গাজার স্কুলে ইসরায়েলের গোলা হামলায় প্রাণ গেল ২০ জনের

গাজার উত্তরাঞ্চলীয় একটি বিদ্যালয়ে ইসরায়েলের হামলায় ২০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে বেশ কয়েকজন। বিদ্যালয়টিকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
শনিবার ভোরে গাজায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস–নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গাজার উত্তরাঞ্চলে আল সাফতাউয়ি এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয়শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল—এমন একটি বিদ্যালয়কে সরাসরি হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এরপর হামলায় শহীদ হওয়া ২০ জন এবং আহত হওয়া কয়েকজনকে গাজা সিটির আল শিফা হাসপাতালে আনা হয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বিদ্যালয়টিকে লক্ষ্য করে ট্যাংক থেকে সরাসরি কয়েকটি গোলা ছোড়া হয়েছে।’

৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। জবাবে ওই দিন থেকেই গাজাকে অবরুদ্ধ করে নির্বিচার বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। গাজায় স্থল অভিযানও চালাচ্ছে দেশটি।

 

গায়ের জোরে ক্ষমতায় আসার সুযোগ নেই —সালমান এফ রহমান

এ দেশে গায়ের জোরে ক্ষমতায় আসার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি-জামায়াত যেভাবে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এতে করে তাদের জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে। তাই এসব কর্মকাণ্ড বাদ দিয়ে নির্বাচনে আসুন, নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। দেশের মানুষের ভোট নিয়ে যদি আপনারা ক্ষমতায় আসতে পারেন আমরা আপনাদের সাধুবাদ জানাব।’৷ গতকাল নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকার নবাবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকালে ৩৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন কালিগঙ্গা নদীর ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সালমান এফ রহমান। এছাড়া তিনি ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বান্দুরা-নয়নশ্রী সেতু প্রকল্পসহ আরো ১০১ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন।

 

 আজ ৩রা নভেম্বর, জেল হত্যা দিবস।

0

৩ নভেম্বর (শুক্রবার) জেল হত্যা দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কময় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামরুজ্জামানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

জেল হত্যা দিবস বাঙালি জাতির জীবনে এক কলঙ্কময় দিন। শোকাবহ জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার ধারাবাহিকতায় আড়াই মাসের মাথায় জাতীয় এই চার নেতাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে ঘাতকরা। কারাগারের মতো কঠোর নিরাপত্তা প্রকোষ্ঠে এ ধরনের নারকীয় হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন।

জেলহত্যা দিবস বাঙালি জাতির জীবনে এক কলঙ্কময় দিন। শোকাবহ জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সূর্য উদয়ক্ষণে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা  অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন।

সকাল সাড়ে ৭ টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত ধানমন্ডিস্থ ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। এসময় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনসহ মহানগরের প্রতিটি শাখার নেতাকর্মীরা যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ।

এদিকে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বিকেল ৩ টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ এক আলোচনা সভার আয়োজন করবে। সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন।

 

পালক মেয়েকে ধর্ষণে বাধা: স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা

শরিফ হাসান, নিউজ৩৯: দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলায় স্ত্রীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে স্বামী পালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগ এটি হত্যাচেষ্টা। স্ত্রী চন্দ্রবান জানান, পালক মেয়ের সাথে অসদাচরণ করতে বাধা দেয়ায়, স্বামী আলী হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) ভোর পাঁচটার দিকে উপজেলার উত্তর জয়পাড়া চৌধুরীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহতের বাবা বাদি হয়ে দোহার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

জানা যায়, আহত স্ত্রী চন্দ্রবান (৪৩) নবাবগঞ্জ উপজেলার আলালপুর গ্রামের শামসুদ্দিনের মেয়ে। তার বিয়ে হয় দোহার উপজেলার উত্তর জয়পাড়া চৌধুরীপাড়া এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে আলী হোসেনের সাথে। সংসার জীবনে তাদের ঔরসজাত কোনো সন্তান হয়নি। আহত চন্দ্রবান বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

