দোহারে সরকারি খাল মাটি দিয়ে ভরাট ; খাস জমি দখলের পায়তারা

ঢাকার দোহারে মাহমুদপুর যমুনা পুরাতন বাসষ্টানে সরকারী খাল দখল করে মাটি ভরাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বারেক মাদবরের মেয়ে লাবন্য আক্তার দোহার থানায় এই দখলের অভিযোগ দায়ের করেন। ৩১অক্টোবর তারিখে দায়ের করা এই অভিযোগ পত্রে লাবন্য আক্তার; মনোয়ারা মেম্বার, তার স্বামীঃ মোঃ ইউসুফ আলী খান ও মৃত মোস্তাফিজুর রহমান এবং তার দুই ছেলে মাহমুদুল হাসান (বুলবুল), পিতা মৃত মোস্তাফিজুর রহমান ও সবুজ খান পিতা মোঃ ইউসুফ আলী খান, রনি পিতাঃ মৃত্যু শেখ আয়নাল সহ আরো কয়েক জনের নাম উল্লেখ করেন। অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত ব্যক্তিদের নামে জমি দখলে না থেকে ও ভূমি দখলের বন্ধবস্ত করায় ও সরকারী খাস জমি দখল করায় এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে নিউজ৩৯ দোহার থানায় খোজ নিয়ে জানা যায়, অভিযোগটির তদন্তের জন্য মৈনট পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজন বিশ্বাস কে দেয়া হয়েছে।

লাবন্য আক্তার বলেন, এই জমি আমার দাদা দখলে ছিলো, তার পর আমার বাবার দখলে আছে। দাদা থাকা অবস্থায় আমাদের বাড়িতে কিছু লোক কাজ করতো তখন থেকেই এই জমিতে তাদের থাকতে দিতাম ও দেখাশোনা করতাম এখন তারা জমি দখলে আছে। কিন্তু ২০১৪ সালে হঠাৎ একদিন মনোয়ারা মেম্বার বলে এ জমি আমরা লিজ নিয়ে নিয়েছি; তখন মনোয়ারা ও স্বামী সহ দুই ছেলে মাহমুদুল হাসান(বুলবুল) ও সবুজ খান দখলে আসার চেষ্টা করলে তখন স্থানীয় দখলদার মালিক পক্ষ্য থেকে আলমগীর মাদবর, হুমায়ন মাস্টার, মোশামিয়া, মোস্তফা কামাল প্রতিবাদ করে তখন তারা মিস কেস করে এবং তাদের খতিয়ান দাগ ভুল এটা স্বীকার করে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মাহমুদুল হাসান (বুলবুল), পিতা-মৃত মোস্তাফিজুর রহমান, সাং-চৰকুসুমহাটি, দোহার, আমি বিগত ২৯/০৪/১৪ ইং তারিখে দোহার, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকৃত ১৫৪৩ নং দলিল মূলে মালিক হই যার বন্দোবস্ত নং ১৬১/১৩-১৪ এবং জেলা, প্রশাসক কার্যালয়ের ঢাকা এর কেস নং ২৪৯/১৩-১৪। উলেখ্য বিষয় এই যে আমি বর্তমান যে জমিতে ভোগ দখলে বিদ্যমান আছি ভূল বসত ভূল নকশা মোতাবেক উক্ত ভূমির দাগ ও মৌজা গড়মিল হওয়ায় স্ব-ইচ্ছায় আমার বন্দবস্ত কেস বাতিল করার উদ্যোগ গ্রহণ করি, নিম্নে এর তফসিল বর্ণনা করা হলো মৌজা কুসুমহাটি খতিয়ান ১ দাগনং ৬৫৬।

সবুজ খান, পিতাঃ মোঃইউসুফ আলী খান সাং চরবৈতা,দোহার ঢাকা। আমি বিগত ২৯/০৪/১৪ইং তারিখে দোহার সাব-রেজিষ্টাকৃত ১৫৩৬নং দলিল মুলে মালিক হই যাহার বন্ধবস্ত কেস নং ১৬২/১৩-১৪ এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ঢাকা এর কেস ২৪৩/১৩-১৪ উলেখ্য বিষয় এই যে আমি বর্তমান যে জমিতে ভোগ দখলে বিদ্যমান আছি ভূল বসত ভূল নকশা মোতাবেক উক্ত ভূমির দাগ ও মৌজা গড়মিল হওয়ায় স্ব-ইচ্ছায় আমার বন্দবস্ত কেস বাতিল করার উদ্যোগ গ্রহণ করি, নিম্নে এর তফসিল বর্ণনা করা হলো মৌজা কুসুমহাটি খতিয়ান ১ দাগ নং ৬৫৬।

তার পর আবার হঠাৎ করে শুনি গত শনিবার(৩১/১০/২০)তারিখে আমাদের জমিতে বালি দিয়ে ভরাট করতেছে আমার ভাই অসুস্থ থাকায় আমি সেখানে গিয়ে জিজ্ঞাসা করি বালু কে ফেলতেছে। রনি বলে মালিক পক্ষ্য ফেলতেছে, তখন আমি বলি মালিক তো আমি, তাহলে তোদের মালিক কে ডেকে আন এই বলে আমি আমাদের বাড়ির জন্য দুইটা বাশ কাটি, পরের দিন আমাদের লেবার কে বাশ আনতে বলি তখন মনোয়ারা মেম্বার ও তার ছেলে সহ কয়েক জন নিয়ে আমাদের মারতে আসে। তখন আমি বুঝতে পারি যে একদিনে ১৭ট্রাক বালু যার মূল্য ২৪হাজার টাকা কি করে পেলো তখন বুঝতে পারি এই মনোয়ারা মেম্বার দখলের যাওয়ার জন্য এই বালু ফেলতেছে।

রনির বোন সোনিয়া পিতাঃ মৃত্য শেখ আয়নাল নিউজ৩৯ কে জানান,আমরা সেই শুরু থেকেই বসবাস করি আমরা গরিব মানুষ বাবা মা নেই ভাই ট্রাকে লেবারি করে আমরা মাত্র ১৬শতাংশ ভূমিহীন করে নিয়েছি আমাদের চলতে ফিরতে কষ্টি হয় তাই আমরা কিস্তি উঠাই রাস্তার পাশে খালে বালি ফালাই ভরাট করার জন্য। আমাদের যখন অভিযোগ যানায় তখন আমরা বালি ফালানো বন্ধ করে দেই পরের দিন রবিবার (১সেপ্টেম্বর)তারিখে আমরা একটা অভিযোগ দায়ের করি।

এক প্রত্যক্ষ দর্শী জানান, সামাদ মেম্বার ও মনোয়ারা মেম্বার কৌশলে রনিদের নাম ব্যবহার করে খাল ভরাট করে কারন তার বাবা মা নেই নিজেও একজন ট্রাকের লেবার সে এতো টাকা কোথায় পাবে তাই জমি লিজ দেয়ার কথা বলে হাত করে রনিকে।
আরো একজন জানান যে,আমরা বারেক মাদবরের দখলে ছিলাম তারা আমাদের জমি লিখিত করে দিয়েছে এখন সেখানে যদি কেউ আমাদের দখল থাকা অবস্থায় কেউ গোপনে ভূমিহীন করে লিজ নিয়ে নেয় তাহলে আমরা গরিবরা কোথায় দাঁড়াবো এর একটা সুস্থ সুরাহা চাই আমরা।

সরকারি লোক হয়ে নিজের নামে না নিয়ে তার দুই ছেলে ও বউ সহ তার স্বামীর নামে কয়েক জায়গায় সরকারি জমি ভূমিহীন করে লিজ নিয়েছে তাদের ঢাকায় বাড়ি সহ এখানে কয়েকটা বাড়ি আছে। তার ছেলে একজন মহুরি ছিলো মানুষের টাকা মেরে এখন পালিয়েছে আর সবুজ একজন মাদকসেবী। তাদের ৪-৫পাখি জায়গা আছে সরকারি খাস জায়গা তাদের দখলে।

বারেক মাদবর জানান,প্রায় অনেক বছর আগে আমরা কয়েক জন মিলে আমাদের দখলে থাকা কয়েকটা মৌজা নিয়ে র্কোটে মামলা করা হয়েছিলো জমির রেকড ও খাজনা দেয়ার জন্য বাছের মুন্সী, কাজেম পেসকার, কাঞ্চন খা সিকদার,তাদের কে নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করি প্রায় ২২ বছর পর মামলার রায় পাই রেকর্ড ও খাজনা দেয়ার অনুমতি দেন তবে যারা এ সম্পত্তি মালিক ছিলো তারা এ সম্পত্তি পাবে।সম্পত্তি আগে ৩০ বছর পানির নিচে থাকায় এটা সরকারিভাবে খাশ জমি তাই পরর্বতী সময়ে জমির বন্দবস্ত দিবো যখন সিএস রেকর্ড হবে তখন থেকেও জমি ভোগদখলে আছি। পরে সরকারি ভাবে বন্দবস্ত করার জন্য সকল কাগজপত্র জমা দেই। জমিটা নকশায় ছিলো সিএস ৪৪১ দাগ আইয়ুব আলীদের পাশে ৪৪০ দাগ যার মৌজা কুসুমহাটি আর এস দাগ ৬৫৬ ও ৬১৯।

দোহারে সরকারি খাল মাটি দিয়ে ভরাট ; খাস জমি দখলের পায়তারা

মনোয়ারা মেম্বার বলেন,আমি কোন বালু ফালাই নাই, সেখানে কোন আমার জায়গা জমি নেই, আমার নামে যারা অভিযোগ দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে আমি জন প্রতিনিধি গ্রামে মেম্বার মানুষের ডাকে সব সময় এগিয়ে আসি তাই রনিরা গরিব মানুষ তাদের প্রয়োজনে তারা বালু ফালাইছে তাই আমি তাদের পাশে আছি। নিউজ ৩৯ জমির বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে বলে জমি আমার না, জমি আমার দুই ছেলের নামে ২০১৪ সালে বন্দবস্ত নেয়া আছে।

ভূমি অফিসে খোজ নিয়ে জানা যায়,বুলবুল ও সুজনকে ৫০ ও ২৭ শতাংশ ভূমি বন্দবস্ত দেয়া হয়েছে তবে তারা ২০১৪ সালে ভুমির দাগ খতিয়ান ভূল হয়েছে বলে তারা শিকার করে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হয়েছে তাই ডিসি বরাবর তদন্তের জন্য পেশ করা হয়েছে ও তদন্ত করে দেখা হবে।

পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজন বিশ্বাস নিউজ৩৯ কে বলেন,আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি এর তদন্ত চলছে,সকল কাগজপত্র ও দখলের বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নবাবগঞ্জে লাইসেন্সবিহীন ক্লিনিকে অভিযানঃ আটক ও জরিমানা

নবাবগঞ্জে হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান
ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় ২টি হাসপাতালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। নবাবগঞ্জ উপজেলার পাড়াগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও নবাবগঞ্জ চক্ষু এন্ড জেনারেল হাসপাতালে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে৷ নানা অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ঢাকা জেলা সার্জন অফিস এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়৷
দুপুর ১২টার দিকে নবাবগঞ্জ চক্ষু এন্ড জেনারেল হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করা হয়৷ ঐ প্রতিষ্ঠানের কোন লাইসেন্স দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়৷ ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় অনাদায়ে আটককৃত ম্যানেজারকে জেল হাজতে প্রেরণের নিদেশ দেন।
এর পরে পাড়াগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ছাড়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ভোক্তা সংরক্ষণ আইনে নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজিবুল ইসলামের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়৷ লাইসেন্স না থাকায় প্যাথলজি এবং ওটি বিভাগ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এসব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে জানান, জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. ডাঃ মো. বিল্লাল।

নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠিত

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ ও সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান এই আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করেন। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ ও সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত প্যাডে মিজানুর রহমান কিসমতকে আহবায়ক ও দেওয়াল আওলাদ হোসেন, ড. শাফিল উদ্দিন মিয়া ও আরিফুর রহমানকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৬৮ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি ঘোষনা করা হয়।
২০১৪ সালে নবাবগঞ্জ উপজেলায় তৃ-বার্ষিকি সম্মেলনের মাধ্যমে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এই সম্মেলনে নাসিরউদ্দিন আহমেদকে ঝিলুকে সভাপতি ও জালাল উদ্দিনকে সাধারন সম্পাদককে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এই সময় ১ মাসের ভিতরে কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ করার কথা থাকলেও ৭২ মাসেও সেটা পূর্ণাঙ্গ করতে পারেন নি নাসিরউদ্দিন আহমেদকে ঝিলু ও জালাল উদ্দিন। তাই গত বৃহস্পতিবার নতুন করে নবাবগঞ্জ আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দেয় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ। নতুন এই কমিটি উপজেলা আওয়ামী লীগকে আরো সক্রিয় ও শক্তিশালী করবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ৬ বছর এক রকম থেমেই ছিল নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম। ত্যাগী ও সক্রিয় কর্মীদের মূল্যায়ন না করে কমিটি না দেয়ার কারনে এক প্রকার স্থবির হয়ে পড়েছিল নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম। ব্যাক্তি স্বার্থে তাদের কাছে এক প্রকার জিম্মিই ছিল নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ। নতুন কমিটির মাধ্যমে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে আরো সক্রিয় হবে বলে তিনি আশা করেন।
৬৮ সদস্য বিশিষ্ট এই আহবায়ক কমিটিতে আরো আছেন ইব্রাহিম খলিল, দেওয়ান তুহিনুর রহমান, মনিরুজ্জামান মনির, আব্দুল ওয়াদুদ, সাইদুর রহমান সোহেল, আলিমুর রহমান পিয়ারা, হুমায়ন কবির, মোতাহার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, তাজুল ইসলাম, পান্নু মিয়া, এস এম সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

দোহার-নবাবগঞ্জে আলমগীর হোসেনের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত

দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও করোনা সংক্রমণ সময়ের সম্মুখ যোদ্ধা মো. আলমগীর হোসেনের করোনা রোগমুক্তির কামনায় দোহার- নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ আসর ও শুক্রবার জুমার নামাযের পর দোহার উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ এবং নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন মসজিদে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের রোগমুক্তি কামনা করে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করে দোহার-নবাবগঞ্জ ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বাদ আছর দোহার উপজেলা মসজিদের এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য সুরুজ আলম সুরুজ, দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক উদয় হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি পাপেল মাহমুদ নিজাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সাদ্দাম, জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পান্নু চোকদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান শান্ত সহ জয়পাড়া সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেত্ববৃন্দ ও কর্মীরা।

অন্য দিকে নবাবগঞ্জে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান রানার সভাপতিত্বে দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন কলাকোপা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, জেলা পরিষদ সদস্য ওয়াহিদুজ্জামান রনি, এসএম সাইফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মীর আরিফ, তাজদীদ আহমেদ, মীর তুষার, নাহিদুল হুদা সাজু, নাহিদুল আলম নাদিম, জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহাত মাহমুদ, দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি দিপ্ত দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, মো. সম্রাটসহ আরো অনেকেই।

রাসূল (সা.) নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে দোহারে মোটর সাইকেল র‌্যালি

ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় রাসূল (সা.) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ব্যাতিক্রমী মোটর সাইকেল র‍্যালির আয়োজন করে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন দোহার শাখা। ১৩ নভেম্বর শুক্রবার সকালে নারিশা পশ্চিমচর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে দোহারে বিভিন্ন সড়কে র‍্যালিটি প্রদক্ষিণ করে। এসময় ভ্রাম্যমাণ নাতে রাসূল (সা.) এর আয়োজন করা হয়।

র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দোহার শাখার সেক্রেটারী মো সুলাইমান বেপারি, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা যুবায়ের আহমাদ সাকী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আনোয়ার হোসেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, দোহার শাখার আহবায়ক মাওলানা মনির মাহমুদ, সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা জুনাইদ আহমাদ,মাওলানা ওমর ফারুক প্রমূখ।

নবাবগঞ্জে ১৩ বোতল মদসহ আটক-১

ঢাকার নবাবগঞ্জের টিকেরপুর সাকিনস্থ শ্যামল সরকারের বাড়ীর পশ্চিম পাশের পাকা রাস্তার উপর থেকে বিধান সরকার (৫৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ১৩ বোতল বিদেশী মদ সহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেছেন নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ১৩ বোতল বিদেশি মদসহ তাকে আটক করা হয়।

বিধান সরকার নবাবগঞ্জ উপজেলার টিকেরপুর গ্রামের মৃত বিজয় গোপাল সরকারের ছেলে। সিরাজুল ইসলাম শেখ, পিপিএম, অফিসার ইনচার্জ, নবাবগঞ্জ থানা, ঢাকা এর দিক নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা চালান এএসআই (নিঃ) গৌতম চন্দ্র হালদারসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

সিরাজুল ইসলাম শেখ, পিপিএম বলেন, বিধান সরকার একটি সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে সে মাদক বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাকে আমরা ১৩ বোতল মদসহ আটক করি। তার বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে আমরা আদালতে পাঠিয়ে দেই।

দোহারের নারিশায় যুবলীগের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

দোহার উপজেলার মেঘুলা বাজারে যুবলীগের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। ব্ধুবার (১১ ই নভেম্বর) বিকেলে নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও আলোচনা সভা করা হয়।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানেন নারিশা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মাঝির সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি ও নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন দরানী, নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বখতিয়ার হোসেন লেবু, দোহার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক সজল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বসির আহমেদ প্রমুখ।

দোহারে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। দোহার উপজেলার আওয়ামী যুবলীগ ও দোহার পৌরসভা যুবলীগের উদ্যোগে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি পালন করা হয়।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি উপলক্ষে বুধবার বেলা ১০টায় দোহার  উপজেলা জয়পাড়ায় কেক কাটা, র‍্যালী ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এই সময়  সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলমাসউদ্দিন(ভিপি আলমাস)। পরে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান আকন্দ, পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান মোশারফ হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ আলম সুরুজসহ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা কর্মীরা।

নবাবগঞ্জে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি পালন করা হয়।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি উপলক্ষে বুধবার বেলা ১২টায় নবাবগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কলাকোপা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. সামসুদ্দিন নবী। পরে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন, নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন খান, নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নূরে আলম,ঢাকা জেলা পরিষদ সদস্য  এস এম সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদ হাসান কাঞ্চন প্রমূখ।

কেরানীগঞ্জবাসীর নেই নিজস্ব বাস সার্ভিস, চলছে বাদুর ঝুলে যাতায়াত

সাধারণত বাদুর ঝুলে থাকে ডালে ডালে। কিন্তু কেরাণিগঞ্জে সাধারণ যাত্রীরা বাদুরের মতো ঝুলে ঝুলে যাতায়াত করেন নিলয় পরিবহনসহ বিভিন্ন ধরনের গতি গাড়ীতে। ঢাকার সবচেয়ে সন্নিকটের উপজেলা এবং বিসিক শিল্পনগরী থাকা সত্ত্বেও, তাদের নেই নিজস্ব কোন বাস সার্ভিস। নেই বিআরটিসি বাসের যথাযথ সার্ভিস। কবে ঘুচবে তাদের এই কষ্ট। তারা পাবে তাদের নিজস্ব আধুনিক, মানসম্মত পরিবহন সেবা। অথচ কেরাণিগঞ্জবাসীর বাপ-দাদা কিংবা পূর্বপুরুষদের জমিতেই গুলিস্তান-নবাবাগঞ্জ-দোহার আঞ্চলিক মহাসড়কসহ ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক। চোখের সামনে দিয়ে চলে সরকারি বাসসহ বিভিন্ন কোম্পানির হাজার হাজার যাত্রীবাহী বাস ও মিনিবাস।

এখন অন্যের আয়েশি যাতায়াত তাকিয়ে দেখা ছাড়া যেন তাদের আর কিছুই করার নেই। আর নিলয় পরিবহনের মতো এরকম যে কোন একটি গতি গাড়ীতে কোন মতে ঠেলাঠেলি – ধ্বাক্কাধাক্কী করে উঠা গেলেও, অধিকাংশ সময় বাদুড় ঝুলা করে অস্বাভাবিক ভাড়ায় কর্মস্থলে যেতে হয় তাদের।

আসলে বলছি কেরানীগঞ্জ উপজেলার রুহিতপুর, কলাতিয়া, হযরতপুর, শাক্তা, বাস্তাসহ পাশের সিরাজদিখান, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার লাখো মানুষের দুর্ভোগের কথা।

এছাড়া রুহিতপুর থেকে গুলিস্তান ছেড়ে যাওয়া নিলয় পরিবহনের গাড়ীগুলোত আরও বিপদজনক! যে হেলপার সেই চালক! যেন দুয়ের ভিতর এক।

আসলে এসব গাড়ীগুলো মালবাহী গাড়ী না যাত্রীবাহী বুঝারও নেই কোন উপায়। আবার দূর থেকে মনে হয়, পাহাড়ি রাস্তায় চলছে কোন গাড়ী।

মহিলা, শিশু কিংবা রুগীদের কথা তো বাদই দিলাম, সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে যায় অতিরিক্ত চাপাচাপির কারনে। তার মধ্যে চলছে দেশে দ্বিতীয় ধাপে করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব। ৪/৫ জনের সিটে বসানো হয় ৬/৭ জন। ড্রাইভারের ডানপাশে একজন, বামপাশে দুইজন আর পিছনে বাদুড় ঝুলা আরও পাঁচ থেকে ছয়জন! এ যেন দমবন্ধ পুলিশি প্রিজনভ্যান।

এই রোডের দুর্ভোগ নিয়ে নিয়মিত গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। রামেরকান্দা বাজার থেকে নিয়মিত যাতায়াতকারী ভুক্তভোগী শফিউর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৩০/৪০ কিলোমিটার দূর থেকে নবাবগঞ্জ দোহারের মানুষ সকালে বাসে করে ঢাকায় গিয়ে অফিস- আদালত করে। আর আমরা কেরানীগঞ্জবাসী লাইনে দাঁডিয়ে থাকতে থাকতেই সময় চলে যায়। আর নিলয় পরিবহনের করে পরিবার পরিজন নিয়ে যাওয়াত দূরের কথা নিজের কাপড়চোপড়ই নষ্ট হয়ে যায়। আমরা এর থেকে পরিত্রাণ চাই। আমরা কেরাণিগঞ্জবাসী আমাদের জন্য উন্নত আধুনিক পরিবহন চাই।

ভুক্তভোগী জনসাধারণের চাওয়া একটাই নবাবগঞ্জ- গুলিস্তান রোডের বাসগুলোতে ন্যায্য ভাড়ায় সীট অথবা রুহিতপুর- গুলিস্তান রোডে চলাচলকারী লক্কর ঝক্কর নিলয় পরিবহনের পরিবর্তে নতুন বাস বা মিনিবাস চালু করা।