দ্রব্যমূল্যে আগুন: সংকুচিত হচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা

সারাদেশের মতো অস্থিরতা দেখা দিয়েছে দোহার-নবাবগঞ্জের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজারে। সকালে একদাম তো বিকালে এক দাম; রাতে একদাম তো সকালের আরেক দাম। প্রতিনিয়তই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মুল্যের দাম। যার মাসুল গুনছেন সারা দেশের মানুষের মতো দোহার নবাবগঞ্জের সাধারন মানুষও। ফলে একদিকে যেমন দেখা দিয়েছে পণ্যের কৃত্রিম সংকট, অন্যদিকে পন্য দ্রব্যের দামও বাড়ছে পাগলা ঘোড়ার মতো।

বুধবার সকাল ও রাতে প্যাকেটের ১ কেজি আটার বিক্রয় মুল্যের পার্থক্য ছিল ১৫ টাকা। এই রকম মুল্যের উঠানামা দেখা গেছে অন্যসব পন্যের ক্ষেত্রেও। সয়াবিন তেলের মুল্য লিটার প্রতি ২০ টাকার ঘর ছাড়িয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু এখন সরকার নির্ধারিত মুল্যেও পাওয়া যাচ্ছে না সয়াবিন তেল। ডিলারদের বিভিন্ন শর্ত ও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম দাবি করার কারনে সাধারন দোকানীরাও এখন নিচ্ছে না সয়াবিন তেল। তাছাড়া সয়াবিন তেলের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারনে সাধারন মানুষও এখন আর আগের মতো বাজার করতে পারছেন না। যে ক্রেতা আগে ৫ লিটারের বোতল ক্রয় করতো সে এখন ৩ লিটার তেল কিনছে। ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে তেলের দাম ঠিক একই ভাবে সংকোচিত হচ্ছে সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতা। আবার দোকানীরা ৫লিটারের তেলের ক্যান ভেংগে ১লিটার করে বিক্রি করছেন চাহিদা মেটাতে ও বেশি লাভ করতে। এক কেজি রসুন এখন ১৫০ টাকা, মায়ানমারের পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪৪ টাকা, ১ কেজি গুড়ো দুধের দাম বেড়েছে প্রায় ৩৫/৪০ টাকা, ডিটারজেণ্টের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি প্রায় ২৫/৩০ টাকা, বড় সাবানের দাম হয়েছে ৩৫ থেকে বেড়ে রকমভেদে ৪৫/৫০ টাকা।

নবাবগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সায়ের আলী বলেন, আটার প্যাকেট ভেংগে বিক্রি করলে ৫কেজির প্যাকেটে অতিরিক্ত ৭০/৮০ টাকা বেশি থাকে। তেলের ক্ষেত্রেও তাই। ডিলাররা মাল ঠিকমতো দিচ্ছে না। আবার ডিলাররা দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে আমাদেরকে। আমাদেরতো তেমন কিছুই করার নাই। সরকার যদি সিন্ডিকেট বা মিল মালিকদের নিয়ন্ত্রণ না করে, তবে কিছুই হবে না।

মেঘুলা বাজারে বাজার করতে আসা ক্রেতা জাহিদুল বলেন, বাজারেতো আগুন লেগে গেছে ভাই। আমরা যে কিভাবে বাচবো, তা জানি না। আমরা সরকারের উর্ধতন কতৃপক্ষকে অনুরোধ করবো দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে। সবকিছুই কেজি প্রতি ২০/৩০/৪০ টাকা বেশি। এভাবে চললে আমরা যে অসহায় মানুষ আছি, তাদের তো আর বাচার কোন উপায় নাই।

বেগম আয়েশা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মাহমুদুল হাসান সুমন নিউজ৩৯ কে বলেন, দ্রব্য মূল্যের উর্ধ গতির কারণে সব কিছুই এখন একটু কমিয়ে কিনতে হচ্ছে। ব্যয় কয়েকগুণ বাড়লেও, আয় বাড়েনি। প্রশাসনের বাজার মনিটরিং এর অভাবে সরকারের নির্দেশনা কেউই মানছে না। এতে কৃত্রিমভাবে সরকারের ইমেজ ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। আগে ৫ লিটারের সয়াবিন তেল কিনতাম; এখন ৩ লিটারের কিনি। তাছাড়া সব কিছুই ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তের সাধারন মানুষের এখন বেচে থাকাই কষ্ট। আর মধ্যবিত্ত হিসেবে সম্মান নিয়ে বাচি বলে, কষ্টের কথা কাউকে বলাও যায় না।

এই চিত্র দোহার-নবাবগঞ্জের সর্বত্রই। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে শ্রমজীবি মানুষেরা। জয়পাড়া বাজারের রিকশাচালক রুবেল বলেন, তেল-চাল, মাছ-মাংসের দাম যেমনে বাড়ছে, সবই নাগালের বাইরে। এখন মাসে ২/১ দিন পোল্ট্রি কিনি নাইলে সবজি খায়। আর শেষ বাজারে সুযোগ বাইলে সস্তাদরে কিছু মাছ কিনি। গ্যাসের দাম, বিদ্যুৎ এর দাম বাড়ছে, বাজারেতো কোন সিস্টেমই নাই। মাঝে মাঝে তাল না মিলাইয়ে মনে হয় মইর‍্যা যাই।

প্রবাসী অধ্যুষিত হওয়ায় করোনার মহামারী সময়েও খুব বেশী প্রভাব পড়েনি জনযীবনে। কিন্ত আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে অস্থিতিশীলতা, চাকুরীচ্যুতি, কর্মহীনতা, প্রবাসে বেকারত্ব, দেশে সংকট সব মিলিয়ে সংকুচিত হচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষের আয়, সংকুচিত হচ্ছে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা। তেল, চাল, চিনি, আটা, সবজি দাম বৃদ্ধি ও একইসাথে মাছ-মাংসের বাজার মনিটরিং এর অভাবে লাগামহীন হওয়ায় এখন দোহার-নবাবগঞ্জবাসী ব্যয় ও বাজার সংকোচনে মনোযোগ দিচ্ছে। প্রতিদিনের আমিষের স্থলে এখন সবজি স্থান পাচ্ছে, নিত্যকার চা-দুধ এর খরচ সীমিত হয়েছে, রান্নাতে কমেছে তেলের ব্যবহার, বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেণ্টে খরচ উঠাতে মালিকপক্ষ হিমশিম খাচ্ছে। করোনা মহামারীর সময় থেকে এখন পর্যন্ত অনেকেই সঞ্চয় ভেংগে খেয়েছেন, অনেকেই বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আছেন চরম সংকটে।

মজনু, রংপুর থেকে দোহারে এসেছেন রিক্সা চালাতে। কিন্তু যে টাকা আয় করছেন তা দিয়ে নিজের ও রংপুরে থাকা পরিবার চালাতে তার কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

বান্দুরা বাজারের রিক্সাচালক সোহেল মিয়া নিউজ৩৯কে জানান তার প্রতি দিনের কষ্টের কথা। তিনি বলেন, সবকিছুই এখন ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। গরিব মানুষের এই দেশে বেচে থাকা কষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিদিন যা কামাই করি তা দিয়ে ৫ সদস্যের পরিবারের ডাল-ভাত জোগার করাই কষ্ট হয়ে গেছে। চাল কিনলে ডাল কেনার টাকা থাকে না, ডাল কিনলে চাল কিনার টাকা থাকে না। এইভাবে বাচবো কিভাবে সেটাই এখন কুল পাচ্ছি না। সন্তানকে যে পড়াশোনা করাবো কিভাবে সেটাই এখন ভেবে পাই না। অনেকেই বলেছে পড়াশোনা বাদ দিয়ে কোন কাজে লাগিয়ে দিতে। সেটাই দিবো বলে চিন্তা করছি।

দোহার-নবাবগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা অসম্ভবকে সম্ভব করে ঢাকা-১ সাংসদ তাদেরকে পদ্মা বাধ, গতিশীল হাইওয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি পরিবহন সেক্টরের নৈরাজ্য নিরসন করেছেন। তিনি যদি বাজার মনিটরিং ব্যবস্থায় নজর দেন, তাহলে দোহার-নবাবগঞ্জবাসীর নিত্যদিনের বাজার সমস্যার সমাধান হবে ।

দোহারের সড়ক ও কলেজ সেজেছে কৃষ্ণচূড়ায়

প্রকৃতির অপরূপ সাজে সেজেছে দোহারের কলেজ, রাস্তা ও পুকুরের পাড়। দোহার উপজেলার প্রায় সড়কে গাছে গাছে ফুটে আছে কৃষ্ণচূড়া ও সোনালু ফুল। এমন ফুলের সৌন্দর্য নজর কাড়ছে সবার।

বসন্ত ঋতু এলে যেমন নানা রঙের নানা বর্ণের ফুলের দেখা মেলে। তেমনি গ্রীষ্ম ঋতুতে দেখা মেলে কৃষ্ণচূড়া আর সোনালু ফুলের। তবে ফুলপ্রেমীদের কাছে কৃষ্ণচূড়া ফুলই বেশি পছন্দের।

প্রকৃতিপ্রেমী ও ফ্রি ল্যান্সার সারোয়ার সারু বলেন, ‘বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলেজ ও সড়কসহ বাড়ির আঙিনায় বনজ গাছ রোপণের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধক গাছ রোপণের তালিকায় কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সোনালু ফুল রাখা দরকার। বিভিন্ন প্রকার সৌন্দর্যবর্ধক গাছ যদি রোপণ করা যায়, তাহলে প্রকৃতি যেমন অপরূপভাবে সেজে উঠবে তেমনি অক্সিজেন পাব আমরা। আমাদের সবার উচিত আমাদের বাড়ির আঙিনায় বা খালি জায়গায় এ ধরনের গাছ রোপণ করা।’

রিকশা চালক রুবেল হোসেন (৩০) বলেন, আমরা যখন দোহারের বিভিন্ন স্থানে রিকশা করে যাত্রী নিয়ে যাই তখন রাস্তায় ধারে কৃষ্ণচূড়া ফুল দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। আমরা মাঝে মাঝে এই কৃষ্ণচূড়া ফুলের সুন্দর দেখে মুগ্ধ হই। তাছড়া আমরা যখন ক্লান্ত হয়ে পরি তখন রাস্তার পাশে থাকা গাছগুলোর ছায়ায় বিশ্রাম নেই।

জয়পাড়া কলেজের ড্রিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আল আমিন বলেন, কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো অনেক সুন্দর। সবুজ পাতা আর লাল ফুল সৌন্দর্য ছড়িয়ে মুগ্ধ করছে সবাইকে। গাছ গুলো রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। কৃষ্ণচূড়া ফুল যখন ফুটে লাল হয়ে যায় সবুজের মাঝে। তখন দেখা মিলে লাল সবুজের বাংলাদেশের পতাকার। এই ফুল দেখে অনেকে আবার মুগ্ধ হয়ে কলেজে এসে ছবিও তুলে।

তিনি আরো বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে গাছের ফুলসব পরে গিয়েছে। তবে এ ফুলগুলো আরো বেশী দিন থাকলে আমাদের ক্যাম্পাসের সুন্দরর্য আরো বেশ কয়েক দিন থাকতো।

দক্ষিণ জয়পাড়ার বাসিন্দা অনিক হোসেন বলেন, হাজী বাড়ি পুকুরে মাঝে মাঝেই বসি বাতাস আছে বলে। এই পুকুরের পাড়ে যে কৃষ্ণচূড়া গাছ আছে সেটিতে যখন ফুলফুটে তখন বাসাসের সাথে সেই ফুল দেখে মন প্রাণ মুগ্ধ হয়ে যায়।

কৃষ্ণচূড়া এক ধরনের বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ; যার ইংরেজি নাম ফ্লেম ট্রি এবং বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এই গাছ চমৎকার পত্র-পল্লব এবং আগুন লাল কৃষ্ণচূড়া ফুলের জন্য প্রসিদ্ধ। এটি ফাবাসিয়ি পরিবারের অন্তর্গত একটি বৃক্ষ।

আমাদের দেশে সাধারণত বসন্তের শেষের দিকে এ ফুল ফোটে। কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফোটার আগে কলি দেখতে মোহরের মতো দেখায়, তাই হিন্দিতে এই ফুলকে বলা হয় গুলমোহর।

সভাপতি আলমগীর হোসেন, সেক্রেটারি নুরুল হক বেপারী

দোহার(ঢাকা) প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ ১৯ বছর পর সম্মেলনের মাধ্যমে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাকা জেলার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের ৫ম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ ১৯ বছর পর নতুন নেতৃত্ব পেলো দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ। এর মধ্য দিয়ে, আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হলো। এই কমিটির মাধ্যমে ত্যাগী, পরীক্ষিত এবং তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ ঘটবে বলে প্রত্যাশা সকলের।
সম্মেলনের দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেনকে সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এবং কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক বেপারীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়।
রোববার সকালে উপজেলা জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ, ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্বশীল মির্জা আযম এমপি উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, আওয়ামী লীগের সদস্য এ্যাড. এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার, এ্যাড. সানজিদা খাতুন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা আক্তার লাভন্য ভূইয়া প্রমূখ।

আর যেন ১৯ বছর না হয়ঃ সালমান এফ রহমান

দোহার(ঢাকা) প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৯ বছর পর ৫ম সম্মেলনের মাধ্যমে বিপুল উৎসাহ উদ্বীপনার মধ্যদিয়ে ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের ৫ম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলা জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান।

সম্মেলনের দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেনকে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নুরুল হক বেপারীকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। দ্রুতই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা দেয়া হবে।

ঢাকা -১ সাংসদ সালমান এফ রহমান বলেন, জাতীয় ইলেকশন আর বেশিদিন দেরি নেই। আর দেড় বছর পরই জাতীয় নির্বাচন। এই দেড় বছর দেখতে দেখতে চলে যাবে। আজ যে শক্তিশালী কমিটি করে দিয়ে যাব, তাদের প্রথম কাজ হবে সরকারের ১৪ বছরের উন্নয়নগুলো জনগণের মাঝে তুলে ধরা। সময় যেহেতু বেশি নাই তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে উন্নয়ন করেছেন তা দল-মত নিরপেক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। সেই সাথে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদেরকে রুখে আহবান জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে ডিজিটাল করার জন্য যখন সজীব ওয়াজেদ জয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয় তখন মানুষ জন হাসাহাসি করছিল। এখন বাংলাদেশ তার হাত ধরে ডিজিটাল হয়েছে। আমি আজকে এও বলতেছি যে, এই কমিটি যেন আর ১৯ বছর না হয়! প্রতি তিন বছর পর পর এই কমিটি গঠন করার জন্য আহ্বান কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপি। তিনি বলেন, দলে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করতে হবে। দলের নেতৃত্বে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের আনতে হবে। তবেই দল সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ এখন সারাবিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি পুনরায় দোহার ও নবাবগঞ্জ থেকে সালমান এফ রহমানকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করার আহবান জানান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, আওয়ামী লীগের সদস্য এ্যাড. এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার, এ্যাড. সানজিদা খাতুন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা আক্তার লাভন্য ভূইয়া প্রমূখ।

আমি পরীক্ষিত, তাই নেতা-কর্মীরা আমাকেই পছন্দ করে – উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন

মোঃ আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। প্রায় দুই দশকের প্রতীক্ষার অবসান শেষে ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের ৫ম ত্রিবার্ষিক সম্মেলন আগামী ১৫ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর এ সম্মেলন ও কমিটি গঠনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ। সভাপতি পদে এককপ্রার্থী হিসেবে আছেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, দোহার প্রেসক্লাবের উপদ্বেষ্টা ও দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালক আলমগীর হোসেন।

news39.net এর সাথে ৫ম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে কাউন্সিল নিয়ে একান্ত আলাপচারিতা করেছেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আলাপচারিতায় ছিলেন স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আল-আমিন।

মোঃ আল-আমিনঃ একক প্রার্থী হিসেবে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হচ্ছেন সেক্ষেত্রে আপনার অনুভূতি?

আলমগীর হোসেনঃ আমি দীর্ঘদিন রাজনীতিতে মাঠে আছি। সেশন জটের কারনে, নাহলে আমি আরো আগেই কাংখিত পোস্ট যেটা সেটা পাইতাম। কিন্ত আমি আমার কাংখিত পোষ্ট এখনো পাই নাই। আমার বয়স এখন প্রায় ৬০/৬১ বছর। আমি ১৯৮৪ সালে এমএসসসি করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।  ৮০’র দশকে আমি কবি নজরুল কলেজে প্রথম ছাত্রলীগের কমিটিতে ছিলাম।  সে হিসেবে আমার কোন বড় রকমের অনুভূতি নাই কারণ এতোদিনে আমি হয়তো আরও ভালো অবস্থানে যেতে পারতাম। তবে মাঠ পর্যায়ে যেহেতু আছি , তাই আশা করি মাঠের যেসব ছেলেমেয়েরা আমাদের সাথে পলিটিক্স করে তাদেরকে নিয়ে সুন্দর কমিটি চলে আসবে। যাতে নতুন ও সঠিক নেতৃত্ব আসতে পারে এবং মেধার বিকাশটা ঘটে।

মোঃ আল-আমিনঃ সভাপতি হিসেবে আপনি একক প্রার্থী । সেক্ষেত্রে আপনার সাথে কেউ প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছে না কেন?

আলমগীর হোসেনঃ অনেকগুলি কারণ হতে পারে। আমার দলীয় নেতা কর্মিরা আমার প্রতি আশ্বস্ত যে আমি যদি নেতৃত্ব দেই আমি সঠিক পথেই পরিচালিত করবো ইনশাল্লাহ। আমি পরিক্ষিত, নেতা-কর্মিরা তাই সভাপতি হিসেবে হিসেবে আমাকেই পছন্দ করে । আমি মেধা, প্রজ্ঞা ও সাংগাঠনিক শক্তি দিয়ে দলকে পরিচালিত করি এটা পরীক্ষিত, আর দলীয় নেতা কর্মিরা মনে করছে এটাই সঠিক নেতৃত্ব।

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাকে চান?

আলমগীর হোসেনঃ আসলে আমার চাওয়ার কোন বিষয় না। আমাদের যারা নেতৃবৃন্দ আছেন গঠনতন্ত্র মোতাবেক কাউন্সিলররা যাকে বানাবেন এবং আমাদের এমপি সাহেব আছেন সবাই মিলে যে আসে তার সাথেই আমি কাজ করতে পারবো।

মোঃ আল-আমিনঃ কেউ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলে, অন্যদের মধ্যে কোন দূরত্ব/মনমালিন্য হবে কিনা?

আলমগীর হোসেনঃ না। কোন দূরত্ব/মনমালিন্য তৈরি হবে না। প্রতিযোগিতা থাকবেই। আমরা সবাই দলকে সংগঠিত করার জন্য একসাথে কাজ করবো।

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি দলকে ভবিষ্যতে আরো কিভাবে দলকে সংগঠিত করবেন?

আলমগীর হোসেনঃ আমি এটা যুগোপযোগী হিসেবে সাজাতে চাই। যে সমস্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা রাজনৈতিক সেশন জটের কারনে ঠিকভাবে পলিটিক্স করতে পারছে না, তাদেরকে আমি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত করবো এবং নতুন পুরাতনদের সমন্বয় গঠিয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি উপহার দেবো। যাতে আগামীর রাজনীতি আমরা সঠিক ভাবে করতে পারি।

মোঃ আল-আমিনঃ আগামীতে বিএনপি/ বিরোধী দল কে কি ভাবে মোকাবিলা করবেন?

