রমযানে দোহারে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনা: নিহত ১, আশংকাজনক ১

মো: আল-আমিন ও শরিফ হাসান: দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলায় কিছুতেই যেন থামছে না মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল। সন্তান হারিয়ে নি:স্ব পিতা-মাতার আক্ষেপ এর কি কোন প্রতিকার নেই, নেই কোন সমাধান? বুধবার ২০ রোযায় দোহার উপজেলার মুকসেদপর এলাকায় সড়ক দূর্ঘটনায় নাহিদ (১৮) নামের এক মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহত নাহিদ উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের নারিশা পশ্চিম চর বটতলা এলাকার নূর হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা সাকিব (১৯) নামের অপর একজন আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত সাকিব একই গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে নাহিদ ও সাকিব মোটরসাইকেল যোগে মুকসুদপুর যাওয়ার পথে ডাকবাংলোয় বিপরীত দিক থেকে মাটি বোঝাই একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। মোটরসাইকেল আরোহী নাহিদ ও সাকিব দুজনেই ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদেরকে ফুলতলা আব্দুর রাজ্জাক হাসপাতালে নিয়ে গেলে, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাহিদের মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে দোহার থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ সেখানে গিয়ে মাটির ট্রাকটিকে জব্দ করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ফুটপাতের কেনাকাটা: ঈদের অন্য বাজার

ঈদের কেনাকাটা বলতে মুহূর্তে বড় বড় শপিং মলের দৃশ্য মনে ভাসে, কিন্তু তার বাইরেও একটি অবহেলিত বাজার আছে। সব মানুষের সাধ্য নেই বড় দোকান বা মার্কেট থেকে কেনাকাটা করার, তারা কোথায় যায়? এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু কম না। তাই ফুটপাতের ঈদ বাজারও এখন জমজামাট।

জয়পাড়া পাইলট স্কুল মার্কেটর ফুটপাতের দোকানগুলোতে স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড় বেড়েছে। স্বল্প দামে ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক পাওয়া যায় বলে ফুটপাতের দোকানে ছুটে আসেন স্বল্প আয়ের লোকজন। তবে সেখানকার বিক্রেতাদের দাবি, বেচাকেনা খুব একটা ভালো হচ্ছে না। হয়তোবা আর কয়েকদিন গেলে বেচাকেনা আরো বৃদ্ধি পাবে।

ফুটপাতের ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, ফুটপাতের দোকানগুলোর জন্য হাজার হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয় না। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নেই কোনো আলোর ঝলকানি। ফলে স্বল্প লাভে ফুটপাতের বিক্রেতারা ক্রেতাদের দরদামে পোশাক দিয়ে থাকেন। ক্রেতারাও স্বাচ্ছন্দ্যে নিয়ে থাকেন।

ব্রাহ্রা থেকে শপিং করতে আসা ক্রেতা সজীব হোসেন জানান, বড় দোকানগুলো থেকে আমার পক্ষে প্যান্ট কেনা সম্ভব নয়। এ জন্য ছেলেকে এখানে নিয়ে এসেছি প্যান্ট কিনতে। ছেলের পছন্দমতো ৩০০ টাকা দিয়ে জিন্স প্যান্ট কিনে দিলাম।

ফুটপাতের দোকানদার মো: শহিদুল ইসলাম জানান, নিজেরাই ব্যবসা করি। এতে কর্মচারী বেতন, আলোর ব্যবস্থাসহ নানান ধরনের খরচ হয় না। স্বল্প লাভে বড় দোকানের তুলনায় কম দামে পোশাক বিক্রি করতে পারি। তবে এবার ফুটপাতের কেনাকাটা ভালো হচ্ছে না বলেও দাবি তাঁর।

কেমন চলছে মেঘুলা ও জয়পাড়ার ঈদ-কেনাকাটা

একমাস রোজা রাখার পর আসে মুসলমানদের ধর্মীও উৎসব ঈদ। জয়পাড়ার ঈদ-কেনাকাটায় লক্ষ লক্ষ টাকার বেচাকেনা হয় দোকানগুলোতে। তারই ধারাবাহিকতায় চলছে কেনাকাটার ধুম। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ভিড়, বেচাকেনা চলছে মধ্যরাত পর্যন্ত। ক্রেতাদের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছে দোহারের জয়পাড়া ও মেঘুলা ঈদবাজার। ক্রেতাদের এমন ভিড়ে খুশি ব্যবসায়ীরা। এবারের ঈদে নতুন আকর্ষণের দিকেই ছুটছে পোশাক প্রেমীরা।

