শহীদ জিয়া ও বিএনপি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারনা করে। ৭ নভেম্বরের পূর্বে দেশ স্বাধীন ছিল,কিন্ত সার্বভৌম ছিল না। স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ছিল না। দিল্লীর ইশারায় সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হতো।

৭ নভেম্বরের পর সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদীদের নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়ে দেশটির সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হলো। শহীদ জিয়া স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদীকে মূলনীতি ধরে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত করেন আজকের এই দিনে এবং দেশকে দ্রারিদ্র্য ও অশিক্ষা মুক্ত করে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন জাতি হিসাবে পরিচিত হতে হলে স্বনির্ভরতা অর্জন করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। স্বনির্ভরতা অর্জনে উৎপাদন বৃদ্ধি কৃষি , কৃষিজাত পণ্যভিক্তিক ক্ষুদ্র শিল্প, শিল্পের প্রসার ইত্যাদি। সেই সাথে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি সমমর্যাদায় প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বন্ধুত্ব ও চুক্তি, মুসলিম রাষ্ট্রগুলির সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন এবং শক্তির ভারসাম্য রক্ষ্যার জন্য চীন মিয়ানমারসহ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলর সাথে সম্পর্ক স্থাপন এবং সম্পর্ক সম্প্রসারন ছিল জিয়ার কর্মসূচী। জিয়ার ইতিবাচক রাজনীতির কারনে অচিরেই দেশটি তলা বিহিন ঝুড়ির দুর্নাম মুছে যায়। ১৯৭৭ সালে ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের পানি ন্যায় হিস্যা নিশ্চিত হয় এবং দক্ষিন এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট সার্ক গঠনের রূপরেখা প্রণীত হয়।

শুভ জন্মদিন প্রিয় দল… বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে
সংগ্রামী সকল মানুষকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা !!! বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ! শহীদ জিয়া অমর হোক ।

শিপন মোল্লা
সদস্য ঢাকা জেলা যুবদল

জীবনসঙ্গী নির্বাচনে ইসলামের নির্দেশনা :২য় পর্ব

(লেখকঃ দেলোয়ার হোসেন সাদ, দোহারের কৃতি সন্তান, মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।)
পাত্র-পাত্রী নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যে মানুষটির সাথে সারা জীবন অতিবাহিত করতে হবে সেই মানুষটির চারিত্রিক ও নৈতিক বৈশিষ্ট্য তার জীবনসঙ্গীর উপর অনেক প্রভাব বিস্তার করে।

এ ব্যাপারে কয়েকটি হাদিস উল্লেখযোগ্য –

‘যার দ্বীনদারী ও চরিত্রে তোমরা সন্তুষ্ট, এমন কেউ বিবাহের প্রস্তাব দিলে তার সাথে তোমরা বিবাহ সম্পন্ন কর। তা না করলে পৃথিবীতে ফিৎনা দেখা দেবে ও ব্যাপক ফ্যাসাদ ছড়িয়ে পড়বে।’ (তিরমিযী: ১০৮৪)

‘নারীকে বিবাহ করা হয় চারটি জিনিস দেখে। তার সম্পদ দেখে, বংশমর্যাদা দেখে, রূপ দেখে এবং দ্বীনদারী দেখে। হে মুমিন! তুমি দ্বীনদার নারী বিবাহ করে ধন্য হয়ে যাও।’ (বুখারী : ৫০৯০ )

“সমগ্র দুনিয়াটাই সম্পদ। এর মধ্যে সবচাইতে উত্তম সম্পদ হলাে পরহেযগার স্ত্রী। “(মুসলিম – ৩৭১৬)

“তোমরা নারীদের (কেবল) রূপ দেখে বিবাহ করো না। হতে পারে রূপই তাদের বরবাদ করে দেবে। তাদের অর্থ-সম্পদ দেখেও বিবাহ করো না, হতে পারে অর্থ-সম্পদ তাকে উদ্ধত করে তুলবে। বরং দ্বীন দেখেই তাদের বিবাহ কর। একজন নাক-কান-কাটা অসুন্দর দাসীও (রূপসী ধনবতী স্বাধীন নারী অপেক্ষা) শ্রেয়, যদি সে দ্বীনদার হয়। “(ইবনে মাজাহ)

উপরিউক্ত হাদিস সমূহের শিক্ষা হল, পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে দ্বীনদারী ও সচ্চরিত্রকে সর্বাগ্রে রাখতে হবে। সৌন্দর্য, অর্থ-সম্পদ ও বংশীয় সমতাও বিচার্য বটে, কিন্তু সবই দ্বীনদারীর পরবর্তী স্তরে। দ্বীনদারী ও চরিত্র সন্তোষজনক হলে বাকিগুলোতে ছাড় দেওয়া যায়, কিন্তু বাকিগুলো যতই আকর্ষণীয় হোক, তার খাতিরে দ্বীনদারীতে ছাড় দেওয়ার অবকাশ নেই। আর যদি দ্বীনদারীর সাথে অন্যগুলোও মিলে যায়, সে অতি সুন্দর মিলন বটে, কিন্তু তা খুব সহজলভ্যও নয়। তাই সে রকম আশার ক্ষেত্রে মাত্রাজ্ঞানের পরিচয় দেওয়া জরুরি। একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গী আল্লাহর নৈকট্যে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, অন্যথায় দ্বীনের উপর অবিচল থাকা অনেক কঠিন হয়ে যায়। তাই ইসলামে পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দেয়ার নির্দেশনা পাওয়া যায়।

দোহারে ইস্টার্ন ব্যাংকের ত্রাণ বিতরণ

দোহারে সামাজিক দায়িত্ববোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি জয়পাড়ায় এলাকার কর্মহীন, শ্রমজীবী ও অসহায় মানুষের মাঝে ৫০০ বস্তা ত্রাণ বিতরণ করেছে দোহার শাখা ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড।

দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অসহায় মানুষের মাঝে এই ৫০০ বস্তা ত্রাণ বিতরণ করেন।

এ সময় আলমগীর হোসেন বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তারা যে এগিয়ে এসেছে, এভাবে ভবিষ্যতেও সামনে থেকে ভালো কাজে পাশে থাকবে বলে আশা করি। মাত্র ৫০০ প্যাকেট ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় বিতরণ অনেক কঠিন। কিন্তু তবুও যে তারা এগিয়ে এসেছেন, এজন্য ধন্যবাদ। আমি একইসাথে আলমাস কমিশনারসহ এখানে উপস্থিত সবাইকে করোনাকালীন ক্রান্তিলগ্নে তাদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই।

ত্রাণসামগ্রী হিসেবে প্রতি পরিবারকে ২০ কেজির একটি করে প্যাকেট দেপয়া হয়। প্যাকেটের মধ্যে ছিল চাল,ডাল,আলু,লবণ,তেল, বিস্কুট,আটা।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আওয়ামীলীগের সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, দোহার পৌরসভার কমিশনার আলমাস উদ্দিন, জয়পাড়া বাজার সেক্রেটারি দেলোয়ার মাঝি, ছাত্রলীগ নেতা শিহাব শিকদার, ব্যাংকের শাখার ব্যবস্থাপক সাইদ মোহাম্মদ শারফউদ্দিন,তানভির উজ্জামান সহ স্থানীয় অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিবাহ ইসলামের অন্যতম প্রধান সামাজিক বিধান পর্ব ১

