করে র‍্যাব -১১ এর মুন্সিগঞ্জ জোনাল এর প্রনব কুমার। এদের কাছ থেকে ৬০ পিছ ইয়াবাও উদ্ধার করে র‍্যাব।

অপরদিকে মাদক দ্রব্য নিয়ন্তন অধিদপ্তর এর দায়িত্বে থাকা শাহ জালাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজা সেবন ও গাজা সংরক্ষণরত অবস্থায় আটক করেন আউলিয়াবাদ গ্রামের সোহেল রানা (৩০) (পিতাঃ মৃত্য আব্বাস উদ্দিন), নবাবগন্জ থানার কোমড়গন্জ এলাকা হতে শফিক (৩৫)(পিতাঃ মৃত বাবুল সরদার), আব্দুর রাজ্জাক (৩৫) (পিতাঃ মৃত বাচ্চু মিয়া)। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ৩ দিনের কারাদণ্ড ও অনাদায়ে ৫শত টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন।

চর জয়পাড়া গ্রামের মিরাজ উদ্দিন (৯২) বয়স বেশি থাকায় তাকে ৫শত টাকা ও বাহ্রা চর কান্দা গ্রামের ইমাম হোসেন (৫৫) কে ২ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেন দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এই সময় জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, আমরা দোহার থেকে মাদক জিরো টলারেন্স নিচে নামিয়ে আনবো। মাদকের প্রতি কাউকে কোন ছাড় দেয়া হবে না।

দোহার-নবাবগঞ্জের ভূমি দস্যু, মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জিরো টলারেন্সের ঘোষনা সালমান এফ রহমানের

ঢাকা জেলার দোহার – নবাবগঞ্জ উপজেলায় ভূমি দস্যু, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী,ধর্ষণকারী,দখলবাজ, জুলুমবাজ ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষনা দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান এম,পি। রবিবার সালমান এফ রহমানের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এই ঘোষনা দেয়া হয়েছে। এই ঘোষনা নিশ্চিত করেছেন দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তারাও।

সালমান এফ রহমানের ফ্যান পেজ থেকে বলা হয়, দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলার যে সমস্ত এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর যারা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অন্যায়ভাবে ভূমি দখলকারী, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ধর্ষণকারী, দখলবাজ,জুলুমবাজ এবং অন্যায় অত্যাচার করেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করুন।আপনার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

এই সময় দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ইউএনও ও অফিসার ইনচার্জের নাম্বারও দিয়ে দেয়া হয় অভিযোগ জানানোর জন্য। এই সময় অভিযোগকারীদের পরিচয় গোপন রাখার সর্বোচ্চ নিশ্চয়তাও দেয়া হয়। এছাড়া সালমান এফ রহমানের পেজের মাধ্যমে সরাসরি সালমান এফ রহমানের কাছেও অভিযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়।

এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জনাব সালমান এফ রহমান (এম,পি) পুলিশকে জিরো টলারেন্সের নির্দেশনা দিয়েছেন।তিনি আরও বলেছেন অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে অ্যাকশন নেয়া হবে।

যাদের কাছে অভিযোগ করবেনঃ

এইচ.এম সালাউদ্দীন মনজু,

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,নবাবগঞ্জ।

মোবাইলঃ 01933444037

ফোন (অফিস) : 02-7765001

সিরাজুল ইসলাম,

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নবাবগঞ্জ থানা।

মোবাইলঃ 01713373330

এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ,

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দোহার।

মোবাইলঃ 01933444038

ফোন অফিসঃ 02-7768006

ইমেইল :[email protected]

জনাব মোস্তফা কামাল,

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দোহার।

মোবাইলঃ 01713373331

দোহারে অ্যাসাইনমেন্ট ক্লাস নিয়ে প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা সভা

ঢাকার দোহার উপজেলায় রবিবার(৮ই নভেম্বর) সকাল ১১টায় অ্যাসাইনমেন্ট ক্লাস নিয়ে দোহারের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন।

করোনার কারণে মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সর্বশেষ দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত খুলবে না স্কুল-কলেজ। ক্লাস বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের শ্রেণি উন্নয়ন প্রশ্নে মেধা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয় সরকার। ৩১ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি নির্দেশনা পাঠানো হয় সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।

১ই নভেম্বর থেকে অ্যাসাইনমেন্ট শুরু হয়েছে বাংলা,ইংরেজি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। বাংলা, ইংরেজি নবম শ্রেণির জন্য রসায়ন বিজ্ঞান  শাখার জন্য ব্যবসায়ী উদ্দোগ কমার্স শাখার জন্য বাংলাদেশের ইতিহাস মানবিক শাখার জন্য এই ৩টি অ্যাসাইনমেন্ট পূরণ করতে হবে। ১ম সপ্তাহে ৩ টি ও ২য়া সাপ্তাহে ৩টি মেধা যাচাই পরীক্ষার পাশাপাশি সিলেবাস নির্ধারণ এবং প্রশ্নের নমুনাও দিয়ে দেয়া হয় নির্দেশনায়। মন্ত্রণালয়ের ওই চিঠিতে অভিভাবকদের ডেকে সিলেবাস এবং নমুনা প্রশ্ন বিতরণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ২ সপ্তাহে ৬টি অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করে জমা দিতে বলে স্কুলে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,দোহার উপজেলার মাধ্যমিক অফিসার মোঃ রকিব হাসান।আরে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার সকল প্রধান শিক্ষক গন।

রাসূল সাঃ এর জন্য কুসুমহাটিতে বিক্ষোভ মিছিল

মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কে কটাক্ষ করে ফ্রান্সে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন ও ফরাসী প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে দোহারের শিলাকোঠায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে তৌহিদী জনতা। ৬ নভেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা বিক্ষোভ মিছিলে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন।

শিলাকোঠা এমদাদুল উলূম মাদ্রাসা মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে সুন্দরীপাড়া বটতলা হয়ে বাংলাবাজার প্রদক্ষিণ করে মাদ্রাসায় এসে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠত হয়। সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ও মোনাজাত করেন শিলাকোঠা এমদাদুল উলূম মাদ্রাসার মোহতামিম (বড় হুজুর) মাওলানা আব্দুর রহিম।

আগামী অর্থ বছরে সুযোগ থাকলে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ  মাদ্রাসা ভবনের পূর্ননির্মানের ঘোষনা মাহবুবুর রহমানের

৪ নভেম্বর বুধবার বিকালে অগ্নিকান্ডে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার জয়পাড়াতে অবস্থিত জয়পাড়া মাহমুদিয়া আলীম মাদ্রাসার হেফজ বিভাগ। আজ শনিবার সকালে পুড়ে যাওয়া এই হেফজ বিভাগ পরিদর্শন করেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। এসময় তিনি সেখানে একটি ভবন আগামী অর্থবছরে সুযোগ থাকলে নির্মান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সুত্রপাত হওয়া এই অগ্নিকান্ডে হেফজখানায় থাকা মাদ্রাসায় শিক্ষক ও ছাত্রদের বই, খাতা, জামা কাপড়,কোরআন শরীফ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে যায়। এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৭ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল, মাদরাসার সভাপতি ডা. আব্দুল জামাল উদ্দিন আহমেদ, দাতা সদস্য পৌর মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া, প্রতিষ্ঠানের সদস্য ইলিয়াস মোল্লা, সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, মুক্তার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, শেখ সাহাবুদ্দিন ও মাদরাসার প্রিন্সিপাল আনম, আব্দুর রহমান সহ আরো অনেকে।