বিক্রেতারা বলছেন, বরাবরের মতো এবারের ঈদবাজারে তরুণীসহ নারীদের প্রধান আকর্ষণ নতুন কালেকশন। এবার ঈদ মাঠ কাঁপাতে বাহারি রঙের ভারতীয় জামা, ‘পুষ্পা’ সারারা ও গারারা নামের নতুন বেশ কিছু  থ্রি-পিস ও জামার প্রতি ছোট-বড় সবার আকর্ষণ বেশি।

সোমবার সকাল থেকে দোহারের সবচেয়ে বড় ঈদ বাজার জয়পাড়ায় ক্রেতাদের ভিরে জমে উঠেছে ঈদ শপিং। এর মধ্যে চৌধুরী হাইসট,পাপেল শপিং মল, বেগম আয়েশা শপিং মল, সামিয়া শপিং মল, আয়োজন শপিং মল, তাজমহল গার্মেন্টস, সুমন বস্রলয়, এম্ব্রেলা, ভলান্টিয়াস, এ্যালিস বস্ত্র বিচিত্রা, কাজী সুপার মার্কেট, বেবি শোপ, পালকি, নীল আঁচল, জুতার দোকান, মেঘুলা বাজার মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। রোজা রেখে প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটার জন্যই মার্কেটে এসেছেন ক্রেতারা। কেউ আবার ভিড় ঠেলে দোকানের সামনেও দাঁড়াতে পারছেন না। ভিড় সামাল দিতে দোকানি ও কর্মচারীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, যখন করোনার সময় ছিল তখন তাঁদের লোকসান হয়েছে। তবে এবার রোজার শুরু থেকেই দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি ভালো। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, বিক্রিও ততই বাড়ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, চাহিদার সুযোগ নিয়ে বিক্রেতারা দাম বেশি নিচ্ছেন।

দোহারপুরি থেকে কেনাকাটা করতে আসা চাকরিজীবী সুজন জানান, পরিবারের সবাইকে নিয়ে কেনাকাটা করতে এসেছি। গত দুই বছরের তুলনায় এ বছর মার্কেটে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কাপড়ের দাম বেশি মনে হচ্ছে। কিন্তু আমাদের চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি পায়নি অথচ সব কিছুর দাম বেড়েছে।

জয়পাড়া চৌধুরী হাইটসের মেলা পাঞ্জাবি হাউসের স্বত্বাধিকারী শাহরিমা ইসলাম রিমা বলেন, আমাদের তো শুধুর পাঞ্জাবির শো-রুম তাই এখনো ঐভাবে বিক্রি শুরু হয়নি। তবে আশা করছি ঈদের পাঁচ-ছয় দিন আগে থেকে আমরা ভাল কাস্টমার পাবো।

শোরুমে মালিকদের সাথে কথা হলে তারা জানান, আমাদের বেচাকেনা আছে আলহামদুলিল্লাহ। আমরা আমাদের জামাকাপড় এর কিনা দাম থেকে ২৫-৩০ শতাংশ বেশি রাখি কারন আমাদের দোকান ভাড়া, কর্মচারী বেতন, বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন ধরনে খরচ আছে সে জন্য। তবে যারা ভাল কিছু চায় তারাই বেশীরভাগ শোরুমে আসে।

অন্য দিকে ছেলেদের শার্ট পেন্টের দোকানী Export ফ্যাশনের মালিক রাজিব হোসেন বলেন, আমাদের বেচাকেনা ভাল চলছে। ছেলেদের নতুন নতুন কালেকশন আছে আমাদের কাছে।

