ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা সোমবার

নিউজ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ এবং ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার লক্ষ্যে আগামীকাল সোমবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আজ রোববার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

এদিকে বাংলাদেশের আকাশে কোথাও জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এজন্য ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও বিষয়টি অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নবাবগঞ্জের গ্রামগুলি | গ্রামের তালিকা

নবাবগঞ্জের গ্রামগুলি পদ্মা, ইছামতি ও কালিগঙ্গা এই তিন নদীর অববাহিকায় ছড়িয়ে আছে। এর মধ্যে ইছামতি এর প্রাণ, আর মৃতপ্রায়। ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের দক্ষিণ-পশ্চিমে এর অবস্থান, পশ্চিমে পদ্মা নদী ও দক্ষিণে দোহার উপজেলা, উত্তরে মানিকগঞ্জ উপজেলা। আয়তবে বেশ বড়। নবাবগঞ্জের প্রকৃতি এক রকম কিন্তু এর ঐতিহ্য বিচিত্র। দেড়শত বছর আগে কলাকোপা একটি সমৃদ্ধ নগর ছিল, বান্দুরা এর আরেকটি সুপরিচিত গ্রাম।

নবাবগঞ্জে ইউনিয়ন সংখ্যা ১৪টি, তাই গ্রামের সংখ্যাও বেশি। গ্রামগুলোর নাম সংগ্রহ করা হয়েছে ইউনিয়ের সরকারী ওয়েবসাইট থেকে। বাস্তবে গ্রামের সংখ্যা কম বেশি হবার সম্ভাবনা থেকেই যায়।

শিকারীপাড়া ইউনিয়ন:

১. শিকারীপাড়া
২. আনন্দ নগর
৩. মনিকান্দা
৪. মহেষপুর
৫. বিষমপুর
৬. সোনাতলা
৭. শিবপুর
৮. শেখর নগর
৯. নট্টি
১০. নূরপুর
১১. ভদ্রকান্দা
১২. কন্ডপপুর
১৩. লস্করকান্দা
১৪. চরবাগুরী
১৫. হাগ্রাদী
১৬. নরসিংহপুর
১৭. নয়াডাঙ্গী
১৮. গরিবপুর
১৯. বক্তারনগর
২০. শেরপুর
২১. সুজাপুর
২২. নারায়নপুর
২৩. দাউদপুর
২৪. পাঞ্জিপহুরী
২৫. গঙ্গাদিয়া

জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন:

১. জয়কৃষ্ণপুর
২. সোনাবাজু
৩. শংকরদিয়া
৪. বাহাদুরপুর
৫. শ্যামপুর
৬. গজারিয়া
৭. বিলচরি
৮. কল্যানশ্রী
৯. তিতপালদিয়া
১০. পানিকাউর
১১. কঠুরী
১২. বামুয়াহাটি
১৩. ব্রাহ্মণ গ্রাম
১৪. আশয়পুর
১৫. রায়পুর
১৬. কেদারপুর
১৭. ঘোষাইল
১৮. আর ঘোষাইল
১৯. খাট বাজার
২০. রাজাপুর
২১. রাজাপুর নয়াডাঙ্গী
২২. বালেংগা
২৩. বাটুইমুড়ি
২৪. ধোয়াইর
২৫. পূরব চক
২৬. মঠবাড়ি
২৭. চাড়াখালী
২৮. বাটুইজুরি

কাশিয়াখালী সম্ভবত হরিরামপুর ইউনিয়নের গ্রাম

বারুয়াখালী ইউনিয়ন:

১. ডাক্তার কান্দা
২. বাহেরচর
৩. বাহ্মণখালী
৪. উত্তর বারুয়াখালী
৫. দক্ষিণ বারুয়াখালী
৬. নবগ্রাম
৭. মাদলা
৮. দীর্ঘগ্রাম
৯. জৈনতপুর
১০. ভাঙ্গা পাড়া
১১. করপাড়া
১২. দড়িকান্দি
১৩. ভেড়ামুড়িয়া
১৪. কুমারবাড়িল্যা
১৫. কান্দাবাড়িল্যা
১৬. বড় বাড়িল্যা
১৭. চক বাড়িল্যা
১৮. ছত্রপুর
১৯. শিয়ালজান
২০. মুন্সিনগর
২১. উত্তর আলালপুর
২২. দক্ষিণ আলালপুর
২৩. পৃথ্বিনোয়াদ্দা
২৪. রামনগর
২৫. রতনপুর
২৬. জাহানাবাদ
২৭. কাঞ্চননগর
২৮. বানিয়ারগ্রাম
২৯. বড় কাউনিয়াকান্দি
৩০. ছোট কাউনিয়াকান্দি

নয়নশ্রী ইউনিয়ন:

১. সাহেবগঞ্জ
২. উত্তর বাহ্রা
৩. ঘোষপাড়া
৪. ভাওয়াডুবী
৫. ভূরাখালী
৬. ছোট তাশুল্যা
৭. বড় তাশুল্যা
৮. বিপ্রতাশুল্যা
৯. বিলপল্লী
১০. চর তুইতাল
১১. পুরান তুইতাল
১২. নতুন তুইতাল
১৩. বকচর
১৪. চর বাগুরী
১৫. আবজালনগর
১৬. চর শৈল্যা
১৭. শৈল্যা
১৮. খানেপুর কান্দি
১৯. কান্দা খানেপুর
২০. চক খানেপুর
২১. রাধাকান্তপুর
২২. রাহুত হাটি
২৩. নয়নশ্রী
২৪. সাহাজাতপুর
২৫. কাশিনগর
২৬. দেওতলা
২৭. পাদ্রিকান্দা
২৮. সাপলেজা
২৯. মাতব্বর টেক
৩০. পূর্ব শয়তান কাঠি
৩১. ছোট গোল্লা
৩২. বড় গোল্লা
৩৩. কুমারগোল্লা
৩৪. কৃষ্ণনগর

বান্দুরা ইউনিয়ন:

১. মহববতপুর
২. মাঝিরকান্দা
১. আহ্লাদিপুর
২. হযরতপুর
৩. সাদাপুর
৪. ইমামনগর
১. সৈয়দপুর
২. হাড়িকান্দা
৩. মৃধারকান্দা
৪. কাঠালীঘাটা
১. পুরাতন বান্দুরা
১. হাসনাবাদ
২. মোলাশীকান্দা
২. মৌলভীডাঙ্গী
১. নতুন বান্দুরা
২. নূরনগর
৩. মীরেরডাঙ্গী
১. নয়ানগর
২. বারদুয়ারী
৩. চাম্পানগর

কলাকোপা ইউনিয়ন:

১. গোয়ালনগর
২. গোপালপুর
৩. মধ্যনগর
৪. রাজারামপুর
৫. বড়নগর
৬. বাগহাটি
৭. বৌরাহাটি
৮. মহাজনপুর
৯. রায়হাটি
১০. ভুইয়াহাটি
১১. পুকুরপাড়
১২. খন্দকার নোয়াদ্দা
১৩. গোপিকান্তপুর
১৪. পশ্চিম সমসাবাদ
১৫. পানালিয়া
১৬. পূর্ব সমসাবাদ
১৭. নবাবগঞ্জ
১৮. কাশিমপুর
১৯. খন্দকারহাটি
২০. মাধবপুর
২১. বাগমারা
২২. আমিরপুর
২৩. জালালপুর
২৪. শুরগঞ্জ
২৫. বৈকন্ঠপুর
২৬. রাজপাড়া
২৭. পীরমামুদিয়া
২৮. বিবিরচর

বক্সনগর ইউনিয়ন:

১. গাজীখালি
২. কোমরগঞ্জ
৩. পাঠানকান্দা
৪. বর্দ্ধনপাড়া
৫. ছোট রাজপাড়া
৬. বক্সনগর সাবেক হাটি
৭. ছোট বক্সনগর
৮. ছোট বক্সনগর মনি পাড়া
৯. ছোট বক্সনগর জেলেপাড়া
১০. বড় বক্সনগর
১১. বড় বক্সনগর খ্রিস্টান হাটি
১২. বড় বক্সনগর চৌড়া হাটি
১৩. দিঘীরপাড়
১৪. বালুরচর
১৫. টুকনীকান্দা

সরকারী তালিকার বাইরে যে গ্রামগুলো পাওয়া গেছে:
১৬. শুরগঞ্জ
১৭. চক বক্সনগর
১৮. ছোটজাফরপুর
১৯. ছোটরাজপাড়া গায়েন হাটি
২০. সাবুক হাটি

বাহ্রা ইউনিয়ন:

১. বলমন্তচর
২. আলগীচর
৩. কাহুর
৪. উরার চর
৫. কান্দামাত্রা
৬. বাগবাড়ী
৭. বাহ্রা
৮. বাহ্রা পশ্চিমপাড়
৯. বাহ্রা পূর্বপাড়
১০. চকবাহ্রা
১১. বাহ্রা রসুলপুর
১২. বাহ্রা চরকান্দা
১৩. শুভরিয়া
১৪. সোনারগাঁও
১৫. উলমান চান্দরা
১৬. নাওপাড়া
১৭. মোল্লাকান্দা
১৮. মাইলাইল
১৯. উত্তর চৌকিঘাটা
২০. দক্ষিণ চৌকিঘাটা

যন্ত্রাইল ইউনিয়ন:

১. যন্ত্রাইল
২. আজিজপুর
৩. চন্দ্রখোলা
৪. ভাওয়ালিয়া
৫. জালালচর
৬. হরিশকুল উত্তর
৭. হরিশকুল দক্ষিণ
৮. দেবুখাল
৯. গোবিন্দপুর
১০. ময়মন্দি
১১. চরখলসি
১২. বড় নবগ্রাম
১৩. বালিডিয়র
১৪. কিরঞ্জি
১৫. নলগোড়া
১৬. ভুরাখালি

শোল্লা ইউনিয়ন:

১. উত্তর বালুখন্ড
২. দক্ষিণ বালুখন্ড
৩. মহিষদিয়া
৪. পাতিলঝাপ
৫. সিংহড়া
৬. পাড়াশুরা
৭. আবদানী
৮. চকোরিয়া
৯. খতিয়া
১০. ঝনঝনিয়া
১১. আজগড়া
১২. মদনমোহনপুর
১৩. কোন্ডা
১৪. আওনা
১৫. হায়াতকান্দা
১৬. দুধঘাটা
১৭. দওখন্ড
১৮. কুমল্লী
১৯. শোলানগর
২০. আইকবাড়ী
২১. দক্ষিণ-পূর্ব সিংহড়া
২২. নয়াহাটী
২৩. চক সিংহড়া
২৪. শোল্লা
২৫. বোয়ালী
২৬. সিংজোর
২৭. কার্তিকপুর
২৮. সুলতানপুর
২৯. আওনা উলাইল
৩০. চক আওনা
৩১. সোনাপুর

কৈলাইল ইউনিয়ন:

১. দক্ষিণ কৈলাইল
২. উত্তর কৈলাইল
৩. তেলেঙ্গা
৪. পাড়াগ্রাম
৫. দড়িকান্দা
৬. মধুপুর
৭. নয়াকান্দা
৮. মালিকান্দা
৯. ভাঙ্গাভিটা
১০. রায়পুর
১১. উত্তর মেলেং
১২. মেলেং
১৩. পূর্ব মেলেং
১৪. পশ্চিম মেলেং
১৫. ডিগনারা
১৬. সোনারগাঁ
১৭. মাতাবপুর
১৮. কাটাখালী
১৯. দৌলতপুর

আগলা ইউনিয়ন:

১. আগলা
২. আগলা পূর্বপাড়া
৩. আগলা মাঝপাড়া
৪. হাজীকান্দা
৫. মকিমপুর
৬. কাজীহাটি উত্তর
৭. কালুয়াহাটি
৮. তাজনগর
৯. চৌধুরীহাটি
১০. চকবাড়ি
১১. খানহাটি
১২. টিকরপুর
১৩. দক্ষিন কালুয়াহাটি
১৪. মোহনপুর
১৫. ছাতিয়া
১৬. চরচরিয়া
১৭. চান্দারটেক
১৮. গোকুলনগর
১৯. চর মধুচরিয়া
২০. বেনুখালী
২১. দিনাজপুর

 

গালিমপুর ইউনিয়ন:
(নির্বাচন কমিশন গেজেট)

১. আন্দারকোঠা
২. কুঠিবাড়ি
৩. নোয়াদ্দা
৪. মিয়াহাটি
৫. আদর্শগ্রাম
৬. শুরগঞ্জ
৭. জয়নগর
৮. বড়গ্রাম
৯. সূযর্খালী
১০. শাহবাদ
১১. খানহাটি
১২. নগর
১৩. রামনাথপুর
১৪. চাঁনহাটি
১৫. সোনাহাজরা
১৬. শংকরখালী
১৭. পাইকশা
১৮. গালিমপুর

চুড়াইন ইউনিয়ন:
(নির্বাচন কমিশন গেজেট: বোল্ড করা গ্রামগুলো গালিমপুরের তালিকায়ও আছে)

১. পূর্ব গোবিন্দপুর
২. পশ্চিম গোবিন্দপুর
৩. চৌড়াহাটি
৪. সোনাতলা
৫. চানহাটি
৬. মরিচপট্টি
৭. মদনখালী
৮. দূর্গাপুর
৯. কামারখোলা
১০. পশ্চিম চুড়াইন
১১. পূর্ব চুড়াইন
১২. পশ্চিম মুন্সীনগর
১৩. পূর্ব মুন্সীনগর
১৪. মুসলেমহাটি
১৫. সোনাহাজরা
১৬. পাইকশা
১৭. সংকরখালী

– পারভেজ রবিন
pervezrobin.wordpress.com

দোহারের গ্রামগুলি | গ্রামের তালিকা

দোহারের গ্রামগুলি, বদলে যাচ্ছে দ্রুত। গ্রামগুলো বড় হচ্ছে, এ গ্রাম ও গ্রাম মিলে এক হয়ে যাচ্ছে। যেখানে ছিল জঙ্গলাকীর্ণ সেখানে বসত, কৃষি জমি হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম বাড়ছে। গ্রামগুলোর একটা তালিকা করে রাখা দরকার। যদিও এই তালিকা সদা পরিবর্তনশীল।

দোহার ঢাকা জেলার সর্বদক্ষিণের উপজেলা, ঢাকা জেলার সবচে ছোট উপজেলা। দোহার উপজেলায় ১টি পৌরসভা (দোহার পৌরসভা), ৮টি ইউনিয়ন, ৯৩টি মৌজা এবং ১৩৯টি গ্রাম রয়েছে। তবে গ্রামের সংখ্য আমাদের তালিকার সাথে মিলবে না।

গ্রামের তালিকা তৈরির আগে গ্রামের সংজ্ঞা নির্ধারণ হওয়া দরকার ছিল। এই তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে সরকারী গেজেট, ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ওয়েবসাইট ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট থেকে। সব যায়গায় গ্রামের তালিকা এক রকম নয়।

কোনো গ্রাম অনেক বড় হয়ে গেলে সেটিকে উত্তর, দক্ষিণ, বা পূর্ব, পশ্চিম নামে তার পাড়াগুলোকে ভাগ করা হয় চেনার সুবিধার্থে, যদিও এগুলো মিলেই আসলে একটি গ্রাম। এই গ্রামগুলি সরকারি তালিকায় আলাদা করে উল্লেখ করা হয়, কারণ ভোটার তালিকা বা অন্যন্য তালিকায় সহজে বোঝার লক্ষ্যে। একারণে এই প্রাথমিক তালিকাতেও সরকারি তালিকার সাথে মিল রেখে আলাদা উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রাম না হলেও এমন অনেক এলাকা আছে যার আলাদা নাম আছে, যেমন বিভিন্ন জঙ্গল এলাকা, কৃষি এলাকা, চক। এগুলোকে তালিকায় আনা হয় নি, তবে ভবিষ্যতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

দোহার পৌরসভা:

দোহার পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে প্রকৃত মহল্লা আছে ৩১, ওয়ার্ডে ভাগ হয়ে যাবার কারণে মহল্লা উল্লেখ করা হয়েছে ৩৬টি। উত্তর জয়পাড়া, উত্তর জয়পাড়া খালপাড় ও নূরপুর দুটি করে ওয়ার্ডে পড়েছে এবং দক্ষিণ জয়পাড়া তিনটি ওয়ার্ডে পড়েছে।  পৌরসভা আসলে শহরের মর্যাদা প্রাপ্ত, তাই এখানে গ্রামকে মহল্লা উল্লেখ করা হচ্ছে। দোহার পৌরসভা হলেও কিছু এলাকা বাদে বেশিরভাগ এলাকায় গ্রাম বৈশিষ্ট্য রয়ে গেছে।

উত্তর জয়পাড়া, দক্ষিণ জয়পাড়া, উত্তর জয়পাড়া খালপাড়, উত্তর জয়পাড়া মিয়াপাড়া, উত্তর জয়পাড়া কুঠিবাড়ী, উত্তর জয়পাড়া ব্যাঙ্গারচক, উত্তর জয়পাড়া চৌধুরিপাড়া প্রকৃত বৃহত্তর জয়পাড়া গ্রামের অংশ। আবার কিছু অংশ আদি জয়পাড়ার বাইরের, পাশের জনপদগুলো বড় হয়ে জয়পাড়ার সাথে মিশে গিয়েছে।

২০২১ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত স্থানীয় সরকার বিভাগের গেজেট অনুযায়ী দোহার পৌরসভার মহল্লা:

ওর্য়াড নং-১

১. পশ্চিম লটাখোলা
২. মধ্য লটাখোলা
৩. পূর্ব লটাখোলা

ওর্য়াড নং-২

১. উত্তর চরজয়পাড়া
২. দক্ষিণ চরজয়পাড়া
৩. উত্তর জয়পাড়া খালপাড় (খালের উত্তর পাড়ের অংশ)
৪. খালপাড় (খালের উত্তর পাড়ের অংশ)

ওর্য়াড নং-৩

১. উত্তর জয়পাড়া খালপাড় (খালের দক্ষিণ অংশ)
২. উত্তর জয়পাড়া গাজিকান্দা
৩. উত্তর জয়পাড়া মিয়াপাড়া
৪. উত্তর জয়পাড়া কুঠিবাড়ী
৫. উত্তর জয়পাড়া
৬. ইসলামপুর

