দোহারে তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় আওলাদ হোসেন লোটাস (৩৫), শেখ আসলাম হোসেন রাজু (৩০) ও বিল্লাল নামে তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র তাদের এ সাজা দেন। সাজাপ্রাপ্ত আওলাদ হোসেন লোটাস উপজেলার রায়পাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে এবং রাজু একই এলাকার হাজী আঃ করিমের ছেলে।

দোহার থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৭টার দিকে মাদকসেবন অবস্থায় দোহার উপজেলার রায়পাড়া এলাকার রমজান মল্লিকের বাড়ির সামনে থেকে আওলাদ হোসেন লোটাস ও তার সহযোগী আসলাম হোসেন রাজুকে আটক করে দোহার থানা পুলিশের এএসআই নান্টু কৃষ্ণ মজুমদারসহ পুলিশের একটি দল। পরে তাদের দুজনকে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের আদালতে হাজির করলে লোটাসকে তিন মাসের ও রাজুকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

একই দিন দোহার উপজেলার জয়পাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এলাকা থেকে দোহার থানার এসআই আল নূর তারেক এর নেতৃত্বে বিল্লাল নামে আরেক যুবককে আটক করে থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র তাকে মাদক সেবনের দায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত বিল্লাল দোহার উপজেলার খাড়াকান্দা এলাকার মোবারক এর ছেলে।

দোহারে শিশু ধর্ষনের অভিযোগে যুবক আটক

ঢাকা জেলা দোহার উপজেলায় জয়পাড়া লটাখোলা বেদে পল্লীর এক শিশু(১১)কে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হানিফ (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ। আটককৃত মো. হানিফ ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা গ্রামের মুন্নু শেখের ছেলে। এই ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে  দোহার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে মো. হানিফ পানের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে অজ্ঞান করে দোহার উপজেলার লটাখোলা বেদে পল্লীর এক শিশুর সাথে অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক করে । এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর ওই কিশোরীর জ্ঞান ফিরলে বিষয়টি সে তার পরিবারের সদস্যদেরকে জানায়। ধর্ষণের শিকার ওই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে পরিবারের লোকজন তাকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন ।

দুই সন্তানের জনক ধষর্ণের ঘটনায় অভিযুক্ত মো. হানিফ তার পরিবার নিয়ে লটাখোলার একই স্থানে ভাড়া থাকতো। প্রতিবেশীরা এই ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন । এ ঘটনায় ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে দোহার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দোহার থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নুরুল আলম জমাদ্দার জানান, এ ঘটনায় দোহার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে(যাহার মামলা নং-২০)। আমরা আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছি।

দোহারে শালীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

ঢাকার দোহার উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরী শালীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই কিশোরীর দুলাভাই আব্দুর রাজ্জাক(২৪) কে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ। শনিবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে । গ্রেপ্তারকৃত আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের বড় রামনাথপুর গ্রামের জয়নাল বেপারীর ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মে আব্দুর রাজ্জাক তার কিশোরী শালী(১২) কে মুঠোফোনে কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে এনে দু’জনে আত্মগোপনে চলে যায়। যথাসময়ে কিশোরী বাড়িতে না ফেরায় কিশোরীর পরিবার দোহার থানায় একটি নিখোঁজের ডায়েরি করে। ঘটনার ৫ দিন চলে গেলেও পুলিশ তাদের কোনো খোঁজ পায়নি। পরবর্তীতে মানবাধিকার কমিশন ঢাকা জেলা দক্ষিণের সাহায্যে কিশোরীর অভিভাবকেরা নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঝিরকান্দা এলাকায় তাদের খোঁজ পেয়ে থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ সেখান থেকে শুক্রবার রাতে তাদের উদ্ধার করে দোহার থানায় নিয়ে আসে। শনিবার সকালে ধর্ষণের মামলায় আব্দুর রাজ্জাককে আদালতে প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে ওই কিশোরী দোহার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের গাজীরটেক এলাকার আয়নাল মেম্বারের বাড়িতে পরিবারের সাথে আছে।
ভুক্তভোগী ওই কিশোরী জানায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার দুলাভাই আব্দুর রাজ্জাক আমাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে মাঝিরকান্দা এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে আমাকে রাখে। সেখানে অবস্থানকালে বিয়ে না করেই প্রতিরাতেই সে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।
এ বিষয়ে দোহার থানার এস.আই মনিরুজ্জামান বলেন, মাঝিরকান্দা এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসা হয় এবং শনিবার সকালে ধর্ষণ মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে পৌর কতৃপক্ষ ও ঠিকাদারের বক্তব্য