আলমগীর হোসেনঃ আমরা রাজনীতি রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবো।

এখন আমি রিটায়ার্ড করতে চাই – নজরুল ইসলাম বাবুল, সভাপতি – দোহার আওয়ামীলীগ

মোঃ আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টার, news39.net: নজরুল ইসলাম বাবুল, দীর্ঘদিন ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি। দীর্ঘ ১৯ বছর পর হতে যাওয়া, আওয়ামীলীগের ৫ম সম্মেলনে তিনি সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন না। কেন হচ্ছেন না? তার পরবর্তী গন্তব্য কোথায়, এসব বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপচারিতা করেছেন news39.net এর স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আল-আমিনের সাথে।

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে কি প্রার্থী হবেন?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ না, আমি প্রার্থী হবো না।

 

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি প্রার্থী না হলে কাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ উপজেলার চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন এবার সভাপতি হবেন বলে আমার প্রত্যাশা।

মোঃ আল-আমিনঃ সভাপতি পদে একজনের বেশি প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকার কারনটা যদি বলতেন?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ আমি যদি বুঝি নির্বাচন করে আগাইতে পারবো না, তাহলে আমি দাঁড়াবো কেন? এ কারণেই একজনের বেশি প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

মোঃ আল-আমিনঃ তাহলে দোহার উপজেলার রাজনীতি নিয়ে আপনার ভবিষ্যত ভাবনা কি?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ রাজনীতি থেকে এখন আমি রিটায়ার্ড করতে চাই। আমার বাবা একজন পুলিশ অফিসার ছিলো, সরকারি চাকরি করতো । ১৯২২ সালে এসএসসি পাশ করেছেন, ১৯২৪সালে আমার বাবা চাকরি করেছে ব্রিটিশ পুলিশে। দেশ যখন স্বাধীন হইলো তখনো তিনি পুলিশে ছিলেন। তখন আমার বাবা বলতেন, সরকারি চাকরির মেয়াদ হলো ৩২ বছর। এর পরে রিটায়ার্ড করতে হয়। আমার রাজনীতির বয়স ৫২ বছর পার করে ৫৩ বছর শুরু হয়েছে। আমি ১৯৬৯ সালে শুরু করছি এখন ৫৩ বছর চলছে তাই আমি চাইনা এবয়সে আর রাজনীতি করি।

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি কি মনে করেন দোহার উপজেলায় রাজনৈতিকভাবে এখনো সুযোগ্য ব্যক্তি গড়ে উঠেনি?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ এটা আমার বোঝা মুশকিল এবং বলাও মুশকিল। কারণ হলো আমাদের যে এমপি মহোদয় আছে তাকে আমরা অনেক সম্মান করি ও মানি। আমি যদি বুঝি এমপি মহোদয় কাউকে কোন পদে চাচ্ছেন, সেখানে এমপি মহোদয়কে সম্মানার্থে কারো প্রতিযোগীতায় না থাকাটাই উচিত। সেক্ষেত্রে কারো ক্যান্ডিডেট থাকাটা অনেক বোকামি হবে। এমপি মহোদয় আমাকে বলছিলো নির্বাচন করতে কিন্ত আসলে কেউই কি জেনে শুনে বিষ পান করে ?

মোঃ আল-আমিনঃ এবার সম্মেলন কি ভোটের মাধ্যমে হবে নাকি সিলেকশন এর মাধ্যমে হবে?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ সভাপতি পদে সিলেকশনের মাধ্যমে হবে কোন পার্থী থাকবে না। আর সাধারন সম্পাদক পদে ৪ জন প্রার্থী আছেন। বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন সিকদার, নুরুলহক বেপারি,আউলাদ হোসেন, জয়নাল আবেদীন।

মোঃ আল-আমিনঃ রাজনীতি থেকে রিটায়ার্ড নিলে দোহার পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করবেন কি?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ ইনশাল্লাহ, অবশ্যই। ওটাতো আর রাজনীতি পদ না। আমি দোহার পৌরসভার মেয়র পদে আমি নির্বাচন করবো এটা কোন রাজনীতি না।

 

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি রাজনীতি থেকে রিটায়ার্ড নিলে রাজনীতির সাথে সম্পর্ক রাখবেন কিনা?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ যখন করবো, তখন চিন্তা করবো। প্রেক্ষাপট চেঞ্জ হতে পারে। আবার ভালো থাকতে পারে, আবার খারাপও থাকতে পারে।

 

মোঃ আল-আমিনঃ তাহলে আগামীতে আপনি কোন সামাজিক সংগঠনের সাথে সময় দিবেন কিনা?

