দোহারে ইয়াবা-হেরোইন সহ যুবক গ্রেফতার

রিপোর্টার আলআমীন: দোহার উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের রামনাথপুর এলাকার চান্দেরবিল থেকে মাদকসহ নজরুল ইসলাম পিয়াল (২৭) নামে এক যুবককে মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত পিয়াল এলাকার নূর-ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, (২৭ জানুয়ারি) শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গোপন সংবাদ পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ চোকদার স্থানীয়দের সহায়তায় মাদক ব্যবসায়ী পিয়ালকে হেরোইন ও ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশকে খবর দেন। পরে দোহার থানা পুলিশ আটককৃতকে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশের এসআই মো.আল আমিন জানান, খবর পেয়ে বিলাসপুর থেকে মাদক ব্যবসায়ী পিয়ালকে ৬০ পিছ ইয়াবা, ১ গ্রাম হেরোইন ও তিনটি মোবাইলসহ থানায় নিয়ে আসা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্মার্ট ফোনকেই আমাদের পাঠাগার বানাতে হবে: দোহারে সলিমুল্লাহ খান

ঢাকার দোহার উপজেলায় উজান গণগ্রন্থাগার’র ২য় বর্ষপূর্তি উৎসব উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকাল তিনটায় দক্ষিন জয়পাড়া রূপালী জোৎস্না (সাবেক মেয়রের বাসবভন) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উজান গণগন্থাগারের সভাপতি আব্দুর রাকিব তালুকদারের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও গবেষক সলিমুল্লাহ খান।
এ সময় সলিমুল্লা খান বলেন, বর্তমানে স্মার্ট ফোনের ব্যবহারের চাহিদা অনেক বেড়েছে। শিশুরাও এর দিকে আসক্তি হচ্ছে। তাই আমাদের তাদেরকে স্মার্ট ফোনের মধ্যেমে পড়ার দিকে নিয়ে আসতে হবে। স্মার্ট ফোনে বিভিন্ন বই দিয়ে দিতে হবে যাতে তারা সে গুলো দেখে পড়ায় অবস্থ হয়।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন ছোট থেকেই পড়ার অবস্থ ছিলাম। আমি যখন বিশ্বিবদ্যালয়ের লেখা পড়া করি তখনও আমি লাইব্রেরিতে বসে বসে বিভিন্ন লেখকের লিখা পড়তাম। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন, কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, জয়পাড়া কলেজে অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, সুরুজ আলম সুরুজ, কাইয়ুম আহমেদসহ উজান গণগ্রন্থাগারের সদস্য গন।

দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ১৭ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫০ জন: ইসি

0

দেশে এখন মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ১৭ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ২০ লাখ ৯০ হাজার ১৩৭ জন এবং নারী ৫ কোটি ৯৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৯ জন। এছাড়া, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯২৪ জন।

গত রোববার (২১ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ভোটার বেড়েছে ২০ লাখ ৮৬ হাজার ১৬১ জন। তার মধ্যে নারী ভোটার ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯০, পুরুষ ১৩ লাখ ২০ হাজার ৩৯৬ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৭৫ জন।

অশোক কুমার দেবনাথ আরও জানান আগামী ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশে ভোটার ছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন।

 

খেলারাম দাতা’র কিংবদন্তি

0

পারভেজ রবিন : ‘খেলারাম দাতা-র কোঠা’ ও ‘আন্ধারকোঠা’ নামে পরিচিত প্রাচীন স্থাপনাটি ও দীঘি ঘিরে ছড়িয়ে আছে খেলারাম দাতা’র কিংবদন্তি। এই দালানটি কলাকোপার অস্তিত্বে থাকা সবচে’ পুরোনো দালান-কোঠা। ২০১৪ সালে এটি সংস্কার করা হয়। সেই সময় এটা যে উপকরণ দিয়ে বানানো হয়েছিল সেই চুন-সুরকি দিয়ে আনুমানিক আদি রুপ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বলা হয়ে থাকে এর একটি তলা মাটিতে দেবে গিয়েছে, সেখানে এখন আর যাওয়া যায় না। খেলারামকে ঘিরে বেশ কয়েকটি কিংবদন্তি এলাকাবাসীর মধ্যে প্রচলিত আছে।

