ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে নবাবগঞ্জ থেকে ৩৩ ছাত্রনেতার পদ লাভ

অবশেষে ঘোষণা করা হলো ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ২৫১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন নবাবগঞ্জের ২৭ জন ছাত্রনেতা। ২০১৬ সালে ঘোষণা করা ৮ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে সময় লেগেছে ৪ বছরেরও বেশি। এই কমিটিতে নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকে স্থান পেয়েছেন ২৭  জন ছাত্রনেতা।

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ সভাপতি হিসাবে আছেন নবাবগঞ্জের ৯ ছাত্রনেতা। এর মাঝে ২০১৬ সালেই সিনিয়র সহ সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন রাকিবুজ্জামান রাকিব। এছাড়াও নতুন করে নির্বাচিত ৮ সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মইন খান, খলিলুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন রনি, জাহাঙ্গীর আলম, ফিরোজ হোসেন, কাউছার হোসেন, রুবেল তালুকদার, রুবেল তালুকদার।

যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন তিন ছাত্রনেতা।  তারা হচ্ছেন হাফিজুর রহমান, দূর্জয় মাহমুদ সোহেল, হাফিজুর রহমান নিশাত।

সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন ৫ ছাত্রনেতা। তারা হচ্ছেন আউয়াল হোসেন, মেহেদি হাসান মোল্লা, রেজওয়ান আল হক, মামুন হোসেন, জসিম মোল্লা।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন ৪ ছাত্রনেতা। তারা হচ্ছেন সাইফুল ইসলাম, আবু ফয়সাল, রাজু আহমেদ, মাহিন হোসেন সৌরভ।

এছাড়াও আরো স্থান পেয়েছেন আতিকুর রহমান আতিক (সহ দপ্তর সম্পাদক), আব্দুল আলীম (সহ প্রচার সম্পাদক), শফিকুল ইসলাম (সমাজ সেবা সম্পাদক) , সজল হোসেন (সহ পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক), ইমরান হোসেন (সদস্য), ওমর ফারুক রাকিব (সদস্য), আহসান পারভেজ রুদ্র (সদস্য), অর্পন আহমেদ অপু (সদস্য), কাজী মেহেদী হাসান তপু (সদস্য), রাজিব হোসেন (সদস্য), আল আমিন নিলয় (সদস্য),  আশিকুর রহমান (সদস্য)

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে নবাবগঞ্জ থেকে ৩৩ জন ছাড়াও দোহার থেকে ২৩ ছাত্রনেতাকেরানীগঞ্জ থেকে ৫৫ ছাত্র নেতা পদ লাভ করেছেন

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে কেরানীগঞ্জ থেকে ৫৫ ছাত্রনেতার পদ লাভ

অবশেষে ঘোষণা করা হলো ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি।  ২০১৬ সালে ঘোষণা করা ৮ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে সময় লেগেছে ৪ বছরেরও বেশি। ২৫১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে কেরানীগঞ্জ উপজেলা থেকে স্থান পেয়েছেন ৫৫  জন ছাত্রনেতা।

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আগেই সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন মাসুম। এছাড়াও সহ সভাপতি হিসাবে আছেন কেরানীগঞ্জের ৫ ছাত্রনেতা।  নব নির্বাচিত  ৫ সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিজানুর রহমান মিজান, পারভেজ মিয়া, ফারুক হোসেন, শহিদুল ইসলাম, আল আমিন শ্যামল।

যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন সাত ছাত্রনেতা।  তারা হচ্ছেন মোস্তফা, জাবেদ হোসেন, ফয়সাল হোসেন, রিয়াজ উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, পারভেজ হাসান, তাইজুদ্দিন ইসলাম অপু।

এছাড়া ২০১৬ সালে ঘোষিত কমিটির সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন রেজাউল করিম জুয়েল। এছাড়া সদ্য ঘোষিত কমিটিতে সহ সাধারন সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন ৭ ছাত্রনেতা। তারা হচ্ছেন ওমর ফারুক, মফিজ মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম, নাহিয়ান আকাশ তমাল, সাহাদাত হোসেন, সুহৃদয় দাস, নাজমুল হায়দার পিয়াল।

সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন এক ছাত্রনেতা। তিনি হচ্ছেন আশিকুজ্জামান।

এছাড়াও আরো স্থান পেয়েছেন মেহেদি হাসান শাওন (সহ ক্রীড়া সম্পাদক), আজিম আহমেদ (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক), শফিকুল ইসলাম (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক), মনির দেওয়ান (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক), শহিদুল ইসলাম রাজু (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক), শফিকু রহমান (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক), ইমরান হোসেন (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক), হাবিব ইবনে সাবিত নিপুন (সহ সাংগঠনিক সম্পাদক), শফিউল ইসলাম সারাফাত (সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক), হৃদয় হোসেন (অর্থ সম্পাদক), আফজাল হোসেন (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক), সোহেল রানা (সহ আইন সম্পাদক), ফয়সাল ইসলাম (ধর্ম সম্পাদক), জাহিদুল ইসলাম (যোগাযোগ সম্পাদক), মোঃ মানিক (প্রশিক্ষন সম্পাদক), আরিফুল ইসলাম রকি ( সহ-কর্মসূচি প্রনয়ন ও পরিকল্পনা সম্পাদক), রাসেল আহমেদ (মানবাধিকার সম্পাদক)

এছাড়া সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেলিম মাহমুদ, জাবেদ হোসেন, নাদিম আহমেদ, আফতাব হোসেন,  আব্দুস সালাম ভুঁইয়া, রবিউল ইসলাম পাপেল, গাজী সাদ্দাম হোসেন, আশিক মিয়া, শাহরিন সারোয়ার শাফিন, হৃদয়, শাকিবুল হাসান নিবিড়, বরাত হোসেন, সাজ্জাদ হোসেইন, রাশেদুল হক রাসেল, শাহবুদ্দিন, হাসিবুর রহমান হাসিব।

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে কেরানীগঞ্জ থেকে ৫৫ জন ছাড়াও নবাবগঞ্জ থেকে ৩৩ জনদোহার থেকে ২৩ ছাত্রনেতা পদ লাভ করেছেন।

আধিপত্য বিস্তারের সংঘর্ষে ৪ মাছ ব্যবসায়ী আহত

ঢাকার দোহার উপজেলার মেঘুলা বাজারের নদীর পাড়ে মাছের দুই আরতদারের দ্বন্দ্ব থেকে সৃষ্ট সংঘর্ষে ৪ মাছ ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। মাছ ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি হয়, এতে মাছ ব্যবসায়ীরা আহত হন।  সোমবার ২২শে ডিসেম্বর সকাল ৭ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। এ বিষয়ে দোহার থানায় পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ করেছে দুই পক্ষ।

আহতরা হচ্ছে সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর গ্রামের দেলোয়ার মোল্লা (৫০) পিতা: আ. খালেক মোল্লা,কাদের শেখ (৩৬) পিতা:আয়নাল শেখ, ঝন্টু পিতা: আবেদ আলী, সাং মালিকান্দা, আবির মোল্লা (২৫) পিতা: দেলোয়ার মোল্লা।

দেলোয়ার মোল্লা জানান, আমার ছেলে আবির মোল্লাকে মাছ দিতে আসে এক জেলে সেই মাছ জোর করে নিয়ে বিক্রি করছে শামীম মোল্লা। একটু পরে আরও এক জেলে আমাদের মাছ দিতে আসলে সেগুলোও নিয়ে যাচ্ছিল শামীম আমি বাঁধা দিলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে ফোন করে লোকজন এনে আমাদেরকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে। এ বিষয়ে আমি দোহার থানায় একটি অভিযোগ করেছি।

অভিযুক্তরা হলেন, মধুরচর গ্রামের শামীম মোল্লা (৪৮)পিতা: রমজান মোল্লার, শাহিন মোল্লা (৩৮)পিতা: খালেক মোল্লা,জামাল মোল্লা (৬০) পিতা:কিনাই মোল্লা,জাহাঙ্গীর (৪০) ফয়জল বেপারী, রাব্বি মোল্লা (২৫) পিতা: মন্টু মোল্লা সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জন।

