দোহারে ‘স্বল্প সময়ে পাঠকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে আজকের পত্রিকা’

ঢাকা দোহার উপজেলায় আজকের পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্‌যাপন করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১১টায় দোহার প্রেসক্লাবে কেকে কেটে আজকের পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠা বাষিক পালন করা হয়। দোহার উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আতাউল রহমান সানির সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ কামরুল হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দোহার উপজেলার প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুল হাসান বলেন, সর্ব প্রথম ধন্যবাদ জানাই আজকের পত্রিকার সম্পাদক ড.মোঃ গোলাম রহমান এবং দোহার উপজেলায় প্রতিনিধি আজকের পত্রিকার শরীফ হাসানকে। ‘সারা দেশের স্থানীয় দৈনিক’ স্লোগানকে সামনে রেখে একদল উদ্যমী সাংবাদিকের নিরলস প্রচেষ্টায় আজকের পত্রিকা এখন সার্কুলেশন বা প্রচারসংখ্যায় সারা বাংলাদেশে তৃতীয় জাতীয় দৈনিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আজকের পত্রিকার এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে শুভকামনা রইল সকলের প্রতি।

তিনি আরো বলেন, এই পত্রিকা এখন দোহারের মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে সবাই এখন এই পত্রিকা পড়ে। এই পত্রিকা সংবাদ মানুষের মন কেঁড়ে নিয়েছে।

আলোচনা সভায় অন্যান্যরাও বক্তব্য রেখে আজকের পত্রিকার শুভকামনা করেন।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, দোহার প্রেসক্লাবে কার্যকারী সদস্য মু,তারেক রাজিব, নওরোজ পত্রিকার দোহার প্রতিনিধি অলী আহাম্মেদ, গণকন্ঠের দোহার প্রতিনিধি কাজী জুবায়ের আহাম্মেদ, সুজন আহাম্মেদ সদস্য দোহার প্রেসক্লাব,আসিফুর রহমান সজল, জুবায়ের আহাম্মেদ, মোঃ পলাশ, আল আমিন, আজকের পত্রিকার দোহার প্রতিনিধি শরীফ হাসান প্রমুখ।

দোহারে আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার দোহার উপজেলায় র‌্যালী ও আলোচনা সভা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্য দিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

সভার সভাপতিত্ব করেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর দল, এই দল হাসেমের দল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দল। আমরা এই দলের সদস্য হতে পেরে গর্ববোধ করি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল হয়েছে। আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে ইনশাআল্লাহ।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জাহাঙ্গীর আলম, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোল্লা মো. বেলাল, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. মহিউদ্দিন, দোহার পৌরসভার প্রশাসক মো. আজাদ হোসেন খান, দোহার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা বজলুর রহমান শিকদার, পৌরসভা আওয়ামীলীগের আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ,  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. আলমাছ উদ্দিন, যুবলীগের সভাপতি মু. আলমাছ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান আকন্দ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে দোহার থানা পুলিশের র‍্যালি

বহুল প্রতীক্ষিত স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ঢাকা দোহার উপজেলায় দোহার থানা পুলিশের বর্ণাঢ্য এক আনন্দ র‌্যালি করেছে। শনিবার (২৫ জুন) সকালে র‌্যালিটি দোহার থানা থেকে বের হয়ে জয়পাড়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দোহার থানায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় দোহার থানার পুলিশের কর্মকর্তা ছাড়াও জয়পাড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।

র‌্যালি শুরুর আগে দোহার থানা ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এবং একাগ্রতার কারণেই পদ্মা সেতু নির্মিত হয়েছে। আজ  পদ্মা সেতুর ঐতিহাসিক উদ্বোধন। সেই আনন্দের অংশীদার এবং গৌরবের অংশ হিসেবে আমরা দোহার থানা পুলিশ এই র‌্যালির আয়োজন করেছি। জাতির যে আনন্দ, সে আনন্দের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে জাতির একটি অংশ হিসেবে এই আনন্দ র‌্যালিতে আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ করছি। আমরা গর্ব অনুভব করছি। প্রধানমন্ত্রীকে আমাদের দোহার থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বেগম আয়েশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকা কুলছুম বেগম, দোহার থানা তদন্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।

দোহারে পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহার পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে দোহার উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পৌরসভা নির্বাচনে সুষ্ঠ ভোট প্রদান ও নিরাপত্তা দেয়া সহ সুষ্ঠ নির্বাচনের সকল আশ্বাস প্রদান করেন। এসময় প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রর্থীদের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাওয়ার কথা ব্যক্ত করেন এবং তাদের সকল ধরনের নিরাপত্তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।

বুধবার বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবাশ্বের আলমের সভাপতিত্বে পৌরসভার নির্বাচন ও দোহারে আইনশৃঙ্খলার সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.আলমগীর হোসেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার মো. রেজাউল ইসলাম, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বি, দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল। 

