আল-আমিন,স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ ৩৯: সারাদেশের ন্যায় দোহার – নবাবগঞ্জে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ফর্ম ফিলাপ। ১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার থেকে ৭ এপ্রিল, বুধবার পর্যন্ত বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবেন এসএসসি শিক্ষার্থীরা। বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফি জমা দেয়ার সময় ৮ এপ্রিল শেষ হবে। আর বিলম্ব ফিসহ ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এসএসসির ফরম পূরণ করা যাবে। পরীক্ষার্থী প্রতি ১০০ টাকা বিলম্ব ফিসহ ফি ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ফি জমা দেয়া যাবে। ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এসএসসির ফরমপূরণ বাবদ সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৭০ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থীদের থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৫০ টাকা এবং মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮৫০ টাকা ফি নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। যদিও বেশিরভাগ স্কুল এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ৫ পর্যন্ত আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, অতিরিক্ত ফি আদায়ের এখতিয়ার স্কুলগুলোর নেই। দোহারের জয়পাড়া সরকারি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক নিউজ৩৯কে বলেন,আমরা বোর্ড কতৃক নির্ধারিত ফি নিচ্ছি সকল বিষয়ে সরকার ওয়েব সাইটে দিয়ে দিয়েছে সেই সাথে আমাদের নোটিস বোর্ডে বিস্তারিত ভাবে টাংঙ্গিয়ে দিয়েছি। দোহারের ইকরাশি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একলাল উদ্দিন নিউজ৩৯কে বলেন, এবার শিক্ষার্থীরা বিলম্ব ফি সহ বোর্ড কতৃক নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে ও ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধ করতে হবে। নবাবগঞ্জের বান্দুরা হলিক্রশের প্রধান শিক্ষক ব্রাদার কে ফোনে পাওয়া যায়নি। নবাবগঞ্জ গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিউজ৩৯কে বলেন, মহামারি করোনার মধ্যে সরকারি ভাবে যে নির্দেশনা আছে সে অনুযায়ী আমরা বেতন ও বোর্ড ফি নিচ্ছি। এই ব্যাপারে দোহার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাকিব হাসান নিউজ৩৯কে বলেন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এস এস সি ফরম পুরনে বোর্ড যে নির্দেশনা দিয়েছে সে অনুযায়ী বেতন ও বোর্ড ফি নিবে। যদি এর বাহিরে কোন অতিরিক্ত টাকা নেয়ার খবর পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। নবাবগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান নিউজ৩৯কে বলেন,যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বোর্ড কতৃক নির্ধারিত ফি এর চেয়ে বেশি রাখে ও ডিসেম্বর ২০২০ এর পরে কেউ বেতন রাখে যদি কোন প্রমান পাওয়া যায় অথবা কেউ অভিযোগ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নবাবগঞ্জে করোনার ১ বছরঃ মৃত ২১
আল-আমীন, স্টাফ রিপোর্টার, নিউজ৩৯ঃ ২০২০ সালের ১লা এপ্রিল নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া। সেই হিসেবে একবছর পূর্তি হয়েছে৷ নবাবগঞ্জ উপজেলায় এক বছরে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৭৭৪ জন। এতে এপর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ২১ জন, সুস্থ হয়ছে ৭১০ জন, আর বর্তমানে আইসোলেশনে আছে ৪জন। এছাড়া নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে এবং ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৩৯ জন বলে জানান নবাবগঞ্জ উপজেলা মেডিকেল অফিসার এবং নিউজ৩৯ এর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ হরগোবিন্দ সরকার অনুপ।
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শহিদুল ইসলাম নিউজ৩৯ কে বলেন, মানুষকে সুস্থ থাকতে হলে, মাস্ক পড়তে হবে। যে কোন ধরনের জনসমাগম প্রোগ্রাম বাদ দিতে হবে। এরকম সভা, র্যালি, ধর্মীয় ইবাদত, ঘুরতে যাওয়া, মেলা, বিয়ে, জন্মদিন এসব বাদ দিতে হবে। কোন রকম লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে আসতে হবে।
তিনি আরো বলেন, নবাবগঞ্জের বিভিন্ন জনসাধারণ ফেব্রুয়ারি মাসের ২০, ২১, ২২ তারিখে কক্সবাজার ঘুরতে গিয়ে ৩৯ এর মধ্যে ৩০ জনই করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ইতঃমধ্যে তারা আইসোলেশনে আছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ও করোনাকে তোয়াক্কা না করার কারনে করোনার রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে দোহার – নবাবগঞ্জে, তাপমাত্রা ৩৪°
