দোহার পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত 

ঢাকার দোহার উপজেলার দোহার পৌরসভার নব নির্বাচিত পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়ছে। ২৩ আগষ্ট ( মঙ্গলবার) সকালে বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ খলিলুর রহমান নব নির্বাচিত দোহার পৌরসভা মেয়র মোঃ আলমাছ উদ্দীনসহ ৯ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৩ জন কে শপথ বাক্য পাঠ করান।

দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম এর উপস্থিতিতে এ সময় ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর মুবিন, ২নং ওয়ার্ডে শওকত হোসেন, ৩নং ওয়ার্ডে আব্দুস সালাম শুকুর,৪নং ওয়ার্ডে পাপেল মাহমুদ নিজাম , ৫নং ওয়ার্ডে ওয়াসিম চোকদার, ৬নং ওয়ার্ডে মো. হুমায়ুন কবির , ৭নং ওয়ার্ডে উদয় হোসাইন, ৮নং ওয়ার্ডে জাফর ইকবাল জাহিদ বেপারী ও ৯নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ মোরাদ বেপারী এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা আসন ১ এ ইসরাত জাহান বনানী , সংরক্ষিত মহিলা আসন-২ এ স্মৃতি আক্তার ও সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩ এ ফরিদা ইয়াছমিন শপথ বাক্য পাঠ করে দায়িত্ব ভার বুঝে নেন।

শপথ বাক্য পাঠ করা শেষে সকলে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়ি পরিদর্শন ও তার প্রতিকৃতিতে ফুলেল শুভেচছা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দোহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন, দোহার পৌরসভা আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ, দোহার উপজেলা পরিষদের ভাইচ চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সদস্য মোঃ জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।

দোহারে প্রসূতি মায়েরা সঞ্চয়ের জন্য পেলেন মাটির ব্যাংক

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার ডায়ারকুম ও মিজাননগর কমিনিটি ক্লিনিকে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে গর্ভবতী মায়েদের নিজস্ব সঞ্চয়ে উৎসাহী করার জন্য তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়- মাটির ব্যাংক। একইসাথে, প্রতিমাসে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গড়ে ৬০টি করে নরমাল ডেলিভারি করা হয় বলে জানানো হয়। শনিবার মিজাননগর ও ডায়ারকুম কমিউনিটি ক্লিনিকে এই উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জসীম উদ্দিন।

ডা. মো জসিম বলেন, মা- হওয়া পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ অনুভূতি। একজন মেয়ে যখন মা হয়, নারী হিসেবে তখনই তার পূর্ণতা আসে। গর্ভধারণের এই নয় মাসের যাত্রা পথে শারীরিক ও মানসিক অনেক চড়াই-উৎরাই পার করতে হয় এই মাকে। পাশাপাশি বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায়, নরমাল ডেলিভারি এর চেয়ে সিজারিয়ান সেকশন এর মাধ্যমে প্রসবের হার অনেক অনেক বেশি৷ তবে প্রতিমাসে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে গড়ে ৬০টি করে নরমাল ডেলিভারি করা হয়।

তিনি আরো বলেন, দোহারের সকল গর্ভবতী মাকে একটি নিয়মিত নিয়ন্ত্রিত মনিটরিং সিস্টেমে কিভাবে আনা যায়, আমরা সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।  গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

শুধু গর্ভবতী জানাই যথেষ্ট নয়, তার পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে আমরা যেন অবহিত করতে পারি – কোন অবস্থায় কখন কি করতে হবে, কখন চেক আপ এ আসতে হবে, প্রসবের পরিকল্পনা, গর্ভকালীন বিপদ সংকেত ও আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তাদের সামনে উপস্থাপন করেন –
ডা. উম্মে হুমায়রা কানেতা মেডিকেল অফিসার ( রোগ নিয়ন্ত্রণ) ।

উঠান বৈঠক এ আরো উপস্তিত ছিলেন কমিউনিটি ক্লিনিক এর জমিদাতা, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্বেচ্ছাসেবীরা।

ব্যারিস্টার হয়ে দোহারে ফিরে এলেন জাকির খান

শরিফ হাসান, news39.net: দোহার উপজেলার হরিচন্ডী গ্রামের কৃতি সন্তান জাকির হোসেন খান বার-এট-ল ( ব্যারিস্টার) ডিগ্রি সম্পন্ন করে তার নিজ গ্রাম দোহারে ফিরে এলেন। শুক্রবার নিজ এলাকা মাহমুদপুর গ্রামবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন তিনি।

