আহমেদ ছফা ও একজন সুদীপ্ত হান্নান

0

সুদীপ্ত হান্নান, ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের চর কুশাই গ্রামের সন্তান। কার্তিকপুর স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকায় শিক্ষা জীবন শুরু করেন। তার ধারাবাহিকতায় তীতুমীর কলেজ হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। এবং ২০১৪ সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আহমেদ ছফা ও তার রচনাবলীর উপর পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বাংলাদেশে আহমেদ ছফা ও তার রচনাবলীর উপর প্রথম পিএইচডি করেন দোহারের এই কৃতি সন্তান। আহমেদ ছফার রচনাবলী ও তার উপর এখন পর্যন্ত লেখা বইগুলোর একটা তালিকা করেছেন এই শিক্ষা ব্যক্তিত্ব। নিচে সেই লেখাটা নিউজ৩৯ এর পাঠকদের জন্য নিউজ৩৯ এ প্রকাশ করা হলো।

আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮শে জুলাই না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ২০০২ সালের জুলাই মাসে আমি তাঁর জীবন ও সাহিত্য বিষয়ে পিএইচ. ডি করার জন্য সারসংক্ষেপ জমা দেই। নানা বিষয়ে কাজ শেষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে আমার গবেষণাটি সম্পন্ন হয় এবং ২০১৪ সালের জুন মাসে আমার পিএইচ. ডি ডিগ্রি অর্জিত হয়। বাংলাদেশে আহমদ ছফা বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি – ভাবা যায়!! সেটি সম্ভব করতে আমাকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হয়েছে, নির্মোহ ও নিরাবেগ থাকতে হয়েছে।

আহমদ ছফার জীবিতাবস্থায় তাঁর ৮টি উপন্যাস, ২টি গল্পগ্রন্থ, ৬টি কবিতার বই, ১৬টি প্রবন্ধগ্রন্থ এবং ৩টি অনুবাদগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া মারা যাওয়া পূর্বে একটি সাক্ষাতকারগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি অসংখ্য প্রবন্ধ লিখেছেন যা গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে যেতে না পারলেও মারা যাওয়ার পর কিছু প্রকাশিত হয়েছে। এখনও নানা লেখা পাওয়া যাচ্ছে এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশের প্রচেষ্টা চলছে।

আহমদ ছফার চিঠিপত্র প্রকাশিত হয়েছে, প্রকাশিত হয়েছে তার ডায়েরিও। জীবিতাবস্থায় তাঁর রচনাবলী প্রকাশ করা শুরু করেছিলো সন্দেশ প্রকাশনী। সন্দেশ থেকে ৪ খণ্ড রচনাবলী প্রকাশিত হয়েছে। আহমদ ছফার মৃত্যুর পর খান ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত হয়েছে ৯ খণ্ডের আহমদ ছফা রচনাবলী। হাওলাদার প্রকাশনী আহমদ ছফার প্রবন্ধ সমগ্র, উপন্যাস সমগ্র, গল্প সমগ্র, কবিতা সমগ্র নামে প্রায় সবই প্রকাশ করেছে।

আহমদ ছফার উপন্যাস :

১. সূর্য তুমি সাথী

২. ওঙ্কার

৩. অলাতচক্র

৪. একজন আলী কেনানের উত্থান-পতন

৫. মরণ বিলাস

৫. গাভী বিত্তান্ত

৭. অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী

৮. পুষ্প বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ

আহমদ ছফার প্রবন্ধগ্রন্থ :

১. জাগ্রত বাংলাদেশ

২. বুদ্ধি বৃত্তির নতুন বিন্যাস

৩. বাংলা ভাষা : রাজনীতির আলোকে

৪. বাংলাদেশের রাজনৈতিক জটিলতা

৫. সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস

৬. বাঙালি মুসলমানের মন

৭. শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য

৮. রাজনীতির কথা

৯. আনুপূর্বিক তসলিমা ও অন্যান্য স্পর্শকাতর প্রসঙ্গ ১০. নিকট ও দূরের প্রসঙ্গ

১১.শতবর্ষের ফেরারী : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

১২. সংকটের নানা চেহারা

১৩. যদ্যপী আমার গুরু

১৪. শান্তিচুক্তি ও নির্বাচিত প্রবন্ধ

১৫. বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র

১৬. উপলক্ষের লেখা

আহমদ ছফার গল্পগ্রন্থ :

