জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারঃ ৬টি বিভাগে শ্রেষ্ঠ দোহারের গাজী রাকায়েত

দোহারে সন্তান গাজী রাকায়েত। দোহারের মুকসুদপুরে সন্তান। পদ্মা সরকারি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তার নামটি ২ শব্দের। কিন্তু কর্মের বিশালতা ও সীমানা বিশ্বজুড়ে। বাংলাদেশের নির্মিত একমাত্র ইংরেজি The Grave বা গোরের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় চরিত্র। সিনেমাটি এবার অস্কারে যাচ্ছে। একাধারে তিনি দেশের একমাত্র সৃজনশীল নাট্য গোষ্ঠী চাড়ুনীরমের প্রতিষ্ঠাতা।

সেই গাজী রাকায়েত ধারাবাহিকভাবে পেয়ে আসছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। বরাবরের মতো এবছরও তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ৬ টি পুরস্কার গ্রহণ করেছেন শ্রেষ্ঠত্বের জন্য।

এই ব্যাপারে গাজী রাকায়েত নিউজ৩৯ কে বলেন, শ্রেষ্ঠ কাহিনী, শ্রেষ্ঠ সংলাপ, শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য,শ্রেষ্ঠ পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র , শ্রেষ্ঠ পরিচালনা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা এই ৬টি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরুষ্কার পেয়েছি। আমার পরিচালনায় সল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “নারী জীবন” এবার শ্রেষ্ঠ সল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে জাতীয় পুরুষ্কার পেল। আমার ঝুরিতে আরো একটি পুরুস্কার যুক্ত হল আর বাংলাদেশ সিনেমা ও টেলিভিশন ইনিস্টিটিউটের ঝুরিতে জমা হলো দুটো পুরুস্কার। আমি ভীষণ খুশী হয়েছি পুরুস্কারটি গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ সিনেমা ও টেলিভিশন ইনিস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম আজাদ এবং “নারী জীবন” চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে রূপদানকারী নুরন্নাহার বেগমে(নাহার)। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জয় হোক।

উল্লেখ্য গাজী রাকায়েত সব সময় দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ এর সংমিশ্রণে, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে অগ্রণী ব্যাক্তিদের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পী ও পরিচালক এবং নির্মাতা।

 প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১২ জানুয়ারী ২০২১তারিখে নিউজ৩৯ এ প্রকাশিত “দোহারে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা গেল কোথায়, লোপাটের অভিযোগ” সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন দোহার উপজেলা শিক্ষা অফিসার সৈয়দা পারভিন।  প্রতিবাদ লিপিতে তিনি বলেন,

“নতুন নিয়োগকৃত  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা লোপাট শিরোনামে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে দায়ি করে একটি নিউজ ছাপা হয়েছে। আমি উপজেলা শিক্ষা অফিসার, দোহার, ঢাকা এবং প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে এই ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমুলক সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সরকারের সকল ধরনের বরাদ্দ সরাসরি IBAS++ থেকে আসে। আমি DDO হিসাবে শিক্ষকদের ব্যাংক একাউন্টের বরাবর বিল করে হিসাব রক্ষণ অফিসে দাখিল করে থাকি। হিসাব রক্ষণ অফিস বিল পাশ করে ব্যাংকে যার যার একাউন্টে পাঠিয়ে দেয়। এই টাকা লোপাট করার কোন ধরনের সুযোগ নেই। গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বরাদ্দ আসে ১৮/০৭/২০১৯ তারিখে। নতুন শিক্ষকগন যোগদান শুরু করে ২০২০ সালের মার্চের ১৮ তারিখ থেকে। এই নতুন শিক্ষকদের সহ ২৩/০৪/২০২০ তারিখে বৈশাখী ভাতার বিল করে হিসাব রক্ষণ অফিসে দাখিল করা হয়। কিন্তু বরাদ্দ কম থাকায় শুধুমাত্র পুরাতন শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাশ হয়। নতুন শিক্ষকদের বাজেট চাওয়া হলেও ৩০ জুন/২০২০ পর্যন্ত বরাদ্দ না আসায় বৈশাখী ভাতা দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেট ১২/০৭/২০২০ তারিখে আসে। এই বিল হিসাব রক্ষণ অফিসে দাখিল করা হয়েছে। এই অর্থ আত্মসাৎ করার কোন সুযোগ নেই। সরকারের উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য সফল উন্নয়ন হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ। এই ডিজিটাল বাংলাদেশের আওতায় সকল সরকারি বরাদ্দ IBAS++ এ আসে। সেখান থেকেই ব্যাংকের হিসাব রক্ষণ অফিসের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা হয়। বর্তমান সরকারের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের কারনে প্রাথমিক শিক্ষার আমুল পরিবর্তন এসেছে। দোহার উপজেলায় এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমার নিষ্ঠা, সততা ও সম্মানকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্য মুলকভাবে আপনার পত্রিকায় এই ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার করা হয়। যা সরকারের সফল কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমার অফিস এবং আমার প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের পক্ষ থেকে এর তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমার এই প্রতিবাদ আপনার পত্রিকায় ছাপানোর সবিনয় অনুরোধ করছি।”

