মেঘুলা থেকে মাদকসেবী আটক

২৮ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মেঘুলা বাজারস্থ প্রশান্ত ফার্মেসীর সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে মালিকান্দা শ্মশানঘাট গ্রামের জলিল মোল্লার ছেলে মোঃ জসিম (১৯) কে ১গ্রাম হেরোইন জাতীয় মাদকসহ আটক করেছে র‍্যাব-।

মুন্সিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানী কমান্ডার প্রনব কুমারের নেতৃত্বে র‍্যাব -১১ তাকে আটক করে। পরে মাদক সেবী জসিমকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র আসামী করে মাদকদ্রব্য সেবনের অপরাধে ৬ মাসের কারাদন্ড ও ৫০০/- টাকা অনাদায়ে আরো ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত করেন।

এ সময় জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন মাদকের বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া যাবে না। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা শক্ত হাতে প্রতিহত করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত আছি। দোহার থেকে মাদক কে জিরো টলারেন্স এ নামিয়ে আনার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

দোহারে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

আল-আমিন, নিউজ৩৯: ঢাকার দোহারে সোমবার বিকাল ৪টায় মৈনট ঘাটে অভিযান চালিয়ে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ঝটকা মাছ আহরণের সময় মৈনট ঘাটে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করে কুতুবপুর নৌ-পুলিশের একটি টিম।

এসময় কুতুবপুর নৌ-পুলিশ এস আই আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ মতে ৯ ইঞ্চির নিচে ঝাটকা মাছ ধরা ও বিক্রি করা সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ হলেও জেলেরা পদ্মা নদী থেকে অবৈধ এই ঝটকা মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে আসছে। তাই মৎস্য সুরক্ষা ও ঝাটকা নিধন রোধে মৈনটঘাটে অভিযান চালিয়ে জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুতুবপুর নৌ-পুলিশের একটি টিম।

‘বিদ্রোহী’ কবিতার নিরানব্বই বছর

0

আবুল বাশার, নিউজ৩৯ : কমরেড মুজাফফর আহমেদ ছিলেন কবি নজরুলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ প্রিয়ভাজন। থাকতেন একই ভাড়া বাসায়। কলকতার তালতলা লেনের ৩/৪ সি বাড়িতে। ১৯২১ সনের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের মাঝামাঝি একদিন সকালে কবি নজরুল মুজাফফর আহমেদকে ডেকে একটা কবিতা শুনান। ‘বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত আমি সেদিন হবো শান্ত’। পৃথিবীর ইতিহাসে নজরুলের মতো কোনো কবি এতোটা দ্রোহের সাথে বিদ্রোহ করতে পারেন নাই। নজরুল ছিলেন দ্রোহের কবি প্রেমের কবি বেদনার কবি সাম্যের কবি জাগ্রত কবি। বিদ্রোহী কবিতার প্রথম শ্রোতায়ও দাবিধার কমরেড মুজাফফর আহমেদ। তখন নজরুলের বয়স ছিলো সবে মাত্র বাইশ বছর জন্ম সন অনুযায়ী (১৮৯৯, ২২ই মে)।

বিদ্রোহী কবিতার প্রকাশ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও নজরুল গবেষকরা সবাই মোটামুটি একমত মুজাফফর আহমেদের কথায়। “বিদ্রোহী প্রথম ১৯২১ সালে ৬ই জানুয়ারি সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। বিদ্রোহী প্রথম ছাপানোর মর্যাদা বিজলীরই প্রাপ্য।” বিদ্রোহী কবিতা এতোটাই পাঠক প্রিয়তা পায় এবং আলোড়ন সৃষ্টি করে যে একই সপ্তাহে বিজলীর দ্বিতীয় সংস্করণ বের করেন। অনকের মতে একই দিনে। ‘বিদ্রোহী’ প্রকাশকালীন ‘বিজলী’র সম্পাদনা করতেন নলিনীকান্ত সরকার। ধারণা করা হয় প্রায় ২৯ হাজার কপি বিক্রি হয় ‘বিজলী’র। এটা তৎকালীন সময়ের জন্য বিরল ঘটনা। এরপর মাসিক ‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকার কার্তিক সংখ্যায়, তবে কার্তিক সংখ্যার কার্তিকের পরিবর্তে বাংলা ১৩২৮ সালের মাঘ মাসে বের হয়। একই বছর ‘মাসিক প্রবাসী’ ও ‘মাসিক বসুমতী’তে প্রকাশ করেন। এবং পরের বছর ১৩২৯ সনে ‘মাসিক সাধনা’য় প্রকাশ হয়। নজরুলের সম্পাদনা ধুমকেতুতেও প্রকাশ করেন। (অনেকের দ্বিমত প্রথম প্রকাশ হয় মোসলেম ভারতে। উল্লেখ্য যে প্রথম দেওয়া হয় ‘মোসলেম ভারত’ সাপ্তাহিক পত্রিকায়। প্রকাশ করতে বিলম্বিত করায়। এর আগেই ‘বিজলী’তে ছাপা হয়)।

নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ প্রকাশিত হয় কলকাতার আর্য পাবলিকিসিং হাউস থেকে ১৯২২ সনে। যার প্রচ্ছদ পরিকল্পনা করেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাই)। অংকন করেছিলেন বিখ্যাত চিত্র শিল্পী বীরেশ্বর সেন। মাত্র ১২টি কবিতা ছিলো অগ্নিবীণায় যার ঐসময় বাজারমূল্য ছিলো ৩ টাকা। সেখানে স্থান পায় “বিদ্রোহী” কবিতাটি। অগ্নিবীণার বিদ্রোহ শুধু বাংলা সাহিত্যেই নয় বরং ইতিহাস সৃষ্টি করেছে বিশ্ব সাহিত্য অঙ্গনেও। তখনকার প্রবীণ প্রতিষ্ঠািত সাহিত্যিকরাও একজন নবীন কবিকে নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেছেন পত্রিকায় প্রবন্ধ লেখেছেনে। এই তালিকায় অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত থেকে প্রেমেন্দ্র মিত্ররাও রয়েছেন। কবি নজরুল নিজ কন্ঠে পাঠ করে শুনিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। এর পর থেকেই নজরুল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেনাজানা তৈরী হয়।

তবে সমালোচনা থেকেও বাদ পড়েনি নজরুল। মাত্র বাইশ বছরের একজন ছন্নছাড়া বাউণ্ডুলে কবি। মননে মানসিকতায় যিনি বিদ্রোহী। কবিতায় যা ফুটিয়ে তুলেছেন, “ভ্যূলোক দ্যুলোক গোলক ভেধিয়া খোদার আসন আরোশ ছেদিয়া উঠিয়াছি চিরবিস্ময় আমি বিশ্ব বিধাতৃর!”

বিদ্রোহী কবিতার নিরানব্বই

নজরুলের ‘বিদ্রোহী’কে নিয়ে অনেক প্রসিদ্ধ কবি ব্যাঙ্গ করে লেখেন ব্যাঙ্গাত্মক কবিতা। যোগনন্দ দাস, সজনী কান্ত, গোলাম মস্তফাও বাদ যায়নি এই লিষ্টে থেকে। কবি যোগনন্দ দাস লেখেন “আমি বীর/ আমি দূর্জন, দূর্ধর্ষ, রুদ্রদীপ্ত শির/ আমি বীর। সজনীকান্ত লেখেন, “আমি ব্যাঙ/ লম্বা আমারই ঠ্যাং, আমি ব্যাঙ।” গোলাম মস্তফা লেখেন “ওগো বিদ্রোহী বীর/সংযত কর, সংহত কর, উন্নত তব শীর।”

