দোহারে ১৬ জনের করোনা শনাক্ত

দোহারে নতুন করে আরও ১৬ জনেরে দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৮ জনে।

শনিবার রাত ১০ টা ৪৮ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, শনিবার (৪সেপ্টেম্বর ) উপজেলা থেকে ৪২ টি নমুনা পাঠানো হয়। এ থেকে ১৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩৮ দশমিক ০৯ শতাংশ। নতুন করোনা শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, উপজেলায় এখন পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ৪৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। উপজেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩৭ জন মারা গেছেন।

ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে বাসায় থেকে বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ২৪৭ জন। এ ছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে উপজেলার ৮ জন দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সবাইকে মাস্ক পরতে ও টিকা নিতে আহ্বান জানান এ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

দোহারের মৌড়ায় ফুটবলারদের জন্য ক্রীড়া সামগ্রী ও জার্সি বিতরণ

তাহসান একজন তরুণ সমাজকর্মী। মৌড়া গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের প্রাথমিক চাহিদা পূরণে সহযোগিতার জন্য ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন একটি সামাজিক সংগঠন, সংগঠনটির নাম মৌড়া একতা যুব সংঘ।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে পরেছে ঢাকা দোহার উপজেলায় একটি অন্যতম সংগঠন সবাই মিলে করব কাজ,”গড়বো মোরা মাদক মুক্ত সমাজ” স্লোগান টি সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছে মৌড়া একতা যুব সংঘ।

ঢাকা দোহার উপজেলায় মুকসুদপুর ইউনিয়নে যেকোন সংকটে অসহায় ও দুস্থ্যদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে তাহসান হৃদয়ের হাতে গড়ে তোলা মৌড়া একতা যুব সংঘ সংগঠনটি। বিশেষ করে মহামারি করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে সংগঠনটি মৌড়ায় ব্যাপক কাজ করেছে।

এ ছাড়া গ্রুপের সদস্যদের নিজ উদ্যোগে ৪ বছর ধরে গ্রুপটি স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ঈদ পোশাক বিতরণ এবং মৌড়া ফুটবল দলের উন্নয়নের লক্ষ্য কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটির সদস্যরা।

এসময় মৌড়া ফুটবল দলের অধিনায়ক ১০ নাম্বার জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় ইকরাম হোসেন রাজ বলেন, তাহসান হ্নদয় সব সময় মৌড়া গ্রামের সকল ভালো কাছে অংশ গ্রহণ করেন। আর অনেক দিন যাবত সে মৌড়া ফুটবল দলের পাশে আছে। এইবার সে আমাদের দলের স্পনসর হয়েছে তাই আমি মৌড়া ফুটবল দলের হয়ে তাকে ধন্যবাদ জানাই।

সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তাহসান হৃদয় বলেন, মানুষ মানুষের জন্য। স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন রূপে আমরা মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছি। এই পরিস্থিতিতে আমাদের সঙ্গে যদি আরও বেশি পরিমাণ বিত্তবানরা এগিয়ে আসতেন তাহলে হয়তো আরও সহজে সব অসহায়ের পাশে পৌঁছে যেতাম। একটু ইচ্ছাশক্তি থাকলে সব বিজয় অর্জন করা সম্ভব। আমরা আমাদের গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি এবং আমাদের সংগঠনটি বিভিন্ন সামাজিক কাজে অবদান রাখার জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছে। জার্সি উপহার দেওয়ার মূল কারণ হচ্ছে বর্তমান তরুণ সমাজ যেনো মাদকের সাথে জরিয়ে না পরে, তারা যেনো খেলায় আরো মনোযোগী হয় এজন্য আমি ব্যক্তিগত ভাবে মৌড়া দলের পাশে থাকবো সবসময়। আমরা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আমাদের সংগঠন মৌড়া থেকে মুকসুদপুর, মুকসুদপুর থেকে দোহার পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে সেদিন আর বেশি দূরে নয়।

দোহারে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনঃ এম্বুলেন্স প্রদান

৪ সেপ্টেম্বর, শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে সেখানে কর্মরত চিকিৎসক ও কর্মচারীদের করোনা সংক্রমণ সময়ে সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যসেবা এগিয়ে নিয়ে চলায় সকলের প্রশংসা করেন। এছাড়াও তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ প্রতিটি ইউনিট পরিদর্শন করেন।হাসপাতাল অবস্থানরত বিভিন্ন রোগীর সাথে তিনি তাদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কথা বলেন।