নিউজ৩৯ঃ ঢাকা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তার প্রভাব পড়ছে দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরাণিগঞ্জের জনজীবনে। শুক্রবার দোহারের তাপমারা ছিলো ৩৪° সেলসিয়াস, নবাবগঞ্জে ৩৪° ও কেরানীগঞ্জে ৩৫° । সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ঈশ্বরদীতে ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল ৯টা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। তারা বলছে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
কালবৈশাখীর বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২/৩ দিনের মাঝে দোহার, নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিও হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপ হিসেবে একই এলাকায় অবস্থান করছে। পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
দোহারে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলার চরকুশাই গ্রামের অসহায় দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা, চিত্রনায়ক আকবর পাঠান ফারুক এমপি’র নির্দেশে কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ মিলনের নিজ অর্থায়নে বুধবার সন্ধ্যায় প্রায় ৮শতাধিক পরিবারের মাঝে ওষুধ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আহসান সিদ্দিক। আরো উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল্লাহ হিল ফারুক, নায়িকা অঞ্জলি সাথী, সংগঠনের ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ বেপারী, সাবেক ছাত্রনেতা সুরুজ আলম সুরুজ প্রমুখ।
হারিয়ে যাওয়া ছাগল হস্তান্তর করলো দোহার থানা পুলিশ
ঢাকার দোহারে হারিয়ে যাওয়া এক ছাগল উদ্ধার করেছে দোহার থানা পুলিশ। পরে তা মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় দোহার থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি (তদন্ত) মাসুদুর রহমান বলেন, জয়পাড়া বাজারের পাহারাদাররা ৩ দিন আগে ছাগলটিকে পেয়ে দোহার থানায় হস্তান্তর করেন। পরে আমরা ছাগলটির মালিকের সন্ধানে বাজারসহ আশেপাশে মাইকিং করলে ছাগলটির মালিক তারেক আমাদের সাথে যোগাযোগ করে। তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়ার পর আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ছাগলটিকে তার মালিকের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের বড় বোন চলে গেলেন না ফেরার দেশে
ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহবুবুর রহমানের বড় বোন হালিমা বেগম (৮০) না ফেরার দেশে চলে গেলেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানী ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় তার নিজ বাসায় তিনি মৃত্যুবার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন(ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে, এক মেয়ে, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্বজন-সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হালিমা বেগম দীর্ঘদিন যাবত ডায়াবেটিস, কিডনি, হার্ট সহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। অবশেষে জীবনের সাথে যুদ্ধ করে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় নিজ বাসায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বৃহস্পতিবার বাদ এশা দোহার উপজেলার দক্ষিণ শিমুলিয়া নূরানী কবরস্থান মাঠে তাঁর নামাজের জানাজা শেষে ওই কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
করোনায় আক্রান্ত নুরুল হক ব্যাপারী
ঢাকা দোহার মুকসুদপুর এলাকার জাহাজ মালিক সমিতির সদস্য নুরুল হক ব্যাপারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা থেকে সুস্থতার জন্য জাহাজ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে নুরুল হক ব্যাপারীর জন্য তার নিজ বাসায় জহুরের নামাজের পর দোয়ার আয়োজন করা হয়।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নিউজ৩৯কে রিনি বলেন, আমি ২০দিন যাবৎ অসুস্থ করোনায় আক্রান্ত। আমি এখনো করোনা পজেটিভ।
বর্তমানে তিনি ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। সকলে কাছে দোয়া চেয়েছেন,যাতে তার করোনা নেগেটিভ হয় ও তাড়াতাড়ি ফিরতে পারে। মহান আল্লাহ যেন তাকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন।
দোহারে মাস্ক না পরায় ১০ জনকে অর্থদণ্ড
ঢাকার দোহার উপজেলায় মাস্ক না পরায় ১০ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার ৩০শে মার্চ দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজার মেইন রোড, কলেজ মোড় এলাকায় দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এসময় জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালাতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি পালন নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনসচেতনতামূলক প্রচার, মাস্ক বিতরণ করা হয়।