আহত চন্দ্রবান জানান, আমাদের সংসার জীবনে কোনো সন্তান না হওয়ায় একটি ছেলে ও একটি মেয়ে দত্তক এনে লালন পালন করে আসছিলাম। মেয়ের বয়স বর্তমানে (১৪) আর ছেলের বয়স (৭)। গত ৮/৯ মাস আগে আমার স্বামী আলী হোসেনের কুদৃষ্টি পরে আমার পালিত মেয়ের উপর। বিষয়টি টের পেয়ে মেয়েকে উপজেলার মেঘুলা এলাকার একটি মহিলা মাদ্রাসায় ভর্তি করে দেই। মেয়েকে আর বাসায় আসতে দেই না। গত দুই দিন আগে আমার স্বামী মেয়েকে বাসায় আনতে বলে, আমি ভাবলাম হয়তো সে এখন ভাল হয়ে গেছে।

কিন্তু মেয়েকে বাসায় আনার পরে গত রাতে আবার শুরু হয় তার মেয়ের প্রতি লোলুপ দৃষ্টি। রাতে ঘুম আসে না। আনুমানিক রাত তিনটার দিকে শুরু করে আমার সাথে কথা কাটাকাটি। পরে আমি মেয়ের রুমে ডুকে ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেই। পরে ভোর পাঁচটার দিকে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে রামদা দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। আমাদের আর্তচিৎকারে এলাকার সবাই এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে এনে ভর্তি করে। এসময় আলী হোসেন পালিয়ে যায়। আমার মাথায়, দুই হাতে, মুখে ও পিঠে কুপিয়েছে। আমি আইনের কাছে এর বিচার চাই।

চন্দ্রবানের শ্বাশুড়ি ও আলী হোসেনের মা পানু বেগম জানান, মাঝে মাঝেই ছেলে ও ছেলের বউয়ের সাথে ঝগড়া লাগে। বউকে মারে আবার চিকিৎসা করায়। তবে গতকালকে কি নিয়ে ঝগড়া লাগছে তা জানিনা। তবে এই ভাবে কুপানো ঠিক হয়নি।

এবিষয়ে দোহার থানার ডিউটি অফিসার এসআই হাসান মাহমুদ জানান, আমরা এই মর্মে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ভিকটিম চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত আলী হোসেনকে এখনো পাওয়া যায়নি। তদন্ত চলমান আছে। আমরা তাকে খোঁজ আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

এ বিষয় দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কত্যবরত ডাক্তার মলিহা পারভিন জানান, সকালে চন্দ্রবান (৪৩) কে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাকে আমরা দ্রুত চিৎসার ব্যবস্থা করি। তার ক্ষত স্থানে প্রায় ৭০-৮০ টি সেলাই দিতে হয়েছে। তবে চন্দ্রবান এখন সুস্থ আছে। আমাদের হাসপাতালে চিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

দোহারে পুলিশ পরিচয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি : দোহারে পুলিশ পরিচয়ে আরাফাত হোসেন (১৯) নামের এক ব্যক্তির মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। আরাফাত হোসেন উপজেলার দোহার খালপাড় গ্রামের হাবিবুর রহমান হবির ছেলে। এ ঘটনায় আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে দোহার থানায় মামলা করেছেন।

আরাফাত হোসেন বলেন, গত২২ অক্টোবর রোববার সকাল সাড়ে ৭টায় আমি আমার ইয়ামাহা-১৬০সিসি,এফজেড ভার্সন-৩ মোটরসাইকেল নিয়ে ইট কেনার জন্য উপজেলার ডাইয়ারকুম পিবিএফ ইট ভাটায় যাই। এমন সময় পুলিশের পোশাক পড়া ১ জনসহ ৩ ব্যক্তি আমাকে থামিয়ে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র চেক করে। তারা আমার হেলমেট আছে কিনা জানতে চায়।

