দোহারে শীতের পোশাক কিনতে ক্রেতাদের ভিড়

ঢাকার দোহারে ফুটপাতের দোকানগুলোয় শীতের পোশাক কেনাকাটার ধুম পড়েছে। আর স্বল্প মূল্যে শীতের পোশাক কিনতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে।

গতকাল রোববার দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের রাস্তার পাশের ফুটপাতে দোকান সাজিয়ে শীতবস্ত্র বিক্রেতাদের বসতে দেখা গেছে। এ ছাড়া ভ্যানে করে শীতের পোশাক বিক্রি করতেও দেখা গেছে অনেক বিক্রেতাকে। এসব দোকানে গরম কাপড় কেনাকাটা জমে উঠেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে শীতের পোশাকেরও দাম বেড়েছে। সাধ্যের মধ্যে মূল্যে শীতের পোশাক কিনতে দরিদ্র শ্রেণির পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও ভিড় করছেন ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, শিশু, নারী, পুরুষসহ সব বয়সের মানুষের শীতের পোশাক রয়েছে এ দোকানগুলোয়। জ্যাকেট, লং কোর্ট, উলের পোশাক, শর্ট জ্যাকেটসহ সব ধরনের পোশাকই পাওয়া যাচ্ছে এখানে।

কয়েকজন ক্রেতা জানান, শীত সবে শুরু হয়েছে, এখনই গরম কাপড়ের যে মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে, শীত বাড়লে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবে। মার্কেটে দাম বেশি হওয়ায় স্বল্পমূল্যে মোটামুটি মানের পোশাক কিনতে ফুটপাতে ভিড় করে ক্রেতারা।

ফুটপাতের শীতবস্ত্র বিক্রেতা মো. রাসেল হোসেনসহ কয়েকজন বলেন, গত বছর যে মূল্যে শীতের কাপড় কিনতে পারছে, তা এবার দ্বিগুণ দাম বাড়ছে। এবার গরম কাপড়ের ক্রয়মূল্য বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

ছাত্রদল থেকে কাওছার মাহমুদ শাওনের বরিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

0

ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম- আহ্বায়ক কাওছার মাহমুদ শাওনকে বরিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল,কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মো্তবেক, ঢাকা জেলা দক্ষিণের সাবেক যুগ্ম- আহ্বায়ক কাওছার মাহমুদ শাওনের বরিস্কারদেশ প্রত্যাহার করে স্বপদে বহাল রেখে একটি বার্তা প্রেরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার হক মজুমদার শিমুন।

বরিস্কারাদেশ প্রত্যাহারে কাওছার মাহমুদ শাওনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোন বিধিনিষেদ রইল না ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

দোহারে প্রেস ক্লাবের ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধন

ঢাকার দোহার উপজেলার দোহার প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর ১২ টা দিকে দোহার প্রেসক্লাবে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা,দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন। এ সময় তিনি দোহার প্রেসক্লাবের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, দোহার প্রেসক্লাব একদিন সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। আমরা হয়তো একদিন কেউ বেঁচে থাকবো না। আমাদের সবাইকেই পৃথিবীর চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী মরে যেতে হবে। এখন নতুন যারা আসবে, তারাই আমাদের কথা বলবে। তখন এই নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকরা সাংবাদিকতা করবে। এখানে এসে তখন স্মৃতিচারণ করবে যে, আমাদের পূর্ব পুরুষ সাংবাদিকতায় কারা কারা আমাদের এই সুন্দর প্রেসক্লাবটি করে দিছেন। এটা ইতিহাস হয়ে থাকবে এবং সেই ইতিহাস নিয়ে আলোচনা থাকবে সেই নতুন প্রজন্মের সাংবাকিদের মধ্যে।

তিনি উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, আপনারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন এবং সব সময় সত্যের সাথে থাকবেন।

দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউর রহমান সানীর সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন, মাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহীম খলিল সবুজ, দোহার প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মাহাবুবুর রহমান টিপু, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আজহারুল হক, নিউজ৩৯ এর সম্পাদক তারেক রাজীব,আবু নাঈম দোহারী, কাজী জোবায়ের আহমেদ, মোহাম্মদ শাহজাহান, সুতারপাড়া ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য আবেদ সওদাগর, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক সজল আস্রাফ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক বশির আহমেদ, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সভাপতি পান্নু চোকদার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান শান্তসহ স্থানীয় সকল সাংবাদিকবৃন্দ।

দোহারে ৪ কোটি টাকার ২৭ট্রাক চায়না জাল ধ্বংস

ঢাকার দোহার উপজেলার লটাখোলা নতুন বাজারে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ‘চায়না জাল’ তৈরির ২টি কারখানার ৮টি গোডাউনে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুস্তাফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার পাগলা লেফট্যানেন্ট রুহান মঞ্জুর সহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুস্তাফিজুর রহমান। এসময় কারখানাগুলো থেকে আনুমানিক চার কোটি টাকার মূল্যের চায়না জাল জব্দ করা হয়।

বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত উপজেলার লটাখোলা নতুন বাজার ২টি কারখানা ও ৮টি গোডাউনে এ অভিযান চালায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। অভিযানে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। বিকাল সাড়ে চারটায় জব্দকৃত জালগুলো ট্রাকে করে নিয়ে গিয়ে দোহারের মাহমুদপুর ইউনিয়নের মিনি কক্সবাজারে জনসমক্ষে পুরিয়ে ধ্বংস করা হয়। ধ্বংস কৃত চায়না জালের রড গুলো নিলামে তুলা হলে ৯৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় পরে বিক্রিকৃত টাকা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় দান করা হয়।

অভিযান পরিচালনার সময় ঐস্থানের বাসিন্দা মোঃ ছকিল বলেন, এই কারখানায় এর আগেও একবার অভিযান পরিচালনা করা হয় তবে বার বার অভিযান পরিচালনা করার পরও কেন বন্ধ হচ্ছে না সেটা আমরাও বুঝা পারতেসি না। তবে এ জালের জন্য আমরা ছোট মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ধ্বংস হচ্ছে। তাই প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ জানাচ্ছি যাতে এ জালের কারখানা গুলোতে অভিযান পরিচালনা করেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার পাগলা লেফট্যানেন্ট রুহান মঞ্জুর জানান, লটাখোলা নতুন বাজারে দুটিটি কারখানায় ও ৮টি গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আনুমানিক ২৭ ট্রাকে ৮ লক্ষ পিছ চায়না জাল জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক চারকোটি টাকা।

দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন যাবত এ ধরণের জাল দিয়ে মাছ ধরার ফলে আমাদের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে। কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের ফলে কারেন্ট জাল এখন কমে গেছে। কিন্ত ‘চায়না ধোয়াইর’একটি নতুন প্রযুক্তি। এটা ব্যবহারের ফলে মাছের পোনা থেকে শুরু করে ডিমও ধ্বংস হচ্ছে। এ ধরণের জাল ব্যবহার নিষিদ্ধ। দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে।
Write to Sharif Hasan Miah

ঢাকা জেলা বিএনপিঃ সভাপতি আশফাক, সেক্রেটারি নিপুণ

নিউজ৩৯ঃ ঢাকা জেলা বিএনপির নতুন কমিটিতে খন্দকার আবু আশফাককে সভাপতি ও নিপুণ রায় চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচটি পদের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত দলের প্যাডে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঢাকা জেলা বিএনপির কমিটিতে সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার শাহ মাইনুল হোসেন বিল্টু, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. নিপুন রায় চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি।

এর আগে খন্দকার আবু আশফাক ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। নিপুন রায় চৌধুরী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

দোহারে দলিল জালিয়াতি মামলায় তিনজন কারাগারে

আদালতের নির্দেশে দোহার উপজেলায় জালিয়াতি করার দায়ে তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার আঃ আজিজ (৫৫), বকুল সুলতানা ও মো. সোহান (৩৫)।

এবিষয়ে দোহার থানার এসআই আল-নূর তারেক জানান, মহামান্য আদালতের নির্দেশে আসামীদের ঐদিনই রাতে গ্রেফতার করে, মঙ্গলবার সকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ হয়।

তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালে স্বাক্ষর জালিয়াতি করে জমি দখল সংক্রান্ত বিষয়ে উপরিউক্ত আসামীসহ মোট চার জনের নামে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দোহার আমলী আদালতে মামলা করেন দক্ষিণ জয়পাড়া এলাকার বাসিন্দা তানজিলুর রহমান শাওন। যার সি,আর মামলা নং-৮৯/২০২২, ধারা-৪০৬/৪২০/৪১৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৫০৬।

উক্ত মামলাটি দীর্ঘদিন তদন্ত করে পিবিআই। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর আদালত এক জনকে অব্যাহতি দিয়ে তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে মঙ্গলবার রাতে আসামীদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি দখলসহ অন্যান্য আরও অভিযোগ রয়েছে আঃ আজিজ ও সোহানের বিরুদ্ধে।

দোহারে জিআর চাল বিতরণ

দোহার উপজেলা বিলাশপুর ইউনিয়নে সাম্প্রতিক পদ্মার নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩শত পরিবারের মাঝে জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (৯নভেম্বর) দুপুরে দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন এর উপস্থিতিতে এ ৩শত পরিবারের মাঝে প্রত্যেকে ৩০কেজি করে মোট ৯ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়। সাথে তিনশ পরিবারের জন্য মোট নগদ অর্থ হিসেবে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোবাশ্বের আলম, বিলাশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ রাশেদ চোকদার, ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ সারোয়ার মোল্লা সহ আরো অনেকেই।

কেমন হলো ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড?

0

বড় দলের মধ্যে সবার আগে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। ২৬ জনের দলে বড় চমক নেই সেই অর্থে। লিভারপুলের ইনফর্ম ফরোয়ার্ড রবার্তো ফিরমিনো জায়গা পাননি, সেটা নিয়ে কথা হচ্ছে। নেই আর্সেনালের ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েলও। এ ছাড়া মোটামুটি অনুমিতদেরই রেখেছেন তিতে।

গত এক বছরে যাদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলিয়েছেন, তাদের প্রায় সবাইকেই ডেকেছেন তিতে। এই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি আক্রমণভাগ। রিয়ালের ভিনিসিয়াস ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগো, পিএসজির নেইমার, ম্যান ইউনাইটেডের অ্যান্টনি, বার্সার রাফিনহা, আর্সেনালের জেসুস-মার্টিনেলি, টটেনহামের রিচার্লিসন- কমবেশি সবাই ক্লাব ফুটবলে ভালো সময় কাটাচ্ছেন। এর মধ্যে কয়জনকে বা কাকে তিতে খেলাবেন সেটাই প্রশ্ন। নেইমারসহ মোট চারজনকে বেছে নিতে পারেন তিতে। সেক্ষেত্রে মিডফিল্ডের স্পট দুইটি। সেখানে বিবেচনায় আছেন কাসেমিরো, ফ্রেড, গুমারেজ, ফাবিনিও, পাকেতারা।

তবে ব্রাজিলের মূল সমস্যা ফুলব্যাক। দানি আলভেস ৩৯ বছর বয়সে সবচেয়ে বেশি বয়সী ব্রাজিলিয়ান হিসেবে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন। দানিলো, অ্যালেক্স সান্দ্রো, তেলেস কেউই এখন ঠিক টপ ফুলব্যাক নন। সেক্ষেত্রে মিলিতাওকে মেকশিফট ফুলব্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন তিতে।

ওদিকে সেন্ট্রাল ডিফেন্সের দুইটি জায়গা মোটামুটি পাকা। মার্কিনিওসের সাথে মিলিতাও খেলবেন, আর মিলিতাও রাইট ব্যাক হলে থিয়াগো সিলভা আছেন বিকল্প। আর গোলরক্ষক হিসেবে এলিসন আর বিকল্প এডারসন তো আছেনই।