এসময় স্বাস্থ্য মহাপরিচালক খুরশীদ আলম প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মেনে পর্যাপ্ত নরমাল ডেলিভারির ব্যবস্থা করার সকল চিকিৎসক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশংসা করেন। এছাড়া হাসপাতাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমের গতিশীলতারও প্রশংসা করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি উপজেলার মৈনটঘাট পরিদর্শন করেন।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিমউদ্দিন এসময় একটি স্লাইড শো প্রদর্শন করে দোহার উপজেলার সামগ্রিক স্বাস্থ্য সেবার মান তুলে ধরেন স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের সামনে।

ডাঃ জসিম, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে হাসপাতালের অবকাঠামো নির্মাণ, হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নির্মাণ, আধুনিক অ্যাম্বুলেন্সে সেবা, হাসপাতাল নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং হাসপাতালের শূণ্য জনবল পূরণে মহাপরিচালকের সহয়তা চান।
এসময়, মহাপরিচালক একটি আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পন্ন এম্বুলেন্স দেয়ার ঘোষণা দেন।

এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সময় সাংসদ সালমান এফ রহমানের মেনিফোল্ড অক্সিজেন সিলিন্ডার চালু, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্বাবধানে বাড়ি বাড়ি অক্সিজেন সেবা চালু, জাইকার সহায়তায় কোভিড ডেলিভারি ইউনিট স্থাপনসহ গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বিষয়ে অবহিত করা হয়।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ মোঃ বেলাল হোসেন, এমএসই পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার মিজানুর রহমান, ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার আবু হোসেন মোহাম্মদ মঈনুল আহসান, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ, দোহার থানা ওসি মোস্তফা কামাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনসহ অন্যান্যরা।

ঢাকা জেলা যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

0

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা-২৩ মোতাবেক সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা জেলা শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে শামসু পরশ এর স্বাক্ষরিত বুধবার(১সেপ্টেম্বর) তারিখে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা জেলা শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে।

এবিষয়ে দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বলেন,বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা জেলা শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে এবিষয়ে ঢাকা সেন্টাল থেকে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। তবে কত দিনের মধ্যে নতুন কমিটি গঠন করা হবে সেটা সেন্টাল চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারি জানে এবিষয়ে আমাদের কোন মন্তব্য নাই।

দোহার উপজেলার যুবলীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি বলেন,কমিটির মেয়াদ উত্তির্ন হয়ে যাওয়ায় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

দোহারে সোনারবাংলা গ্রামের ২ আগুন সন্ত্রাসী গ্রেফতার

অবশেষে ২ আগুন সন্ত্রাসীকে আটক করেছে দোহারের সোনারবাংলা গ্রামের অধিবাসীরা। বেদম পিটুনি দিয়ে, তাদেরকে পুলিশী সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। প্রায় মাসখানেক ধরে, দোহার পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের সোনার বাংলা এলাকার বিভিন্ন স্থানে বাসা-বাড়িসহ খড়ের গাদায় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে চলছিল। কোনভাবেই অপরাধীদের ধরা যাচ্ছিল না। গত ১৭ আগস্ট ঘটনার কারণ খুঁজতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল। সে সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এসময় ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, ‘এই ঘটনায় এলাকার কেউ জড়িত থাকতে পারে। তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন, খুব শীঘ্রই দোষীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এরপরও থেমে ছিলনা আগুন দেওয়া ঘটনা। নিয়মিতই ঘটছিলো এমন ঘটনা। আতংকে এলাকাবাসী রাতে পাহাড়ার ব্যবস্থা করে। ২ বার ২ জনকে জাপটে ধরলেও, তারা পালিয়ে যায়। কথায় আছে, চোরের দশদিন, গৃহেস্থের একদিন। তেমনিভাবেই, গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় বাসিন্দা মইফলের ছেলে ফরহাদ (২০) কে আগুন দেয়ার সময় হাতে-নাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। এরপর, ফরহাদকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয় তারা। তার সাথের, আরেকজনকে সন্দেহজনক আচরণের জন্য আটকে করে পুলিশে দেয়া হয়।