স্নাতক পরীক্ষা দেয়া হলো না কেয়ার

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার দক্ষিণ শিমুলিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে বেড়ে উঠা সানজিদা আক্তার কেয়া। ইচ্ছে ছিলো গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে, পরিবারের হাল ধরবেন। বাবা মা’র স্বপ্ন ছিলো মেয়ে একদিন অনেক বড় হবে। ভর্তি হয়েছিলো পদ্মা কলেজে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে। সুস্থ থাকলে, হয়ে যেতো স্নাতক পাশ। কিন্তু স্রষ্টার ইচ্ছ্বে ছিলো ভিন্ন। পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ, আজ বাবার কাধে উঠলো কেয়াকে বহনকারী লাশের খাটিয়া, স্নাতক পরীক্ষা দেয়া হলো না কেয়ার।

কেয়া পদ্মা সরকারি কলেজ এর ২০১৬-২০১৭ সেশনের অনার্স কোর্সের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অত্যন্ত মেধাবী ও বিনয়ী ছাত্রী ছিলেন। অনার্স চতুর্থ বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষায় দুইটি বিষয়ে অংশগ্রহণ করার পরে শারীরিক অসুস্থতার জন্য অবশিষ্ট পরীক্ষা দিতে পারেনি। পরে জানা যায়, তিনি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।

১৭ জুন, শুক্রবার সকালে ব্লাড ক্যান্সারে কেয়া ইন্তেকাল করেন (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। কেয়ার মৃত্যুতে তার এলাকাসহ পদ্মা কলেজ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ছাত্রী কেয়ার মৃত্যুতে পদ্মা সরকারি কলেজ পরিবার এর পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়। পরম করুনাময় আল্লাহর নিকট মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

সেই সাথে অধ্যক্ষ মোঃ জালাল হোসেন পরিবারের সদস্যদের জন্য সমবেদনা জানান। সর্ব শক্তিমান আল্লাহ যেন ওনাদের প্রিয় সন্তানের মৃত্যুর শোক সইবার শক্তি দেন এবং কেয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌসের অধিকারী করেন, সে দোয়া করেন।

দোহারে সিআইজি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

ঢাকা দোহার উপজেলায় কৃষকদের সাথে (এনএটিপি-২) এর আওতায় সিআইজি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) সকালে ‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন।
সে সময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশেকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ধনী রাষ্ট্রে পরিনতি হবে সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সারাদেশে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য জালানি তেলসহ বিভিন্ন পন্যনের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে শুধু বাংলাদেশই বৃদ্ধি পায়নি। আগামী ২০৪১ সালে বাংলাদেশ ধনী রাষ্ট্রে পরিনতি করতে হলে কৃষির ভূমিকা অপরিসীম। আর কৃষি ক্ষাতে উন্নত করতে পারলেই এই বাংলাদেশ ধনী রাষ্ট্র হবে।

তিনি আরো বলেন, কৃষকদের জন্য, আমরা সরকারি যে খাসের জমি আছে সে গুলো লিজের ব্যবস্থা করবো। চাষাবাদের জন্য উপযোগী করে গড়ে তুলবো। প্রয়োজনে আমি আমাদের সংসদ সালমান এফ রহমানকে বলবো ভর্তুকি দিয়ে হলেও দোহারে কৃষকদের চাষাবাদের ব্যবস্থা করবো। আমরা রবি ফসল উৎপাদনের দিকে আগ্রহী হব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন ইয়াকুবের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম, কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক, সমিতির অন্য অন্য সদস্য প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সিআইজি কৃষক গ্রুপে নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ ও বিস্তার করে এবং সঞ্চয়ের ভিত্তিতে নিজেদের বিভিন্ন উপ-প্রকল্পে বিনিয়োগ করে বিভিন্ন ধরনের সরকারি কৃষি বিষয়ক সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। উপজেলার ০৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৮০ সিআইজির ২০০ জন কৃষক প্রতিনিধি সিআইজি কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করে।

দোহারের মুকসুদপুরে কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু

ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মইতপাড়া পল্লীবাজার এলাকায় এক কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে লাশ মর্গে প্রেরণ করে বলে জানান দোহার থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম। নিহত সম্রাট (১৩) দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের মইতপাড়া পল্লীবাজার এলাকার শেখ আমির আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সম্রাটের লাশ উদ্ধার করা হয়। এই সময় নিহতের দুই বোনের এলোমেলো কথাবার্তায় পুলিশের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এ সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশ আলামত সংগ্রহ ও লাশের সুরতহাল তৈরি করে মর্গে প্রেরণ করে।