১. দোলো আমার কনকচাঁপা

২. নিহত নক্ষত্র

আহমদ ছফার কাব্যগ্রন্থ ও গানের সংকলন

১. জল্লাদ সময়

২. দুঃখ দিনের দোহা

৩. একটি প্রবীণ বটের কাছে প্রার্থনা

৪. লেনিন ঘুমাবে এবার

৫. গো-হাকিম

৬. অহিতাগ্নি

আহমদ ছফার অনূদিত সাহিত্য :

১. তানিয়া (মূল : পি. লিডভ)

২. ফাউস্ট (মূল : গ্যোতে)

৩. সংশয়ী রচনা (মূল : বার্ট্রান্ড রাসেল)

সাক্ষাতকার গ্রন্থ :

১. আহমদ ছফা বললেন

আহমদ ছফার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছে :

১. আহমদ ছফার ডায়েরি

২. আহমদ ছফার চিঠি

৩. উত্তরখণ্ড (আহমদ ছফা লিখিত ও প্রকাশিত শতাধিক প্রবন্ধ যা পূর্বে গ্রন্থভুক্ত হয় নি)

আহমদ ছফা মারা যাওয়ার পর তাকে এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম নিয়ে লেখা ও প্রকাশিত বই :

১. ছফা ভাই : আমার দেখা আমার চেনা : মোরশেদ সফিউল হাসান

২. আহমদ ছফার সময় : নাসির আলী মামুন

৩. পূর্ব দেশের মনীষী : নাসির আলী মামুন

৪. আহমদ ছফা অন্দরমহল : শামসুল আরেফিন

৫. আহমদ ছফার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী : মোহাম্মদ আমিন

৬. ছফামৃত : নুরুল আনোয়ার (জীবনী)

৭. আহমদ ছফা সঞ্জীবনী : সলিমুল্লাহ খান

৮. আহমদ ছফা : অপরাহ্নের সূর্য, : জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি (জীবনী)

৯. আহমদ ছফার উপন্যাস : বাংলাদেশের উদ্ভব এবং বিকাশের ব্যাকরণ (আহমদ ছফার ওপর পিএইচ.ডি গবেষণা অভিসন্দর্ভ) : ড. সুদীপ্ত হাননান

১০. কালের নায়ক : গাজী তানজিয়া

১১. বাংলাদেশের কবিতা ও উপন্যাসের দর্শন এবং আহমদ ছফার সৃষ্টিবিশ্ব : রহমান হাবিব

১২. আহমদ ছফার স্বদেশ, সম্পাদিত গ্রন্থ : সলিমুল্লাহ খান

১৩. আহমদ ছফার কবিতা : জীবনের দাহ ও ঐতিহ্যবোধের সমন্বয় : সুদীপ্ত হাননান

১৪. আহমদ ছফা চর্চা : সুদীপ্ত হাননান (আহমদ ছফার জীবন ও সাহিত্য কর্মের পরিচয়)

মহাত্মা আহমদ ছফার মৃত্যুর পর বেশকিছু ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছিলো :

১. লোক , সম্পা. অনিকেত শামীম, ২০০২

২. পাক্ষিক চিন্তা, সম্পা. ফরিদা আকতার, ২০০২

৩. কিছুধ্বনি, সম্পা. আনওয়ার আহমদ, ১৪০৮ বঙ্গাব্দ

৪. সূনৃত, সম্পা. আহমদ সায়েম, ২০০৩

৫. শৈলী, সম্পা. কায়সুল হক, ১৪০৮ বঙ্গাব্দ

৬. অর্থ, আহমদ ছফা রাষ্ট্রসভা,২০০৯

৭. অর্থ, ঐ, ২০১০

৮. অর্থ, ঐ, ২০১১

এছাড়া দুইটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিলো, একটি সম্পাদনা করেছিলেন মোরশেদ সফিউল হাসান ও সোহরাব হাসান এবং অন্যটি সম্পাদনা ও প্রকাশ করেছিলেন অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম।

সারাদেশের মধ্যে দোহার – নবাবগঞ্জে সর্বোচ্চ ঘর পাচ্ছে গৃহহীন পরিবারগুলো

0

আল-আমিন, নিউজ৩৯: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ সাংসদ সালমান এফ রহমানের চেষ্টায় উপজেলা ভিত্তিক সর্বোচ্চ ঘর বরাদ্দ পাচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জের গৃহহীন ১০১১ পরিবার। মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের যাচাই-বাছাই করে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এদিকে কৈইলাল ইউনিয়নের ১৪০ ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে যা উপর থেকে দেখতে অনেকটা জাতীয় পতাকার আদলে।

দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ফিরোজ মাহমুদ নাইম বলেন, সরকারের বরাদ্দকৃত ১৯৮ এবং এমপি মহোদয়ের ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় ৪৩ মোট ২৪১টি ঘর ৮ ইউনিয়নের ও ১ টি পৌরসভার অসহায় দুস্থ ভুমিহীন গৃহহীন পরিবারের মাঝে বিতরণ করার জন্য দ্রুত কাজ এগিয়ে চলছে। প্রতিটি ঘরে খরচ হবে প্রায় ১লক্ষ ৭১ হাজার টাকা।  এমপি মহোদয়ের সরাসরি দিকনির্দেশনা মোতাবেক কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে ।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচএম সালাউদ্দিন মনজু বলেছেন, সারা দেশের উপজেলা ভিত্তিক সর্বোচ্চ ঘর বরাদ্দ পাচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জের গৃহহীন ১০১১ পরিবার। সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান এমপি’র বিশেষ অবদানের কথা স্বীকার করে বলেন, আমাদের বরাদ্দ দেশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে সর্বোচ্চ। নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ৭৭০ ভূমিহীন গৃহহীন সুবিধা বঞ্চিত পরিবার ঘর পাবেন।

সালাউদ্দিন মনজু আরও বলেন, এমপি মহোদয়ের দিকনির্দেশনা মোতাবেক ডিজাইনে উপজেলার কৈইলাল ইউনিয়নের ১৪০ ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে যা উপর থেকে দেখতে অনেকটা জাতীয় পতাকার আদলে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ নাসিরউদ্দিন আহমেদ ঝিলু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে আমরা তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি । মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বাস্তবায়িত কমসূচি সফল হোক।

নয়াবাড়িতে অবৈধ ড্রেজার পাইপ উচ্ছেদ অভিযান

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নয়াবাড়িতে প্রধান সড়ক থেকে অবৈধ ড্রেজার পাইপ উচ্ছেদ করেছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। এই সময় নয়াবাড়ির তিনটি স্থানের সড়ক থেকে এই ড্রেজার পাইপ উচ্ছেদ করা হয়।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের নেতৃত্বে নয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিনটি প্রধান সড়কে অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ড্রেজার পাইপ উচ্ছেদ করেন।

জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, দোহারের অংশে পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে বা জনগণের চলাচলের ব্যঘাত ঘটিয়ে বালু ব্যবসা করলে উপজেলা প্রশাসন কঠোর হস্তে তা দমন করবে। সকল অবৈধ বালু ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয়ছে। অভিযানে সহযোগীতায় ছিলেন দোহার থানার পুলিশ সদস্য বৃন্দ। অভিযান চলমান থাকবে।

আসিফ শেখের পিতার মৃত্যুঃ নিউজ৩৯ এর শোক

নিউজ৩৯ এর সাবেক সাংবাদিক ও বর্তমানে প্রিয়বাংলার নিজস্ব প্রতিবেদক আসিফ শেখের পিতা ওয়াহিদ শেখ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেছেন। কুয়েত এ্যাম্বাসী জিম্বাবুয়েতে চাকরিরত অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। ওয়াহিদ শেখ নবাবগঞ্জ উপজেলার বারুয়াখালী ইউনিয়নের পাঞ্জিপ্রহরী গ্রামের সন্তান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।

আসিফ শেখ জানান, তাঁর বাবা বেশ কয়েকদিন ধরে করোনা আক্রান্ত হয়ে জিম্বাবুয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। শনিবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়।