দোহার থানা পুলিশ এস আই সাদিকুজ্জামান জানান, আমরা খবর পেয়ে রাতেই সোনার বাংলায় চলে যাই এরপর আহত অবস্থায় আমরা ফরহাদকে নিয়ে এসে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভতি করি সেই সাথে আমরা আরেক জনকে জিজ্ঞেসা বাদের জন্য আটক করি। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত মামলা বা জিডি জিডি হয়নি। তবে মামলা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে।

দোহারে গায়েহলুদে যাওয়া নিয়ে সংঘর্ষঃ ছাত্রলীগ নেতাসহ আহত ৬

স্টাফ রিপোর্টার, news39.net:
দোহার উপজেলার সুতারপাড়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সোহান বিশ্বাস(২৩)সহ উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। সোহান বিশ্বাসসহ তার পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। ৩ জনকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং ৩ জনকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে সুতারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দুলাল খানের ভাতিজির গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিলো। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে মেয়ের বাসা থেকে ছেলের বাসায় যাওয়ার সময়, অতিরিক্ত লোকের কারণে বয়োজ্যেষ্ঠদের নেমে যেতে বলা হয়। এতে তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিতর্ক থেকে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আক্রমণের শুরুর জন্য দুলাল খান, সোহানদেরকে অভিযুক্ত করেছেন। আর রাজা বিশ্বাসের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারের সদস্যদের অপমান, হেনস্থা ও আক্রমণের অভিযোগ করা হয়েছে।

দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব সুতারপাড়া গ্রামে প্রতিবেশির মেয়ের বিয়ের হলুদের অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই গ্রামের বাসিন্দা আওয়ামীলীগ নেতা রাজা বিশ্বাস, তার ছেলে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহান বিশ্বাস (২৩) ও ভাতিজা রকেট বিশ্বাসকে কুপিয়ে জখম করে মেয়ে পক্ষের লোকজন।

রাত ৮টার দিকে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক বাবা ছেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠা। রকেটকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রলীগ নেতা আমিনুল আরও বলেন, হামলাকারীদের অতিদ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

দোহার থানার ওসি তদন্ত মাসুদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আহত রাজার ভাই প্রিন্স বিশ্বাস বাদী হয়ে শুক্রবার সকালে থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় এজাহার নামীয় ৭জনহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তিনি আরো জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আসামিরা পলাতক থাকায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে গ্রেপ্তারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

দোহার নবাবগঞ্জের ক্লিনিকগুলোতে উপচে পড়া ভীড়

প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার আসলেই দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার ক্লিনিকগুলোতে উপচেপড়া ভীড় পরিলক্ষিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না এসব ক্লিনিকে। কোথাও যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। এক্সরে রুমে, আলট্রাসোনোগ্রাম, ডাক্তার দেখানো বা সিজার করার জন্য গাইনি বিভাগ বা অপারেশন থিয়েটার; যাই বলেন না কেন সকল জায়গায় ধাক্কাধাক্কি করে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। নিরুপায় হয়ে, এটাই এখন সহনীয় হয়ে পড়েছে এই দুই উপজেলার রোগীদের কাছে। কেউ কেউ সকালে এসে বসে থাকেন বিকাল পর্যন্ত। কারণ পূর্ব থেকেই সিরিয়াল নেন না বেশিরভাগ রোগীর স্বজনরা। এসব ক্লিনিকগুলোতে রোগীদের বেশির ভাগই মহিলা।

দোহার উপজেলার দোহার জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, অসংখ্য রোগী বসে আছে সিরিয়াল দিয়ে। জান্নাতুল ফেরদৌস নামের এক মহিলা রোগী বলেন, গতকাল এসেছিলাম, বাধ্য হয়েই আজ আবার আসতে হয়েছে। কারণ আমি আলট্রাসোনোগ্রাম করাবো কিন্ত মহিলা ডাক্তার শুক্রবার ছাড়া পাওয়া যায় না। এত বড় একটা ক্লিনিক হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ কেন স্থায়ীভাবে কোন মহিলা ডাক্তার রাখতে পারেন না তা বোধগম্য নয়। একইচিত্র দোহার নবাবগঞ্জের অন্যান্য হাসপাতালেও। অন্যান্য দিনের চেয়ে শুক্রবার কেন্দ্রিকই ভীড় বেশি হয়। এছাড়া বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের অযাচিত ভীড় তো আছেই। এক্ষেত্রে, দুই উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনকে ক্লিনিকগুলোকে স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে
রোগীদের প্রতি আরো শৃঙ্খল হওয়ার ও সেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন স্বজনেরা।

এই বিষয়ে জয়পাড়া ক্লিনিকের প্রশাসনিক কতৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট আসিফ জানান, আমাদের হাসপাতালে শুক্রবার রোগীর চাপ বেশি থাকে। সে জন্য রোগীরও লাইন বেশী হয়। এছাড়া, আগের থেকে অধিকাংশ রোগীই সিরিয়াল নেন। ঢাকার ডাক্তারদের সবাইকেও এই দুদিন পাওয়া যায়৷ সেজন্য হয়তো রোগীদের বিভিন্ন টেস্ট বা ভিজিটে একটু সময় লাগে। তবে, অন্যান্য যে কোন ক্লিনিকের চেয়ে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে থাকি। আর প্রতিনিয়ত সেবারমান বাড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

দেশপ্রেমে বিএনপি কখনো আপস করেনিঃ খন্দকার আবু আশফাক

শরিফ হাসান ও ফয়সাল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ঢাকা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক।
খন্দকার আবু আশফাক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী দোহার-নবাবগঞ্জে সরবভাবে কেন পালিত হচ্ছে না জানতে চাইলে বলেন, একটা ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের ঘাড়ে চেপে বসেছে। এরা বিনাভোটে নির্বাচিত বলে, জনগণের প্রতি এদের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নেই। আর জনগণের সেবক পুলিশ বাহিনীকে আজ এই সরকার নিজের স্বার্থে দলীয় বাহিনীতে পরিণত করেছে। অথচ এইদেশের জনগণের টাকায় পুলিশ বাহিনীসহ সকল সরকারি কর্মকর্তার বেতন দেয়া হয়। তাদের নিরপেক্ষ থাকার কথা। কিন্তু আজ দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় যেখানেই বিএনপির কোন প্রোগ্রাম থাকে, সেখানে আজ পুলিশ হানা দেয়। অথচ এটা আমাদের সাংবিধানিক এবং রাজনৈতিক অধিকার। ভবিষ্যতে এরকম হলে বিএনপি প্রতিরোধ করবে। এই প্রতিকূল পরিবেশেও আমরা দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীসহ দলীয় প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করছি।
আবু আশফাক আরও বলেন, আমি রাজনীতিতে এসেছিলাম শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের পতাকা হাতে নিয়ে। আমার সংগ্রাম শুরু হয়েছিলো একটা সুখী – সমৃদ্ধ জনপদরুপে দোহার-নবাবগঞ্জ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে। আমি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দেশ ও জনগণের ভাগ্যের সঙ্গে নিজের ভাগ্যকে একাকার করে ফেলেছি।
আমার নিজের কোনো পৃথক আশা-আকাঙ্ক্ষা নেই। দোহার-নবাবগঞ্জের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাই আমার আশা-আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়েছে। আমার জীবন পুরোপুরি জড়িয়ে গেছে এদেশের মানুষের স্বপ্ন ও প্রত্যয়ের সঙ্গে। তাদের সুখ-দুঃখ ও উত্থান-পতনের সঙ্গে। দেশের মানুষের জীবনের চড়াই-উৎরাই ও সমস্যা-সংকটের সঙ্গে। তাদের বিজয়, বিপর্যয় এবং সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধির সঙ্গে। দেশপ্রেম ও জনগণের অধিকারের ক্ষেত্রে আমাদের কারো সাথে কোন আপস নাই।

তিনি বলেন, চেতনার অগ্নিশিখা আপোষহীন দেশনেত্রী,মাদার অব ডেমোক্রেসি, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মধ্য দিয়ে এদেশের জনগণ প্রকৃত মুক্তির স্বাদ পাবে।

৩য় পর্বঃ কেন দ্রুত বিয়ে করবেন

(লেখকঃ দেলোয়ার হোসেন সাদ, দোহারের কৃতি সন্তান, মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।)

বিয়ের ফজিলত ও উপকারিতাঃ সৃষ্টিগতভাবেই নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক। নারী ছাড়া পুরুষ আর পুরুষ ছাড়া নারীর জীবন মরুবালুর চর। হতাশার অতল সাগরে হাবুডুবু খায় নর ছাড়া নারী আর নারী ছাড়া নর। এ কারণেই তো পৃথিবীর প্রথম মানব সাইয়ীদুনা আদম আলাইহিস সালাম চরম ঔদাসীন্য ও অতৃপ্তিতে ভুগছিলেন অনিন্দ অতুলনীয় সুখের জান্নাতে থেকেও। সেই চরম অতৃপ্তি ও ঔদাসীন্য দূর করার লক্ষ্যে তাঁর জীবন সঙ্গিনীরূপে সৃষ্টি করলেন মা হাওয়া (আঃ)-কে। আবদ্ধ করলেন বিয়ের বন্ধনে। অতৃপ্ত আদম তৃপ্ত হলেন। দূর হলো সকল ঔদাসীন্যতা। শুরু হলো নর-নারীর বৈধ যুগল বাঁধনে তথা বিয়ের সূত্রে মানবজীবন। কুরআন মাজীদে ইরশাদ হয়েছে- “হে মানবগোষ্ঠী! তোমরা ভয় কর তোমাদের সেই রবকে যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এক ব্যক্তি থেকে আর তাঁর থেকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর স্ত্রীকে এবং তাদের দুজন থেকে সৃষ্টি করেছেন অগনন নর-নারী।” (নিসা:১) বিয়ে মূলত একজন সুস্থ মানুষের প্রাকৃতিক প্রয়োজন। উপরন্তু মানুষের স্বভাবগত পরিচ্ছন্নতা, মানসিক ভারসাম্য, চারিত্রিক উৎকর্ষতা ও পবিত্রতার অন্যতম উপায় বিয়ে। ফিতরাতের ধর্ম ইসলামও এর গুরুত্ব দিয়েছে।
বাংলা বিয়ে শব্দের আরবি প্রতিশব্দ হলো নিকাহ যার আভিধানিক অর্থ বন্ধন, সংযুক্ত করা। ইসলামী পরিভাষায় ইচ্ছাকৃতভাবে একজন পুরুষের একজন নারীর বন্ধনকে বিয়ে বলে। (রদ্দুল মহতার: ৪/৫৭-৬০; কিতাবুল ফিকাহ আলাল মাযাহিবিল আরবাআ: ৪/১) বিয়ে সম্পাদিত হতে হবে দুইজন স্বাধীন বিবেকবান প্রাপ্তবয়স্ক ও মুসলমান পুরুষ অথবা এ সকল গুণে গুণান্বিত একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর উপস্থিতিতে বর কিংবা কনে পক্ষের ইজাব তথা প্রস্তাব আর অপর পক্ষের কবুলের মাধ্যমে। এই প্রস্তাব ও কবুল সাক্ষীগণের শ্রবণও করতে হবে। এর বিপরীতে কোন পদ্ধতিতে বিয়ে সম্পাদিত হলে তা বিশুদ্ধ হবে না। (হিদায়া:২/২৮৫; রদ্দুল মুহতার:৪/৬৯, ৮৬-৯২)
বিয়ের গুরুত্ব ও ফজিলত : অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান ও চিকিৎসা যেভাবে মানব জীবনের অপরিহার্য প্রয়োজন, শিক্ষাদীক্ষার প্রয়োজনীয়তা যেভাবে যুক্তিতর্কের ঊর্ধ্বে- একজন মানুষের সুস্থ জীবনযাপনের জন্য বিয়ের অপরিহার্যতা তেমনই। তাই ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ফজিলত ও মর্যাদা তুলনাহীন। কুরআন মাজীদে ইরশাদ হয়েছে- “তোমাদের মধ্যে যে পুরুষের স্ত্রী নেই আর যে নারীর স্বামী নেই তাদের এবং তোমাদের দাস-দাসীর মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ণ তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তাহলে আল্লাহ (বিয়ের বরকতে) নিজ অনুগ্রহে তাদের সচ্ছলতা দান করবেন। আল্লাহ বড় প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। (সূরা নূর:৩২) অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন- “আপনার পূর্বে প্রেরণ করেছি অনেক রাসূল এবং তাদের দিয়েছে স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি।” (সূরা রাদ:৩৮) সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- “হে যুব সম্প্রদায়! তোমাদের মাঝে যারা বিয়ে করতে সক্ষম তারা যেন বিয়ে করে নেয়। কারণ বিয়ে দৃষ্টি অবনত রাখতে এবং গুপ্তাঙ্গের পবিত্রতা রক্ষায় অধিক সহায়ক আর যে বিয়ে করতে সক্ষম নয় সে যেন রোযা রাখে। কেননা রোযা তার যৌনতাকে দমন করে ।” (বুখারী:২/৭৫৮, মুসলিম:১/৪৪৯, ইবনে মাজা:১৩২) সাহাবী আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেন- মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- যে ব্যক্তি পূত-পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করতে চায় সে যেন, বিয়ে করে স্বাধীন নারীকে। ইবনে মাজাহ:১৩৫ অন্য এক বর্ণনায় আনাস (রা.) বলেন, মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন- কোন ব্যক্তি যখন বিয়ে করল তখন সে যেন দ্বীনের অর্ধেকটা পূর্ণ করে ফেলল। এখন সে যেন বাকি অর্ধাংশের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে।” মিশকাত:২/২৬৮। সাহাবী আবু আইয়ুব (রা.) এর বর্ণনায় এসেছে মহানবী (সা.) বলেছেন- “নবী-রসূলগণের চারটি সুন্নত রয়েছে। সেগুলো হলো ১. লজ্জাবোধ, ২. সুগন্ধি ব্যবহার, ৩. মিসওয়াক করা, ৪. বিয়ে করা।” (তিরমিযী:১/১২৮) রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও ইরশাদ করেন- তিন শ্রেণীর লোককে আল্লাহ অবশ্যই সাহায্য করবেন-১. স্বাধীন হওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ গোলাম, যে নিজ মুক্তিপণ আদায়ের ইচ্ছা রাখে, ২. চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষার উদ্দেশ্যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ব্যক্তি, ৩. আল্লাহর পথে জিহাদকারী। (তিরমিযী:২/২৯৫;৪; নাসায়ী:২/৫৮; ইবনে মাজা;১৮১) সুবহানাল্লাহ! কি অসাধারণ ফজিলত! মানুষ মানবিক প্রাকৃতিক চাহিদার কারণেই বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। অথচ আমাদের প্রাণের স্পন্দন ইসলাম বলেছে বিয়ে আর্থিক সচ্ছলতার কার্যকর উপায়। কখনো বলেছে, পবিত্রতার কার্যকর মাধ্যম। আবার কখনও বলেছে দ্বীনের অর্ধেক। কখনও বা আখ্যায়িত করেছে আল্লাহর সাহায্য লাভের মাধ্যম হিসাবে। সম্ভবত এত ফজিলত ও মর্যাদার কথা অন্য কোন ইবাদত সম্পর্কে বলা হয়নি। কারণও আছে। কেননা সকল ইবাদত বিশুদ্ধ ও পরিপূর্ণ রূপে আদায়ের জন্য প্রয়োজন শারীরিক, মানসিক ও চারিত্রিক শুদ্ধতা, পবিত্রতা এবং স্থিতিশীলতা। যার অনেকটাই নির্ভর করে ইসলাম অনুযায়ী বিয়ের উপর।
আল্লাহ তাআলা তাঁর অসীম দয়ায় তাঁর প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর খাতিরে আমাদের সকলকে ইসলাম অনুযায়ী জীবন যাপন করার তাওফীক দান করুন। আমীন