“রাস্তার কাজের মেয়াদ আছে ১ বছর। এই সময় সীমার মাঝেই রাস্তার কাজ শেষ হবে” বলে জানিয়েছেন খাড়াকান্দা রাস্তার ঠিকাদার জুলহাস হোসেন। তিনি বলেন, সব ধরনের কাজ সম্পূর্ন করার জন্যই একটা নির্দিষ্ট সময় সীমা থাকে। আর চাইলেও কোন কাজ দ্রুত করা সম্ভব হয়ে উঠে না। সেটা এক দিকে যেমন কাজের মান ধরে রাখার জন্য আরেক দিকে জনবল নিশ্চিত করার জন্যও। এই রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে রমজানের এক সপ্তাহ আগে। এবং ২৭ রোজা পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন কাজ হয়েছে। ঈদের পর শ্রমিকরা এখনো আশা শুরু করে নি। তাই কাজ দ্রুত শুরু করতে চাইলেও শুরু করা যায় নি। তবে কাজ শুরু হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মাঝেই কাজ শেষ হবে।

এই ব্যাপারে দোহার পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম মিয়া news39.net কে বলেন, আমরা কাজের টেন্ডার দিছি; ঠিকাদার তার সময় অনুযায়ী তাদের কাজ শেষ করবে। কাজ তাড়াহুড়া করে শেষ করলে পরে রাস্তা ডেবে যাবে।

দোহার পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আদিল হোসেনের সাথে news39.net কে পক্ষ থেকে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যস্ততার কথা বলে ফোন রেখে দেন।

দোহার পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার মশিউর রহমানের সাথে news39.net পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পৌর বাসির জন্য রাস্তা উন্নয়নের জন্য ঠিকাদারকে এক বছরের সময় দেয়া হয়েছে। তাই আগামি ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় আছে; এর মধ্যেই কাজ শেষ করবে।

উল্লেখ্য গত ২৬ মে দোহার পৌরসভার রাস্তার কাজ নিয়ে একটা লাইভ রিপোর্ট প্রচার করে news39.net।

গতিপথ পরিবর্তনে কারণে নকশা পরিবর্তন; সংরক্ষণ ও বাধ নির্মাণে ব্যয় হবে ১৮০০ কোটি টাকা – চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন

আল আমিন, শরিফ হাসান, news39.net: দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন news39.net কে বলেছেন, পদ্মা নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে। তাই, এখন সমগ্র দোহারকে নদী শাসনের আওতায় আনা হয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে বাধের নকশা পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে দোহার উপজেলা সংলগ্ন ৩৪কিমি পদ্মা তীর সংরক্ষণ ও বাধ নির্মাণে ব্যয় হবে ১৮০০ কোটি টাকা।

আলমগীর হোসেন আরও বলেন, বাহ্রাঘাট থেকে মাঝিরচর পর্যন্ত বাধের বা নদীশাসনের আওতায় ছিলো না। এখন কাজ চলছিলো মাঝিরচর থেকে মুকসুদপুর পর্যন্ত ৬.৫ কিমি কাজ চলছিলো। নয়াবাড়ি থেকে বাহ্রাঘাট পর্যন্ত ২১৭ কোটি টাকার কাজ ইতঃমধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়েছিলো। আগে ড্রেজিং এর জন্য বরাদ্দ ছিলো ১০০০ কোটি টাকা এখন বরাদ্দ হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। এটা নদীর গতিপথের পরিবর্তনের জন্য কমেছে। কিন্তু নারিশার একটা পয়েন্ট ঝুকিপূর্ণ থাকায় সেই পয়েন্টটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হয়েছে। এখন সমগ্র দোহার থানা পদ্মা নদী সংলগ্ন ৩৪ কিমি এলাকা পুরোটি নদী শাসন, ড্রেজিং ও বাধের আওতায় আনা হয়েছে। এবং সামগ্রিকভাবে বাজেট বেড়ে হয়েছে ১৮০০ কোটি টাকা। আর সমগ্র প্রকল্পটি দ্রুততম সময়ে শেষ করতে এমপি মহোদয় নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ঢাকা থেকে দোহার – নবাবগঞ্জ সড়কের সার্বিক উন্নতি পর্যবেক্ষণ করেন ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন।

উল্লেখ্য ঢাকা -১ সাংসদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদ্বেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি শনিবার ঢাকার দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। দোহারের মুকসুদপুর ইউনিয়নের সরকারি পদ্মা কলেজে, পদ্মা তীর সংরক্ষণ ও বাধ নির্মাণ বিষয়ে এক জরুরি বৈঠক করেন তিনি।

দোহারে শুরু হচ্ছে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার নদী খনন প্রকল্প

তৌহিদ ইসলাম, শরিফ হাসান, আল আমিন, শেখ শামীম; news39.net: দোহারে খুব শীঘ্রই পদ্মা বাধ সংরক্ষণ, নদীর তীর সংরক্ষণ ও নদীগর্ভে বিলীন হওয়া তীরবর্তী প্রায় ১০ কিমি এলাকা পুনরুদ্ধারের জন্য নদীর নাব্যতা রক্ষার্তে দ্রুত নদী খনন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। শাইনপুকুর থেকে নারিশা পর্যন্ত বাধ সংরক্ষণ ও বাধ সংলগ্ন বর্ধিত অংশের সংরক্ষণের জন্য ভূমি পুনরুদ্ধারে ড্রেজিং কার্যক্রম চলবে। সমগ্র প্রকল্পটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তদারকিতে কাজটি সম্পন্ন হবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ৫৯৪ কোটি টাকা। এতে প্রায় ১৫/২০ হাজার একর ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন, স্থানীয় জনসাধারণ। প্রাথমিকভাবে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার শাইনপুকুর থেকে নারিশা পর্যন্ত এই বর্ধিতাংশের কাজ করা হবে। এতে দোহার উপজেলা পদ্মা ভাংগনের হাত থেকে রক্ষা পাবে এবং একটি সুন্দর স্যাটেলাইট সিটি হিসেবে গড়ে উঠবে বলে উপস্থিত জনসাধারণ প্রত্যাশা ব্যাক্ত করেন।

নবাবগঞ্জে আড়াইবছর ধরে নিয়মিত কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

news39.net, স্টাফ রিপোর্টারঃ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধি কিশোরীকে আড়াই বছর যাবত ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে অভিযুক্ত সজল (৩৫) নামে বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।অভিযোগের পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

নির্যাতনের শিকার কিশোরীর বাবা একজন ভ্যান চালক। তিনি অভিযোগ করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে আনুমানিক আড়াই বছর আগে থেকে আমি পরিবার নিয়ে সজলের নানা বাড়িতে ভাড়া থাকতাম। সজলও পরিবার নিয়ে ঐ বাড়িতে থাকতো। সুযোগ বুঝে খালি ঘরে পেয়ে আমার শারীরিক প্রতিবন্ধি কিশোরী কে ধর্ষণ করে ভিডিও এবং ছবি ধারণ করে। ভিডিও এবং ছবি সবাইকে দেখাবে বলে নিয়মিত কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখাতো। এভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে, বাড়ীর পাশে আব্দুল কাদেরের নির্জন কলা বাগানে ডেকে নিয়ে নিয়মিত ধর্ষণ করতো।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, মেয়েকে মাঝে মাঝেই মোবাইলে কথা বলতে দেখে, আমার সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। পরে মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলে, সে বলে আমি যা বলার পুলিশের কাছে গিয়ে বলবো। পরে গত ২২মে শনিবার মেয়ের ভাষ্যমতে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ করে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশে অভিযোগ করা হয়। এবিষয়ে ২৫মে মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা রজু হয়।

প্রতিবন্ধী কিশোরী ভয় ও জড়তার সাথে গণমাধ্যম কর্মীদের জানায়, অভিযুক্ত সজল ধর্ষণের ভিডিও পরিবারকে জানাবে বলে ভয়ভীতি দেখাত। প্রতি শুক্রবার জুম্মার নামাজের আগে মোবাইলে কল করে, আমাকে ঐ নির্জন কলা বাগানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করতো।

এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, নবাবগঞ্জ থানার বারুয়াখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির বলেন, মঙ্গলবার রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে সজলকে আসামী করে মামলা করেছেন। বুধবার সকালে ধর্ষিতার পরিক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের পর থেকে আসামী পলাতক রয়েছে। গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

১৩ জুন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে – শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘১৩ জুন থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করুন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের মেসেজটা হচ্ছে— ১৩ জুন থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।’

তালাক হয়েছে দুই বছর; তবুও স্বামীর বাড়ি ছাড়ছেন না স্ত্রী

বাবুল হোসেন, বিগত ২১ বছর ধরে নিজের পরিবারের সুখের কথা চিন্তা করে কাটিয়ে দিয়েছেন প্রবাসে। নিজের কাছে কোন সঞ্চয় না রেখে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন পরিবারে উদেশ্যে। কিন্তু ফলাফল কি পেয়েছেন? অপব্যয়ী স্ত্রী ও তার পরিবারের কাছে অনেকটা জিম্মি হয়ে পড়েছে বাবুল হোসেন এবং তার পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামে।

২০০৫ সালের মে মাসের ২৭ তারিখে দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে বাবুল হোসেনের সাথে বিয়ে হয় একই উপজেলার নারিশা পশ্চিম চর গ্রামের মজিনুর রহমানের মেয়ে সূবর্না আক্তারের সাথে। বিয়ের পর আবার প্রবাসে পারি জমান বাবুল হোসেন। এর মাঝে দেশে এসেছেন, হয়েছেন সন্তানের বাবা। কিন্তু স্ত্রীর অপব্যয়ের কারনে কোন কিছুই ঠিক ঠাক মতো করতে পারছিলেন না বাবুল হোসেন। সূবর্না আক্তারের অতিরিক্ত খরচের কারনে বাবুল হোসেনের ভাষ্যমতে সে বিপুল টাকার ঋণের বোঝায় চাপা পড়েছে। একদিকে যেমন তার নিজের কোন সঞ্চয় না থাকায় এই ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না ঠিক একই ভাবে স্ত্রী সূবর্না আক্তার সংশোধন না হওয়ায় তাকে নিয়ে সংসার করাটা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে বাবুল হোসেনের জন্য। এরই মাঝে বাবুল হোসেন অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীর আচরণও সংসারী নয়। ফলে দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্ব্য জীবনের অবসান ঘটিয়ে বাবুল হোসেন ২০১৯ সালের আগস্ট মাসের ২০ তারিখে তালাক নামায় সই করে সে পুনরায় সৌদি আরব চলে যায়। এই তালাক নামা নিয়েই সমস্যা তৈরি হয়েছে পরিবার দুইটির মাঝে।

বাবুল হোসেনের স্ত্রী সূবর্না আক্তারের সাথে কথা না বলে তালাক নামা পাঠানোর কারনে বাবুল হোসেনের দুই সন্তান নিয়ে বাবুল হোসেনের বাসায় এসে হাজির হন তার তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী সূবর্না আক্তার। দুই সন্তানের অধিকার দাবি করে সেই বাসাতেই অবস্থান নেন সূবর্না আক্তার। এই সময় বাবুল হোসেনের পরিবার তার অবস্থান করার ব্যাপারে বাধা দিলে সূবর্না আক্তারের সাথে আসা মানুষের হাতে আহত হন বাবুল হোসেনের পিতা চাঁন মিয়া। এই হামলায় আহত চাঁন মিয়া দুই দিন ভর্তি ছিলেন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। একই সাথে বাবুল হোসেনের সদ্য তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী অবস্থান গ্রহন করেন বাবুল হোসেনের বাসায়। এই ঘটনায় দোহার থানায় ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের ৬ তারিখে সাধারন ডায়রি করেন চাঁন মিয়া।

বিষয়টি এই জায়গায় থেমে না থেকে নারিশা ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত পৌছায়। নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন দ্বরানী বিষয়টি নিয়ে বিচার বসলে তালাকের সত্যতা নিশ্চিত করে সূবর্না আক্তারকে বাবুল হোসেনের বাড়ি ছাড়তে নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অম্যান্য করে বাড়িতেই অবস্থান গ্রহন করেন সূবর্না আক্তার।