মোল্লা সু স্টোর এর মালিক সবুজ মোল্লা জানান, জুতার দোকানে গুলোতে ক্রেতার ভির পরতে শুরু করেছে। তবে মহিলা ক্রেতারা বেশি আসছে কয়েক দিন গেলে ছেলেদের কেনাকাটা বাড়বে। আমাদের দোহারে বেশীভাগ চাহিদা সফ্ট জুতা ও নামি-দামি ব্যান্ডের জুতার। আমাদের দোকানে ৩শত থেকে ৪হাজার টাকার জুতা পাওয়া যাচ্ছে।

জয়পাড়া পূর্ব বাজার মালিক সমিতি সভাপতি মো. মানিক বেপারি জানান, আমরা বাজার কমিটির পক্ষ থেকে ক্রেতাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা রোজা আসার সাথে সাথে জয়পাড়া কলেজ মোড়ে থেকে ওয়ান ব্যাংক পর্যন্ত গাড়ি আসা বন্ধ করে দিয়েছি যাতে করে ক্রেতারা যানজট এরিয়ে তাদের পছন্দের জামা কাপড় কিনতে পারে সে জন্য। কেনাকাটায় মানুষের আগ্রহ দেখে আমরা খুশি। আশা করছি, এবার ব্যবসায়ীরা লাভের মুখ দেখবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর ঈদের বাজারে মেয়েদের দেশি সুতি থ্রি-পিসের সঙ্গে ভারতীয় জামা, পুষ্পা, অরগেনজা, জয়পুরি ও পাকিস্তানি শারারা-গারারা বেশি বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের থ্রিপিস ১ হাজার থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। পাঞ্জাবি পায়জামাও বিক্রি হচ্ছে ৪শত থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও জুতা বিক্রি হচ্ছে  ৫শত থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত।  বিক্রি বেশীর জন্য s3,সাথী সু স্টোর, বেগম আয়েশা শপিং মলসহ বেশ কয়েকটি দোকানে দেওয়া হচ্ছে লটারি ও ছাড়।

মেঘুলা বাজারে দোকানীরা জানান, আমাদের এই বাজারে একটু কম ভির থাকে কারণ সবাই চলে যায় জয়পাড়া বাজারে শপিং করতে সে জন্য আমাদের এবাজারে একটু কম ভির থাকে। তবে বেচাকেনা ভালোই চলছে।

দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুস্তাফিজুর রহমান জানান, সুযোগ বুঝে অতিরিক্ত দাম নেওয়া যাবে না। যাঁরা এমন করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং চলছে। ইতি মধ্যে আমরা অতিরিক্ত দাম রাখায় ব্লাক বি স্মার্ট কালেকশনকে চার হাজার টাকা জরিমানা করেছি এবং অন্য সব দোকানিদেরকে সর্তক করেছি যাতে বেশী দামে কোন কিছু বিক্রি না করে। বেশি দামে বিক্রি করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ক্রেতাসমাগম বেশির কারণে রাস্তায় সামনে দীর্ঘ যানজট দেখা যায়। পৌর ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা দেখা গেলেও যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মানুষকে।

দোহারে ঈদ বাজার মনিটরিং প্রশাসনের অভিযান

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ঈদের বাজারে ভোক্তার অধিকার নিশ্চিতকল্পে জামা,জুতা,থ্রিপিছ,লুঙ্গি, প্যান্ট ইত্যাদির দোকানে বাজার দর মনিটরিং করতে ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারে বেশ কয়েকটি দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (৮ এপ্রিল) দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মুস্তাফিজুর রহমান এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন।

এ সময় খাদ্যে ভেজাল, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও ঈদের বাজার, সেমাই,জামা,জুতা,থ্রিপিছ,লুঙ্গি,প্যান্ট ইত্যাদি দাম বেশী রাখা হয় কি-না সে বিষয় মনিটরিং করা হয়। দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে দোহার উপজেলার প্রসাশনের এই অভিযান।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, দোহার উপজেলার জয়পাড়া বাজারে গ্যাস,সেমাই,জামা,জুতা, থ্রিপিছ,লুঙ্গি, প্যান্ট ইত্যাদি বিষয় মনিটরিং করা হয়। যে সমস্থ দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের মূল্য তালিকা প্রদর্শিত ছিল না তাদেরকে আগামীকালের মধ্যে মূল্য তালিকা প্রদর্শনের জন্য বলা হয়েছে সেই সাথে তাদেরকে সতর্ক করা হয় এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪০ ধারায় শপিং মল ব্লাক বি স্মার্ট কালেকশনে অতিরিক্ত দাম রাখায় চার হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে খাদ্যের মান নিশ্চিত, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত, বাসি পঁচা খাবার বিক্রি বন্ধ নিশ্চিত করার জন্য সচেতন করা হয়েছে। তাছাড়াও পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য না রাখার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। সেই সাথে কেনা দামের সাথে সমন্বয় রেখে পন্য বিক্রয়ের বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সহযোগিতা করেন দোহার থানার পুলিশ।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ঈদের বাজার মনিটরিং করতে দোহার উপজেলায় এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে হঁশিয়ারি করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মুস্তাফিজুর রহমান।

এমপি মন্ত্রীরা লুটের টাকায় বিদেশে বেগমপাড়া বানিয়েছে: খন্দকার আবু আশফাক

আওয়ামীলীগ হচ্ছে নিশিরাতের অবৈধ সরকার। নিশিরাতের অবৈধ এই সরকারকে টেনে হেচঁড়ে নামিয়ে, পতন ঘটিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। তারুণ্যের অহংকার তারেক জিয়াকে দেশে ফিরিয়ে আনবো, ইনশাআল্লাহ। বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিসহ পূর্ব ঘোষিত ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকার দোহার উপজেলা বিএপির আয়োজনে উপজেলার কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আবু আশফাক আরও বলেন, এই সরকার এই দেশের বা জনগণের সরকার নয়। কারণ এই সরকার জনগগণের ভোটে পাশ করেনি। তারা জনগণের দুঃখ কষ্ট বোঝে না, জনগণের মনের ভাব বোঝে না, জোর করে এই সরকার ক্ষমতায় টিকে রয়েছে।

আবু আশফাক বলেন, ১০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু নিয়ে গেছে ৪০ হাজার কোটি টাকায়। তাহলে বাকি ৩০ কোটি টাকা কোথায়। এই সরকারের এমপি মন্ত্রীরা জনগণের টাকা চুরি করে আজ বিদেশে বেগমপাড়া বানিয়েছে। কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। তাই এখন সময় হয়েছে আন্দোলনের মাধমে এই সরকারের পতন ঘটানো।

জয়পাড়া ডিগ্রী কলেজের সাবেক জিএস সেন্টু ভূইয়ার সঞ্চলনায় অবস্থান কর্মসূচী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হাশেম বেপারী, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান বাণী, দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিলাসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মেছের, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তৌহিদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দোহারউপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ পারভেজ, যুগ্ন-সম্পাদক ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুছ আলীসহ উপজেলা বিএনপির সকল সহযোগী ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মশা নিয়ন্ত্রণে ড. কবিরুল বাশারের মত ও পরামর্শ পালনের নির্দেশ হাইকোর্টের

মশা বা মশাবাহিত রোগের সমস্যা কেবল হযরত ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা সিটি করপোরেশন এলাকার সমস্যা না। সমস্যাটি সারা দেশের। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই সমস্যা আরো বাড়বে বলে মনে করেন কীটতত্ত্ববিদ, গবেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক কবিরুল বাশার। বিমানবন্দর এলাকার মশা নিয়ন্ত্রণের উপায় নিয়ে হাইকোর্টে উপস্থাপন করা প্রতিবেদনে তিনি এ মত দিয়েছেন। রবিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক–আল জলিলের দ্বৈত বেঞ্চে তিনি নিজেই প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

এদিন আদালতে আরো উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ পেয়েছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান। পরে আজ সোমবার আদালত আদেশ দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও মশা ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রতিবেশী দেশ ভারতে ১৯৭৫ সালে ভেকটর কন্ট্রোল রিসার্চ সেন্টার (ভিসিআরসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত আধুনিক ও যুগোপযোগী। বাংলাদেশে এমন একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি হলে বাহক বাহিত রোগ ও বাহক মশা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত কীটনাশক, যন্ত্রপাতি এবং এর রোগতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করা যাবে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠান তৈরি করলেই হবে না, এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব দিতে হবে কীটতত্ত্ববিদদের হাতে। প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্ব অভিজ্ঞদের হাতে না দিলে তা অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপ নিবে।

দেশে ১২৬ প্রজাতির মশা, ঢাকায় ১৬ প্রজাতিরঃ 

কবিরুল বাশারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে এখন পর্যন্ত ১২৬ প্রজাতির মশা সনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে ঢাকায় শনাক্ত হয়েছে ১৬ প্রজাতির মশা। আর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাওয়া গেছে ৯ প্রজাতির মশা। এগুলো হচ্ছে- কিউলাস কুইনকিউফেসিয়েটাস, কিউলেক্স ট্রিটাইনায়োরিঙ্কাস, কিউলাস গেলিডাস, এডিস ইজিপটি, এডিস অ্যালবোপিকটাস, ম্যানসোনিয়া অ্যানুলিফেরা, ম্যানসোনিয়া ইউনিফর্মিস, আর্মিজেস সাবলবাটাস, টক্সোরিঙ্কাইটস স্প্লেডেনস।’

বিজ্ঞানভিত্তিক প্রয়োগ প্রয়োজনঃ

এ কীটতত্ত্ববিদ তার প্রতিবেদনে বলেছেন, ‘প্রজাতি ভেদে মশার প্রজনন স্থল, প্রজনন ঋতু ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভিন্ন। তাই মশা নিয়ন্ত্রণে সফলতার জন্য এর জীবনাচরণ সম্পর্কে জানা দরকার। মশার বায়োলজি, ইকোলজি, স্বভাব পর্যালোচনা করে এর নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত মশক ব্যবস্থাপনার বিজ্ঞানভিত্তিক প্রয়োগ প্রয়োজন।’

বিমানবন্দর এলাকায় মশার প্রজনন স্থল হিসেবে দুটি বড় খাল, ছোট-বড় পাঁচটি জলাশয়, খোলা ড্রেন, পরিত্যক্ত টায়ার, ছোটো-বড় বিভিন্ন ধরনের পাত্র, গাছের কোটর এবং বিমানবন্দর ঘিরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি ওয়ার্ড (১, ১৭, ৪৯, ৫০ ও৫২), এয়ারফোর্স এরিয়া, প্রিয়াঙ্কা হাউজিং ছাড়াও রাজউকের কিছু জায়গার কথা উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে এ শিক্ষক বলেছেন, ‘যেহেতু মশা চার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়ে যেতে পারে, তাই বিমান বন্দরকে মশামুক্ত করতে হলে এর চারপাশে চার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মশার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। তার জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কাজটি করা কঠিন নয়।’

বিমানবন্দর এলাকার চারপাশে চার কিলোমিটার এলাকা মশামুক্ত রাখা নিয়ে ‘আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য প্রবিধান’র বিভিন্ন বিধি ও ৮টি সুপারিশ প্রতিবেদনে তুলে ধরেন এই গবেষক।

আদালতে রিটকারী আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ নিজেই শুনানি করেন। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ -বেবিচকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাইফুর রশীদ। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রিমি নাহরীন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

ভয়াবহ আগুনে জ্বলছে বঙ্গবাজার

রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবাজারে লাগা আগুনে পুড়ে গেছে শত শত দোকান। ঈদ সামনে রেখে এসব দোকানে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের মজুত ছিল। আগুনের মধ্যেও জীবন বাজি রেখে শেষ সম্বল রক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। আগুন থেকে রক্ষায় ছিটানো পানিতে ভিজে যাওয়া পণ্য সরিয়ে নিচ্ছেন।

বঙ্গবাজারের ইরা ফ্যাশন নামের একটি দোকানের কর্মচারী সেলিম বলেন, ‘আমাদের দোকান ছিল বঙ্গবাজারের গোডাউন এরিয়ার পাশে। অল্প কিছু রক্ষা হয়েছে। ভেজা অবস্থায় সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।’

সেলিমের মতো শতশত ব্যবসায়ী প্রাণপণে চেষ্টা করছেন যদি কিছু মালামাল সরিয়ে নেওয়া যায়। এক দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা মালামাল সরিয়ে নিতে চাইছেন। এতে রাস্তায় ভিড় তৈরি হয়েছে।