খেলারাম সমন্ধে ঐতিহাসিক তথ্য তেমন পাওয়া যায় না। ইতিহাস বইগুলোতেও তেমন কিছু লেখা নেই। যা কিছু আছে এলাকাবাসীর মৌখিক কিংবদন্তিতে। নবাবগঞ্জের শিশুরা খেলারামের গল্প শুনতে শুনতে বড় হয়।

অনেক বছর আগে একটা জাতীয় পত্রিকার শিশু-কিশোর পাতায় খেলারাম নিয়ে একটা নিবন্ধ ছাপা হয়েছিল। আর বিটিভিতে এক অনুষ্ঠানে এটি ফিচার করা হয়েছিল, সেখান থেকে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। বিটিভির তথ্য ও কিংবদন্তি অনুসারে খেলারাম জলদস্যু ছিলেন। তার মাতৃভক্তি অতি প্রসিদ্ধ।

খেলারাম সারাজীবন ডাকাতি করে প্রচুর সম্পদ অর্জন করলেও এক সময় তার মধ্যে অনুতাপ সৃষ্টি হয়। ডাকাতি ত্যাগ করে বাড়িতে স্থায়ী হন। এবং পাপ মোচন করতে প্রচুর দান খয়রাত শুরু করেন। এজন্য তার নামের সাথে “দাতা” শব্দটি স্থায়ী ভাবে লেগে যায়। ইদানিং কেও কেও তাকে “খেলারাম দাদা” বলেন, এটি ভুল সম্ভোধন। দাতা বিকৃত হয়ে দাদায় পরিণত হয়েছে। তার প্রকৃত সারনেম জানা যায় না। কেও কেও ‘দত্ত’র সাথে দাতার মিল দেখে মনে করেন তার সারনেম দত্ত ছিল। যেহেতু ‘দাতা’ উপাধির ব্যাক্ষা পাওয়া যায় তাই ‘দত্ত থিওরি’ গ্রহণযোগ্য মনে হয় নি। যদি সারনেম দত্ত হয়েও থাকে তবুও দত্ত থেকে দাতা হয় নি, দানের কারণে দাতা হয়েছে। অর্থাৎ ‘দাতা’ থেকে আমরা ‘দত্ত’-এ যেতে পারছি না।

বিটিভির তথ্য অনুযায়ী তিনি ব্যবসায় করতে মালয় সাগর পর্যন্ত যেতেন, এবং পর্তুগিজদের সাথে মিলে জলদস্যুতা করতেন। স্থানীয় জনশ্রুতিতে তিনি কোথায় জলদস্যুতা করতেন তা বলা না হলেও জীবনের একটা পর্যায় পর্যন্ত দস্যুতার ব্যাপারে একমত। তার জাহাজ ইছামতিতেও আসত। বাড়ী থেকে নদী পর্যন্ত একটা সুরঙ্গ ছিল যেটি দিয়ে তিনি তার জাহাজে যাতায়াত করতেন বলে প্রচলিত আছে। সেই সময় কোনো বাঙালি সাগরে জাহাজ ভাসিয়েছেন বিষয়টাই রোমাঞ্চকর।

কয়েকটি পত্রিকা লিখেছে প্রাসাদটি উনবিংশ শতকে তৈরী করা হয়েছে। আর বিটিভি বলেছে সপ্তদশ শতকের কথা, সেই হিসেবে চারশত বছরের পুরোনো। বিটিভির মত অধিক গ্রহণযোগ্য। উনবিংশ শতকে তৈরি করা দালান কলাকোপায় এখনও বেশ ভালভাবেই টিকে আছে। আর এটি দেখলেই বোঝা যায় আরও অনেক আগের। দেড়শত বছর আগের হলে ইতিহাসে খেলারাম দাতার বিবরণ থাকত আর কিংবদন্তিগুলো কিংবদন্তি না হয়ে মানুষের চোখে দেখা ঘটনা হত।

খেলারাম দাতার পিতার সমন্ধে কোনো বিবরণ আমরা পাই না। তার জীবন কাহিনীতে মায়ের অবস্থান পুরোটা জুড়ে। কিংবদন্তিগুলো বয়ে চলেছে তাকে, তার মা আর দীঘিটাকে ঘিরে। খেলারাম দাতা’র কিংবদন্তি যা প্রচলিত আছে-

১. এক রাতে মাটির নিচ থেকে উঠেছে: প্রচলিত আছে দালানটি এক রাতে মাটির নিচ থেকে উঠে এসেছে। এই কিংবদন্তিটা বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়, দেশে বিভিন্ন এলাকায় একই রকম কিংবদন্তি প্রচলিত আছে প্রাচীন কোনো দালানের ব্যাপারে। মাত্র ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে বান্দুরার ভাঙা মসজিদ সমন্ধে একই কথা প্রচলিত ছিল।

২. বাসন-দেয়া দীঘি: আন্ধারকোঠার সামনেই বড় একটা দীঘি আছে। এই দিঘীর পাড়ে এসে কেও থালা বাসন চাইলে পানির নিচ থেকে উঠে আসত। ব্যবহারের পর ফেরত দিতে হত। কেও একজন ফেরত না দেয়ায় তারপর থেকে আর বাসন-কোসন আসা বন্ধ হয়ে যায়। এরকম বাসন-দেয়া পুকুরের কিংবদন্তি দেশের আরও এলাকায় প্রচলিত আছে।

৩. সোনার নাও পবনে চলে: এটা খেলারামের সোনার নৌকা ছিল যা পবনে চলে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে স্বর্ণ নির্মিত কোনো নৌকা বাতাসের উপর চলে। বাস্তবে হতে পারে এমন নৌকা যার গায়ে স্বর্ণ খচিত নকশা ছিল বা কোনো একটা অংশে স্বর্ণের প্রলেপ ছিল। খেলারামের মত ধনী ব্যক্তির জন্য যা থাকা স্বাভাবিক। আর পবনে চলা মানে পাল তোলা নৌকা। পালতোলা নৌকা কেও দীঘি বা পুকুরে ব্যবহার করে না। কিন্তু সমুদ্রযাত্রী খেলারাম সমুদ্রের রিজেম্বল হিসেবে পাল তোলা নৌকা তার দীঘিতে ভাসিয়ে থাকতেই পারেন।

৪. দুধের চৌবাচ্চা: খেলারামের মা চেয়েছিলেন দুধের চৌবাচ্চায় সাতরে দুধ খেতে। মাকে খুশি করতে খেলারাম সেটি তৈরি করেছিলেন। ভবনের টিকে থাকা অংশে চৌবাচ্চাটি আমি খুঁঁজেছি, পাই নি। হয়তো আলাদা কোনো ইমারত হতে পারে সেটি। দোতলায় একটা ছোট ঘরে ছোট একটা হাউজের মত আছে যেটিকে সেই চৌবাচ্চা মনে করা হয়, কিন্তু সেটিতে সাতরানো সম্ভব না।

৫. সুড়ঙ্গ: সুড়ঙ্গের কথা আগে বলেছি। যেটি খেলারামের বাড়ি থেকে ইছামতির পাড় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। খেলারাম ডাকাতি করে এসে ওই সুড়ঙ্গ দিয়ে প্রাসাদে প্রবেশ করতেন। যেটি শত শত বছরে বন্যায় ও ভূমিকম্পে ভরাট হয়ে বা ধ্বসে গিয়েছে। কোথায় কোন যায়গার নিচ দিয়ে গিয়েছে তার কোনো নিদর্শন এখন আর নেই, আশে শুধু বিশ্বাসে।

৬. খেলারামের মৃত্যু: একদিন খেলারাম মা’কে বলে, “মা, স্নান করতে যাই।” মা উত্তর দিয়েছিলেন, “যা।” তারপর খেলারাম দীঘিতে গিয়ে ডুব দিল আর উঠল না। সেই থেকে কলাকোপার মায়েরা সন্তানকে কখনও “যা” বলে না।

খেলারাম দাতার দীঘি

৭. স্বপ্নের গুপ্তধন: জলদস্যুর গুপ্তধনের কিংবদন্তি থাকবে না তা কি করে হয়! আগে থেকেই প্রচলিত ছিল যে এই প্রাসাদে গুপ্তধন আছে। বহু লোক বহু অনুসন্ধান করেছে, কেও পায় নি। খেলারামের কোনো এক বংশধর স্বপ্নে সেই গুপ্তধনের সন্ধান পায়। তারপর এক রাতে এসে তুলে নিয়ে যায়। এটা অবশ্য আধুনিক কালের ঘটনা।

বাস্তবে যা-ই ঘটুক না কেন নবাবগঞ্জে খেলারাম দাতা এক রহস্যময় পুরুষ যার গল্প বয়ে চলেছে যুগ-যুগান্ত ধরে।

হেরেও এমপি হচ্ছেন সালমা ও শেরিফা

0

আবু বকর, নিউজ৩৯ঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বড় ব্যবধানে হেরেছেনন জাতীয় পার্টির (জাপা) কো চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম ও দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের স্ত্রী প্রেসিডিয়াম সদস্য শেরীফা কাদের। তবে হেরেও জাপা থেকে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলের মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন। কারণ, জাতীয় পার্টিকে পরিচালনা করতে সবসময় অর্থের জোগান দিয়ে থাকেন সালমা ইসলাম। এবারও তিনি দলকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেতে তিনি দলীয় ফান্ডে ৫ কোটি টাকা জমা দেবেন। অপরদিকে শেরীফা কাদের সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাচ্ছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের স্ত্রী হিসেবে। একাদশ সংসদেও জাপার সংরক্ষিত আসনে সালমা ইসলাম ও শেরীফা কাদের সংসদ সদস্য ছিলেন।
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী দল বা জোটগুলোর মধ্যে ৫০টি সংরক্ষিত আসন আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। সাধারণভাবে প্রতি ছয়টি আসনের বিপরীতে কোনো দল বা জোট একটি সংরক্ষিত আসন পেয়ে থাকে। যেহেতু জাপা এবার ১১টি আসনে জয় লাভ করেছে তাই তারা সর্বোচ্চ দুইটি সংরক্ষিত আসন পেতে পারে।

শরীফা গল্প পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের কমিটি গঠন

শরীফা গল্প পর্যালোচনায় ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়।

এতে বলা হয়, নতুন কারিকুলামে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা অধ্যায়ের শরীফা শিরোনামে গল্প নিয়ে উদ্ভূত আলোচনার প্রেক্ষিতে উক্ত বিষয়ে আরো গভীরভাবে পর্যালোচনা করে এনসিটিবিকে সহায়তা করার জন্যে ৫ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আব্দুর রশীদকে এই কমিটির আহবায়ক করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যবৃন্দ হলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর মুফতি মাওলানা কফিল উদ্দীন সরকার, এনসিটিবির সদস্য, মশিউজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর এর পরিচালক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ প্রমুখ।

শীতার্তদের সহায়তা সওয়াবের কাজ

প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে গরিব-দুঃখীরা বিপদে পড়েছেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে অসহায় শীতার্ত মানুষকে সহায়তা করা আমাদের একান্ত প্রয়োজন।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘বান্দা যতক্ষণ তার ভাইকে সাহায্য করবে, মহান আল্লাহ ততক্ষণ তাকে সাহায্য করতে থাকবেন।’ (মুসলিম)

এ হাদিসের ব্যাখ্যায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, বান্দা যেভাবে ভাইয়ের বিপদে সাহায্যকারী হয়েছে, আল্লাহও তার বিপদে দুনিয়া-আখেরাতে উত্তম সাহায্যকারী হবেন। মানবসেবায় নিজেকে সাধ্যমতো উৎসর্গ করা ধর্ম ও মানবিকতার দৃষ্টিতে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ কাজ।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি মানবসেবায় তার ভাইয়ের সঙ্গে চলে, ওই কাজ না করা পর্যন্ত আল্লাহ ৭৫ হাজার ফেরেশতা দিয়ে তাকে ছায়াদান করেন। তারা তাঁর রহমত মাগফেরাতের জন্য দোয়া করতে থাকে। তার প্রতি কদমে একটি গুনাহ মাফ হয় এবং একটি মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।’ (আত তারগিব)

অন্য হাদিস শরিফে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মহান আল্লাহতায়ালা বলেন, হে আদম সন্তান! তুমি ব্যয় কর, আমিও তোমার প্রতি ব্যয় করব।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৩৫২)।

গরিব-দুঃখীদের জন্য ব্যয় করা সম্পদ কমে যাওয়া নয় বরং এটা সৌভাগ্যের ব্যাপার। শীতের কারণে শীতার্তদের সর্দি-কাশি ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগব্যাধি আক্রান্ত করছে। অনেকে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্রের অভাবে তারা নিজেরা নিজেদের পরিবার আত্মীয়স্বজনকে ভালো চিকিৎসা করাতে পারছেন না। তাই জরুরি ভিত্তিতে শীতার্তদের প্রয়োজনীয় গরম কাপড়, লেপ কম্বলসহ ত্রাণসহায়তা, শুকনা খাদ্যসামগ্রী প্রদান, আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করাটা একান্ত জরুরি।

লেখক : ইমাম খতিব, মনিপুর বায়তুল আশরাফ (মাইকওয়ালা) জামে মসজিদ, মিরপুর, ঢাকা

ইসরায়েলি হামলায় গাজার এক হাজার মসজিদ ধ্বংস

গাজা উপত্যকায় ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার মসজিদ ধ্বংস হয়েছে। গাজার ওয়াকফ এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। গাজা উপত্যকায় আনুমানিক এক হাজার ২০০টি মসজিদ রয়েছে।

 

মন্ত্রণালয়ের মতে, সমুদ্রতীরবর্তী অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় শতাধিক ইমাম নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া ইসরায়েলি হামলায় একটি গির্জা, বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ভবন ও মাদরাসা এবং একটি ব্যাংক সদর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

এদিকে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, ইসরায়েলি হামলায় ২৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। পাশাপাশি আহত হয়েছে আরো প্রায় সাড়ে ৬২ হাজার মানুষ।

এ ছাড়া জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, ইসরায়েলি হামলার ফলে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ অঞ্চলের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

 সূত্র: আনাদোলু

নিউজ ৩৯ এ সংবাদ প্রকাশের পর ইটভাটাকে ৩লক্ষ টাকা অর্থদন্ড

দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে উর্বর কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে (টপ সয়েল) ইটের কাঁচামাল হিসেবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ইট ভাটায় বিক্রি এবং পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি সাধন করায় দোহার উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃমামুন খান মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এবং পবিসি ইট ভাটাকে ৩লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি ২০২৪ এর ১২ ও ২০ তারিখে news39.net এর পক্ষ থেকে লাইভ সম্প্রচার করা হয়। এসময় জনদূর্ভোগ, সরকারি বিধি অমান্য করে মাটি কাটা, কৃষি জমি বিনষ্ট করাসহ পরিবেশগত বিপর্যয় ঘটনার উপর সরাসরি নিউজ করায় আজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার, ২১ জানুয়ারি- দুপুরে দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চরমাহমুদপর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ কার্যক্রম প্রতিরোধকল্পে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মামুন খান।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে উর্বর কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে (টপ সয়েল) কাঁচামাল হিসেবে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ইট ভাটায় বিক্রি এবং পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি সাধন করায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় হরিচণ্ডি এলাকায় এক ব্যক্তিকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

পিবিসি ইটভাটায় লাইসেন্স নবায়ন ব্যতীত ইট প্রস্তুত, কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার, কাঁচামাল হিসেবে মাটির ব্যবহার হ্রাস না করা, গ্রামীণ সড়ক ব্যবহার করে ভারী যানবাহন দ্বারা ইট ও কাঁচামাল পরিবহন, লাইসেন্সের বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় পদ্মা ব্রিকস কোম্পানি (পিবিসি) নামক ০১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। ২টি মামলায় সর্বমোট ৩,০০,০০০/-(তিন লক্ষ টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে দোহার থানা পুলিশ সহযোগিতা করেন।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ মামুন খান অভিযান পরিচালনাকালে সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃষি জমি রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালনে উদ্বুদ্ধ করেন ও পরিবেশ ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও উন্নয়নের স্বার্থে দোহার উপজেলায় এ ধরণের নিয়মিত অভিযান ও মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

আবারও শিল্প এবং বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি

0

সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়কে প্রধানমন্ত্রীর অবৈতনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা এবং সালমান ফজলুর রহমান হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এছাড়াও ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীকে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ড. গওহর রিজভী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা। শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা করা হয়েছে ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে। আর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা হয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

এই ছয় উপদেষ্টার পাঁচজন আগের সরকারেও একই দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন। কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবার নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শিক্ষা ও সংস্কৃতির দায়িত্ব পেলেন।