ফ্রান্সে নবী (সা.) অবমাননার প্রতিবাদে মাহমুদপুর ও শিলাকোঠায় বিক্ষোভ মিছিল

ফ্রান্সে বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম.-এর অবমাননা ও ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনীর প্রতিবাদে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ও শিলাকোঠায় সর্বস্তরের তৈহিদী জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।  শুক্রবার সকাল ৯ টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় মাহমুদপুরের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল।  ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ মাহমুদপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ডা.হাফিজুল ইসলাম,সেক্রেটারি হাফেজ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মাহমুদপুর খান বাড়ি মসজিদ থেকে বিক্ষোভ বের করে হোসেনপুর স্কুল হয়ে কার্তিকপুর বাজারের গুরুত্বপূর্ণস্থান প্রদক্ষিণ করে কার্তিাকপুর চৌরাস্তায় সমাবেশ করেন। সমাবেশ বক্তব্য রাখেন , মো:কামাল হোসেন মাস্টার, ইসলামি শ্রমিক আন্দোলন দোহার থানা শাখার সভাপতি মোশারফ হোসাইন শামিম, জাতীয় উলামা মাশায়েক আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা টিপু সুলতান, মাহমুদপুর ইউনিয়ন মুজাহিদ কমিটির সদর হাজী আ.বারেক মুন্সী, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুক্তার হোসেন রানা, ইসলামি যুব আন্দোলন দোহার থানা শাখার সভাপতি মুফতি আলমাছ হোসাইন, ইসলামি যুব আন্দোলন মাহমুদপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা রিয়াজুল,, ইশা ছাত্র আন্দোলন মাহমুদপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো.জামাল হোসেন প্রমুখ।

অপরদিকে জুময়ার নামাজ শেষে কুসুমহাটি ইউনিয়নের শিলাকোঠা গ্রামের প্রাচীনতম ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিলাকোঠা এমদাদুল উলুম কওমিয়া মাদ্রাসা থেকে ধর্মপ্রান ইসলামী জনতা এক বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। বিক্ষোভ মিছিলটি মাদ্রাসা প্রাঙ্গন হয়ে সুন্দরীপাড়া বটতলা হয়ে বাংলাবাজারে শেষ হয়। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য ও মোনাজাত করেন শিলাকোঠা এমদাদুল উলূম মাদ্রাসার মোহতামিম (বড় হুজুর) মাওলানা আব্দুর রহিম

জামসা অগ্রনী সংঘকে হারিয়ে জয়পাড়া বড় মাঠ সমাজ কল্যান ক্রীড়া সংঘ চ্যাম্পিয়ন 

ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বড়মাঠে শুক্রবার বিকেলে জয়পাড়া বড়মাঠ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনাল খেলায় জয়পাড়া বড় মাঠ সমাজকল্যান ক্রীড়া সংঘ বনাম জামসা অগ্রনী সংঘ মানিকগঞ্জ অংশগ্রহন করে।  নির্ধারিত সময় খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর ট্রাইব্রেকারে জামসা অগ্রনী সংঘকে ৪-২ গোলে হারিয়ে জয়পাড়া বড়মাঠ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জয়পাড়া বড় মাঠ সমাজ কল্যান ক্রীড়া সংঘ।
খেলার প্রথমার্ধ শুরু থেকে জয়পাড়া বড় মাঠ সমাজকল্যান ক্রীড়া সংঘ একের পর এক আক্রমনে থেকেও তা ব্যার্থ হয় জামসা অগ্রনী সংঘের গোলরক্ষকের নৈপুণ্যের কারনে।
খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ও জয়পাড়া সমাজ কল্যান জামসা অগ্রনী সংঘকে চাপে রাখে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকমিনিট যেতেই জয়পাড়া সমাজকল্যানের জালে বল প্লানটিক শটে জড়িয়ে দেয় জামসা অগ্রনী সংঘ মানিকগঞ্জ।
এর কয়েকমিনিটের মধ্যে সেই গোল পরিষদ করেন জয়পাড়া বড় মাঠ সমাজকল্যান সংঘ দোহার।
খেলা যখন ১-১ সমতায় ঠিক তখন  খেলার চুরান্ত সময় ও অতিরিক্ত সময় শেষ হয়। পরে ট্রাইবেকারে গড়ায় টুর্ণামেন্টটি।
ট্রাইবেকারে জয়পাড়া সমাজ কল্যান সংগঠন ৪ আর জামসা অগ্রনী সংঘ মানিকগঞ্জ ২ গোল করে। জয় পায় জয়পাড়া বড় মাঠ সমাজ কল্যান সংগঠন দোহার।
গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন। খেলার উদ্ধোধক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফ ফিরোজ মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল, জজ ফারুক,দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা সুরুজ আলম সুরুজ,সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ,আলমাছ কমিশনার, রাশেদ চোকদার,হুমায়ুন কবির সহ আরো অনেকে।