এ বিষয়ে শাহিন মোল্লার ভাই চঞ্চল মোল্লার সাথে কথা বললে তিনি জানান, শামীম মোল্লাকে দেয়া মাছ নিতে বাঁধা দেয় দেলোয়ার মোল্লা এতে কথা কাটাকাটি হয় এক পর্যায়ে জামাল মোল্লার সহযোগিতায় একটি মিমাংসায় পৌঁছে যাওয়ার পরে ঝন্টু শামীম মোল্লার গায়ে হাত তুলে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি লেগে যায়, সংঘর্ষে মাছ ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমরাও দোহার থানায় একটি অভিযোগ করেছি।

এ বিষয় মোবাইল ফোনে  এস আই রাকিব  জানান দুই পক্ষের লিখিত অভিযোগ আমরা গ্রহন করেছি; তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

দোহারে হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন উদ্ভোধন

ঢাকার দোহার উপজেলায় সোমবার ২১শে ডিসেম্বর সকালে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহিঃ বিভাগের টিকিট কাউন্টারের উদ্ভোধন করা হয়েছে।  গত ১৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দোহার উপজেলায় ৯ মাস থেকে ১০ বছরের কম বয়সি শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চলবে

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ, সহকারী কমিশনার ভূমি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জসিম উদ্দিন সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে আগত শিক্ষক মন্ডলী।

উল্লেখ্য হাম একটি ভাইরাস জনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এই রোগ সাধারণত একজন আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা অন্যদের মধ্যে হাঁচি কাশির মাধ্যমে অতি দ্রুত ছড়ায়। শিশু ছাড়াও যে কোন বয়সে হাম হতে পারে। তবে শিশুদের মাঝেই এর প্রকোপ, জটিলতা এবং মৃত্যু বেশি দেখা যায়। তাই সঠিক সময়ে হামের টিকা দিয়ে এ রোগ বাঁচানো  সম্ভব।

অপর দিকে রুবেলা একটি ভাইরাস জনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। এই রোগের জীবাণু প্রধানত বাতাসের সাহায্যে শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে সুস্থ শরীরে প্রবেশ করে এবং রুবেলা রোগের লক্ষণ দেখা যায়। গর্ভবতী মায়েরা গর্ভের প্রথম ৩ মাসের সময় রুবেলা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে শতকরা ৯০% ভাগ ক্ষেত্রে মা থেকে গর্ভের শিশু আক্রান্ত হতে পারে।

দোহারে ভূমিহীন পরিবারের মাঝে গৃহ নির্মাণ উদ্বোধন

ঢাকার দোহারে নারিশা ইউনিয়নের নারিশা পশ্চিম চর এলাকায় ভূমিহীন পরিবারের মাঝে গৃহ নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ২১শে ডিসেম্বর দুপুরে নারিশা ইউনিয়নে মুজিববর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত ভূমিহীন পরিবারের মাঝে সরকারের ১ নং খাস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিতে গৃহ নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ, সহকারী কমিশনার ভূমি জনাব জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জনাব আল সাঈদ, নারিশা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব সালাউদ্দীন দরানী এবং নারিশা ইউপি মেম্বারগণ।

দোহারে তামাক পদার্থের অপব্যবহার বন্ধের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা

ঢাকার দোহার উপজেলায় সোমবার ২১শে ডিসেম্বর দুপুরে তামাক গ্রহণ এবং তামাক পদার্থের অপব্যবহার বন্ধের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ঢাকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বয়ে তামাক গ্রহণ এবং তামাক পদার্থের অপব্যবহার বন্ধের বিষয়ে আলোচনা সভা দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন।