নজরুল ইসলাম বাবুলঃ দেয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রেওতো আবার সিনিয়র হলেও জুনিয়র লেভেল থেকে শুরু করতে হবে।

অনেকেই বেঈমানী করেছে কিন্ত আমি ও আমার বংশ আজন্ম নৌকার কর্মি – নুরুল হক বেপারী, সেক্রেটারী প্রার্থী – দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ

দীর্ঘ ১৯বছর। কত-শত প্রতীক্ষা। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। প্রায় দুই দশকের প্রতীক্ষার অবসান শেষে ঢাকার দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের ৫ম ত্রিবার্ষিক সম্মেলন আগামী ১৫ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর এ সম্মেলন ও কমিটি গঠনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ। ইতোমধ্যে পদপ্রত্যাশী নেতারা সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে নেতাকর্মিদের আহবান জানিয়ে উপজেলার নয়াবাড়ি থেকে মুকসুদপুর পর্যন্ত ফেস্টুন, ব্যানার, তোরণ ও বিলবোর্ড লাগিয়েছেন। আগামী ১৫ মে রোববার উপজেলার জয়পাড়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে সম্মেলনের স্থান নির্বাচিত করেছেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বেনজির আহম্মদ(এম.পি)। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্ঠা এবং ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান ফজলুর রহমান।

৫ম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের কর্মী দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক বেপারী । কাউন্সিল নিয়ে একান্ত আলাপচারিতা করেছেন news39.net এর সাথে। আলাপচারিতায় ছিলেন স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আল-আমিন।

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি কি দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের ৫ম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী? কেন এই পদে প্রার্থী হয়েছেন?

নুরুল হক বেপারিঃ আমি বাংলাদেশ কার্গো ভেসেলের জেনারেল সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম WTC এর বিগত ২০ বছর আমি সদস্য ছিলাম। আমার রাজনীতি করার উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষে জন্য কাজ করা।  এখান থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করা যায়। আমি সব সময়ই সামাজিক উন্নয়নসহ সকল ধরনের কাজ করে যাচ্ছি সাধারণ মানুষের জন্য। দোহার উপজেলার আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে আমার ও আমার পরিবার সম্পর্ক জন্মলগ্ন থেকে । আমি দুঃসময়ের একজন কর্মি। তাই আমি যদি সাধারণ সম্পাদক হই বিশেষ করে মাননীয় সাংসদ সালমান এফ রহমান উন্নয়নের যে গতিশীলতা সৃষ্টি করেছেন, তা অব্যাহত রাখতে ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো বলে বিশ্বাস করি। তাই আমি আস্থা রাখি সাধারণ সম্পাদক হবো এবং দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আরও সুদৃঢ় এবং সংগঠিত করতে পারবো।

মোঃ আল-আমিনঃ আপনার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার/ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে বলুন?

নুরুল হক বেপারিঃ আমার ব্যক্তিগত জীবনে আমি লন্ডনে লেখা পড়া করে আমি ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশে ফিরি। আমি ফ্যামিলি গত ভাবেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি ও সদস্য ছিলাম। নারিশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমার চাচা। ডা.আবুল কালাম আজাদ তিনি হলেন দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। তাই আমার রাজনীতির জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাইরে কখনোই যাইনি। আমাদের বংশের কোন আওয়ামীলীগের বাইরে ভিন্ন ইতিহাস নেই। ১৯৯৬ সাল থেকে নির্বাচন থেকে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে যখন আমাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তখন নৌকার পক্ষে সেই কাজ করেছি।

মাননীয় এমপি সালমান এফ রহমান যখন দোহার আসেন, তখন থেকেই আমাকে দলের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট করে রাখেন এবং আমিও দলের জন্য দিনরাত কাজ করি। বিএনপি জোট সরকারের আমলে আমি অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তখন আমার প্রায় ২৫ লক্ষ টাকার গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে বিএনপি জোট সরকার। আমি শারীরিকভাবে অনেক আঘাত প্রাপ্ত হই। এখনো আমার পায়ের সন্ধিক্ষণে ব্যাথা আছে। বিভিন্ন নির্বাচনে দোহারের অনেকেই নৌকার বিপক্ষে গেছে, কিন্ত আমি সব সময় নৌকার পক্ষে কাজ করে গিয়েছি।অনেকেই বেঈমানী করেছে কিন্ত আমি ও আমার বংশ আজন্ম নৌকার কর্মি।

সর্বশেষ ইউনিয়ন নির্বাচনে আমার চাচাতো ভাই তবারক ব্যাপারী নৌকার প্রার্থী আলমগীর হোসেনকে বিজয়ী করতে আমার সহযোগিতায় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। আমরা বেপারী বংশ সব সময় নৌকার যাত্রী। তাই আমি চাই দোহারে গতিশীল নেতৃত্ব। আর সালমানের এফ রহমানের গতিশীল নেতৃত্বের সাথী হতে পারেন একমাত্র উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন। আর আলমগীর হোসেনকে সর্বোচ্চ এবং সর্বাত্মক সহযোগীতা করার মতো সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার দক্ষতা, যোগ্যতা এবং সামর্থ্য আছে বলে আমি বিশ্বাস করি।

মোঃ আল-আমিনঃ সাধারণ সম্পাদক পদে কেন কাউন্সিলর-রা আপনাকে ভোট /সমর্থন দিবে?

নুরুল হক বেপারিঃ আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি ব্যক্তি বা দলগতভাবে দোহারে ডিজিএফ/এনএসআই বা গোয়েন্দা সংস্থার রিপোট অনুযাই আমি ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক কর্মী। গত কয়েকদিন আগে সারা দেশে কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের নির্বাচন হয়েছে। ৫০ জন প্রার্থীর মধ্য সেখানেও আমি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছি। তাই যেখানে সারাদেশের এতো বড় একটা সেক্টরের নেতৃত্ব আমি দিচ্ছি, সেখানে দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হলে এমপি ও দলের নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে সফলভাবে সকল কাজ করতে পারবো বলে আমি ও দলের অন্যান্যরা বিশ্বাস রাখে।

মোঃ আল-আমিনঃ আপনি দোহার উপজেলা সভাপতি হিসেবে কাকে দেখতে চান?

নুরুল হক বেপারিঃ আমি সভাপতি হিসেবে বর্তমান দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন কে দেখতে চাই। কেননা তিনি এমপিকে বুঝেন, সাধারণ জনগণকে বুঝেন। তার দুয়ার নেতা-কর্মিদের জন্য সব সময় উন্মুক্ত থাকে। তিনি উদার মনের বিচক্ষণ মানুষ।

মোঃ আল-আমিনঃ দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ ভাবনা কি?

নুরুল হক বেপারিঃ আমি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী। তাই, ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে এ মূহুর্তে কোন কমেন্ট করবো না ।

মোঃ আল-আমিনঃ দল যদি আপনাকে বাদ দিয়ে অন্য কাওকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনয়ন দেয়, আপনি কি মেনে নেবেন?

নুরুল হক বেপারিঃ যদি কাউন্সিলররা আমায় ভোট না দেয় সেক্ষেত্রে যদি অন্য কেউ সাধারণ সম্পাদক হয় তাহলে অবশ্যই আমি দলে সিদ্ধান্তকে মেনে নিবো। দলের বাহিরে কোন কাজ করবো না।

মোঃ আল-আমিনঃ বিএনপি/ বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে সামনে কিভাবে মোকাবিলা করবেন?

নুরুল হক বেপারিঃ এই বিশয়ে আপাতত আমি কোন কথা বলবো না। আমি যদি সাধারণ সম্পাদক হতে পারি তার পরে ভাববো, দল যে নির্দেশনা দেয়, সে অনুসারে।

মোঃ আল-আমিনঃ সভাপতি পদে কেন একজন অন্য কেউ প্রার্থী হচ্ছে না বলে, আপনি মনে করেন?

নুরুল হক বেপারিঃ দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন তার রাজনৈতিক জীবনের কৌশল ও সাংগঠনিক দক্ষতা জন্য এগিয়ে আছেন। সুন্দরভাবে দলকে গুছিয়েছেন। সম্পূর্ণ প্রতিকূল পরিবেশে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার বিরুধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু তিনি তার বুদ্ধি, যোগ্যতা, প্রজ্ঞা আর মেধা দিয়ে সকল কিছু জয় করেছেন। সালমান এফ রহমানেরের জন্য উপযোগী একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং অংগ সংগঠনকে এক করেছেন। তার বিকল্প এখন আর দোহারে কেউ নাই।  সেইসাথে সালমান এফ রহমানের একান্ত আস্থাভাজন ব্যক্তি আলমগীর সাহেব। সেক্রেটারি সভাপতি থাকা শর্তেও আলমগীর সাহেব দলটাকে গোছায়ছেন এককভাবে। কাউন্সিল করিয়েছেন। নির্বাচনে অমানুষিক পরিশ্রম করে নৌকাকে সবখানে বিজয়ী করেছেন। তার সঠিক নেতৃত্বের জন্যই আজ সে সভাপতি এককভাবে প্রার্থী এবং তার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নাই। তাই আমি মনে করি তিনি একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি সভাপতি হওয়ার।

বিএনপিতে যোগ দেয়ার বিষয়টি গুজবঃ নাজমুল হুদা

নতুন করে ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপিতে যোগ দেয়ার বিষয়টি প্রত্যাখান করলেন দোহার-নবাবগঞ্জে বিএনপি নেতা ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা।

তার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন,এ বিষয়টি আমি দেখেছি । তবে, আমি নিজেই জানিনা। আমি বিএনপিতে যোগ দিচ্ছি না ।

আবার কি বিএনপিতে যোগদান করবেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সেটাতো বলা যায় না। রাজনৈতিক মঞ্চে কি হয় না হয়!! আমি যেভাবে পারছি, সেভাবে আমার মত করে সুস্থ রাজনীতি করছি।