এ সময়ে আমি বলি হেলমেট বাসায় আছে। তারা বাসায় যেতে যায়। বাসায় আসার সময় বানাঘাটা পূর্ব পাওয়ার হাউজের সামনে আসলে তারা হঠাৎ মোটরসাইকেলে থেকে আমাকে নামিয়ে লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আমার মোটরসাইকেল নিয়ে নিকড়া গ্রামের দিকে চলে যায়। সেই সাথে আমার কাছে থাকা মোবাইল টাকা সব নিয়ে যায়।পরে আমি বাসায় ফিরে পরিবারের লোকদের বিষয়টি জানিয়ে থানায় গিয়ে মামলা করি।

এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, ২৩ অক্টোবর এ ঘটনায় দোহার থানায় একটি মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

দোহারে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

0

News39.net আদালত প্রতিবেদক: ঢাকার দোহারে গৃহবধূ শিখা আক্তারকে হত্যার দায়ে স্বামী রুহুল আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া লাশ গুমে সহায়তা করায় রুহুল আমিনের বাবা মনোয়ার হোসেন, মা আছমা বেগম ও ভাই মারুফ খানকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের সবাইকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার ১ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর দীপক কুমার দেব এ তথ্য জানিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৬ মে রুহুল আমিনের সঙ্গে শিখার বিয়ে হয়। ওই বছরের ৩ আগস্ট বিভিন্ন মালামাল দিয়ে তাকে শ্বশুর বাড়িতে পাঠানো হয়। সেসব মালামাল দেখে মন ভরেনি শিখার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের। এজন্য তারা শিখার মা রুনু আক্তারের সঙ্গে বাজে আচরণ করেন। পরে রুনু আক্তার তার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরদিন স্বামীকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি আসেন শিখা। রাতে মায়ের সঙ্গে ফোনে অনেকক্ষণ কথা হয়। পরে ৬ আগস্ট শিখার বাবা তার শ্বশুরবাড়ি যান। তখন শাশুড়ি আছমা বেগম তাকে জানান, শিখাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। রুহুল তার শ্বশুরকে জানান, রাতে শিখার সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে। তখন শিখার মায়ের সন্দেহ হয়, শ্বশুর বাড়ির লোকজন হয়ত তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে।

পরে রুহুল আমিনের বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ৬ আগস্ট বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শিখার লাশ পায় পরিবার। এসময় শিখার গলায় কলসি বাঁধা ছিল। এ ঘটনায় ৬ আগস্ট দোহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন শিখার মা রুনু আক্তার।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দোহার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসিন মুন্সী। ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রতিদিন হতাহত ৪০০ শিশু: ইউনিসে

গত ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে নির্বিচারে বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এতে প্রতিদিন হতাহত হচ্ছে প্রায় ৪০০ ফিলিস্তিনি শিশু।

এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে জাতিসংঘের শিশু নিরাপত্তা ও অধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ ।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে গত ১৮ দিন ধরে চলমান লড়াইয়ে ২ হাজার ৩৬০ শিশু নিহত হয়েছে বলে ইউনিসেফ জানিয়েছে। এছাড়া সংঘাতে আহত হয়েছে আরা ৫ হাজার ৩৬৪ শিশু।

গত ৭ অক্টোবর থেকে নির্বিচার ইসরায়েলি বোমা হামলায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। অর্থাৎ ইসরায়েলের হামলায় যেসব ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন তার মধ্যে প্রায় অর্ধেকই শিশু।

দোহারের পদ্মা সরকারি কলেজে নতুন অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল মজিদ