প্রতিবেদকের বক্তব্যঃ উপরোক্ত সংবাদের প্রতিবেদক জানান, উক্ত নিউজের জন্য সাক্ষাৎকার, মোবাইল ফোনে রেকর্ডিং এবং ভুক্তভোগী প্রাথমিক শিক্ষকদের সাথে সরাসরি ও মোবাইল ফোনের রেকর্ডিং সংরক্ষিত আছে। এবং এখন পর্যন্ত তারা তাদের বৈশাখী ভাতা পান নি। তাই নিউজের সত্য নিষ্ঠতা নিয়ে কোন প্রশ্নের অবকাশ নেই।

দোহার টু জার্মানি

আপনারা যারা জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা এবং স্থায়ীভাবে বসবাস এবং নিজের ভিসা নিজে প্রসেস করতে চান এই লেখাটি তাদের জন্য।

# কেন আসবেন জার্মানিতে?

জার্মানি ইউরোপের অন্যতম ধনি রাষ্ট্র, মাথাপিছু ইনকাম $56,278 যেখানে ক্যানাডিয়ান মাথাপিছু ইনকাম $51,342, ইতালির $44,248 এবং বাংলাদেশের $4,965 (World Bank 2019).

জার্মান সরকার, স্টুডেন্টদের বিনামূল্যে পড়াশুনার সুযোগ দিয়ে থাকে, যেখানে কানাডা, আমেরিকা ও অন্যান্য উন্নত দেশে প্রতিবছর 12 থেকে 15 লাখ টাকা ইউনিভার্সিটিকে দিতে হয়, সেই একই মানের জার্মান ইউনিভার্সিটিতে, আপনি ফ্রিতে পড়াশোনা করতে পারছেন। এই কারণে, আমার ইউনিভার্সিটি (University of Potsdam) তে অনেক আমেরিকান, অস্ট্রেলিয়ান স্টুডেন্ট পড়াশোনা করছেন, কারণ তাদের দেশে পড়াশোনা ফ্রি নয়। পাশাপাশি স্টুডেন্টরা পার্ট টাইম জব করে তাদের নিজের খরচ নিজে জোগাতে পারেন।

আমি কোশ্চেন আকারে প্রধান প্রশ্নগুলোর আনসার দেওয়ার চেষ্টা করব।

১নং প্রশ্নঃ কারা জার্মানিতে পড়তে আসতে পারবেন?

 উত্তরঃ যারা ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেছেন এবং কোনো ইউনিভার্সিটি যেমন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি,পাবলিক ইউনিভার্সিটি অথবা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করছেন, তারা জার্মানিতে ব্যাচেলর করতে আসতে পারবেন সে ক্ষেত্রে আপনার এইচএসসি রেজাল্ট মিনিমাম 3.50 থাকতে হবে। অথবা আপনি যদি মাস্টার্স করতে চান আপনার ব্যাচেলরের রেজাল্ট   মিনিমাম 2.70 থাকতে হবে এবং আপনার IELTS স্কোর মিনিমাম 5.5 থাকতে হবে কিন্তু 6 হলে ভালো হয়। আর যাদের IELTS নেই তারা জার্মান ভাষা শিখে আসতে পারেন সে ক্ষেত্রে IELTS এর প্রয়োজন নেই।

২নং প্রশ্নঃ জার্মানিতে আসতে কত টাকা লাগবে?

উত্তরঃ যেহেতু জার্মানিতে পড়াশোনা ফ্রি, তাই আপনার শুধু এম্বাসি ফি 8000 টাকা এবং প্লেনের টিকেট 50000 টাকা এবং ইউনিভার্সিটি অ্যাপ্লিকেশন ফি 7000 টাকা ,  টোটাল 50 থেকে 60 হাজার টাকা লাগবে। আমার ইউনিভার্সিটির অ্যাপ্লিকেশন ফি নেই তাই আমার টোটাল 55 হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

৩নং প্রশ্নঃ কোনো ব্যাংক ব্যালেন্স লাগবে কিনা?

উত্তরঃ হ্যাঁ, আপনাকে আপনার একাউন্টে 10 লাখ টাকার মতো শো করতে হবে যেটা আপনি এম্বাসি ইন্টারভিউ দেওয়ার পরেও করতে পারেন আর যদি আপনি স্কলারশিপ পান তাহলে আপনাকে ব্যাংকে কোন টাকা শো করতে হবে না বরং জার্মান সরকার আপনাকে প্রতি মাসে ৮০০০০ টাকা করে দিবে।

 ৪ নং প্রশ্নঃ IELTS কিভাবে করব?

উত্তরঃ আপনি ঘরে বসে ইউটিউব এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে IELTS করতে পারেন। বাংলাদেশের কোচিং সেন্টারে যাওয়ার চেয়ে ইউটিউবে করাটা অনেক ভালো। আমি নিজে নিজে ইউটিউব থেকে IELTS করেছি, আপনারা কীভাবে করবেন এ নিয়ে আমার বিস্তারিত আরেকটি পোস্ট লেখার ইচ্ছা আছে।

৫ নং প্রশ্নঃ কিভাবে আমি নিজে নিজে জার্মান ইউনিভার্সিটি তে এপ্লাই করব?

উত্তরঃ এপ্লাই করার STEP 1 জার্মান গভমেন্ট ওয়েবসাইট (www.daad.de) এখানে প্রবেশ করবেন তারপরে আপনার পছন্দ মত ইউনিভার্সিটি এবং কোর্স নির্ণয় করবেন STEP 2 সেই ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের রিকোয়ারমেন্ট ফিলাপ করার চেষ্টা করবেন এবং ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট অনুযায়ী step-by-step এপ্লাই করবেন। এপ্লাই করার এক মাস অথবা দুই মাস পরে তারা আপনার ই-মেইলে অথবা আপনার বাড়ির ঠিকানায় অ্যাডমিশন লেটার প্রেরণ করবে।

৬ নং প্রশ্নঃ কিভাবে ভিসার জন্য এপ্লাই করব?

উত্তরঃ আপনার অ্যাডমিশন লেটার পাওয়ার পরে আপনি জার্মান এম্বাসি ঢাকা, এদের ওয়েবসাইট (dhaka.diplo.de) গিয়ে ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ করবেন এবং ভিসা ইন্টারভিউ দিবেন, ইন্টারভিউর এক অথবা দুই মাসের মধ্য  তারা আপনার হিসাব দিয়ে দিবে তারপরে বাকি রইল প্লেনের টিকিট কাটা।

৭ নং প্রশ্নঃ জার্মানি স্টাডি গ্যাপ গ্রহণ করে কি না এবং জার্মান ভিসা দেওয়ার রেশিও কতটুকু?

উত্তরঃ জার্মানিতে আসার পরে আমি অনেককেই চিনি যারা পাঁচ-ছয় বছর গ্যাপ দিয়ে জার্মানিতে পড়তে এসেছে এবং রেশিও বলতে গেলে, আমার সময় আমরা 19 জন এপ্লাই করেছিলাম আমরা 19 জনই স্টুডেন্ট ভিসা পেয়েছি। সুতরাং বলা যায়, জার্মানির ভিসা পেতে স্টাডি গ্যাপ হলেও কোনো সমস্যা নেই এবং জার্মানির  ভিসা সাকসেস রেশিও 98 শতাংশ।

# আরো কিছু কমন প্রশ্ন।

 ১. আমি কি জার্মানিতে আমার ওয়াইফ অথবা হাসবেন্ড আনতে পারব?