এসময় প্রধান অতিথি দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, তামাক একটি স্লো-পয়জন শিক্ষার্থীরা যেন তামাকের প্রতি কোনো ভাবেই আকৃষ্ট না হয় সেই দিকে সকল শিক্ষকদের খেয়াল রাখতে হবে। তাই শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে শিক্ষকরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তামাক গ্রহণের ফলে ক্যান্সারের মত মারাত্বক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আল-আমিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারবৃন্দ ও বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন।

দোহারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের অভিযান

ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া রতন চত্তর বাজার এলাকা ও জয়পাড়া থানার মোড় এলাকায়  ২০ ও ২২ ডিসেম্বর রাতে করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এই সময় অভিযান পরিচালনা করেন দোহার উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

ঢাকার দোহার উপজেলায় (২০শে ডিসেম্বর ) বিকালে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় প্রকোপ মোকাবেলায় বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এই সময় স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারনে ৮টি মামলা সহ ১০জন কে ১হাজার টাকা মাস্ক না পড়ার অপরাধে অর্ধদন্ড দেয়া হয়।

এরপর ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জয়পাড়া থানার মোড় এড়িয়াতে অভিযান পরিচালনা করে প্রশাসন। এ সময় মাস্ক না পড়ার অপরাধে ৪টি মামলায় ৮ জন কে জরিমানা করা হয়েছে। এবং গরীব অসহায় পথচারিদের মাঝে বিনামূল্যে ১০০ পিছ মাস্ক বিতরণ করেন।

এ সময় জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন,দেশে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় কভিড ১৯ এর মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। সরকার ঘোষিত সকল কে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পড়তে হবে আমরা সকল কে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নেমেছি। আমাদের অভিযান চলছে এবং ভবিষ্যতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ সময় অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন দোহার থানা পুলিশ ফোর্স।

দোহারে হাম-রুবেলা এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহারে শুক্রবার ১৮ই ডিসেম্বর সকালে উপজেলার সভা কক্ষে হাম-রুবেলা এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দোহার উপজেলায় ৯ মাস থেকে ১০ বছরের কম বয়সি শিশুদের হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি চলবে। এ উদ্দেশ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আজ শুক্রবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে হাম-রুবেলা এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ কার্যকম চলবে উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে ও ওয়ার্ডে চলমান থাকবে এবার ৫৫ হাজার ২শত ৪৩ জন শিশুবাচ্চার টার্গেট নেয়া হয়েছে। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, শিক্ষকের সহযোগীতায় করোনার সময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ও স্বাস্থ্য ঝুকি নিয়ে কাজ করেছে, রুবেলা এটা একটা রোগ এই রোগ যাতে না হয় সেজন্য এক যুগে সরকারি সহযোগীতায় বিনামূল্যে টিকা দেয়া হবে।

ইতিপুর্বে ১৮ মার্চ হতে ১১ এপ্রিল ২০২০ খ্রিঃ তারিখে প্রস্তাবিত হাম-রুবেলা (এমআর) ক্যাম্পেইন-২০২০ কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারী জনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্থগিত করা হয়। বিভিন্ন সময়ে হাম ক্যাম্পেইন (২০০৬, ২০১০) ও হাম-রুকেলা ক্যাম্পেইন (২০১৪) পরিচালনা করা সত্ত্বেও রোগ নিরীক্ষণ তথ্য অনুযায়ী ২০১৭ সাল থেকে দেশব্যাপী হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা এখনও চলমান আছে। ফলে উদ্দিষ্ট শিরা হাম-রুবেলা জনিত মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশ সরকার যতদ্রুত সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্থগিত হাম-রুবেলা কাম্পেইন পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে শিশু ও অভিভাবকদের টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি, সামাজিক দূরত্ব ও অধিক সময় অপেক্ষা রোধ নিশ্চিতকল্পে এবার কর্ম-কৌশলে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এসময় দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ বলেন ,হাম রোগের ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে আমরা একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে পড়েছি করোনা ভাইরাসের কারনে শুরু করতে পারিনি তবে ১৯শে ডিসেম্বর থেকে ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা সাস্থ্য খাতে এই টিকা ক্যাম্পেইন চলবে। শরীরের চামড়ার নিচে এই টিকা দেয়া হবে এতে আমরা হাম ও মাম্স রোগ থেকে মুক্তি পাবো। তিনি আরো বলেন, আমাদের দোহার উপজেলায় খুব তাড়াতাড়ি করোনার ভ্যাকসিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জনাব মোঃ জসীম উদ্দিন, বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সাংবাদিকবৃন্দ।