(লেখকঃ দেলোয়ার হোসেন সাদ, দোহারের কৃতি সন্তান, মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।) বিবাহ ইসলামের অন্যতম প্রধান সামাজিক বিধান এবং মহানবী ﷺ-এর এক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।
বিয়ে করা শুধু মহানবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর সুন্নাহই নয়; বরং তা অন্যান্য নবীগণেরও সুন্নাহ। আল্লাহ তা’আলা বলেন:
وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلاً مِنْ قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجاً وَذُرِّيَّةً
আমি আপনার পূর্বে অনেক রাসুল প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান দিয়েছি। (সুরা রাদ : ৩৮)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন: “নিশ্চয়ই আমি নারীদের বিয়ে করি। সুতরাং যে আমার সুন্নাহ থেকে বিমুখ হবে, সে আমার (উম্মাহর) অন্তর্ভুক্ত নয়।”
(সহিহ বুখারী : ৫০৬৩;
সহিহ মুসলিম : ১৪০১)
▪দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য আমলঃ
(প্রতিদিন ফজর এবং মাগরিবের ফরয সালাতের পর পড়বেন)
1⃣ দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার)
اَللّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্‌! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর রহমত নাযিল করুন।
كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি রহমত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
اَللّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ
হে আল্লাহ্‌! মুহাম্মাদ(সঃ)-এর উপর এবং মুহাম্মাদ(সঃ)-এর বংশধরগণের উপর বরকত দিন।
كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ
যেমন আপনি বরকত দিয়েছিলেন ইবরাহীম(আঃ) এবং ইবরাহীম(আঃ)-এর বংশধরগণের উপর।
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয়,সম্মানীয়।
(বুখারী : ৩৩৭০)
2⃣ সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
رَبِّ اِنِّيْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيْرٌ
“রব্বি ইন্নীই লিমা— আংঝালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বীইর।”
আয়াতের অর্থঃ
হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।
3⃣ সূরা তাওবাহ্ ১২৯ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)
حَسْبِيَ اللّٰهُ ﻵ إِلٰهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ
“হাসবি ইয়াল্লহু লা— ইলা-হা ইল্লা হুয়া ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রব্বুল ‘আরশিল ‘আযীম।”
আয়াতের অর্থঃ
আমার জন্য আল্লাহ্‌ই যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ্ নেই । আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তিনি মহা’আরশের রব।
4⃣ ইস্তিখারার সংক্ষিপ্ত দু’আ (৭ বার)
‏ اللَّهُمَّ خِرْ لِي وَاخْتَرْ لِي ‏
“আল্লহুম্মা খিরলীই ওয়াখ তারলীই।”
আয়াতের অর্থঃ
হে আল্লাহ্‌! আমার জন্য যেটা মঙ্গল সে দিকে আমাকে চালিত করুন।
(সুনান তিরমিযী : ৩৫১৬;
সুনান ইবনু মাজাহ্ : ১৫৫৭)
5⃣ দরূদে ইব্রাহীম (৩ বার) ও সূরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াত।
★দুআগুলো আরবি দেখে পড়বেন, কেননা বাংলা উচ্চারণ থেকে আরবি সহিহ

মন্দির ভিত্তিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন নির্মল রঞ্জন গুহ

আজ ৩০ আগস্ট সোমবার সকালে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দোহারের মন্দির ভিত্তিক শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫০ টি ধর্মীয় গ্রন্থ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ , দোহার উপজেলা’র উদ্যোগে জন্মাষ্টমীর আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ। সেসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে ধর্মীয় গ্রন্থ ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে নির্মল রঞ্জন গুহ বলেন, জন্মাষ্টমীর শুভ দিনে ধর্মীয় শিক্ষা সকলের মাঝে ছরিয়ে দিতে হবে। ধর্মীয় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ধর্মীয় মূল্যবোধ মেনে দেশ ও জাতির কাল্যানে অংশগ্রহণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,
দোহার উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অমিতাভ পাল অপু,ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. রামকৃষ্ণ সাহা, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের প্রধান ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপম, দোহার থানার সেকন্ড অফিসার রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা ইন্দ্রজিৎ পাল ও আশুতোষ সাহা প্রমুখ।

দোহারে ইসলামি ব্যাংকের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

“মুজিব বর্ষে অঙ্গীকার করি, সোনার বাংলা সবুজ করি ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের “জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী-২০২১” এর অংশ হিসেবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, দোহার শাখার উদ্যোগে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের সদস্যদের মধ্যে “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী -২০২১” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০আগষ্ট) সকাল ১১.০০টায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড দোহার শাখা ব্যাংকে এই বৃক্ষরোপন উপলক্ষে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
ব্যাংকের এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা প্রধান জনাব মোঃ আব্দুল আলীম সরকার (সিডিসিএস) এর সভাপতিত্বে ও প্রকল্প কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ আমিন এর সঞ্চালনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা দক্ষিণ জোন প্রধান আবু ছাঈদ মোহাম্মদ ইদ্রিস।

প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি বলেন, বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যায় আপনার নিরলস প্রচেষ্টা অন্যদের জন্য
অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। ভবিষ্যতে আপনি এ কর্মসূচীতে সক্রিয় থাকবেন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী রেখে যাওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন ইনশা-আল্লাহ।

এছাড়াও তিনি বলেন, বর্তমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতি আমাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছে একটি গাছের কত প্রয়োজন । কারণ একটি গাছ যে পরিমান অক্সিজেন প্রদান করে তা আমাদের ক্রয় করে গ্রহন করতে হলে আমরা বেশিদিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে পারতাম না।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন ব্যাংকের এফএভিপি ও নবাবগঞ্জ শাখার ম্যানেজার এ এইচ মোঃ শফিউল্লাহ এবং ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপ্যাল অফিসার ও আরডিএস জোন অফিসার জনাব মোঃ মশিউর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের এসপিও ও ম্যানেজার অপারেশন্স কে,এম, গোলাম কিবরিয়া। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্হিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে বৃক্ষ রোপণ ও পরিচর্যায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গ্রাহকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ৫ (পাঁচ)জন গ্রাহককে শাখা প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি অভিবাদনপত্র, ১০ (দশ) টি ফলজ গাছের চারা এবং নগদ ৫০০ (পাঁচশত) টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও ১৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) গ্রাহকদের মাঝে একটি করে বিভিন্ন ফলের চারা বিতরণ করা হয়।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নবাবগঞ্জে ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্ভোধন

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নয়নশ্রী ইউনিয়নে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। রাহুৎহাটি চল সংঘের উদ্যোগে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। রোববার বিকেলে রাহুৎহাটি চল সংঘের মাঠে এ খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

টুর্নামেন্টের উদ্ভোধন করেছেন নবাবগঞ্জ উপজেলার তাঁতি লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান। টুর্নামেন্টে ৮টি দল অংশগ্রহণ করবে। উদ্বোধনী খেলায় খানেপুর কিশোর সংঘ রাধাঁকান্তপুর ইউনাইটেড ক্লাবকে ১-০ গোলে পরাজিত করে।

রাহুৎহাটি চল সংঘের সভাপতি মো. ফারুক হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ সোহেলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও পূর্বাণী যুব সংঘের সভাপিত মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন ভূঁইয়াসহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৩৫ মিটার রাস্তার কাজের উদ্বোধন

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবেশ ফটকের রাস্তার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। দোহার উপজেলা পরিষদের আলমগীর হোসেন এই কাজের উদ্ভোধন করেন।

২৫ আগস্ট বুধবার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক হতে মূল সড়ক পর্যন্ত ১৩৫ মিটার রাস্তার কাজের উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ, কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক ই আজম, কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দোহার-নবাবগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ সভাপতি মিথুন হোসেন জয়,দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম।

কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ নিউজ৩৯ কে জানায়, রাস্তাটি দিয়ে ১৬০০-১৭০০ শিক্ষার্থীর যাতায়াত। স্কুলে যেতে তাদের সমস্যা হতো। আমাকে বিষয়টি জানালে, আমি প্রতিশ্রুতি দেই দ্রুত রাস্তাটি করার। তিনি আরো বলেন,আমার চেয়ারম্যান মেয়াদের শেষ কাজ এটি। ভালোভাবে করার চেষ্টা করেছি। যাতে ছাত্রছাত্রী বিদ্যালয়ে যেতে কোন সমস্যা না হয়।

দোহারে নতুন করে ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত

দোহারে নতুন করে আরও ৩৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৪৪ জনে।

গতকাল সোমবার রাত ১০ টা ৪১ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, ২২ আগষ্ট উপজেলা থেকে ৮৮ টি নমুনা পাঠানো হয়। এ থেকে ৩৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ। নতুন করোনা শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, উপজেলায় এখন পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ৯০২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৪৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩৭ জন মারা গেছেন। বাসায় থেকে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৪৪৩ জন। এ ছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে উপজেলার ১১ জন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ডাঃ জসীমউদ্দিন আরো বলেন, দোহার উপজেলায় ২৪ ঘন্টায় সিনোফারমার প্রথম ডোজ ৭২৯ জনকে দেওয়া হয়েছে এবং সিনোফারমার দ্বিতীয় ডোজ ১৫১ ও কভিডশিল্ডের দ্বিতীয় ডোজ ০৮ জনকে কভিডের ভেকসিন দেওয়া হয়েছে।

পুরাতন বান্দুরা নবীন সেতু সংঘের সভাপতি সামাদের ইন্তেকাল

পুরাতন বান্দুরা নবীন সেতু সংঘের সভাপতি আব্দুস সামাদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে আব্দুস সামাদ মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে শনিবার তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন। ঘটনার পরপরই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

মৃত্যুকালে স্ত্রী ও তিন সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। নম্রতা, বিনয় ও সৌজন্য ছিল তার ব্যক্তি চরিত্রের অন্যতম গুণ। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পুরাতন বান্দুরা নবীন সেতু সংঘ। এছাড়া নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটিও শোক প্রকাশ করেছন। এক শোকবার্তায় সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাশিম মোল্লা তার শোকাহত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায় ।