এযুগেও বিদ্রোহীদের নিয়ে ব্যাঙ্গ হয়। নজরুলের বিদ্রোহীর মতোই বিদ্রোহ ছড়িয়ে থাক তাবত দুনিয়ার আনাচে-কানাচে। বৃটিশ ঔপনিবেশি- কতাকে নজরুল বৃদ্ধা আঙুলি দেখিয়ে ছুটে চলেছেন “মহা বিশ্বের মহা আকাশ ফাড়ি।” প্রবল প্রতাপশালী বৃটিশ শাসক একজন বাইশ বছরের তরুণ কবির কবিতা সয্য করতে না পেরে নিষিদ্ধের জন্য সুপারিশ করেছেন। এই কবিতাটির জন্য বৃটিশ সরকার রোশানলে পরলেও শেষ পর্যন্ত বায়জাপ্ত করেন নি। তবে কবির অন্য আরো পাঁচটি বই বায়জাপ্ত করেছিলেন। তারপরও বন্ধ ছিলো না নজরুলের কবিতা। নিরানব্বই বছরেও থেমে নেই কবির ‘বিদ্রোহী’, নতুন রূপে ফিরে আসে বৃটিশের জুলুম। আসে না শুধু নজরুল, আসে সাহিত্য পুরুষ্কার পেতে পা-চা-টা কবিরা। নজরুলের মতো কেউ বলতে পারবে না, “আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল, আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল।” ২০২১শে নজরুলের “বিদ্রোহী”র শতবছর পুর্তিতে বিদ্রোহ হোক বাংলা সাহিত্যের।

সূত্র : কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি কথা, কমরেড মুজাফফর আহমেদ। এবং নজরুলের ভিবিন্ন গবেষণা প্রবন্ধ।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সাথে মেহনাজ মান্নানের শুভেচ্ছা বিনিময়

দোহার ও নবাবগঞ্জের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব বড়দিন উপলক্ষে দোহার ও নবাবগঞ্জের খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান। হাসনাবাদ, গোল্লা গোবিন্দপুর ও বক্সনগর গির্জায় শুভেচ্ছা বিনময় করেন তিনি।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক বেসরকারি বিমান ও পর্যটুন মন্ত্রী আব্দুল মান্নানের কন্যা ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান বিএনপিতে সক্রিয় আছেন অনেক আগে থেকেই। আব্দুল মান্নানের মৃত্যুর পর দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপিতে সক্রিয় হন এই তরুন নেত্রী। বিএনপি নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের সাথে।  এই সময় ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান বিভিন্ন গির্জা পরিদর্শন করেন এবং সবার সাথে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন আগলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব আবেদ হোসেন, গালিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব তপন মোল্লা, নয়নশ্রী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব হাবিবুর রহমান খান পান্নুসহ দোহার-নবাবগঞ্জ বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

দোহার উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন ও হলরুম নির্মানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ভাচুর্য়ালের  মধ্যেমে দোহার উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন ও হলরুম নির্মানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকা-১ আসনের  সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এই ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেছেন। শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলা প্রাঙনে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা,রাজনৈতিক,সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যাক্তি-বর্গের উপস্থিতিতে এই ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়।

দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো.আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালের মাধ্যমে দোহারবাসীকে শুভেচ্ছা জানান ঢাকা-১ আসনের সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

সে সময় সালমান এফ রহমান বলেন,  আমি দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার জন্য প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনার কাছে কিছু চাইলে সে আমাকে না করে না। আর আমাদের দেশে ভ্যাকসিন আসছে। দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে ভ্যাকসিনের তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশ আছে এবং এখন বিশ্বে বাংলাদেশ  ২৮ নাম্বার এ আছে ভ্যাকসিনের তালিকায়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুল,দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা মো.বেল্লাল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রজ্জব আলী মোল্লা ও সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা এস এম মহিউদ্দিন,দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মর্কতা ডা.জসিম উদ্দিন, দোহার উপজেলা প্রকৌশলী মো.কবির উদ্দিন শাহ, দোহার পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমান,পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ, দোহার প্রেসক্লাব, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন,উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি)জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

খৃষ্টান ধর্মালম্বীদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের বড় দিনের শুভেচ্ছা বিনিময়

ঢাকার দোহারের ইকরাশি খৃষ্টান পল্লী সাধু যোসেফ চ্যাপেলে খৃষ্টান ধর্মালম্বীরাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন দোহার। ২৫ ডিসেম্বর শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খৃষ্টান ধর্মালম্বীরাদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের দেয়া কেক এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ফুল ও মিষ্টি উপহার দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এ সময় জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আজকের এই দিনে যিশুখৃষ্ট ধরায় আগমন করেছে বলে আজ তার শুভ জন্মদিন সেই লক্ষ্যে আজ শুভ ক্রিসমাস ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজকের এই দিনে আমি সারাবিশ্বের সকল ধর্মাবলম্বী মানুষদের মঙ্গল কামনা করছি। সকল ধর্মের সকল মানুষ যেন সুস্থ থাকে এই প্রত্যাশাই করি। সেই সাথে খৃষ্টান ধর্মালম্বীদের উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে জানাই মেরি ক্রিসমাস ডে এর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাধু যোসেফ চ্যাপেলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা যোসেফ টুনু গমেজ, সাধারণ সম্পাদক জ্যামস গমেজ ইকরাশী প্রগতি সংঘের সভাপতি সুবাস গমেজ, সাবেক সভাপতি লুইচ পল জনি গমেজ, সাংবাদিক শেখ সোহেল রানা, মাকসুমুল মুকিম সহ আরো অনেকে।

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে: সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও দোহার-নবাবগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়ন কার্যক্রমকে দ্রুত এগিয়ে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক সমন্বয় সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও দোহার-নবাবগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান সভায় উপস্থিত সকল জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন- নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম সালাউদ্দীন মনজু, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রাজিবুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান তাবির হোসেন খান পাভেল, ইয়াসমিন আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান, ইব্রাহিম খলিল, দেওয়ান তুহিনুর রহমান তুহিন, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

মুকসুদপুরে ফ্রি মাস্ক বিতরণ

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের উপস্থিতিতে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের দুবলি বাজারে করোনা সচেতনতা ও সংক্রামন প্রতিরোধের জন্য মাস্ক বিতরন করা হয়েছে।  ২৫ শে ডিসেম্বর (শুক্রবার ) মুকসুদপুর ইউনিয়নে দুবলী বাজার মমতাজ ফার্মেসী  উদ্যোগে আজকের অনুষ্ঠান  ও জনসচেতণা মূলক মাক্স বিতারণ  করা হয়।

অনুষ্ঠানের বক্তব্য রাখেন দুবলি বাজারের আধুনিকায়নের কারিগর  ধীতপুর সিটি সেন্টার এর প্রতিষ্ঠাতা সহ – সভাপতি বাংলাদেশ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন  সংস্থা দোহার থানা শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, করোনার পরিস্থিতিতে সর্বপ্রথম আল্লাহতালাকে বেশি বেশি স্মরন ও সচেতন হওয়া দরকার এবং ঘর থেকে বের হলেই মাক্স ব্যবহার করব আমরা। তিনি তার বক্তব্যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের  দুবলি বাজারের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং এই সমস্যার আশু সমাধান চান।

এই সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জানাব শাহজাহান মোল্লা (প্যানেল চেয়ারম্যান ঢাকা জেলা পরিষদ)। অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্বে করেন জানাব মোঃ মোশারফ হোসেন।

এসময় আরো  উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ অঙ্গ সংগঠের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ  ,ব্যবসায়ী বৃন্দ  ও এলাকার মুরব্বীগন।

দোহারে ড্রেজার অপসারণ: জামাই-শ্বশুরকে জরিমানা

ঢাকার দোহার উপজেলার চর লটাখোলা হাতেমের কুম পাড় এলাকায় অবৈধভাবে কিছু দিন যাবত সরকারি খালের জমির মাটি  ড্রেজার  দিয়ে উওোলন করে অবাদেই বিক্রি করে যাচ্ছিলেন  জামালচর এলাকার সোহেল রানা (৩০)(পিতা হাসমত তালুকদার) এবং নাগেরকান্দা গ্রামের  আজিমউদ্দিন (৬০) (পিতা: শেখ আমির উদ্দীন) নামে দুই ব্যক্তি।  

২৩ ডিসেম্বর বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ ঘন্টা  মোবাইল কোটের অভিযানের  পর অবৈধভাবে সরকারি খালের জমির  মাটি কাটা ও বিক্রির অপরাধে বালু ও মাটি ব্যবসায়ী সোহেল রানা ও তার শ্বশুর আজিমউদ্দিন কে  বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০অপরাধ ৫ এর ১ ধারায় শাস্তি ১৫ এর ১ ধারায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অপরাধ  ৫ এর ১ ধারায়  নগদ ৫০ হাজার করে ২ জন কে ১ লক্ষ টাকা টাকা জরিমানা অনাদায়ে  ১৫ এর ১ ধারায় ২ জন কে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত করা হয়েছে।

মোবাইল কোট পরিচালনা করেন ভাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট চীফ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্টেট সহকারী কমিশনার ভূমি জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এ সময় সহযোগিতা করেন দোহার থানা এ এস আই মোমিন ও থানা পুলিশ ফোর্স।

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে দোহার থেকে ২৩ ছাত্রনেতার পদ লাভ

অবশেষে ঘোষণা করা হলো ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। ২৫১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি স্থান লাভ করেছেন দোহারের ২৩ জন ছাত্রনেতা। ২০১৬ সালে ঘোষনা করা ৮ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে সময় লেগেছে ৪ বছরেরও বেশি। এই কমিটিতে দোহার উপজেলা থেকে স্থান পেয়েছেন ২৩ জন ছাত্রনেতা।

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের এই পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ সভাপতি হিসাবে আছেন দোহারের ৪ ছাত্রনেতা। এরা হচ্ছেন আতিকুর রহমান সুয়েম, শামীম আহমেদ, নুর সালাম হোসেন ও কাউছার মাহমুদ শাওন।

যুগ্ম-সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন দুই ছাত্রনেতা।  তারা হচ্ছেন রবিউল ইসলাম অমিত, রাসেল হোসেন।

সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন ৪ ছাত্রনেতা। তারা হচ্ছেন সুমন মৃধা, আব্দুল করিম, সোহানুর রহমান সোহান, ইকবাল হোসেন পাপ্পু।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে স্থান পেয়েছেন ৪ ছাত্রনেতা। তারা হচ্ছেন শিকদার আলমগীর, কামরুল ইসলাম কামাল, হাবিবুর রহমান ঠান্ডু, শিপন খান।

এছাড়া দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন কাজী মাসুদ।

এছাড়াও আরো স্থান পেয়েছেন আব্দুর রহিম (সহ গন শিক্ষা সম্পাদক), মুসফিকুর রহমান (সদস্য),  আরাফাত উদ্দিন খান (সদস্য),  ইকবাল হোসেন (সদস্য), ফাহিম মোল্লা (সদস্য), মোকছেদ হোসেন (সদস্য), আরিফ হোসেন (সদস্য), দেওয়ান মুহাম্মদ রাকিব (সদস্য)।

ঢাকা জেলা ছাত্রদলের পূর্নাঙ্গ কমিটিতে দোহার থেকে ২৬ জন ছাড়াও নবাবগঞ্জ থেকে ৩৩ জনকেরানীগঞ্জ থেকে ৫৫ ছাত্র নেতা পদ লাভ করেছেন।