উত্তরঃ আনতে পারবেন, অনেকেই এনেছে।

২. আমি কি মাদ্রাসার সার্টিফিকেট দিয়ে ভিসা পাবো?

উত্তরঃ পাবেন, আমি নিজেও মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম।

# আমার লেখা পড়ে আপনার যদি কোনো কোশ্চেন থাকে আপনি আমাকে ই-মেইল অথবা ফেসবুকে নক করতে পারেন। কিন্তু শুধুমাত্র তারাই আমাকে নক করবেন যাদের IELTS আছে, কেননা আমি অনেক ব্যস্ত থাকি, বোঝার জন্য ধন্যবাদ। সবার স্বপ্ন পূরণ হোক এবং নতুন বছরের শুভেচ্ছা ভালো থাকবেন।

Kazi Rifat Ansary (FB Name)

Email: [email protected]

Masters Student- University of Potsdam, Germany.

From Dohar, Dhaka

দোহারে তিন মাহেন্দ্র চালককে জরিমানা

আল-আমিন, নিউজ৩৯: দোহারে তিন মাহেন্দ্র চালককে জরিমানা করেছে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। বিভিন্ন অবৈধ বিষয়ে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

সোমবার দোহারে ফসলের জমিতে অবৈধভাবে খনন কাজ চালানোয় এই জরিমানা করা হয়। উপজেলার সুতারপাড়া গ্রামের মিজাননগর এলাকার সড়কের পাশের ফসলি জমি থেকে মাটি সরানোর স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য মতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র অভিযান পরিচালনা করেন। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে জমির মাটি ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। এ সময় মহেন্দ্রর গাড়ি ও তিন চালককে আটক করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র তিন চালকের সড়কপথে গাড়ি চালানোর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র না থাকায় সড়ক পরিবহন আইনে তিন জনকে ১৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র নিউজ৩৯কে বলেন, কৃষিজমি খনন করা সম্পূর্ণ অবৈধ। কেউ যদি অবৈধভাবে কৃষিজমির মাটি বিক্রি করে তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসবের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রচার অব্যাহত থাকবে।

জয়পাড়া সরকারি স্কুলে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিতঃ সরকারী বিধিনিষেধে সুযোগ পাচ্ছে সীমিত শিক্ষার্থী

নিউজ৩৯,আল-আমিনঃ ১১ জানুয়ারি সোমবার বিকেল ৩টায় জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দোহার উপজেলার একমাত্র সরকারি স্কুল, জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে, স্কুলটি পরিপূর্ণ সরকারী হওয়ার পূর্বে সরকারী স্কুলের নিয়মে লটারি করায় এবং সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ভর্তি লটারির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি এ.এফ.এম ফিরোজ মাহমুদ। লটারি পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।

জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম খালেক জানান, ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দের সম্মুখে এ ভর্তি লটারি পরিচালনা করা হয়। আর সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক স্কুল পরিচালিত হচ্ছে। স্কুল পরিচালনার ব্যাপারে মাউশি, শিক্ষা মন্ত্রাণালয় যে নির্দেশনা দেয়, সেই মোতাবেক স্কুল পরিচালিত হয়। এছাড়া সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় নিয়মিত দেখ-ভাল করে থাকেন। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ও স্কুলের ফলাফল এবং ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আমরা সকল শিক্ষক-কর্মচারী আন্তরিকভাবে সচেষ্ট আছি।

ইতঃপূর্বে ভর্তি ইচ্ছুক ২৭০জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে টোকেন সংগ্রহ করেন। সোমবার লটারির মাধ্যমে ১১৩ জন শিক্ষার্থীকে নতুন ভর্তির সুযোগ দেয়া হলো। এছাড়াও লটারীর মাধ্যমে আরও ১০জন শিক্ষার্থীকে অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। লটারিতে নির্বাচিত কোন শিক্ষার্থী ভর্তি না হয় তাহলে ঐ ১০ জনের মধ্য থেকে ভর্তির সুযোগ দেয়া হবে। তাছাড়া বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণি থেকে উর্ত্তীণ ৫৩ জন শিক্ষার্থী লটারি ছাড়া ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পায়।