আবেগে আপ্লুত ব্যারিস্টার জাকির হোসেন খান নিউজ৩৯কে বলেন, জাতি, বর্ণ, লিঙ্গ, ধর্ম বা রাজনৈতিক মত নির্বিশেষে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দোহার নবাবগঞ্জের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। তাছাড়া দোহার নবাবগঞ্জে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই যাতে তরুণ প্রজন্ম অন্তত স্নাতক ডিগ্রি লাভ করে উৎপাদনমুখী শিক্ষার আলোয় আলোকিত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আমি বেকারত্ব নিরসনে যথাসাধ্য চেষ্টা করব এবং শিক্ষিত তরুণদের আমার সাধ্যানুযায়ী চাকরিতে স্থান দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে ইচ্ছুক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের যেকোন সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।

জাকির হোসেন খান ২০০০ সালে কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০২ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের ২০০২ -২০০৩ সেশন এবং ২৬ তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় হতে ২০০৭ শিক্ষাবর্ষে এলএলএম সম্পূর্ণ করে ২০০৯ সালে আইনের উপর উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের লক্ষে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। পরে ২০১৫ সালে নর্থউমব্রিয়া ইউনিভার্সিটি হতে পুনরায় এলএলবি সম্পূর্ণ করেন এবং ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে সফলতার সাথে লন্ডনের বিপিপি ইউনিভার্সিটি হতে বার এট ল কোর্স সম্পূর্ণ করেন।

পরবর্তীতে গত ২৬ শে জুলাই ২০২২, লিংকনস ইন, কল টু বার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাস্টার অফ দি বেঞ্চের পক্ষে ট্রেজারার জনাথন ক্রোও (কুইন কাউন্সেল) তাকে ব্যারিস্টার এট ল ডিগ্রি প্রদান করেন।

তিনি ঢাকা জেলার দোহার থানাধীন মাহমুদপুর ইউনিয়ন-এর হাজী আবুল কাশেম খান এবং হাজেরা খানম দম্পতির তৃতীয় সন্তান।

দোহারে নদীতে নিখোঁজের তিন ঘন্টা পর শিশুর লাশ উদ্ধার

দোহার(ঢাকা) প্রতিনিধিঃ ঢাকার দোহার উপজেলার বৌবাজার এলাকায় নদী থেকে নিখোঁজের তিন ঘন্টা পর রনি (১২) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সে মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার মৃত সিরাজ খানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত পাঁচদিন আগে দোহারের বউবাজার এলাকায় চাচার বাড়িতে বেড়াতে আসে রনি। বুধবার দুপুরে বউবাজার টানা ব্রিজের নিচে স্থানীয় বন্ধুদের সাথে গোসলে আসে। এসময় বন্ধুদের সাথে ব্রিজে উঠে নদীতে লাফ দেয় রনি। সবাই তীরে উঠতে পারলেও রনি পানিতে তলিয়ে যায়। রনিকে না পেয়ে তার বন্ধুরা রনির চাচার বাড়িতে খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধারে চেষ্টা চালানোর পর কোন সন্ধান না পেয়ে দোহার ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরে ঢাকা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এক ঘন্টা চেষ্টার পর টানা ব্রিজের সামনে পানির নিচ থেকে রনির লাশ উদ্ধার করে।
ফায়ার সার্ভিনের কর্মীরা জানান, আমাদেরকে ফোন করলে আমরা দ্রুত ঘটনা স্থানে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। পরে ঢাকা থেকে ডুবুরি দল এসে একঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে রনির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দোহার থানা পুলিশের উপস্থিতিতে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নবাবগঞ্জের তৃণমূল আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজাচ্ছেন সালমান এফ রহমান

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ও নির্বাচনে বিজয়ী হতে সুসংগঠিত যুগোপযোগী সংগঠন শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের তৃণমূলকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আগামী ১লা সেপ্টেম্বর নবাবগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে ২০শে জুন থেকে ৩১শে জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন ইউনিয়নের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।

সালমান এফ রহমান এমপি বলেন, সংগঠন শক্তিশালী হলে আমরা শক্তিশালী হবো। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ের জন্য শুধু আওয়ামী লীগের ভোট হলে চলবে না। অন্যান্য দলের ভোট আদায় করতে হবে। আর এ জন্য সুসংগঠিত যুগোপযোগী শক্তিশালী সংগঠন দরকার। তাই নবাবগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির মাধ্যমে তৃণমূল থেকে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক সংগঠন হিসেবে সকলের সহযোগিতায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে। তৃণমূল থেকে সংগঠন শক্তিশালী করতে পারলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।

পদ্মা সেতু নিয়ে যত আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে। সবকিছু মিশিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মধ্যে দিয়ে উদ্বোধনের মাধ্যমে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দেশের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতির চাকা পরিবর্তন হচ্ছে। দোহার-নবাবগঞ্জের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে যে সব ওয়াদা দিয়েছিলেন তা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। পর্যায়ক্রমে এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পাল্টে যাবে এই অঞ্চলের চেহারা।

মা-বোনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, গ্যাসের যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তা খুব দ্রুত চলে আসবে। সকলকে এক সঙ্গে কাজ করার এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ব্যবহারে সকল পর্যায়ে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। আসছে ১লা সেপ্টেম্বর নবাবগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগের সম্মেলনের বিষয়ে সমঝোতা না হলে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে সম্মেলন করার আহ্বান জানান তিনি।

মাসব্যাপী এসব সম্মেলনে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের সকল পর্যায়ের সম্মেলন শেষ হয়েছে। সম্মেলনে উদ্বোধক উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান কিসমত। সম্মেলনে প্রধান বক্তা নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন। বিভিন্ন সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের মহাসচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মোল্লা, নবাবগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন আহমদ ঝিলু, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী শওকত হোসেন শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ, বাংলাদেশের আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ।

মুজাহিদুল ইসলামের মতো শিক্ষকেরাই জীবনবোধ দিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন

মোঃ আল-আমিন, স্টাফ রিপোর্টারঃ দোহারের পদ্মা সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুজাহিদুল ইসলামের মৃত্যতে স্মৃতিচারণমূলক দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আবেগঘন পরিবেশে বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে এক আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রত্যেক শিক্ষকেরই এমন বিদায় ও স্মৃতিচারণ নিঃসন্দেহে তার লালায়িত স্বপ্ন।

তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বারডেম হাসপাতালের ন্যায়পাল মেজর জেনারেল (অবঃ) ডাঃ এআর খান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, মুজাহিদুল ইসলামের মত মানুষ সবসময় পাওয়া যায় না। তাকে আমরা স্মরণ করছি। সে ছিলো আদর্শ শিক্ষক। দোহারের পদ্মা কলেজ প্রতিষ্ঠার সাথে তার নাম অংগাগিকভাবে জড়িত। তার যে চেতনা, মুক্ত চিন্তা, আদর্শিক সুশিক্ষার চেতনা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্তমান শিক্ষক যারা আছেন তাদের নিয়ে যেতে হবে। তিনি এমন একজন মানুষ, যিনি তার জীবনবোধ দিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তিনি ছিলেন এই দোহারে নারিশা, মুকসুদপুর ইউনিয়নের একজন পথনির্দেশক।

সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিষ্ট্রেশন (আইজিআর) জজ খান মোঃ মান্নান বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, মুজাহিদুল ইসলাম ছিলেন একজন পরিপূর্ণ আদর্শ শিক্ষক। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষকেরা অনেকেই আজ শিক্ষকতার আদর্শ ভুলে গেছে। তার হাত ধরেই পদ্মা কলেজের অনার্স ডিপার্টমেণ্ট খোলা হয়। আর সেই অনার্স ডিপার্টমেন্টে এইবার ২৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১২৫ জন প্রথম শ্রেণি পেয়েছে; যা আমাদেরকে গর্বিত করেছে। উচ্চতর শিক্ষার আলো বিকশত হয়েছে দোহার, নবাবগঞ্জ, শ্রীনগর উপজেলায়। তিনি যেমন ছিলেন বিনয়ী আবার তেমনি শিক্ষক – শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে বুক সটান করে দাঁড়িয়ে যেতেন। প্রতিদিন অধ্যবসায় করা, বিশ্ব পরিস্থিতি সম্পর্কে ছিলো সম্যক জ্ঞান।

দোহার উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা এবং পদ্মা সরকারি কলেজের সভাপতি মোবাশ্বের আলম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, একজন আদর্শিক, আধুনিক এবং শিক্ষা ও শিক্ষার্থীবান্ধব হিসেবে মুজাহিদুল ইসলাম যে শিক্ষকতা করে গেছেন, তা শিক্ষণীয় হয়ে আছে আমাদের জন্য।

পদ্মা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল হোসেন বলেন, আজ আমার ডান হাত ভেংগে গিয়েছে। আমি একজন অভিভাবক হারিয়েছি। মুজাহিদুল ইসলাম স্যার ছিলেন জ্ঞানতাপস। তিনি ছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক, সামাজিক ও জাতির শিক্ষক। তিনি আমাদের বোধে, মর্মে ও স্মরণে সব সময় আছেন। তিনি ছোট বড় সব মানুষকে সম্মান দিয়েছেন। আর তাই সারাজীবন সম্মান পেয়েছেন। তার সৌন্দর্য হচ্ছে সরলতা। তিনি নিত্যনতুন জ্ঞান ও তথ্য দিয়ে আমাদেরকে অবাক করে দিতেন। আজকের এই দোয়াদিবসে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। দোয়া করছি আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের অধিকারী করুন।

উপস্থিত আছেন ১৯৯৬সালের তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বারডেম হাসপাতালের ন্যায়পাল মেজর জেনারেল (অবঃ) এ আর খান, সাবেক ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিষ্ট্রেশন (আইজিআর) জজ খান মোঃ মান্নান, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম, বাংলাদেশ ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এডভোকেট আজিজুর রহমান বাবুল, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগ, পদ্মা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল জালাল হোসেন, আয়োজক কমিটির প্রধান সহকারী অধ্যাপক লুতফর রহমান, অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আলমগীর হোসেনসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারি ও অসংখ্য শিক্ষার্থী এবং গুণগ্রাহী।

দোহারের নতুন এসিল্যান্ড মোস্তাফিজুর রহমান

দোহারের নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে আসছেন এসএম মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি বর্তমান এসিল্যান্ড ফজলে রাব্বির স্থলাভিষিক্ত হবেন। জনাব ফজলে রাব্বি পদোন্নতি পেয়ে রংপুর জেলায় বদলি হয়েছেন। এসএম মুস্তাফিজুর রহমান বর্তমানে ফরিদপুরের ভাংগা উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ৩৬ তম বিসিএস ক্যাডার। একজন জনবান্ধব সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সুপরিচিত।

এসএম মুস্তাফিজুর রহমান সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বি ডি গভঃ স্কুল থেকে এসএসসি, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসিতে উত্তীর্ণ হোন। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদবিদ্যায় ( বোটানি) স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

পরে পেছনে তাকিয়ে দেখি শেখ কামাল নেই – সালমান এফ রহমান এমপি

0

শুক্রবার (৫ আগস্ট) শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

শেখ কামালের বিয়ের গল্প করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘তার বিয়ের সময়ে গায়ে হলুদ করবো। এখন যেটি গণভবন ওই সময়ে বঙ্গবন্ধু সেখানে অফিস করতেন। কামাল তখন আমাদেরকে বললো— ‘তোমরা এক বালতি রঙ রেডি রাখো এবং আব্বা যখন বের হবে, তখন তাঁর ওপর রঙ ঢেলে দেবে।’ আমাদের তো সাহস নাই। আমরা তখন বললাম— তুমিও আমাদের সঙ্গে আসো এবং তখন সে বললো— ‘ঠিক আছে, আমিও তোমাদের সঙ্গে যাবো।’ আমরা সবাই রঙ নিয়ে রেডি আছি এবং বঙ্গবন্ধু যখন বের হয়েছেন, তখন আমরা সবাই রঙ ঢেলে দিয়েছি। পরে পেছনে তাকিয়ে দেখি শেখ কামাল নেই।’’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, আমরা শোকের মাসে শেখ কামালের জন্মদিন পালন করছি, তবে ১৫ আগস্টের কারণে উদযাপন করতে পারছি না। শেখ কামাল ঢাকা কলেজে আর আমি নটরডেমে পড়তাম। আমরা ধানমন্ডিতে থাকতাম। সে কারণে সব সময় আমাদের দেখা হতো।

তিনি বলেন, শেখ কামাল রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন। ১৯৬৭-৬৮ সাল আন্দোলনের সময় ছিলো। তখন ঘটনা বোঝার জন্য আমরা বন্ধুরা শেখ কামালের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। তবে ৭ মার্চের ভাষণের পর ২২ -২৩ মার্চের দিকে আমরা বুঝতে পারলাম কি ঘটতে যাচ্ছে।

এর পরেই সালমান এফ রহমানের স্মৃতিতে উঠে আসে আবাহনীর শুরুর দিকের কথা। কীভাবে ক্লাবটি গড়ে উঠলো মোহামেডান নামক বড় ক্লাব থাকার পরেও আবাহনী ক্লাব গড়ে তুলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে আছে কেন তিনি আবাহনী করতে চাইতেন। তখন ফুটবল ক্লাব একটাই ছিল-মোহামেডান। খেলার মান বাড়াতে প্রতিযোগিতার জন্যই মোহামেডানের মানের আরেকটা ক্লাব তিনি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। সে শুধু তৈরি-ই করেননি। এর ফলে আবাহনী – মোহামেডানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বছরের পর বছর রয়ে গেছে।’

তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘কামালের অনেক গুণ ছিল। দুটো জিনিস বলতেই হয়, শুধু খেলোয়াড়দের জন্যই না, অনেকের চাকরির জন্যও তদবির করতেন। সবাইকে সাহায্য করার অনুভূতি কাজ করতো। আমি সব সময়ই বলে এসেছি, যেটা নতুন প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রধানমন্ত্রীর ছেলে হওয়ার পরেও শেখ কামাল বিভিন্ন প্রলোভনে পড়তেন না। এমনকি ভাবতেন না নিজের কথাও। বেশ কিছু ঘটনার উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান আরও বলেছেন, ‘ওই সময় নতুন দেশ, অনেক ব্যবসায়ীই আমার সামনে তাকে অনেক প্রস্তাব দিয়েছেন। কমিশনের লোভ দিয়েছেন। কিন্তু কেউ বলতে পারবে না কোনও কিছুর সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। আমরা কিন্তু এর পরে, কত বড় বড় প্রধানমন্ত্রী এসেছেন, তাদের পরিবারের ছেলেরা কী কী করেছেন, সবই জানি।’

‘‘একবার লন্ডন যাচ্ছিলাম, কামালকে বলেছিলাম তোমার জন্য কী আনবো? ওই সময় যে কেউ বলতো শার্ট আনো, কলম আনো। কিন্তু তিনি বললেন না, আমার আবাহনীর ছেলেদের জন্য কেডস আনতে হবে। জাপান যাচ্ছিলাম, তখন স্পন্দনের জন্য ইলেক্ট্রিক অর্গানও আনতে বলেছিলেন’।”

সর্বশেষ তিনি বলেন, আজ বিশ্বংগনে বাংলাদেশ সর্বক্ষেত্রেই প্রতিনিধিত্ব করতেন যদি আমার বন্ধু শেখ কামাল বেচে থাকতেন।”

 অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বক্তব্য রাখেন।

মৈনট-চর ভদ্রাসন নৌপথে লঞ্চ চালু হচ্ছে

ঢাকার দোহারের মৈনটঘাট থেকে ফরিদপুরের চর ভদ্রাসন নৌপথে লঞ্চ সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে চলাচলরত সানকেনডেক লঞ্চ মৈনট-চর ভদ্রাসন নৌপথে চলাচল করবে।

পদ্মাসেতু চালুর পর থেকে এই নৌপথে লঞ্চে যাত্রী না থাকায় এ পরিকল্পনা নিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। ইতোমধ্যে মৈনটঘাট ও চরভদ্রাসন ঘাটে পল্টুন স্থাপন শেষে হয়েছে। তবে জেটি স্থাপন, সংযোগ সড়ক, যাত্রীছাউনিসহ নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক কাজ বাকি আছে। 

শিমুলিয়া জোনের লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি আতাউর রহমান জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি-বাংলাবাজার নৌপথের যাত্রী নেই। এখানকার লঞ্চে প্রায় ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ৬০০ মানুষ কর্মরত। এছাড়া, পরিবারসহ প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জড়িত। তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। দোহারের মৈনটঘাট থেকে ফরিদপুরের চর চন্দ্রভাসন নৌপথে লঞ্চ চলাচলের জন্য কয়েকমাস আগে আমরা বিআইডব্লিউটিএ’র কাছে লিখিত আবেদন করি। সেখানে শুধু ট্রলার ও স্পিডবোট চলাচল করে। নতুন নৌপথের রাস্তাঘাটও ভালো। নতুন এ নৌপথে রুট পারমিটের জন্য আমরা আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এম এল বেপারি লঞ্চের ম্যানেজার জাহাঙ্গীর বেপারি জানান, প্রায় ২৬ বছর ধরে আমরা পদ্মা নদীতে সানকেন ডেক লঞ্চে যাত্রী পারাপার হয়েছে। উত্তাল পদ্মা নদীতে এসব লঞ্চ চলাচলে কোনো অসুবিধা হয়নি। নতুন নৌপথেও চলাচলে অসুবিধা হবে না।

বিআইডাব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক শাহাদত হোসেন জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথের লঞ্চে যাত্রী কমে এসেছে। এজন্য লঞ্চ মালিকদের আবেদন ও অনুরোধের প্রেক্ষিতে নতুন নৌপথে লঞ্চ সার্ভিস স্থানান্তর করা হচ্ছে। কেরানীগঞ্জের কদমতলীসহ আশেপাশের এলাকায় গার্মেন্টস, কলকারখানা নির্মাণ হচ্ছে। কর্মরত শ্রমিকরা দক্ষিণবঙ্গের জেলা থেকে ঢাকার কাছে এসে চাকরি করেন। তাদের জন্য এ নৌপথটি ব্যবহার সাশ্রয়ী হবে। ফরিদপুরের ভাঙা এলাকার যাত্রীদের জন্য চর ভদ্রাসন ঘাট ব্যবহার করে ঢাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে এ নৌপথ সুবিধাজনক হবে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটের লঞ্চ মালিকদের আবেদন ও যাত্রীদের সুবিধার্থে উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এ ঘাটে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, মৈনটঘাট ও চর ভদ্রাসন ঘাটে জেটি স্থাপন, সংযোগ সড়কের কাজ বাকি আছে। শিমুলিয়া ও বাংলাবাজার নৌপথের সব মালিক নতুন নৌপথে লঞ্চ চালুর ব্যাপারে আগ্রহী। রুট পারমিটের জন্য কয়েকজন আবেদন করেছেন। তিনি জানান, নতুন ২টি ঘাটে দীর্ঘদিন যাবত ট্রলার ও স্পিডবোট চলাচল করছে। সেখানে লঞ্চ সার্ভিস চালু হলে নানা প্রতিবন্ধকতা দেখা দিতে পারে। এসব কাটিয়ে উঠে সার্ভিস চালু করতে সময় লাগবে। সব লঞ্চের রুট পারমিটের আবেদন পাওয়ার পর বলা যাবে কবে থেকে চালু হচ্ছে লঞ্চ।

মৈনটঘাট থেকে পদ্মা নদী পার হয়ে ফরিদপুরের চর ভদ্রাসন ঘাটের দূরত্ব প্রায় সাড়ে ৯ কিলোমিটার। লঞ্চে এ দূরত্ব পার হতে সময় লাগবে প্রায় ৩৫-৪০ মিনিট। আর ভাড়া লাগতে পারে ১০০ টাকা। অন্যদিকে, গুলিস্তান থেকে বাসে মৈনটঘাট আসতে সময় লাগবে দেড় ঘণ্টার মত।

জাতীয় গণমাধ্যম পুরস্কার পেলেন দোহারের আয়নাল হোসেন

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (এনআইএমসি) মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন দোহারের কৃতি সন্তান এবং দৈনিক আজকের পত্রিকার নগর সম্পাদক আয়নাল হোসেন। তার বাড়ী দোহারের পুষ্পখালী গ্রামে। নিয়মিত তিনি দোহারে যাতায়াত করেন। পূর্বে তিনি ছিলেন বণিক বার্তার সিনিয়ার রিপোর্টার। এনআইএমসি থেকে এবারই প্রথম মিডিয়া অ্যাডয়ার্ড চালু করা হয়েছে।

রোববার জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের শেখ রাসেল অডিটোরিয়া ফ্ল্যাটফর্ম ফর ডায়লগ (পিফরডি) প্রকল্পের আওতায়তীয় তিন বিভাগে মোট ২০ জন সাংবাদিককে পুরস্কারের জন্য মনোনিত করে, সেরা ৩ জনকে মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। সরকার প্রণীত সুশাসনের ৫টি কৌশলপত্র অর্থাৎ ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলপত্র, তথ্য অধিকার আইন, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা ও বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিবিষয়ে প্রচারণা, সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রয়োগ উৎসাহিত করার মাধ্যমে জনগণের ক্ষমতায় সুদৃঢ়করণ এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

পুরস্কারের জন্য নির্বাচিতদের ২০ জনের মধ্যে প্রিন্ট বিভাগে আজকের পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আয়নাল হোসেনসহ সাতজন সাংবাদিককে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ভিডিও বিভাগে ৪ জন ও অডিও বিভাগে ৯ জন সাংবাদিকদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহিন ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মকবুল হোসেন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব সামসুল আরেফিন, ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের প্রথম সচিব, টিম লিডার (শিক্ষা) হ্যান্স ল্যাম্বব্রিচট ও ব্রিটিশ কাউন্সিল কান্ট্রি ডিরেক্টর টম মিশসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।