পানিতে ডুবে দোহারে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুর মৃত্যু

0

ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের হাজারবিঘা এলাকায় পদ্মায় গোসলে গিয়ে পানিতে ডুবে মো. রুবেল (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুবেল লটাখোলা এলাকার মো. বাবুলের ছেলে এবং স্থানীয় তা’লীমুল কুরআন মাদরাসার ২য় শ্রেণীর ছাত্র।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিলাসপুরে মামার বাড়ি বেড়াতে যায় রুবেল। পরদিন সকাল ১০ টার দিকে পদ্মা নদীতে গোসলে গিয়ে গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। এসময় ঘাটের পারে থাকা অনেকে রুবেলের ডুবে যাওয়া দেখে তাকে বাচাতে পানিতে ঝাপ দেয়। প্রায় আধঘন্টা চেষ্টার পর পানির নিচ থেকে তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত রুবেলের মা কান্নাজরিত কণ্ঠে বলেন,আমার বাজানকে বলছিলাম বাড়িতে আসতে। আমাকে বললো আমি আরেকটু খেলাধুলা করেই আসবো। আমার বাজান কখন যে পদ্মায় গেলো দেখতে পারলাম না। আর এরপরি লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলো।

হাসপাতাল থেকে রুবেলের লাশ লটাখোলা তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলে সেখানে তার পরিবারের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে। বিকেলে জানাজা শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

আবু আশফাক জামিনে মুক্তি

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বিএনপির ঢাকা জেলা সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী এ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা জেলার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীসহ দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এদিকে সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্ট বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতে খন্দকার আবু আশফাকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল। গত ৭ ডিসেম্বর পুলিশ বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকা থেকে চার শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে। পরে পুলিশের ওপর হামলা, হামলায় পরিকল্পনা ও উস্কানির অভিযোগে পরদিন ৮ ডিসেম্বর পল্টন থানায় মামলা করা হয়।

মৈনটে স্পীড বোটের সংঘর্ষ: আরও ২ লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ এখানো ৩

ঢাকার দোহার পদ্মা নদীতে ঘন কুয়াশায়, ২টি স্পিড বোটের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত আরো ২ জনের লাশ উদ্ধার করেছে চরভদ্রাসন ও দোহার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। নিহত ২ জন হলেন ফরিদপুর জেলার কানাইপুর গ্রামের কাশেম মৃদ্ধার ছেলে দাউদ মৃধা(৪০) ও চরভদ্রাসন চর তেলিডাঙ্গী গ্রামের কুদ্দুস খন্দকারের ছেলে রানা খন্দকার(৪০)। মঙ্গলবার বিকালে দোহার ও ফরিদপুরের পদ্মার সীমানা ঝাউকান্দা এলাকায় দুটি ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে এ লাশ উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চরভদ্রাসন ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোঃ মর্তুজা ফকির ও দোহার উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্নকর্তা তামিম হাওলাদার। তামিম হাওলাদার আরো জানান, আমাদের যে ডুবুরি দল ঢাকা থেকে এসেছে তারা আজকে দুইটি লাশ উদ্ধার করেছে। তাদের কাছে তথ্য আছে আরো তিন জন নিখোঁজ রয়েছে সে জন্য তারা আগামীকাল সকাল থেকে আবারো উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করবেন। উল্লেখ্য গত রোববার সকাল সাড়ে ৯ টায় পদ্মা নদীতে ঘন কুয়াশায় দিক হারিয়ে ২টি স্পিড বোটের সংঘর্ষে এঘটনা সংগঠিত হয়। ঘটনাস্থলে স্পিড বোটের যাত্রী সুকুমার হালদার নামে ১ জন নিহত হয়। সে ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালী থানার গহুলক্ষীপুর গ্রামের শিরিস হালদারের ছেলে। অপরদিকে একই সময় আহত হয় ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলার ভাংগিরচর গ্রামের আঃ হাকিমের ছেলে মতিউর রহমান। স্থানীয়দের দাবি স্পিড বোটের মালিকের গাফিলতি কারনে এই দূর্ঘটনা সংগঠিত হয়ে। এছাড়া তারা অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে টাকার জন্য এমনকি তাদের স্পিডবোটে লাইভ জেকেটও থাকে না। অপরদিকে দোহার নৌ-পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, দোহার উপজেলার পদ্মা নদীর সিমান্তবর্তী ফরিদপুর চরভদ্রাসন উপজেলার চরঝাওকান্দা এলাকায় ২টি স্পিড বোটের সংঘর্ষে এই ঘটনা সংগঠিত হয়। আজ চর ভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক হারুন অর রশিদ চরভদ্রাসন ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোঃ মর্তুজা ফকিরের উপস্থিতিতে নিহতের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেন|