এই ব্যাপারে নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন দ্বরানী নিউজ৩৯কে বলেন, সূবর্নাকে প্রশাসনিক ভাবে অনেকবার বাড়ি ছাড়তে বলা হলেও সে বাড়ি ছাড়ছে না। এই ব্যাপারে তিনি দোহার উপজেলা প্রশাসন ও দোহার পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষন করে অতি দ্রুত তাকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করার ব্যবস্থা নিতে বলেন।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর সাথে যোগাযোগ করেন সৌদি আরব প্রবাসী বাবুল হোসেন। বাবুল হোসেন নিউজ৩৯কে বলেন, তার স্ত্রীর কারনে তিনি যেমন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ঠিক একই ভাবে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু। আমার সাবেক স্ত্রীর কারনে আমরা পারিবারিক ভাবে যেমন অসহায় অবস্থায় আছি ঠিক একইভাবে সামাজিক ভাবে আমাদের মানসম্মানের হানিও ঘটেছে। আমার সন্তানদের দায়িত্ব আমি নিতে চাই। কিন্তু তার সাথে আমার ঘর সংসার করা সম্ভব না।

এই ব্যাপারে নিউজ৩৯ এর সাথে কথা হয় বাবুল হোসেনের সাবেক স্ত্রী সূবর্না আক্তারের সাথে। তিনি বলেন, তিনি তার বাচ্চাদের জন্য বাবুল হোসেনের বাসায় অবস্থান করছেন। তিনি আমাকে না জানিয়ে তালাক দিয়ে বিদেশ চলে যান। আমার দুই সন্তান ও বাচ্চাদের কোন ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত আমি এই বাসা থেকে কোথাও যাবো না।

দোহারে সাপের কামড়ে কিশোরের মৃত্যু

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কাজিরচর গ্রামে রাতে সাপের কামড়ে আব্দুল বারেকের ছেলে সিরাজুল ইসলাম নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

রাতে সিরাজুল ইসলামকে সাপে কাটলে তাকে তার পরিবার ও এলাকাবাসী জয়পাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে সাপে কাটার এন্টি ভেনাম দেওয়ার জন্য। কিন্তু দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মিলেনি সাপে কাটার এন্টি ভেনাম।

আর এই এন্টি ভেনাম না দেয়ার কারনে সিরাজুল ইসলামের মৃত্যু ঘটে। দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এন্টি ভেনাম না থাকায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দোহারে কোন হাসপাতালে সাপে কাঁটার এন্টি ভেনাম নেই সেটা খুবই দুঃখজনক বিষয়। সাপ থাকে গ্রামে আর ভেকসিন থাকে শহরে; এটা আরো দুঃখ জনক বিষয়। এ ভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ এ কি হবে সেটা আল্লাহই ভাল জানে। এখন আমাদের দাবি সরকারের কাছে যাতে এই সাপে কাটার এন্টি ভেনাম আমাদের দোহারে দেওয়ার ব্যাবস্থা করে দেয়।

সাপে কাটার এন্টি ভেনাম নিয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর ডাঃ জসিমউদদীন এর সাথে নিউজ৩৯ এর কথা হলে তিনি জানান, আমাদের এখানে গতকাল রাতে সাপে কাটা রোগী সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে আসা হয়। আমাদের হাসপাতালে সাপে কাটার এন্টি ভেনাম আছে কিন্তু আমাদের দক্ষ ডাক্তার না থাকায় আমরা সেই এন্টি ভেনাম দিতে পারিনা। আর এই সাপে কাটার এন্টি ভেনাম অন্য সব ভেকসিনের মত না। যায় জন্য যে কেউ এই ভেকসিন দিতে পারে না। আর সে জন্য আমরা মন্ত্রণালয় ও আমাদের এমপি মহোদয় সালমান এফ রহমান এর কাছে সাপে কাটার এন্টি ভেনাম প্রয়োগের জন্য দক্ষ ডাক্তারের জন্য আবেদন করে রেখেছি কিন্তু আমরা সেই দক্ষ লোকের অভাবের কারনে এন্টি ভেনাম দিতে পারিছি না। আমরা লোকবল পেলেই এন্টি ভেনাম দিতে পারবো।