দোহারে পরকীয়ার জেরে স্বামীর গোপনাঙ্গে কর্তনের চেষ্টা

ঢাকা জেলা দোহার উপজেলায় পৌরসভার কাটাখালি গ্রামে স্বামীর পরকিয়ার জেরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গোপনাঙ্গে আঘাত করেছে মজনু শেখের(স্বামী) স্ত্রী।

গতকাল মঙ্গলবার(৩১ আগস্ট) দোহারের কাটাখালি গ্রামের বাসিন্দা মেহের শেখের ছেলে মজনু শেখের সাথে ঘটনাটি ঘটেছে। জানা যায় স্বামীর পরকিয়ার কথা জানতে পারলে স্ত্রী ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামীর গোপানাঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।

এ বিষয় দোহার উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত ডাক্তার কাজী মোঃ ওমর ফারুক জানান,
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে আহতাবস্থায় কাটাখালি গ্রাম থেকে মজনু শেখ আমাদের হাসপাতালে আসে তার সমস্যা নিয়ে। এরপর আমরা তাকে সাধারণ চিৎসাদিয়ে ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালে রেফার করি। তাকে তার পরিবার ঐ রাতেই ঢাকা নিয়ে যায়।

এ বিষয় দোহার থানা তদন্ত মাসুদুর রহমান জানান, আমাদের থানায় কোন অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি হয়নি। আহত ব্যাক্তির এখনো জ্ঞান ফিরেনি জ্ঞান ফিরলে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিবে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।