দোহারে রমজানে বাজার মনিটরিং প্রশাসনের অভিযান

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও বাজার মনিটরিং করতে ঢাকার দোহার উপজেলার লটাখোলা ও জয়পাড়া বাজারে বেশ কয়েকটি দোকানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (২ এপ্রিল) দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মুস্তাফিজুর রহমান এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। এ সময় খাদ্যে ভেজাল, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বাজার মনিটরিং করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, দোহার উপজেলার জয়পাড়া ও লটাখোলা বাজারের ৪ টি দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শিত না থাকায় তাদেরকে সতর্ক করা হয় এবং তিন হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে খাদ্যের মান নিশ্চিত, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত, বাসি পঁচা খাবার বিক্রি বন্ধ নিশ্চিত করার জন্য সচেতন করা হয়েছে। তাছাড়াও পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য না রাখার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে সহযোগিতা করেন দোহার থানার পুলিশ। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দোহার উপজেলায় এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে হঁশিয়ারি করেন দোহার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মুস্তাফিজুর রহমান।

উপজেলা পরিষদ আইন ৩৩ ধারা বাতিলে দোহারে শোকরানা মোনাজাত

শরিফ হাসান,news39.net: বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের বেঞ্চ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার ক্ষমতা দিয়ে প্রণীত উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এতে ক্ষমতা কমলো ইউএনও দের।

এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়ে সৃষ্টিকর্তার নিকট শুকরিয়া আদায়ের জন্য দোহারে বাদ আছর বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন।

রায়ের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ৩৩ ধারায় ইউএনওদের একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া ছিল। হাইকোর্ট এটা বাতিল করেছেন। এর ফলে উপজেলায় ইউএনওদের ক্ষমতা কমল। এখন থেকে ইউএনও-কে উপজেলা পরিষদের অধীনে কাজ করতে হবে।

আলমগীর হোসেন বলেন, উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি থাকার পরেও একজন নির্বাহী কর্মকর্তাকে বেশি ক্ষমতা দেওয়ায় এই বিধান ছিল সাংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা পরিষদের আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হবেন এবং তিনি পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা দেবেন। আর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাই পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিপালন এবং বিধি মাধ্যমে নির্ধারিত অন্যান্য কার্য সম্পাদন করবেন।

২০২১ সালের ১৫ জুন উপজেলা চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা খর্ব করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ক্ষমতা দেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজসহ তিনজন উপজেলা চেয়ারম্যান এই রিট দায়ের করেন।

এর আগে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮-এর ধারা ১৩ (ক) ১৩ (খ) ও ১৩ (গ) কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। এ ছাড়া ইউএনওদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদসংক্রান্ত উপজেলা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা কেন বাতিল করা হবে না, এই মর্মেও রুল জারি করা হয়। শুনানি শেষে রুল নিষ্পত্তি করে আজ রায় দিলেন আদালত।

রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি, ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাছান চৌধুরী।

ইসলামী ব্যাংক দোহার শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড দোহার শাখার উদ্যোগে সর্বজনীন কল্যাণে ইসলামী ব্যাংকিং শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ ৩০ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় শাখার ইনভেস্ট ইনচার্জ ফারুক হোসেনের সঞ্চালনায় ও আব্দুল আলিম সরকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলার চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন। বাংলাদেশ ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড দোহার শাখায় এই ইফতার মাহফিল  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধান অতিথি বক্তব্য আলমগীর হোসেন বলেন, দোহার ৩২ টি ব্যাংক আছে তার মধ্যে এই ইসলামি ব্যাংক সবার শির্ষে রয়েছে বলে আমি জানি। দোহারে মানুষ বিদেশে থাকে তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অনেক কষ্ট করে টাকা উপাজন করে এ দেশে পাঠায়। তাদের জন্যই আজ বাংলাদেশ এখনো এগিয়ে আছে।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ,দোহার পৌরসভার মেয়র আলমাছ উদ্দিন, কাউন্সিল ওয়াসিম,ওহাব দোহারী, বশির উদ্দিন,ব্যাংক কর্মকর্তা
এছাড়া অত্র শাখার প্রায় পাঁচশত গ্রাহকসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।