দোহারে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত

“মুজিববর্ষের আহ্বান দক্ষ হয়ে বিদেশ যান”- এ স্লোগান কে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালিত হয়েছে। এই দিবস উপলক্ষে দোহার উপজেলা সভা কক্ষে আলোচনা সভা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার ১৮ই ডিসেম্বর সকাল ১১টায় দোহার উপজেলার আয়োজনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালন করা হয়।  উক্ত অনুষ্ঠান সভাপ্রতিত্ব করেন দোহার উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ নাইম। এ সময় তিনি বলেন, অর্থনৈতির চালিকা শক্তি  দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত আমাদের রেমিটেন্স প্রবাসীদের কল্যাণে ১৯৭২ সালে ব্ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান একটি মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল পরর্বতীতে সেটা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিসক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, এ মন্ত্রণালয় শুধু প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করছে এর মধ্যে ১৭৩টা দেশে প্রায় ১কোটি ২০ লক্ষ প্রবাসী কাজ করছে বিদেশে। এ সেক্টর নিয়ে সরকার প্রতিনিয়ত প্রবাসীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সরকার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক গঠন করেছে। করোনায় প্রবাসীদের প্রায় ৬ শত কোটি টাকা সহজ শর্তে ঋন নিতে পারবে বিদেশ ফেরত প্রবাসী সরকার ঘোশনা দিয়েছে।

এ সময় তিনি আরো বলেন,ইতোমধ্যে ৩শত কোটি টাকা ঋন বিতরন চলছে তাই বিদেশে যাওয়ার জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা প্রয়োজন। সরকার প্রায় ৪০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠন করেছে বিভিন্ন উপজেলায়। চাকরিচুত্ত হওয়া প্রবাসী বিদেশ থেকে ফেরত আনার কাজ করছে সরকার,অভিবাসীদের জন্য সরকার কঠোর আইন করেছে বিশেষ করে কেউ যেন দালালদের খপ্পরে না পরে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.জসিম উদ্দিন, জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক, উপজেলার কর্মকর্তা ও সাংবাদিক গন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু বলাৎকার এবং আইনের উপলব্ধি

আমরা যাদেরকে উন্নত রাষ্ট্র বলি সেই ইউরোপ আমেরিকায় অনেক পরিবার আতঙ্কে থাকেন। তার সন্তান কবে যেনো বলে বসেন আমি সমকামী(নারীর প্রতি নারীর আকর্ষণ ‘Lesbianism’, পুরুষের প্রতি পুরুষ ‘Gay’)। এর প্রভাব বাংলাদেশেও লক্ষনীয়। এই আতঙ্ক এখন আর ইউরোপ আমেরিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। পৃথিবীর নৈতিক রাষ্ট্রগুলোতেও ছড়িয়ে পরছে। বাংলাদেশের মা-বাবারা আতঙ্কগ্রস্ত এবং উৎকন্ঠায় থাকেন। তার আদরের সন্তানকে জ্ঞান অর্জনের জন্য পাঠিয়ে। জ্ঞান বিতরণের দায়িত্ব নেওয়া কোনো কু- শিক্ষক দ্বারা বলাৎকারের শিকার হন কিনা।

সাম্প্রতিক বাংলাদেশের এমন কিছু ঘটনা সামনে আসছে তা দেখে যেকোন সচেতন নাগরিকই আতকে উঠবেন। কতটা মর্মান্তিকতার শিকার আমাদের ছেলে শিশুরা। ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জেনারেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবার চিত্র যেনো একই।

মাদ্ররাসা, স্কুলে হরহামেশাই ঘটছে এমন ঘটনা। কেউ যেনো দেখার নেই। কতটা বিশ্বাস থেকে কতটা ত্যাগ থেকে আদরের-দুধের সন্তানকে মা ছেড়ে দেয় উস্তাদের হাতে অথবা স্কুলের হোস্টেলে। সেই উস্তাদ কর্তৃক যখন ঘটে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম অপরাধ তখন আর বাকরুদ্ধ না হয়ে উপায় থাকে না। কারণ বাংলাদেশের আইন ধর্ষণের সংজ্ঞ নিরূপণ করছেন আরো দেড়শত বছর আগের তৈরী করা বৃটিশদের আইনে। সেই আইনই এখনো বলবৎ রাখছেন। দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করছেন ধর্ষণের সংজ্ঞা এবং কারণসমুহ। সেখানে বলাৎকারকে এড়িয়ে গেছেন। দন্ডবিধির সংজ্ঞায় বলা হয়েছে “ধর্ষণের শীকার হতে পারে শুধু একজন নারী, একজন পুরুষ কর্তৃক।” পাঁচটি কারণের কথা উল্লেখ করলেও। একটি কারণেও বলাৎকারের কথা বলা হয় নাই। দুইহাজার সালে ‘বাংলাদেশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’ নামে একটি আইন তৈরী করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতনমুলক অপরাধসমুহ কঠোরভাবে দমনের উদ্দেশ্যে। সেখানেও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের কথা থাকলেও ছেলে শিশু বলাৎকারের কথা অনুউল্লেখিত। শিশু নির্যাতন দমন আইনের ‘ধারা ৯(১) ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু ইত্যাদির শাস্তি নির্ধারণ করছেন’। যেখানে বলা হয়েছে “যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন। ” এখানেও ছেলে শিশুর কথা বলা হয় নাই। বলাৎকারকে আইনের ভাষায় কেন ধর্ষণ বলা হয়নি তা অবশ্য বোধগম্য নয়। অথচ বাংলা অভিধানে ধর্ষণের সমার্থক শব্দ আছে বলাৎকার। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের সংজ্ঞা দেওয়া হইছে। “ধারা (ঙ) ‘ধর্ষণ’ অর্থ ধারা ৯ এর বিধান সাপেক্ষ,  penal code, 1860( Act XLU of 1960) এর Section 375 এ সংজ্ঞায়িত ‘rape’। ” এখানে বিচারের ক্ষেত্রে উক্ত সংজ্ঞাই যদি আদালত গ্রহণ করে তাহলে বলাৎকারের শিকার ভিক্টম ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবে।

এই বলাৎকারের ইতিহাস বাংলাদেশে প্রায় দেড়শো বছরের পুরোনো। ঘেটু গানের মাধ্যমে বর্ষার মৌসুমে হাওড় অঞ্চলে জমিদারদের মনোরঞ্জনে এর প্রচলন শুরু হয়। যদিও বেশিদিন ঘেটু গান জনপ্রিয়তা পায়নি। জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির সাথে সাথে এই নিকৃষ্ট ঘৃণ্যতম প্রথারও বিলুপ্তি ঘটে। কিন্তু ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তাদের প্রেতাত্মারা নিকৃষ্ট মস্তিষ্কের পশুরা। যাদের পাশবিকতা মানসিকতা উগ্র পশুদের মতো। তারপরেও আমাদের আইনে ধর্ষণের সাথে বলাৎকার শব্দটি যোগ হয়নি। ডিজিটাল জামানায় তৈরীকৃত ‘শিশু নির্যাতন দমন আইনে’ও নারীকে আলাদা করার মানসিকতার পরিচয়ই ফুটে উঠেছে।

এবার দেখা যাক আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কি পরিমাণ পশুর বসবাস। সাম্প্রতিক সময়ের পত্রিকা গুলোর নিউজ অনুযায়ী দেশের কোন অঞ্চলেই এই পশুগুলো থেকে মুক্ত নয়। মুক্ত নয় পাশবিকতা থেকে আমাদের শিশুরা। বাংলা ট্রিবিউন ২০ই অক্টোবর এক নিউজে প্রকাশ করেন, “রুটিন করে মাদ্রাসা ছাত্রকে প্রতি রাতে বলাৎকার করতেন শিক্ষক নাছির।” এমন অহরঅহর নিউজ আছে, ‘ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ছাত্রকে বলাৎকার করতেন শিক্ষক’। ‘আদরের কথা বলে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকার’। এরকম শিরোনাম কয়েক শত দেওয়া যাবে।