বিগত কয়েক মাস আগে সম্রাটের মা রিনা বেগম (৪০) ওমানে কাজ করতে যান। পল্লীবাজারের মাঝে দোতালা বাড়িতে এক কিশোরের এই মৃত্যু এলাকাবাসীর মাঝে রহস্য তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেশী সারোয়ার আলম হানিফ জানান, সম্রাটকে অ্যাম্বুলেন্স নেওয়ার সময়ে আমরা জানতে চাইলে তার দুই বোন টুনি (২৩) ও মরিয়ম (২১) জানান, ‘শরীর খারাপ তাই চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।’ অথচ পরে জানতে পারলাম সম্রাট মারা গেছেন গলায় ফাঁস দিয়ে। বোন টুনি ও তার জামাই সজীব রুইতা গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। এর আগে র‌্যাব-১১ সদস্যদের হাতে সপরিবারে ইয়াবাসহ আটক হন তারা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান টিপু জানান, নিহত সম্রাট স্থানীয় একটি মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। তার মৃত্যুতে আমরা সবাই হতবাক। কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করতে পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানাই।

দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ আলামত সংগ্রহ করে তার ওপর তদন্ত চলছে। পোস্ট মর্ডেম রিপোর্ট হাতে পৌঁছলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

দোহারে নির্মল রঞ্জন গুহ’র রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ’র রোগ মুক্তি কামনায় ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি বাশার চোকদারের আয়োজনে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার জয়পাড়া বেগম আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সে এ দোয়া ও মিলাদে প্রায় দুই শতাধিক নেতা কর্মীরা অংশ নেয়। দোয়া মাহফিল শুরুর আগে নির্মল রঞ্জন গুহের বিভিন্ন মানবিক কর্মকান্ড নিয়ে আলোচনা করেন নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানের আয়োজক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি বাশার চোকদার বলেন, মানুষের কল্যাণে নির্মল রঞ্জন গুহ সব সময় কাজ করেছেন। আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ, মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় আল্লাহ তাকে সুস্থ করে আবার মানুষের সেবায় নিয়োজিত করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা। পরে তার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া করা হয়।

উল্লেখ্য,হার্টের সমস্যাজনিত কারণে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন নির্মল রঞ্জন গুহ। হার্টের দুটি ব্লক ধরা পরায় চিকিৎসক অপারেশনের পরামর্শ দেন। পরে সফলভাবে অস্রপচার করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য শীঘ্রই তাকে দেশের বাহিরে সিংঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়।

নির্মল রঞ্জন গুহের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও দোহার উপজেলার কৃতি সন্তান বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ’র সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার শারিরীক অসুস্থতা বোধ করলে তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য দোহার থেকে ঢাকার শ্যামলী কল্যানপুর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ছেলে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অনুপম গুহ নয়ন। তিনি জানান, হঠাৎ রবিবার বাবা অসুস্থ হয়ে পরলে আমরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তিনি এখন শ্যামলী কল্যানপুর বাংলাদেশ স্পেশালাইড হসপিটালের আইসিইউতে চিকিৎসারত অবস্থায় আছেন।

তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বাবার হার্টে ২টি ব্লক ধরা পড়ে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত তার হার্টে সফলভাবে এনজিওগ্রাম করে ২টি রিং পড়ানো হয়।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং ধীরে ধীরে তার উন্নয়ন ঘটছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহকে হাসপাতালে দেখতে আসেন এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা, দোহার নবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য সালমান ফজলুর রহমান। সে সময় তিনি আইসিইউতে থাকা নির্মল রঞ্জন গুহ এর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন ।

তার পরিবারের পক্ষ থেকে তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীসহ দোহার-নবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

নৌকাবাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির নতুন নেতৃত্ব সভাপতি মাসুদ রানা, সেক্রেটারি রাশিম মোল্লা

নৌকাবাইচ ঐতিহ্য রক্ষা কমিটির ৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্য নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক মাসুদ মোল্লাকে (রানা) সভাপতি ও সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা রাশিম মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সংগঠনের উপদেষ্টা বাংলাদেশ রোইং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. খোরশেদ আলম এবং যুব ও ক্রিড়া মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কৃষ্ণেন্দু সাহা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এই কমিটি অনুমোদন করেন। আগামী তিন বছর এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। শুক্রবার সংগঠনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করে।
সংগঠনের অন্যরা হলেন- সহ-সভাপতি পদে রোটারী ক্লাব অব ঢাকা নর্থ সাউথের লেফটেনেন্ট গভর্নর রনজিৎ চন্দ্র সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) পদে মো. আলী হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) পদে গাজী শাহ নেওয়াজ, অর্থ সম্পাদক পদে শাহ আলম মৃর্ধা, ক্রিড়া সম্পাদক পদে দুলাল দেওয়ান, দপ্তর সম্পাদক পদে সুমন মৃর্ধা ও প্রচার সম্পাদক পদে শেখ রায়হান।
উল্লেখ্য, আগামী এক মাসের মধ্যে এই কমিটি একটি পূণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে। ২০১০ সালে চারশ বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ টিকিয়ে রাখতে নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষাকমিটির যাত্রা শুরু করে। আগামী ভ্রাদ্র মাসে এই সংগঠনের এক যুগ পূতি হবে।