রাত আটটার পর দোকান খোলা রাখায় দোহারে ৫ দোকানিকে জরিমানা

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে রাত আটটার পর দোকান খোলা রাখায় দায়ে ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারে ৫ দোকানিকে ৫ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৭নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম এস মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় ম্যাজিস্ট্রেট দেখে অন্য দোকান মালিকরা দোকান বন্ধ করে চলে যান। পাঁচটি দোকানকে শ্রমআইন ২০০৬ এর ১১৪ ধারা ও ৩০৭ ধারায় ৫টি মামলায় মোট ৫ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করার পর তাদের কে সতর্ক করে দেয়া হয়। অভিযানের খবর আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে দোকানীরা দোকান বন্ধ করে চলে যায়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমএস মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা মোবাইল কোট পরিচালনা করেছি। রাত আটটার পর সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে তবে ঔষধের দোকান শুধু খোলা রাখা যাবে।

তিনি আরো জানান, অভিযানের সময় আমরা আল্লাহ দান বেকারিতে টুকেছিলাম সে সময় দেখি তাদের পন্য সামগ্রিতে মেয়াদ উতিন্নর তারিখ নাই। সে জন্য তাদেরকে সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

সুতারপাড়া ইউনিয়নে স্বরণকালের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন হয়েছেঃ শেখ নাসির উদ্দিন

বিগত ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া সুতারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে স্মরণকালের সবচেয়ে সুষ্ঠ, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসাবে দাবি করেছেন নব-নির্বাচিত সুতারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সুতারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ নাসির উদ্দিন। সোমবার দোহার প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান শেখ নাসির উদ্দিন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ০২/১১/২০২২ তারিখে স্বরণকালের শ্রেষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচনে আমি শেখ নাসির উদ্দিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিযোগীতা করে বিজয়ী হই। আমার সাথে একজন মহিলা প্রার্থী সহ মোট ০৮ (আট) জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিযোগীতা করে। ইলেকশন চলাকালিন সময়ে ০২ (দুই) জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নানা ভাবে আমার কর্মীদের হুমকি ধামকি দিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে নির্বাচনী প্রচার কাজে বাধার সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং দোহার থানায় অভিযোগ করেছি, কোন প্রতিকার পাইনি। অজ্ঞাত কারণে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ন্যায় সংঙ্গত সহযোগীতা না পেয়ে অনেক কিছু সহ্য করে নির্বাচন সম্পূর্ণ করি। জনগন নৌকার পক্ষে রায় দেয়। আমি সুতারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। সমস্ত জনগন, নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাবৃন্দ, এমন কি প্রার্থীরা ও তাদের সমর্থকবৃন্দ এক কথায় আপামর জনগোষ্ঠী এই নির্বাচনের প্রশংসা করেছে। প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় যারা কাজ করেছেন তারা এই নির্বাচন স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেছেন। নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত কারো কোন অভিযোগ ছিল না, প্রার্থীরা সবাই নির্বাচন সুষ্ঠ হয়েছে একথাই বলেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সবাই দেখেছেন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার একদিন পর পরাজিত প্রার্থীরা সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেষ্টা করেছেন। যা গণতন্ত্রের পরিপন্থি পেশিশক্তির অহমিকা ছাড়া আর কিছু নয়, জনগন সত্যটা জানেন আর সত্যের জয় হবেই হবে। সাংবাদিক সম্মেলনও খুবই সস্তা হয়ে গেছে বলে মনে হয়, কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা সে গুলো নিজের স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করার পর যদি কেউ সেটাকে মিথ্যা প্রমানিত করার জন্য সাংবাদিক সম্মেলণ করে, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করে, তাদের প্রচারের বাহন সংবাদপত্র জগত হতে পারেনা। এমন কি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং সকল প্রকার সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য হলে জনগন উপকৃত হবে এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রতি জনগেনর আস্থা বেড়ে যাবে। ঘৃণ্য চক্রান্তকারীরা জনগনকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলার জন্য নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার পর সাংবাদিক সম্মেলন করে তারা নিজেদের অর্বাচিন হিসেবে পরিচিত করেছে। জনগনের রায় মেনে নেওয়ার সুস্থ মন-মানুষিকতা তাদের নেই। আমি এই মিথ্যা বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।