তিনি আরো বলেন,যদি আবার সুস্থ অবাদ নির্বাচন হয়, কোন দিকে যায় দেশ; সব কিছু মিলায়ে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আগামী নির্বাচনে কোন দলের সাথে জোট বাধবেন কিনা এমন প্রশ্নে বলেন, আগের মত সুষ্ঠু নির্বাচন দিলে আমি সামনে অগ্রসর হবো। যদি আগের মত নির্বাচন চাপিয়ে দিয়ে প্রশাসন দিয়ে দখল করে নিলে নির্বাচন করে লাভ কি? তাই অবাদ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আবার রাজনীতিতে অগ্রসর হবো।

দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হবে একশত শয্যাঃ ডঃ জসিমউদদীন

আন্তর্জাতিক নার্স দিবস আজ। সমাজের প্রতি নার্সদের অবদান ও মানুষের সেবায় যেভাবে তারা কাজ করেন তা সবার সামনে তুলে ধরতে এই দিনটি পালন করে বিশ্ব। আধুনিক নার্সিং পেশার রূপকার ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মদিন উপলক্ষে এ দিবস পালন শুরু হয়। এ বছর নার্স দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় শক্তিশালী নার্স নেতৃত্বের বিকল্প নেই- বিশ্ব স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে নার্সিং খাতে বিনিয়োগ বাড়ান ও নার্সদের অধিকার সংরক্ষণ করুন।’সারাদেশের ন্যায় দোহার উপজেলায়ও আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত হয়ে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকাল ১১টায় দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসিমউদদীন। সে সময় তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে। হাসপাতালে সেবার মান আরো বাড়াতে হবে। আগামীতে আমাদের দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নতি হবে। আর সে জন্য আমাদের হাসপাতাল বড় করতে হবে। এটাও আমাদের অনুমোদন হয়ে গিয়েছে এখন শুধু সময়ের ব্যাপার।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মকর্তা ও নার্স গন।

দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের নতুন কমিটি গঠন; সভাপতি সেলিম, সম্পাদক শাকিল

দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। নব নির্বাচিত কমিটিতে এলজিইডির প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. সেলিম মিয়াকে সভাপতি, ৭১টিভির হেড অব নিউজ শাকিল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক এবং সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার ল’ রিপোর্টার মো. রাশিম মোল্লাকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। রোববার (৮মে) সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটিতে সিনিয়র সহ সভাপতি পদে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব কৃষ্ণেন্দু সাহা, সহসভাপতি পদে মাগুরা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হরগোবিন্দ্র সরকার অনুপ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু সাইদ ও মানিকগঞ্জ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এছাড়া, অর্থ সম্পাদক পদে ব্যাংকার খালিদ বিন ওয়াহিদ কনক, সহ অর্থ সম্পাদক ব্যাংকার ইখতিয়ার খান পরাগ, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক পদে খালিদ হোসেন সুমন ও পদ্মা কলেজের প্রভাষক তারেক রাজিব, দপ্তর সম্পাদক পদে বাংলাভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মো. হুমায়ূন কবীর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ব্যাংকার রানা ভূইয়া, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে শিক্ষানবিশ আইনজীবী মোস্তাক হোসেন, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে জাফর আহমেদকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

এর আগে দোহার- নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা ও ঈদ পুনমিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এক পর্যায়ে অনুষ্ঠান পরিণত হয় নবীন প্রবীনের মিলনমেলায়। গল্প আর আড্ডায় মেতে উঠেন সবাই। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও দৈনিক মানবজমিনের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কেএম বাবর আশরাফুল হক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, বিশিষ্ট ছড়াকার সাইদুজ্জামান রওশনসহ দোহার-নবাবগঞ্জের বহু গুনীজন।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর দোহার-নবাবগঞ্জের সাংবাদিক, চিকিৎসক, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রকৌশলী, সরকারি/ বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যাংকারের সমন্বয়ে পেশাজীবী সংগঠন দোহার-নবাবগঞ্জ পেশাজীবী পরিষদের আত্মপ্রকাশ হয়। এরপর ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। শনিবার আগামী দুই বছরের জন্য দ্বিতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। এই সংগঠনের উদ্দেশ্য মূলত দোহার ও নবাবগঞ্জের পেশাজীবীদের মধ্যে একতা, শৃঙ্খলা, আন্তসম্পর্ক বৃদ্ধি করা। একইসঙ্গে সহযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে সংগঠনের একে অপরের নানা সমস্যায় এগিয়ে আসা।

এছাড়া, এলাকার উন্নয়ন ও সমাজের নানা অসঙ্গতির বিষয়ে সচেতনা বৃদ্ধিতে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম, সমাজের বিভিন্ন স্তরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং সংগঠনের সদস্যদের ভালো কর্মের জন্য সম্মাননা প্রদান।