এদিকে সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সেকশন কমে যাওয়ায়, অনেক শিক্ষার্থীই সরকারী সুযোগ পাবে না। প্রায় ১১০০ ছাত্র পড়া-লেখার সুযোগ পাবে ঐতিহ্যবাহী জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে।

এ ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জয়পাড়া পাইলট স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র আসাদুজ্জামান খান আসাদ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে বলেন, ঐতিহ্যবাহী জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর ষষ্ঠ শ্রেনীতে ২০২১ সালে ১১৩ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির সুযোগ দিয়ে লটারি সম্পন্ন হয়। ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যাপিঠে সুদীর্ঘ কয়েক যুগ ও বছর ধরে ষষ্ঠ শ্রেনীতে ৫টি শাখায় চার শতাধিকের বেশি অত্র এলাকার ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হয়ে লেখা পড়া করার সুযোগ পেয়েছিল। এমনকি  সর্বশেষ ২০২০ সালেও ২৫০ এর অধিক শিক্ষার্থী ষষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল। করোনা মহামারির এ বছরে কর্তৃপক্ষ মাত্র ১১৩ জন শিক্ষার্থীকে ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়া লেখার সুযোগ দিলেন। বিদ্যালয়টিকে সরকার জনস্বার্থে ও জনকল্যানে সরকারি করেছেন যাতে এলাকার গরিব, অসহায় ও ঝড়ে পড়া বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীরা শিক্ষা লাভের সুযোগ পায়। বিষয়টি বিবেচনার জন্য তিনি আহবান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য ২০২০ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ৩টি শ্রেনী শাখায় ৮০ জন করে তিনটি শাখায় ২৪০ জনের অধিক ভর্তি করেছিল। ২০১৯ সাল ও তার পূর্বের বছর গুলোতে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ৫টি শাখায় প্রায় ৪৫০-৫০০ ভর্তি করেছিল স্কুলটি। এবার ২০২১ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তির সুযোগ পেলো ১১৩ জন। এছাড়া, সরকারিকরণের প্রক্রিয়ায় পরিদর্শন প্রতিবেদনে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ৫টি শাখায় চার শতাধিক শিক্ষার্থী দেখানো হয়েছিল।

যদিও বর্তমানে শ্রেনী শাখার ব্যাপারে সরকারের অনুমতি নাই কিন্ত স্কুলে পর্যাপ্ত কক্ষ ও শিক্ষক আছে। জনস্বার্থে ঐতিহ্যবাহী ও সরকারি স্কুল হিসেবে যেন বেশি সংখ্যক ছাত্র পড়া-লেখার সরকারী সুযোগ পায়, সেই বিষয়টি বিবেচনার জন্য স্কুল কতৃপক্ষ ও এমপি’র সহযোগীতা কামনা করেছেন অভিভাবকেরা।

দোহারে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা গেল কোথায়, লোপাটের অভিযোগ

মোঃ আল-আমিন,নিউজ৩৯: দোহারে ২০২০ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ৫৩ জন শিক্ষকের বৈশাখী ভাতা লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আর এই অভিযোগের তীর দোহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দিকে।

সরেজমিনে দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণে জানা যায়, ২০২০ সালের ১২ই মার্চ সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান ৫৩ জন। পহেলা বৈশাখ উৎসবের জন্য সরকারী কর্মকর্তা অনুসারে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্ত নববর্ষ ভাতা পাওয়ার কথা থাকলেও, দীর্ঘ ১০মাস হতেও চললেও, তা এখনো পায়নি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন সহকারি শিক্ষকরা। আদৌ সেই ভাতা তারা পাবেন কিনা তা তারা জানেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষক নিউজ৩৯ কে জানান, সব উপজেলায় বৈশাখী ভাতা দেওয়া হয়েছে, আমাদের দোহারে পুরাতন শিক্ষকরা ভাতা পেলেও নতুনরা এখনো পাইনি। সম্ভবতঃ অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী এই অর্থ লোপাট করেছে বলে তারা আশংকা প্রকাশ করেছেন। চাকুরীতে নতুন বিধায় তারা কিছু বলতেও পারছেন না বলে, তাদের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন। তাই বৈশাখী ভাতা নিয়ে তারা কোন ঝামেলায় জড়াতে চান না।

এ বিষয়ে দোহার উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানান, করোনা সংক্রমণের কারণে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো। আমরা বৈশাখী ভাতা পেয়েছি কিন্ত নতুনরা পেয়েছেন কি না তা সঠিকভাবে বলতে পারছিনা ।

দোহার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দা পারভিন নিউজ৩৯কে বলেন, বৈশাখী ভাতা সব দেওয়া হয়ে গেছে। আমার জানামতে কোনটাই বাকি নেই। করোনার কারনে প্রথমে বাজেট তুলে পুরাতনদের দেওয়া হয়। বাজেট ছিলো না বিধায় নতুনদের দিতে দেরি হয়, পরের বাজেটে উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা সব একসাথে দিয়েছি।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আরো জানায়, সার্ভিস বই ছাড়া বেতনই দেয়া নিষেধ । তবুও করোনাকালীন স্কুল বন্ধ থাকায় এবং ঈদ চলে আসায় সবার বেতন ভাতা দিয়েছি, বৈশাখীভাতা পরে দিয়েছি । অনেকেরই মাসের মাঝামাঝি ও শেষের দিকে চাকরিতে জয়েন হয়েছে। কিন্ত কার্যদিবস অনুসারে ভাতা দিয়েছি। তাই আমাদের পক্ষে শিক্ষকদের টাকা রাখার কারো সুযোগ নেই।

অথচ নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত ৫৩ জন শিক্ষকের কেউ বৈশাখী ভাতা পাননি। তাদের প্রশ্ন, তাহলে এই উৎসব ভাত গেলো কোথায়?
এব্যাপারে দোহার উপজেলা প্রশাসনের হিসাবরক্ষক মোঃ জয়নাল আবেদীনের কাছে গেলে, তিনি এই প্রতিবেদকে হিসাব-অডিটর মোঃ আসাদুজ্জামান সবুজের কাছে পাঠান।

দোহার উপজেলার অডিটর মোঃআসাদুজ্জামান সবুজ নিউজ৩৯ কে বলেন শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করতে।
তিনি আরো বলেন, বিল আমাদের কাছে আসলে আমরা পাশ করি, কিন্তু বিল পাঠায় শিক্ষা অফিস থেকে। এখন বিষয়টি প্রক্রিয়ায় আছে, তারাই ভালো বলতে পারবে। তবে নতুন নিয়োগ প্রাপ্তদের বৈশাখী ভাতার জন্য বাজেট চেয়েছিলো, উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিস থেকে। কিন্ত তারা দেয়নি। তাই, পুরাতন শিক্ষকদের বৈশাখী উতসব ভাতা প্রদান করা হলেও, নতুনদের জন্য কোন বিল পাশ হয়নি। আর পরবর্তী বাজেটে সিনিয়র শিক্ষকদের অন্য ভাতা প্রদান করা হয়েছে, নতুন্দের দেয়া হয়নি।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ নাইমের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে নিউজ৩৯কে তিনি বলেন, তথ্যগত কারনে এ সমস্যা তৈরি হতে পারে। তবে, এ কাজ শিক্ষা অফিসের। তবুও, আমি বিষয়গুলো খোজখবর নিয়ে দেখবো। এ টাকার হেরফের হওয়ার সুযোগ নেই।

ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আলেয়া ফেরদৌসি শিখা ১০ জানুয়ারি রবিবার নিউজ৩৯ এর এই প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। কেউ অভিযোগও করেনি। আর টাকা লোপাটেরও কোন সুযোগ নেই। আমি বিষয়টি খোজ খবর নিইয়ে প্রতিকার করবো।

এসব নতুন শিক্ষকদের এখন প্রশ্ন হলো, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তৃণমূলের জাতি গঠনের কারিগর এসব নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের জন্য যে বৈশাখীভাতা দিয়েছিলেন, আদৌ কি তারা পাবেন? নাকি পাবেন না। না পেলে, এই টাকা গেল কোথায়? চাকুরীর শুরুতেই কি এসব নতুন শিক্ষকেরা কি দূর্নীতির শিকার হবেন? নাকি তারা তাদের জন্য প্রদেয় ভাতা পাবেন। আর যারা জড়িত, তারা কি রয়েই যাবেন বিচারের বাহিরে?