ওর্য়াড নং-৪

১. উত্তর জয়পাড়া ব্যাঙ্গারচক
২. দক্ষিণ জয়পাড়া
৩. উত্তর জয়পাড়া চৌধুরিপাড়া
৪. খাড়াকান্দা

ওর্য়াড নং-৫

১. দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপাড় (ওয়াপদা রাস্তার পূর্বপাড়)
২. দক্ষিণ জয়পাড়া মাঝিপাড়া
৩. দক্ষিণ জয়পাড়া ঘোনা
৪. নূরপুর (ওয়াপদা রাস্তার পূর্বপাড়)

ওর্য়াড নং-৬

১. চর লটাখোলা (লটাখোলা নতুন বাজার খাল হতে রাশেদ মোল্লা বাড়ীর সেতু হয়ে নারিশা খাল)
২. বটিয়া
৩. নূরপুর (ওয়াপদা রাস্তার পশ্চিম অংশ)
৪. দক্ষিণ জয়পাড়া গাংপাড় (ওয়াপদা রাস্তার পশ্চিম অংশ)

ওর্য়াড নং-৭

১. দোহার ঘাটা
২. কাজিরচর (পূর্ব অংশ)
৩. ডায়া গজারিয়া (পশ্চিম অংশ)

ওর্য়াড নং-৮

১. বানাঘাটা
২. নিকড়া
৩. কাটাখালী

ওর্য়াড নং-৯

১. দক্ষিণ ইফসুফপুর
২. রসুলপুর
৩. লস্করকান্দা
৪. উত্তর ইফসুফপুর
৫. খালপাড় (খালের দক্ষিণ পাড়ের অংশ)

নয়াবাড়ি ইউনিয়ন:

১. উত্তর অরঙ্গবাদ
২. মধ্য অরঙ্গবাদ
৩. দক্ষিণ অরঙ্গবাদ
৪. নসরতপুর
৫. পানকুন্ডু
৬. হাতনী (সম্ভবত বিলুপ্ত)
৭. চর হাতনী
৮. বাহ্রা
৯. আন্তা
১০. পশ্চিম ধোয়াইর
১২. মধ্য ধোয়াইর
১৩. পূর্ব ধোয়াইর

রকারী সাইটে লেখা আছে গ্রামের সংখ্যা ১১ কিন্তু তালিকায় আছে ৯ টি। নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী ১৩টি গ্রাম পাওয়া গিয়েছে। এর বাইরে এই চারটি গ্রামের নাম পাওয়া গিয়েছে:

১০. কদমতলী
১১. মদীনানগর
১২. নয়াডাঙ্গী
১৩. কান্তারটেক

কুসুমহাটি ইউনিয়ন:

১. উত্তর শিলাকোঠা
২. দক্ষিণ শিলাকোঠা
৩. সুন্দরীপাড়া
৪. চরপুরুলিয়া
৫. দেওভোগ
৬. কার্তিকপুর
৭. কুসুমহাটি
৮. ছোটবাস্তা
৯. বড় বাস্তা
১০. বাবুডাঙ্গী
১১. চরকুশাই
১২. চরবৈতা (নি.ক.-নেই)
১৩. পুষ্পখালী
১৪. মাহতাবনগর
১৫. আরিতা
১৬. আউলিয়াবাদ
১৭. ইমামনগর

রাইপাড়া ইউনিয়ন:

১. ইকরাশী উত্তর
২. ইকরাশী দক্ষিণ
৩. পালামগঞ্জ
৪. হাতুরপাড়া
৫. লক্ষীপ্রসাদ
৬. জামালচর
৭. রঘুদেবপুর
৮. করিমগঞ্জ
৯. নাগেরকান্দা
১০. লটাখোলা বিলেরপাড়
১১. রাইপাড়া উত্তর
১২. রাইপাড়া দক্ষিন
১৩. কাঠালীঘাটা
১৪. বৌবাজার খালপাড়
১৫. ইসলামপুর খালপাড়

সুতারপাড়া ইউনিয়ন:

১. দোহার
২. পশ্চিম সুতারপড়া
৩. পূর্ব সুতারপাড়া
৪. কাজীরচর (পশ্চিম অংশ)
৫. মধুরচর (পশ্চিম অংশ)
৬. মধুরচর (পূর্ব অংশ)
৭. গাজীরটেক
৮. ডায়ারকুম
৯. ডাইয়া গজারিয়া (পূর্ব অংশ)
১০. মিজাননগর
১১. ঘাড়মোড়া
১২. মুন্সীকান্দা

সরকারী তালিকার বাইরে:
১৩. সোনার বাংলা
১৪. মারুয়াপোতা

নারিশা ইউনিয়ন:

১. ঝনকী
২. উত্তর শিমুলিয়া
৩. মালিকান্দা
৪. মেঘুলা
৫. রানীপুর
৬. দক্ষিণ শিমুলিয়া
৭. নারিশা পশ্চিম চর
৮. নারিশা জোয়ার
৯. নারিশা
১০. নারিশা খালপাড়
১১. চৈতাবাতর
১২. সাতভিটা
১৩. রুইতা

আরও তিনটি অনির্ধারিত গ্রামের নাম পাওয়া গিয়েছে: পূর্বচর, পশ্চিমচর, তালপট্টি

মুকসুদপুর ইউনিয়ন:

১. মুকসুদপুর
২. পূর্বচর
৩. ঢালারপাড়
৪. খড়িয়া
৫. খাশের টেক
৬. বানিয়া বাড়ী
৭. দক্ষিণ খড়িয়া
৮. বেথুয়া
৯. উল্টাডাঙ্গী
১০. দক্ষিণ মধুরখোলা
১১. মধুরখোলা
১২. মইতপাড়া
১৩. রুইথা
১৪. মৌড়া
১৫. ছত্রভোগ
১৬. ধীৎপুর
১৭. দুবলী
১৮. উত্তর মৌড়া
১৯. শান্তিনগর
২০. গোড়াবন
২১. মহামানিকা

মাহমুদপুর ইউনিয়ন:

১. চর পুরুলিয়া
২. শুকদেবপুর
৩. হোসেনপুর
৪. মৈনট
৫. চর কুসুমহাটি
৬. নারায়নপুর
৭. শ্রীকৃষ্ণপুর
৮. চর বৈতা
৯. চর কুশাই
১০. চর লটাখোলা
১১. হরিচন্ডি
১২. মাহমুদপুর
১৩. চর বিলাসপুর
সরকারী তালিকার বাইরে:
১৪. দেওভোগ

বিলাসপুর ইউনিয়ন:

১. বিলাশপুর
২. ছোট রামনাথপুর
৩. বড় রামনাথপুর
৪. হাজারবিঘা
৫. আলমখার চর
৬. আলীনগর
৭. চর দেবনাথপুর
৮. মাঝিরচর
৯. পূর্বচর
১০. রাধানগর উত্তর
১১. রাধানগর দক্ষিণ
১২. দেবীনগর উত্তর
১৩. কুতুবপুর
১৪. দেবীনগর দক্ষিণ
১৫. কুলছড়ি
১৬. কৃঞ্চদেবপুর

– পারভেজ রবিন
pervezrobin.wordpress.com

বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন করে গেজেট প্রকাশ করেছে

ডেস্ক রিপোর্ট: বগুড়া পৌরসভা ও সম্প্রসারিত এলাকা নিয়ে বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠন করেছে সরকার। দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে গঠিত এ সিটিতে ওয়ার্ড রয়েছে মোট ২১টি।

১৪ মে রাতে স্থানীয় সরকার বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয়। দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রতীক্ষার পর অবশেষে সিটি করপোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর বগুড়া।

গত ৭ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) বগুড়া সিটি করপোরেশন গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করে। এর আগে গত ২০ এপ্রিল তারেক রহমান বগুড়া পৌরসভা চত্বরে সিটি করপোরেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

গেজেটে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ধারা ৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী বর্তমান বগুড়া পৌরসভা ও আশপাশের সম্প্রসারিত এলাকাগুলো নিয়ে নতুন এ সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান স্বাক্ষরিত গেজেটে নতুন সিটি করপোরেশনের সীমানা ও ওয়ার্ড বিন্যাস নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিটি করপোরেশনে মোট ২১টি ওয়ার্ড রাখা হয়েছে। এর আওতায় বর্তমান পৌর এলাকার পাশাপাশি সদর উপজেলা ও শাজাহানপুর উপজেলার কয়েকটি মৌজাও যুক্ত হয়েছে।

দোহার প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিক তানজিম ইসলামকে স্থায়ী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার দোহার প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যপদ থেকে সাংবাদিক তানজিম ইসলাম আহাদকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভায় সংগঠনের শৃঙ্খলা ও স্বার্থ রক্ষার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কৃত তানজিম ইসলাম আহাদ দোহার বার্তা২৪ ও দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রেসক্লাব সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ড, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের একাধিক অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হন।

প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখে তানজিম ইসলাম আহাদ জোরপূর্বক প্রেসক্লাবে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এসময় তিনি ক্লাবের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং পরবর্তীতে মূল ভবনের প্রবেশদ্বারে নিজের তালা ঝুলিয়ে দেন। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি, অশালীন বক্তব্য ও উসকানিমূলক আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, তার বিরুদ্ধে পূর্বে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন, ক্লাবে অরাজকতা সৃষ্টি, সদস্যদের মারধরের হুমকি, রাষ্ট্রীয় আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড, চ্যাট গ্রুপে অশালীন মন্তব্য এবং ডোপ টেস্টের মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা না দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে ক্লাবের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় সাধারণ সদস্যদের সম্মতিক্রমে তাকে চিরস্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ফলে এখন থেকে দোহার প্রেসক্লাবের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকবে না। বিষয়টি নিশ্চিত করে যৌথভাবে স্বাক্ষর করেন দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি মু. তারেক রাজীব এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান সানী।

দোহারে প্রবাস বন্ধু ফোরামের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহারে প্রবাস বন্ধু ফোরামের এক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার খাড়াকান্দা ব্র্যাক অফিসে সকাল ১১টায় এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা এমআরএসসির কাউন্সিলর শায়লা ফারজানা এবং ব্র্যাকের বিডিও আঞ্জুম আরা। অনুষ্ঠানে নিরাপদে বিদেশ গমন, বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া এবং প্রবাসী কর্মীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রজেক্টরের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের সামনে নিরাপদ অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এছাড়াও প্রবাসী বিমা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং ফোরাম সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের সেবা ও রেফারেল কার্যক্রম সম্পর্কে জানানো হয়।

আলোচনায় ঋণ সুবিধা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, বিচার-সালিসি, বৃক্ষ প্রদান, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং চাকরির সুযোগসহ নানা সহায়তামূলক কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, নিরাপদ ও সচেতন অভিবাসন নিশ্চিত করতে সবাইকে সঠিক তথ্য জেনে বিদেশ যাওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রোগ্রাম অর্গানাইজার রাবেয়া বসরী আঁখি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রবাস বন্ধু ফোরামের সকল সদস্য বৃন্দ।

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ

কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ সভায় দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, এ বছর গরুর কাঁচা চামড়ার দর রাজধানী ঢাকার ভেতরে প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা ও ঢাকার বাইরে গরুর কাঁচা চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে সারাদেশে খাসির চামড়ার প্রতি বর্গফুট ২৫-৩০ টাকা এবং সারা দেশে বকরির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, কুরবানির পশুর চামড়া যেন নষ্ট না হয় সে জন্য সারাদেশে সরকারি অর্থায়নে বিনামূল্য লবণ পৌঁছানো হবে। এ জন্য ইতোমধ্যে ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ কেনা হয়েছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) মাধ্যমে জেলা-উপজেলায় এই লবণ পৌঁছে দেওয়া হবে।

হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে ১৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ১৩ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। এরমধ্যে ১০ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী।

আজ বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বুলেটিন অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ১১ জন মক্কায় এবং দুজন মদিনায় মারা গেছেন।

হেল্প ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ এপ্রিল যশোরের কোতোয়ালি এলাকার মো. আব্দুল মতিন (৫৩) এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের মো. আজহারুল হক (৬৪) মক্কায় মারা যান। তারা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে গিয়েছিলেন।

এ ছাড়া গত ১১ মে সাভারের নুসরাত শারমীন নামের এক নারী হজযাত্রী মক্কায় মারা যান। ৪ মে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের নিলুফা বেগম, ৩ মে ফরিদপুরের সদর উপজেলার নাসিরউদ্দিন বিশ্বাস এবং একই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর এলাকার মাহফুজা বেগম হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

এর আগে ২৮ এপ্রিল মদিনায় রংপুর কোতোয়ালি থানার শামসুল আলম, ২৭ এপ্রিল জামালপুরের মাদারগঞ্জের মো. আব্দুল হাই (৬১) এবং শেরপুরের শ্রীবরদীর মো. আবদুল্লাহ আল মামুন (৫৮) মৃত্যুবরণ করেন। এ ছাড়া ২৬ এপ্রিল দিনাজপুরের বিরামপুরের খলিলুর রহমান এবং ২৫ এপ্রিল ময়মনসিংহের পাগলা এলাকার সেরাজুল হকের মৃত্যু হয়।

২২ এপ্রিল টাঙ্গাইল সদর এলাকার আবুল কাশেম এবং ২১ এপ্রিল জয়পুরহাট সদর এলাকার নইম উদ্দীন মন্ডলের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করছেন। এরমধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন হজযাত্রী রয়েছেন।

গত ১৮ এপ্রিল ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ফ্লাইট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। আগামী ৩১ মে পর্যন্ত সৌদি আরবগামী হজ ফ্লাইট চলবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। হজ শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং আগামী ৩০ জুন দেশে ফেরার কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা

তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি বাড়ল আরও ৪ ডলার

তেলের দামে আজ সোমবার বড় উল্লম্ফন দেখা গেছে। এর এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের জবাব ‘অগ্রহণযোগ্য’। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি এখনো বড় অংশে কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে সরবরাহ-সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার, অর্থাৎ যে তেল ভবিষ্যতের কোনো একসময়ে সরবরাহ করা হবে, তার দাম ৪ দশমিক ১৬ ডলার বা ৪ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ দশমিক ৪৫ ডলারে পৌঁছেছে। গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে এই দাম রেকর্ড করা হয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৮ ডলার বা ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এতে প্রতি ব্যারেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৯ দশমিক ৮০ ডলার।

এর আগের সপ্তাহে উভয় সূচকেই সাপ্তাহিক ভিত্তিতে প্রায় ৬ শতাংশ দরপতন হয়েছিল। কারণ, প্রায় ১০ সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাত দ্রুত শেষ হতে পারে বলে বাজারে আশাবাদ তৈরি হয়েছিল। সেই সংঘাতের অবসান হলে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে আবার স্বাভাবিকভাবে তেল পরিবহন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।

বাজার বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান ফিলিপ নোভার জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক প্রিয়াঙ্কা সাচদেবা বলেন, ‘তেলের বাজার এখন পুরোপুরি ভূরাজনৈতিক শিরোনামনির্ভর যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরান থেকে আসা প্রতিটি মন্তব্য, প্রত্যাখ্যান কিংবা সতর্কবার্তার ভিত্তিতে দাম তীব্রভাবে ওঠানামা করছে।’

মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প আগামী বুধবার বেইজিং সফরে যাচ্ছেন। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে ইরান ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাজার বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান আইজি মার্কেটসের বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক নোটে বলেন, ‘এখন বাজারের সব মনোযোগ এই সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চীন সফরের দিকে চলে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে আশা তৈরি হয়েছে যে ট্রাম্প হয়তো বেইজিংকে প্রভাব খাটাতে রাজি করাতে পারবেন, যাতে চীন ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থার সমাধানের পথ তৈরি করে।’

এদিকে, সৌদি আররে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের গতকাল রোববার বলেন, গত দুই মাসে বিশ্ববাজার থেকে প্রায় ১০০ কোটি ব্যারেল তেল হারিয়ে গেছে। এমনকি তেল সরবরাহ আবার শুরু হলেও জ্বালানি বাজারকে স্থিতিশীল হতে সময় লাগবে।

জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের শিপিং তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলবাহী আরও দুটি ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। তবে ইরানি হামলা এড়াতে তারা নিজেদের ট্র্যাকিং সিস্টেম বন্ধ রেখেছিল। এতে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি সচল রাখতে এমন পদ্ধতি ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

আইএনজির বিশ্লেষকেরা আজ সোমবার এক প্রতিবেদনে বলেন, ‘২০২৬ সালের শেষ নাগাদ তীব্র তেল-সংকট কিছুটা কমে এলেও হরমুজ প্রণালিতে আবারও সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার ঝুঁকি, কমে যাওয়া মজুত এবং দুর্বল নীতিগত সমন্বয়ের কারণে বাজারে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির অতিরিক্ত মূল্য চাপ দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকবে।’ তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালজুড়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে। আর ২০২৭ সালে চাহিদা আবার বাড়তে শুরু করা এবং মজুত ধীরে ধীরে পুনর্গঠিত হওয়ার কারণে দাম ৮০ থেকে ৮৫ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।

৭ দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলন।

ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের বাসস্থানে হামলা, হত্যা, নির্যাতন, ও সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে সাত দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ প্ল্যাটফর্ম। আজ রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

জাবের অভিযোগ করে বলেন, বিএসএফ নিয়মিতভাবে বাংলাদেশিদের হত্যা করছে এবং এটিকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশ’ হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে। ২০০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বাংলাদেশিকে সীমান্তে হত্যা করা হয়েছে। ভারতের এই আচরণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং ভারত সরকার কোনো আন্তর্জাতিক তোয়াক্কা না করেই বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

ইনকিলাব মঞ্চের এ নেতা বলেন, ভারত শুধুমাত্র সীমান্ত হত্যায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সামরিক সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করছে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ তার সামরিক সক্ষমতা কতটুকু বাড়াবে, তা ভারত নির্ধারণ করে দিচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবির মধ্যে রয়েছে—ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব ও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো; ভারতকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে জাতিসংঘ ও ওআইসিতে তোলা; সীমান্তে প্রতিটি হত্যার বিপরীতে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের ও বিএসএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে আদানিসহ সব ট্রানজিট ও বন্দর সুবিধা স্থগিত রাখাসহ সাত দফা।