নুরুল্লাপুর মেলায় জমজমাট মাদক ব্যবসা ও সেবন: আট জনকে কারাদন্ড

দোহার উপজেলার নুরুল্লাহপুর মেলা থেকে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনের অপরাধে আট জনকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সোমবার (৬ ফেব্রয়ারী) সন্ধার পর এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মোবাশ্বের আলম।

আটককৃতরা হলেন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ দেলোয়ার (৪৫) ও মোঃ আব্দুস সামাদ (৪৫) এবং মাদক সেবন কারীরা হলেন মোঃ ফারুক (৩৫), মো: মুক্তি সিকদার (৫১), মোঃ লিটন খান (৪০), মোঃ আব্দুল জব্বার (৫০), বনি আমিন (২১), সাজু হোসেন (২২)।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের নুরুল্লাপুর মেলার পেছনে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরোদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রির অস্থায়ী কিছু টং দোকান ভেঙে দেয়া হয় এবং মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবন করার অপরাধে আট জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোবাশ্বের আলম বলেন, মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সেবনকারীদের বিরোদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।

এ সময় মেলায় র‌্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহায়তায় এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

নবাবগঞ্জে এলপি গ্যাস মজুদে অভিযানে অর্থদণ্ড

News39.net: নবাবগঞ্জ উপজেলায় এলপিজি গ্যাসের মজুদ করে বাজারে সংকট তৈরী করার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সংকট সৃষ্টি এবং বেশী দামে বিক্রির অভিযোগে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মতিউর রহমানের ভ্রাম্যমাণ আদালত মেসার্স তাসনীম ট্রেডার্সের মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে। রোববার বিকেলে অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান জানান, রান্না করা গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে বেশী দামে বিক্রি করে আসছিলো উপজেলার আগলা বাজার এলাকার মেসার্স তাসনীম ট্রেডার্স নামের প্রতিঠানটি। রোববার দুপুরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে ব্যবসায়ী আলী হোসেন ঝিলুকে নগদ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেয়া হয়। তিনি আরও বলেন, যে সব ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় পণ্য মজুদ করে বাজারে কৃত্তিম সংকট তৈরী করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানকালে সহযোগিতা করেন নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক তানভীর শেখ সহ সঙ্গীয় ফোর্স।

দোহারে নদীতে স্পীডবোটের সংঘর্ষে: নিহত ১

ঢাকা দোহারের পদ্মা নদীতে স্পীডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষে শুকুমার হালদার (৬৫) নামের একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টার দিকে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত শুকুমার ফরিদপুরের কতুয়ালী থানার গাহু লক্ষীপুর এলাকার শিরিশ হালদারের পুত্র।

প্রত্যক্ষ দর্শী সূত্রে জানাযায়, গত শনিবার বিকেলে ফরিদপুরের বিভিন্ন জায়গা থেকে উপজেলার নূরুল্লাহপুরের ঐতিহ্যবাহী মেলা দেখতে আসেন নিহত শুকুমার হালদারসহ আরও অনেকে। তারা সকলেই সারারাত মেলা উপভোগ করে পরের দিন রবিবার (৫ ফেব্রয়ারী) আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মৈয়নটঘাট থেকে স্পীড বোটে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে দোহার ও ফরিদপুরের বডার এলাকার ঝাউকান্দা পর্যন্ত পৌছাঁলে সেখানে ঘনকুয়াশায় ঘেরা থাকায় অপরদিকে থেকে আসা একটি স্প্রীড বোটের সাথে সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় স্প্রীড বোট উল্টে গিয়ে সকলে পানিতে ডুবে যায়। পরে পাশেই থাকা অপর একটি স্প্রীড বোট ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় গুরত্বর আহত অবস্থায় মোঃ মতিউর রহমান ও শুকুর হালদারকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুকুর হালদারকে মৃত বলে ঘোষনা করেন এবং আহত মোঃ মতিউর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।

স্পীডবোটে থাকা কবির হোসেন বলেন, নূরুল্লাপুরের মেলা দেখতে এসেছিলাম। বাড়িতে ফেরার পথে পদ্মানদীতে ঘন কুয়াশা থাকায় কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এমন সময় অপরদিক থেকে আসা একটি স্পীড বোটের সাথে ধাক্কা লেগে বোট উল্টে গিয়ে এমন ঘটনা গটে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে দোহার থানার কুতুবপুরের নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে পৌছে সবাইকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সড়িয়ে নেন।

দোহার থানার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তামিম হাওলাদার জানান, দোহারে মৈনট ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ও ফরিদপুর থেকে আসা স্পিড বোটের দুটির সাথে সংর্ষসে হয়। আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থানে পৌঁছে সবাইকে উদ্ধার করি। আহত দুইজনকে হাসপাতালে নিলে একজনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন এবং আরেকজনের অবস্থা আশংঙ্কা জনক হওয়া তাকে ঢাকা পাঠানো হয়।

দোহার থানার কুতুবপুরের নৌ-পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে কুতুবপুরের নৌ-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে প্রায় ১৫ জন লোক ছিলো তাদের সবাইকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সড়িয়ে নেওয়া হয়। পরে মোঃ মতিউর রহমান ও শুকুমার হালদারকে মুমুর্ষ অবস্থায় উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা যাওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক শুকুর হালদারকে মৃত বলে ঘোষনা করেন এবং আহত মোঃ মতিউর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন।

পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে নিহত শুকুর হালদারের এলাকার কবির হোসেনের কাছে লাশ হস্তান্তর করেন।

শিশুদের মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে হবে: তারেক রাজিব

ঢাকার দোহার- নবাবগঞ্জ চালনায় ইটভাটার শ্রমিকদের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নির্মিত বর্ণমালা বিদ্যালয় “অভিভাবক সমাবেশ” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় চালনাই সড়ক সংলগ্ন, মাঝিরকান্দা এলাকায় বর্ণমালা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

হান্নান সোহাগের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পদ্মা সরকারি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক ও news39.net সম্পাদক(ভারপ্রাপ্ত) মু,তারেক রাজিব।

প্রধান অতিথি বক্তব্য মু, তারেক রাজীব বলেন,আমাদের এই ছোট ছোট ছেলে মেয়েদেরকে নেশার হাত থেকে বাঁচাতে হবে। তাদের উপরেই নির্ভর করছে বৃদ্ধ বয়সে তাদের মা-বাবার ভবিষ্যৎ। তাদের শিক্ষার সুযোগ চলমান রাখতে পিতা-মাতার প্রতি তিনি আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, যারা এই বিদ্যালয়টি পরিচালনা করছে তারাও ছাত্র। তারা তাদের নিজেদের টাকা দিয়ে এই সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পড়ালেখার ব্যাবস্থা করছে। যাতে করে ঐ সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মা-বাবার মুখে হাসি ফোঁটে। আজ আমার পরিবারকে, সমাজকে ভালো রাখতে হলে এই সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদেরকে এগিয়ে নিতে হবে। আর তাদের সুরক্ষার জন্য তাদেরকে মাদকমুক্ত রাখতে হবে, পিতা-মাতাকেও মাদকমুক্ত থাকতে হবে, সদাচরণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, আজকের পত্রিকার দোহার প্রতিনিধি শরীফ হাসান, দৈনিক সকালের সময়ের দোহার প্রতিনিধি আল-আমীন হোসাইন, বর্ণমালার প্রতিষ্ঠাতা কালীন সদস্য মোঃ মুয়াজ,অরিন মোড়ল,রাতুল মোল্লা, ইয়ামিন প্রমুখ। প্রোগ্রামের স্পন্সর ছিলো নবাবী কাচ্চি প্রতিষ্ঠান। প্রোগ্রাম শেষে অভিভাবক এবং শিশুদের মাঝে পুষ্টিকর বিস্কুট ও বিরিয়ানি বিতরণ করা হয়।

এক অসহায় বৃদ্ধ মায়ের আর্তনাদ

বাংলা নাটক কিংবা সিনেমায় যেভাবে চক্রান্ত করে সাধারণ নিরীহ বৃদ্ধ কে ভিটি বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে ভোগ দখল করার দৃশ্য দর্শকরা দেখে আসছেন সে রকম ই এক ঘটনা ঘটেছে দোহারের নারিশা ইউনিয়নের সাতভিটা গ্রামে। সালমা খানম নামক ঐ বৃদ্ধা এখন তার দেবর ও তার পরিবারের চক্রান্তে ভিটামাটি ছাড়া সালমা খানমের ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় যে সময় সালমা খানমের দেবরের মেয়ে মেহেরুন আক্তার ( বীপা) বিরুদ্ধে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন স্বামী, শ্বশুর বাড়ির অন্যান্য লোকজনের স্বর্ণ ও অর্থ আত্মসাৎএর অফিযোগ তুলে এবং পরবর্তী তে মেহেরুন আক্তার (বীপার) শ্বশুর বাড়ির লোকজন দোহারের সাইনপুকুর অবস্থিত পুলিশ ফাড়িতে একটি অভিযোগ দায়ের করে। তৎকালীন সময়ে ফুলতলা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সাব ইনিসপেক্টর আতিকুর রহমান; মেহরুন আক্তার এর শ্বশুর বাড়ির লোক এবং নারিশা সাতভিটা গ্রামের লোকজন নিয়ে বিষয় টি সুরাহা করে এবং সেখানে মেহেরুন আক্তারের মুখ জবানি অনুযায়ী জানা যায় যে, বিভিন্ন সময়ে তার দেবর, নুরুল ইসলাম কে টাকা দিয়েছে, কিছু টাকা তার মায়ের সংসারে দিয়েছে এবং কিছু স্বর্ণ বন্দক রাখা আছে।

পরবর্তী তে ফুলতলা ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর আতিক বন্দককৃত স্বর্ণ উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং কিছু স্বর্ণ উদ্ধার করে তার শ্বশুর বাড়িতে ফেরৎ দেয়।

ঘটনা আপাতত এখানেই শেষ হলেও ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় এসে আবার এই মীমাংসিত ঘটনা নিয়ে আবার চাপ সৃষ্টি করা হয় বৃদ্ধা সালমা খানমের উপর। এবার তাদের নজরে আসে বৃদ্ধা সালমা খানমের স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির উপর। সালমা খানমের স্বামীর রেখে যাওয়া জমিতে সালমা খানমের দুই মেয়ের নামে নামজারি করা হয়। যা তাদের পিতা বেঁচে থাকতেই লিখে দিয়ে যান।

সালমা খানমের দেবরের বউর অভিপ্রায় ছিল ঐ সম্পত্তি তার ছেলে একক ভাবে ভোগ দখল করে খাবে কিন্তু সে সুযোগ না থাকায় সালমা খানমের দেবরের বউ সাফিয়া বেগম তার ভাই শহিদুল ইসলাম কে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে।

এদিকে মেহেরুন আক্তার এর স্বামী বিদেশ থেকে দেশে এসে তার সমস্ত অর্থ ও স্বর্ণ ফেরত চান এবং স্থানীয় ভাবে সে বিষয়টা নিয়ে আবার বিচারের ব্যবস্থা করে এবং তখন মেহেরুন আক্তার সম্পূর্ণ মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সাইন পুকুর পুলিশ ফাঁড়িতে দেয়া বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করে এবং তিনি নতুন করে বলা শুরু করেন, তিনি তার স্বর্ণ তার চাচীকে দিয়েছেন। স্বর্ণ তার চাচাীকে স্বর্ণ কেন দিয়েছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন তার চাচী তাকে যাদু করে স্বর্ণ এবং অর্থ নিয়ে নিয়েছে।

পরর্বতী সময়ে ভুক্তভোগী সালমা খানম বিষয়টি নিয়ে নারিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেনের কাছে যান। তখন চেয়ারম্যান বিচারের আগ্রহ প্রকাশ করে এবং ২১শে জানুয়ারি বিচারের দিন ধার্য করলে মেহেরুন আক্তার বীপা ও তার মা জানায় তারা ইউনিয়ন পরিষদে বিচারে বসবে না। তারা বাড়িতে বিচার ছাড়া বসবে না।

কিন্তু সালমা বেগম জানান বাড়িতে বিচার বসলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে এবং চেয়ারম্যান সাহেবও জানিয়েছেন বাড়িতে গিয়ে বিচারে বসবেন না। এখন মেহেরুন আক্তার বীপা ও তার মা সাফিয়া বেগম ও তার ভাই সাজ্জাদ হোসেন বাবু ও তার মামা শহিদুল বৃদ্ধাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে এবং বাড়িতে যেন না আসতে পারে তার জন্য বিভিন্ন অপকর্মে পরিকল্পনা করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী সালমা খানম এখন তার ভিটামাটি ছাড়া।

এই ব্যাপারে নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন জানান, আমরা বিষয়টা নিয়ে অবগত হয়েছি। তারা উভয় পক্ষই নিজেরা তাদের মধ্যে পারিবারিক ঝামেলা ও স্বর্ণ নিয়ে ঝামেলা। এক পক্ষ থানায় বসতে চায় ও অন্য পক্ষ বাড়িতে বসতে চায় তাই আমরা ইউনিয়ন পরিষদেই সুষ্ঠু ভাবে এর সমাধান করবো এবং তাদের কে খুব তারাতাড়িই ইউনিয়ন পরিষদ ডাকা হবে।