পদ্মা সরকারি কলেজে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত

তৌহিদুল ইসলাম, নিউজ৩৯ঃ ঢাকার দোহার উপজেলার পদ্মা সরকারি কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন করা হয়।

১০ জানুয়ারি (রবিবার) সকাল ৯ ঘটিকায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর প্রজেক্টরের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এর ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। এ সময় GPC Online Class ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে সম্পূর্ন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

পদ্মা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জালাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পদ্মা কলেজের প্রতিষ্ঠাকালিন সভাপতি ও তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব:) অধ্যাপক ডা: এ আর খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব এ আর খান বলেন, আমি আজ শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যিনি একটি জাতির সৃষ্টি করেছেন। যার নেতৃত্বে একটি বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে। যার পরিকল্পনা ছিল একটি ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত দেশ তৈরি করা।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ জালাল হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু দুর্নীতির সঙ্গে কখনো আপোশ করেননি,
তাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরন করতে হলে অবশ্যই প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পদ্মা কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর রউফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মোন্নাফ, পদ্মা কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ, পদ্মা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুজাহিদুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ তফিজউদ্দিন, সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কাজী জিল্লুর রহমান, লুৎফর রহমান হাওলাদার, কামাল পাশা, তারেক রাজিব, মাসুদ রানা, আলমগীর হোসেন সহ পদ্মা সরকারি কলেজের অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী।

নবাবগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন

ঢাকার নবাবগঞ্জে আনন্দ র‌্যালী ও ফুলেল শ্রদ্ধা জানানোর মধ্যে দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার বেলা ১১টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ভুঁইয়া কিসমতের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

পরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপজেলা পরিষদ, আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, যুগ্ম-আহ্বায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন ও অ্যাড. সাফিল উদ্দিন মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক হালিমা আক্তার লাবন্য ভুঁইয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহিন খান, শেখ হান্নান উদ্দিন, পলাশ চৌধুরী, এস এম সাইফুল ইসলাম, জিয়াউল ইসলাম মিথু প্রমুখ।

দোহারে বসতবাড়ীতে ডাকাতি

ঢাকা দোহার জামালচর এলাকায় বসতবাড়িতে রাত ২টার দিকে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় আবুল কালামের বসতবাড়ীতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে বলে জানা যায় ।

আবুল কালাম জানান, রাত ২টার দিকে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ১২ জনের একটি ডাকাত দল দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১ লাখ টাকা, ২ টি মোবাইল ফোন, ১২টি শাড়ি, ৬টা থ্রিপিছ, ও ৬টি বিদেশি কম্বল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় বাড়ির বাহিরে আরও কয়েকজন অবস্থান করছিলো বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন দোহার সার্কেলের এএসপি জহিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রাথমিক ভাবে আমরা ডাকাতির আলামত পেয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করলে তদন্তে সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দোহারে স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ীদেরকে নিবন্ধন করতে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশ

ঢাকার দোহার উপজেলার দোহারে স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ীদেরকে নিবন্ধন করার নির্দেশ দিয়েছে দোহার উপজেলা প্রশাসন। ঢাকা দোহার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে দোহার উপজেলার সকল স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঢাকা মহোদয় বরাবর আবেদন করে ডিলিং লাইলেন্স সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

দোহার উপজেলার সকল স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ীকে ৯ জানুয়ারি শনিবার সকালে জয়পাড়া বাজার, লটাখোলা বাজার ও হাইস্কুল মার্কেট ও কাজী সুপার মার্কেট  এলাকায় ( The Control Of Essential Commodities Act 1956 এর আওতায় “Dealing Licence Issuance”) প্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬ এর আওতা “ডিলিং লাইসেন্স ইস্যু বিষয়ে জুয়েলারি দোকানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা  হয়। এই সময় ডিলিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন ফরম সরবরাহ করা হয় সকল স্বর্ণালংকার ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঢাকা মহোদয় বরাবর আবেদন করে ডিলিং লাইলেন্স সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।

এসময় অভিযান পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র।