চাকরি জীবনে জিম্বাবুয়েতে কুয়েত দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন ওয়াহিদ শেখ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জিম্বাবুইয়ে থেকে সাউথ আফ্রিকার ট্রানজিট নিয়ে আসার কারনে সাউথ আফ্রিকা ওয়াহিদ শেখের লাশ হস্তান্তর না করার কারনে ওয়াহিদ শেখের দাফন সাউথ আফ্রিকাতেই হবে বলে জানা গেছে। করোনা ভাইরাসের মোকাবেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি ও লাশের স্থান্তান্তরের ক্ষেত্রে সাউথ আফ্রিকায় নতুন আইন চালু হওয়ায় ওয়াহিদ শেখের লাশ বাংলাদেশে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

ওয়াহিদ শেখের মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের প্রতি শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে নিউজ৩৯ পরিবার এবং নবাবগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা।

লটাখোলায় ইজিবাইকের ধাক্কায় একজন নিহত

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার লটাখোলা-বাঁশতলা সড়কে ইজিবাইকের ধাক্কায় জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি লটাখোলা এলাকার আমির উদ্দিন বেপারীর ছেলে। রবিবার সকাল ১১টার দিকে এই দূর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রবিবার সকাল ১১টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে লটাখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মোড়ের প্রধান সড়কে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি ইজিবাইক ধাক্কা দেয় জাহাঙ্গীর আলমকে। গুরুতর আহত অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

এই সময় স্থানীয়রা ইজিবাইক আটক করতে পারলেও ইজিবাইকের চালক পালিয়ে যায়। দূর্ঘটনার খবর পেয়ে দোহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দাখিল হয়নি।

নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় ২ বন্ধু নিহত

0

স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯, নবাবগঞ্জ(ঢাকা): নবাবগঞ্জে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র আনজির আহমেদ প্রান্তিক (২০) ও তার বন্ধু আলভী মেহেদী (২০) নিহত হয়েছেন। নিহত প্রান্তিক উপজেলা সদর কলাকোপা ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের মহসিন উদ্দিন পলাশের ছেলে ও আলভী মেহেদী পার্শ্ববর্তী জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. আজমের একমাত্র ছেলে। প্রান্তিক রাজধানীর ধানমন্ডির আইডিয়াল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ও আলভী দোহার-নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ২য় বর্ষের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ছাত্র।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়, মায়ের নিষেধ সত্বেও বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে বাবার কাছ থেকে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে ঘনিষ্ঠ বাল্যবন্ধু আলভীকে নিয়ে ঘুরতে বের হয় প্রান্তিক। মোটরসাইকেল চালাচ্ছিল প্রান্তিক আর আলভী পেছনে বসা ছিল। ঘোরাঘুরি শেষে রাত ১১টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে কাশিমপুর গ্রামের প্যারাগন হাসপাতালের সামনে আঞ্চলিক প্রধান সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অপর একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে তারা দুজন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে প্রান্তিক এবং শনিবার ভোরের দিকে রাজধানীর কাকরাইল সেন্টাল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলভী মেহেদী মারা যায়।

নবাবগঞ্জ থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. লিয়াকত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ও দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি জব্দ করে করেছে। তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করে নি।

দূর্ঘটনার সিসি ফুটেজ লিংকঃ https://www.facebook.com/News39/videos/874064893349443

তীব্র শীতে শীতার্তদের পাশে ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান

তীব্র শীতে শীতার্তদের পাশে দাড়িয়েছেন নবাবগঞ্জের সাবেক সাংসদ ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল মান্নানের একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান । দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় তার পিতা-মাতার নামে প্রতিষ্ঠিত মান্নান -নিলুফা মেমরিয়াল ফাউন্ডেশন-এর পক্ষ থেকে শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে নবাবগঞ্জ ও দোহারে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মেহেরাজ মান্নান তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নববর্ষ ও পিতার জন্মদিন উপলক্ষ্য শীতার্থদের মাঝে প্রায় ২০০০ হাজার কম্বল বিতরণ করেন। নিউজ৩৯কে ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান বলেন, আমরা জনগণের সেবার জন্য মান্নান-নিলুফা ফাউন্ডেশন তৈরি করেছি। আমরা এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা জনগনকে সেবা প্রদান করবো। আমরা এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমাজ সেবামূলক কাজ করবো। আমরা পর্যায়ক্রমে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এর মাধ্যমে চিৎসাসেবা দিবো ইনশাল্লাহ। এরসাথে আমার বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো আমি শেষ করবো ইনশাআল্লাহ। সে সময় উপস্থিত ছিলেন তরুণ উদ্যোক্তা বোরহান উদ্দিন, ঢাকা জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আব্দুর রশিদ,ভিপি হারুন, আবেদ চেয়ারম্যান, পান্নু চেয়ারম্যান,তপন মোল্লা, কবির হোসেন,সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম রফিক,বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, আব্দুল বাতেন, হুমায়ুন মোল্লা, মোঃ সালাউদ্দিন,নাসির আহসান পলাশ, মোস্তফা কামাল,মোঃ দীপু,জাসাস সভাপতি সালাউদ্দিন বাদল,ছাত্রনেতা মইন খান তুষার,সৌরভ প্রমুখ।

দোহারে অবৈধ ড্রেজার পাইপ অপসারণ করলেন প্রশাসন

ঢাকার দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তীরবর্তী রাস্তার উপর দিয়ে নেয়া ৫ টি স্পটে অবৈধ পাইপ অপসারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ২৯শে ডিসেম্বর সকাল থেকে বাহ্রা থেকে নয়াবাড়ি পর্যন্ত প্রধান সড়কে ও সড়কের নিচে থাকা ড্রেজার পাইপ উচ্ছেদ সহ জব্দ করে  প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী অভিযানের টের পেয়ে ড্রেজার মালিকরা পালিয়ে যায় এসময় অভিজান  পরিচালনা করেন সহকারী কমিশসনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

এসময় দোহার উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ বলেন, দোহার পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে বা জনগণের চলাচলের ব্যঘাত ঘটিয়ে বালু ব্যবসা করলে উপজেলা প্রশাসন কঠোর হস্তে তা দমন করবে। সকল ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয় এ অভিজান চলমান থাকবে।

দোহারে অবৈধ ড্রেজার পাইপ অপসারণকালে সহযোগীতায় ছিলেন, ঢাকা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশল জনাব মেহেদি হাসান ও দোহার থানার পুলিশ ফোর্স।

দোহারে BDRIS সফটওয়্যার ব্যবহার অনলাইন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহারের দোহার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালার যথাযথ প্রয়োগ এবং বিডিআরআইএস সফটওয়্যার ব্যবহার সংক্রান্ত অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ২৭ ডিসেম্বর সকাল ১০ টায় উপজেলার সভাকক্ষে দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে  রেজিষ্টার জেনারেল (অতিরিক্ত সচিব) জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন মানিক লাল বনিকের উপস্থাপনায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিধিমালার ওপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।  নতুন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কিভাবে জন্মনিবন্ধন করা যায় সেটি ভিডিও কনফারেন্সীর মাধ্যমে দেখানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ বলেন,আপনারা সকলে সকলের দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করবেন। আপনাদের নতুন পাসওয়ার্ড দেয়া হয়েছে নতুনভাবে কাজ করার জন্য এই পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার করবেন না। কেননা একটি জন্মনিবন্ধনের অনেক মূল্য এই নিবন্ধন দিয়ে বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর জন্য।

দোহারে BDRIS সফটওয়্যার ব্যবহার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ,  নয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমেদ হান্নান,  নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন দরানী,  বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা,  মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন।

সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম খালেক,  মহিলা বিষয়ক অফিসার রহিমা বেগম, সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের সচিবগণ।

শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক তাঁরা মিয়ার ইন্তেকাল

ঢাকার নবাবগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক, শোল্লা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শোল্লা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও শোল্লা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান তাঁরা মিয়া (৮৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ..রাজিউন)।

সোমবার বিকাল ৪টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগছিলেন। মৃত্যুকাল তিনি চার ছেলে, দুই মেয়ে রেখে গেছেন। নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক, মিজানুর রহমান কিসমত ভূইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তার মৃত্যুতে সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টি’র কো চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া আরো শোক প্রকাশ করেছেন, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সভাপতি হাজী ইব্রাহীম খলিল, ঢাকা জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি’র সাধারন সম্পাদক কমরেড আজহারুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান তুহিনুর রহমান তুহিন, নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগ,নবাবগঞ্জ উপজেলা মানবাধিকার কমিশন, এই সময় এই দেশ নিউজ পোর্টাল পরিবারসহ বিভিন্ন সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।