এ সময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও মুখে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১০জনকে ২ হাজার ৯ শত টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন এবং জনসাধারণের মাঝে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৮০টি মাস্ক বিতরণ করেন।
এসময় সার্বিকভাবে সহযোগীতা ছিলেন,দোহার থানা পুলিশ।
দোহারে জমি সংক্রান্ত জেরে বৃদ্ধের হাত-পা ভেঙে দিলো সন্ত্রাসীরা
ঢাকার দোহার উপজেলায় জমি সংক্রান্ত জেরে সংখ্যালঘু (হিন্দু) এক বৃদ্ধের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। আহত বৃদ্ধ কৃষ্টচন্দ্র মন্ডল (৭০) উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের গোড়াবন এলাকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহত।
কৃষ্টচন্দ্র মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, আমার জমি সংক্রান্ত মামলা চলমান রয়েছে একই এলাকার কানাই মন্ডল, কাজল মন্ডল, মো. শরীয়ত উল্লাহ বেপারী, মো. রবিউল্লাহ বেপারী ও মো. লালন কাজীদের সাথে। সেই জমি সংক্রান্ত জের ধরে গত বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে সাত টার দিকে আমি বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফুলতলা যাওয়ার পথে পেছন দিক থেকে শরীয়ত উল্লাহ’র নেতৃত্বে কানাই মন্ডলের ছেলেসহ অজ্ঞাত কয়েকজন আমার উপর হামলা চালায়। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে এবং আমার বাম হাত ও বাম পা ভেঙে ফেলে তারা। এছাড়া ইট দিয়ে আমার মাথা ফাটানোর চেষ্টা করে। আমার আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আমাকে গুরুতর আহত অবস্থায় আমার ছেলে ও স্থানীয়রা উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
তিনি আরও বলেন, আমার অসুস্থতার কারণে থানায় মামলা করতে পারি নাই। আমি ঢাকা-১ আসনের এমপি মহোদয় জনাব সালমান এফ রহমান ও দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্যদের কাছে এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করি। আমি সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের হওয়ায় আমার উপর প্রভাবশালী ভূমিদস্যু শরীয়ত উল্লাহ নিপীড়ন চালাচ্ছে। আমার জমি ক্রয় করার প্রস্তাব দেয় শরীয়ত উল্লাহ। আমি জমি বিক্রি করতে না চাইলে কানাই মন্ডল ও কাজল মন্ডলকে দিয়ে দলিল করে নেবে বলে হুমকি দিয়েছে শরীয়ত উল্লাহ। তারই লালিত কানাই মন্ডলের ছেলে নেশাগ্রস্ত কাজল মন্ডল দলবল নিয়ে আমার উপর এ হামলা করে। হামলার আগে শরীয়ত উল্লাহ মোটরসাইকেল নিয়ে আমার সামনে দিয়ে আসা-যাওয়া করছিল। সে আমার সামনে থেকে যাওয়ার পরই পেছন দিক থেকে কাজল মন্ডল ও তার সহযোগিরা মোটরসাইকেল নিয়ে এসে আমাকে পিটিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় চঞ্চল ভূঁইয়া জানায়, শরীয়ত উল্লাহ একজন ভূমিদস্যু। শরীয়ত উল্লাহ’র নেতৃত্বেই কানাই মন্ডলের ছেলে কাজল মন্ডল এলাকায় দাপট দেখায়। এছাড়া নেশাসহ নানা প্রকার অসামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িত কাজল মন্ডল। শরীয়ত উল্লাহ’র উসকানিতেই কাজল মন্ডল এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. রবিউল্লাহ বেপারীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ‘এ ঘটনার বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। ঘটনার দিন আমি ও আমার ভাই শরীয়ত উল্লাহ ঢাকায় ছিলাম। ফিরে এসে রাতে শুনতে পাই কৃষ্টচন্দ্র মন্ডলকে তার ভাতিজা কাজল মন্ডল দু-একটা চর থাপর দিয়েছে। হাত-পা যে ভেঙে ফেলেছে তা আমরা জানি না।
এছাড়া অভিযুক্ত কাজল মন্ডলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায় নি।
গালিমপুরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি এবং যাদুঘর নির্মান প্রকল্পের উদ্বোধন
২৯ মার্চ সোমবার গালিমপুর চৌরঙ্গীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে গালিমপুর, গোবিন্দপুর,ছাতিয়া ত্রি মোহনায় সংঘটিত যুদ্ধের স্মৃতি রোমন্থন এর জন্য মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান সমুহ সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর নির্মান প্রকল্পের উদ্ভোধন করা হয়েছে। নবাবগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আবু বকর সিদ্দিকী (আবু) এই প্রকল্পের উদ্ভোধন করেন।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক,গালিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী বৃন্দ।