আমাদের সময়ের নিউজ ৮ই ফেব্রুয়ারী, “পর্নো ছবি দেখে ছাত্রকে বলাৎকার মাদ্রাসা শিক্ষকের।” ভাবা যায় কতোটা বিকৃত মস্তিষ্কের শিক্ষক। Eye news. com ৬ই অক্টোবর ২০২০, “সিলেটে শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ”  এই শিরোনামে খবর প্রকাশ করেন।

৫ই এপ্রিল ২০১৮, বিবিসির নিউজ, “ভেবেছিলাম পড়ার ভয়ে হোস্টেলে যেতে চাইছে না: কক্সবাজারে স্কুল হোস্টেলে বলাৎকারের শিকার কিশোরের মা।” এমন হাজারো ঘটনা প্রবাহমান আমাদের উন্নয়ন সমৃদ্ধ বাংলায়। আমরা যতোটা কাঠামোয় উন্নত হইছি ঠিক ততটাই নৈতিকভাবে অবনতির দিকে যাচ্ছি।

আরো মর্মান্তিক রিপোর্ট প্রকাশ করছেন ‘উইমেন চ্যাপটার’ নামক এক অনলাইন পত্রিকায়। ‘সাইফুল ইসলাম টিটো’র অনুসন্ধানি রিপোর্ট। “সেখানে কওমি মাদ্রাসা ও মক্তবের একমাসের অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত চিত্র তুলে ধরেছেন। ১লা অক্টোবর ২০২০ থেকে ৩১শে অক্টোবর ২০২০, পুরো একমাসে ৩৩টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ টি ছেলে আর ৯টি মেয়ে শিশু। একটা শিশুকে ধর্ষণের শেষে হত্যা করার কথাও উল্লেখ করছেন। ধর্ষণের চেষ্টা ও নিপিড়ন চালানো হয় আরো ৭ টি শিশুর উপর। অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে আরো ৬৬ শিশুর উপরে। এইটুকু লিখতে আমার গা হিম হয়ে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করছেন এসব ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে চট্টগ্রাম আর সিলেটে।”

তবে এমন পাশবিকতা শুধু ছেলে শিশুদের উপরই ঘটছে না। অসহায় বয়স্ক পুরুষও শিকার হচ্ছেন। নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লায় ‘দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বৃদ্ধকে বলাৎকারের অভিযোগে আটক করেছিলো পুলিশ’। সূত্র: প্রেস নারায়ণগঞ্জ, ৫ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯।

কতটা অনিরাপদ এই জনপদ। কতটা আতঙ্কে বড় হচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই ভাবা দরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই যদি শিশুরা নিরাপদ না থাকে তাহলে এই শিশুদের বড় হওয়ার অধিকার নেই। বলাৎকারকৃত শিশুরা কতোটা মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকে, এটা জানার জন্য সাইকোলজিস্ট হওয়ার দরকার নেই।

আমাদের শিশুদেরকে এমন নিকৃষ্ট পাশবিকতা থেকে মুক্ত করতে হলে সচেতনতার পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে কঠোর হস্তে দমন করতে

হবে। আর নয়তো আমাদের ভবিষ্যৎ চরম অন্ধকারের দিকে নিক্ষিপ্ত হবে। সুকান্তা ভট্টাচার্যের ভাষায় “এসেছে নতুন শিশু তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান”। আমরা শিশুদের স্থান ছেড়ে দিবো নাকি তাদেরকে মানসিক ভাবে বিকলাঙ্গ বানাবো এটাই এখন দেখার বিষয়।

-আবুল বাশার-

আইন বিশ্লেষক।