এই ব্যাপারে ফুলতলা পুলিশ ফাড়ির এস আই আতিক নিউজ৩৯কে জানান, আমি এখন ফুলতলা ফাড়িতে নাই তবে হ্যা তাদের বিষয় আমি অবগত আছি। তাদের মধ্যে স্বর্ণ ও টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলা হওয়ায় তারা অভিযোগ করছিলো তখন তাদের ঝামেলা মিমাংসা করে দিয়ে হয়েছে। এর পরে আর কি হয়েছে আমার জানা নাই।

এই ব্যাপারে অভিযুক্ত মেহেরুন নিউজ৩৯ বলেন, মীমাংসিত বিচার নিয়ে আবার বিচার হচ্ছে এই কথাটা ভুল। সেই সময় যে ঘটনা নিয়ে বিচার হয়েছে সেটা এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত না। এটা ভিন্ন ঘটনা। আর আমরা সালমা খানমের উপর কোন অন্যায়-অত্যাচার বা চাপ প্রয়োগ কিছুই করি নাই। আমরা এই ব্যাপারটার সমাধান চাই।

দোহার পৌরসভার উদ্যোগে প্রথম পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহারে পৌরসভার উদ্যোগে দিনব্যাপী শীতকালীন পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পৌরসভা চত্বরে দিনব্যাপি এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। মেলায় ২৪টি স্টলে শীতকালীন বিভিন্ন রকমারি পিঠা পুলি বিক্রি করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন।

এসময় প্রধান অতিথি বক্তব্য মো. আলমগীর হোসেন বলেন, গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য হচ্ছে এই শীতকালীন পিঠা, যা এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। আর এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতেই পৌরসভার এমন চমৎকার উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আগামীতেও এর ধারাবহিকতা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন,দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম শেখ, দোহার থানা (ওসি) তদন্ত আজহারুল ইসলাম, কাঠালীঘাটা মাসুম মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুম মিয়া।

পৌরসভার মেয়র আলমাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুস সালাম (শুকুর) এর সঞ্চলনায় আরো উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য সুরুজ আলম সুরুজ, বাবু মিয়া-বেগম রোকেয়া ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান রোমান মিয়া, রাইপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়ূব আলী, পৌর প্রকৌশলী মশিউর রহমানসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পিঠা উৎসবে জাজমেন্টের আসনের দ্বায়িত্ব পালন করেন, রন্ধন শিল্পী ও ঢাকা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জয়নব বেগম জলি খান, রন্ধন শিল্পী কল্পনা রহমান, রন্ধন শিল্পী সিতারা ফেরদৌস, জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম খালেক, বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুলছুম বেগম প্রমুখ।

নবাবগঞ্জে ক্লিনিক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

আল-আমিনঃ নবাবগঞ্জ উপজেলার বাগমারায় প্যারাগন হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুক্রবার রাতে অভিযোগ করেন নিহতের মামা রাব্বি হোসেন জানান, আমার বোন সুরুভি (৩২) গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে এই হাসপাতালের চিকিৎসক নাসিমা সুলতানার অধীনে চিকিৎসা নিয়ে আসছিলেন। ডেলিভারি করানোর জন্য শুক্রবার সকালে ভর্তি করা হয়। নার্স সেলাইন দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু রোগীর অবস্থা অবনতি হলে তাদেরকে বারা বার জানানো হলেও তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়া হয়নি। অবস্থা আরও অবনতি হলে, তারা আমার বোনকে ঢাকা নেয়ার পরামর্শ দেন। এরই মধ্যে দুইবার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানো হলে তারা জানায়, রোগী ও নবজাতক উভয়েই ভালো আছে। সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার বোনের অবস্থা আরও গুরুতর হয়। পরে পুনরায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানো হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিকাল তিনটায় নবজাতকের মৃত্যুর খবর জানায়।
পরে অপারেশন করে মৃত্যু নবজাতককে বের করে আনে। বর্তমানে আমার বোন ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। রোগীর বাড়ি উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের সোনাহাজরা জবুখালি গ্রামে।
নবজাতকের নানী জায়েদা বেগম কেঁদে কেঁদে অভিযোগ করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আমাদের নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তারা যদি সঠিক সময়ে সঠিকভাবে চিকিৎসাসেবা দিতো তাহলে হয়তোবা আমার মেয়ের নবজাতকের মৃত্যু হতো না। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ব্যাপারে প্যারাগন হাসপাতালের পরিচালক মিজানুর রহমানের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অবগত আছেন বলে জানান। পরে জানাচ্ছি বলে মোবাইলের লাইনটি কেটে দেন।