দোহার(ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার দোহার উপজেলার পদ্মা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেছেন প্রফেসর মো: আব্দুল মজিদ। গত ১৮ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক আদেশে তিনি সংযুক্ত দায়িত্বে পদ্মা সরকারি কলেজে নিয়োগ পান। ২৩ অক্টোবর পদ্মা সরকারি কলেজে ১ম দিনের মত অফিস করেন। এসময় উপস্থিত শিক্ষক ও কর্মচারীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল জলিল শিক্ষকদের পক্ষ থেকে অধ্যক্ষকে উষ্ম অভ্যর্থনা জানিয়ে বলেন, আজ আমরা একজন বিসিএস ক্যাডার প্রিন্সিপাল ও পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ অভিভাবক পেয়েছি, ইনশাআল্লাহ স্যারের হাত ধরে কলেজের একাডেমিক প্রশাসনিক উন্নয়ন হবে। সহকারি অধ্যাপক লুৎফর রহমান হাওলাদার বলেন, অধ্যক্ষ স্যারকে পেয়ে আমরা ধন্য, স্যারের সব ধরনের প্রচেষ্টার সাথে আমরা শিক্ষকরা সকলেই এক হয়ে কলেজের উন্নয়নে কাজ করে যাবো। এসময় তিনি পদ্মা কলেজ প্রতিষ্ঠার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরেন। হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এমারত হোসেন নতুন অধ্যক্ষকে স্বাগত জানিয়ে কলেজের অবকাঠামোগত এবং একাডেমিক উন্নয়নের প্রত্যাশা করেন।

প্রফেসর আব্দুল মজিদ তার নিজ এলাকা দিনাজপুর বোর্ড থেকে মাধ্যমিক এবং রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। প্রফেসর আব্দুল মজিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামের ইতিহাস বিষয়ে অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

প্রফেসর আব্দুল মজিদ ১৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নীলফামারী সরকারি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কর্ম জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে বেশ কিছুদিন সহকারী পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, দিনাজপুর বোর্ডের সচিবের দায়িত্ব এবং পাশাপাশি তিনি বিখ্যাত সান্তাহার সরকারি কলেজ, খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজসহ বেশ কয়েকটি কলেজে শিক্ষকতা করেন। সর্বশেষ তিনি কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন এবং ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বও পালন করেছেন।

নবাগত অধ্যক্ষের বক্তব্যে তিনি পূজার ছুটিতেও কলেজে উপস্থিত হয়ে তাকে সুন্দর ভাবে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি কলেজের আর্থিক, অবকাঠামোগত এবং শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে খোজ খবর নেন।

জানা যায়, তিনি ব্যক্তিগত জীবনে দুই কন্যা সন্তানের বাবা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন মানব সেবক ও সাদা মনের সফল মানুষ । তিনি রুটিন করে প্রতি বৃহস্পতিবার বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে নিজ ফান্ড থেকে গরিব ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা খরচ দান করে থাকেন। তিনি একজন সফল স্কাউট ব্যক্তিত্বও বটে।

 

বিলুপ্তির পথে জাতীয় পাখি দোয়েল, কারণ কী?

জাতীয় পাখি লাউ কিংবা শিমের মাচায় বা বাড়ির আঙিনায়-উঠানে যে পাখিকে নেচেখেলে চলতে দেখা যেত, আনাচে–কানাচে শিস বাজিয়ে মানুষের দ্বারপ্রান্তে থেকে মিষ্টি সুরে ডাক দিত, সেই পাখিকে আজ আর তেমন একটা দেখা যায় না। কেবল বাংলাদেশ সরকারের দুই টাকার নোটেই যেন তার দেখা মেলে। সবুজ প্রকৃতিজুড়ে থেকে মানুষকে বিমোহিত করা পাখিটা আজ কোথায়? কোথায় হারিয়ে গেল! একটা সময় ছিল যখন দোয়েল পাখির আনাগোনায় প্রকৃতি সৌন্দর্যময় ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠত। সবুজ প্রকৃতিজুড়ে ছিল যার অবাধ বিচরণ। সকালবেলা সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মিষ্টি সুরে ডাক পেড়ে মানুষের ঘুম ভাঙাত এই পাখি। তার মিষ্টি সুরে যে কেউ বিমোহিত হয়ে যায়, যেন মানুষের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক।

কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, সাদা-কালো এ পাখি এখন আর তেমন দেখা যায় না। টিয়া, ঘুঘু, কাক, মাছরাঙা ইত্যাদি পাখি বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেলেও জাতীয় পাখি দোয়েল চোখেই পড়ে না। মুরব্বিরা বলতেন, মুয়াজ্জিনের আজানের সুরে এরা সুর মেলাত। আর গাছের ডালে বসে নামাজ পড়ত। একটা সময় পরিচিত এ পাখির চিঁ চিঁ শব্দ শুনতে পাওয়া গেলেও তার সুর এখন আর শোনা যায় না বললেই চলে। অথচ আগে বাঁশগাছ, নারকেল আর শজনেগাছে অথবা বাড়ির ছাদে পাখিটিকে সব সময় দেখতে পাওয়া যেত। নদীর ভাঙনের ফলে ফসলি জমিতে উঠছে ঘরবাড়ি, জনসংখ্যার প্রভাবে কোথাও না কোথাও প্রতিদিন নতুন নতুন ঘরবাড়ি তৈরি হচ্ছে। আর এসব করতে গিয়ে গাছ কেটে বন উজাড় করে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যসংকট এবং যথাযথ বাসযোগ্য স্থানের অভাবে দোয়েল আজ বিলুপ্তপ্রায়। অতিরিক্ত মুনাফার আশায় বনে চোরা শিকারিরা বিভিন্ন ফাঁদ পেতে পাখি শিকার করে বাজারে বিক্রি করছেন। এতে শিকারের হাত থেকে জীবন রক্ষার্থে পাখিরা অন্যত্র চলে যাচ্ছে। অনেক সময় তাঁদের হাতে মারাও যাচ্ছে পাখি।

দোয়েল আমাদের জাতীয় পাখি। এটি সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করা দরকার। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারেরও উচিত কঠোর আইন প্রণয়ন করে পাখি শিকারের ওপর বিধিনিষেধ আরও জোরদার করা।

জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট দোহার শাখার প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহার উপজেলায় দোহার প্রেসক্লাবে নতুন ভবনে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট দোহার শাখার প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় দোহার প্রেসক্লাবে নতুন ভবনে দোহার উপজেলার জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের দোহার শাখর আহ্বায়ক মাহমুদ নাহিদের সভাপতিত্বে প্রধান উদ্ধোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত। সভায় মাহমুদ নাহিদকে দোহার উপজেলার শাখার গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি, সহ সভাপতি তিনজন কাজল চন্দ্র সূত্রধর, রনি আহাম্মেদ ও একলাপ শিকদার, সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান উদ্যম, সহ সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন শফিকুল ইসলাম, হিরোন মাদবর, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হিরন সরদার, প্রচার সম্পাদক পদে তারা মিয়া, দপ্তর সম্পাদক পদে জাহিদুর ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আব্দুলা আল নুমান, যুব বিষয়ক সম্পাদক পদে আব্দুল রাজ্জাক, মহিলা বিষয় সম্পাদিকা পদে তাহামিনা মুনা, কোষাধ্যক্ষ পদে সাইফুল্লাহ খান ও ১০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ নৌজান শ্রমিক ফেডারেশন ও বাংলাদেশ লন্স লেবার এসোসেয়িশেনর সভাপতি মোঃ শাহ আলম ভূঁইয়া, মোঃ আবু সাঈদ, বেলায়েত হোসন নয়ন,আতিকুল ইসলাম টিটু,ফজল সূত্র ধর,আব্দুল রাজ্জাক, কাজল সূত্র ধর, মেহেদী হাসান প্রমুখ। সম্মেলন শেষে সবাইকে শপথ বাক্য পাঠ করার জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত।