প্রবাসী ও সৌদির নাগরিকদের জন্য হজের খরচ কমল

0

অভ্যন্তরীণ হাজি, নাগরিক এবং প্রবাসীদের জন্য দেশটির হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় হজের নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিজেদের ওয়েবসাইট ও নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে চূড়ান্ত করেছে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই হজের নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া এবার অভ্যন্তরীণ হাজি, নিজ নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য হজের খরচ কমানো হয়েছে।

এবার অভ্যন্তরীণ হাজিদের জন্য চারটি প্যাকেজ থাকবে। যার মধ্যে একটি হলো ‘কম খরচের’ প্যাকেজ। এবার এই প্যাকেজটির মূল্য কমিয়ে করা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ সৌদি রিয়াল। যা বাংলাদেশি অর্থে ৯২ হাজার টাকা।

এছাড়া পবিত্র স্থানগুলোতে আল মাসেয়ার ট্রেন সার্ভিসের ভাড়া ৪০০ রিয়াল থেকে ৩০০ রিয়াল করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে এ বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করেনি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়।

২০১০ সালে হাজিদের পরিবহণের জন্য আল মাসেয়ার ট্রেন সার্ভিস চালু করা হয়। এই সার্ভিসের ট্রেনগুলো মিনা, আরাফাত এবং মুজদালিফাহর ৯টি স্টেশনের মধ্যে চলাচল করে। শাটল ট্রেন সার্ভিসের মাধ্যমে পবিত্র নগরী মক্কার সঙ্গে সৌদির অন্যান্য অঞ্চলকে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই রুটের সর্বশেষ স্টেশনটি মিনার জামারাত ব্রিজের কাছে অবস্থিত। এই স্থানে প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে নুড়ি পাথর নিক্ষেপ করেন হাজিরা।

আগামী জুনে হজের নতুন মৌসুম শুরু হবে। তবে এবার আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব। অন্যবার পবিত্র মক্কায় নির্দিষ্ট দেশের জন্য নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ রাখা হতো। তবে এবার নিয়ম করা হয়েছে, যেসব দেশ আগে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে সেসব দেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থান বরাদ্দ পাবে।

দোহারে নারিশা ইউনিয়নে শীতার্ত মাঝে কম্বল বিতরণ

0

ঢাকার দোহার উপজেলায় নারিশা ইউনিয়নে অসহায় শীতার্ত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে সাড়ে এগারোটায় নারিশা ইউনিয়ন পরিষদের মাঠে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.আলমগীর হোসেনের নিজস্ব অর্থায়নে দুইশতাধিক পরিবারের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের জন্য মানুষ এগিয়ে আসবে এটাই আমাদের ধর্ম। আমাদের সবার উচিৎ নিজের সাধ্য মত গরিব অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো।গরিব অসহায়দের সুযোগ সুবিধাও আমাদের সবার দেখতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে যে মসজিদ তৈরি করেছে তাতে তার স্থান প্রথম স্থানে রয়েছে বলে আমি মনে করি।

সুতারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন,লেবু খান,বশির উদ্দিনসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

অ্যালোভেরার উপকারিতা ও গুনাগুন

0

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ। ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরার অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়। চুল ত্বকের পরিচর্যার ক্ষেত্রেও উপকারী উদ্ভিদ।

অ্যালোভেরার পুষ্টিগুণ

অ্যালোভেরা নানা ভিটামিন ও খনিজের উৎস। এটিতে প্রায় ২০ ধরনের খনিজ উপাদান রয়েছে। ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম, ক্রোমিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, কপার, ও ম্যাংগানিজ ইত্যাদি ভালো পরিমাণে রয়েছে। ভিটামিনের মধ্যে ভিটামিন এ, সি, ই এবং ভিটামিন বি১, বি২, বি৩,বি৬,ও ভিটামিন বি১২ রয়েছে।শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক সব অ্যামাইনো এসিডসহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে। এ ছাড়াও ফলিক এসিড, কোলিন, ফ্যাটি এসিড ও প্রচুর পরিমাণ  অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে।

অ্যালোভেরার উপকারিতা

  • অ্যালোভেরাতে থাকা ল্যাকটেটিভ উপাদান পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বাড়ায়। অ্যালোভেরার জুস ক্লান্তি দূর করে দেহকে সতেজ করে।
  • এটির ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
  • দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।
  • বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায়।
  • অ্যালোভেরাতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
  • অ্যালোভেরার আঠালো রস খাদ্যনালী ও পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার করতে পারে।
  • অ্যালোভেরার উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করে এবং দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে। এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে, যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।
  • অ্যালোভেরা জুসের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরে জমে থাকা মেদ দূর করে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমাতে সাহায্য করে।
  • অ্যালোভেরার উপাদানগুলো হাড় ও মাংসপেশীকে শক্তিশালীকে করে। হৃদযন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধ করে।অ্যালোভেরার উপকারিতা ও গুনাগুনঅ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ। ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরার অনেক উপকারিতা রয়েছে। এটি শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দেয়। চুল ত্বকের পরিচর্যার ক্ষেত্রেও উপকারী উদ্ভিদ।

    অ্যালোভেরার পুষ্টিগুণ

    অ্যালোভেরা নানা ভিটামিন ও খনিজের উৎস। এটিতে প্রায় ২০ ধরনের খনিজ উপাদান রয়েছে। ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, ম্যাগনেশিয়াম, ক্রোমিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, কপার, ও ম্যাংগানিজ ইত্যাদি ভালো পরিমাণে রয়েছে। ভিটামিনের মধ্যে ভিটামিন এ, সি, ই এবং ভিটামিন বি১, বি২, বি৩,বি৬,ও ভিটামিন বি১২ রয়েছে।শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক সব অ্যামাইনো এসিডসহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে। এ ছাড়াও ফলিক এসিড, কোলিন, ফ্যাটি এসিড ও প্রচুর পরিমাণ  অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে।

    অ্যালোভেরার উপকারিতা

    • অ্যালোভেরাতে থাকা ল্যাকটেটিভ উপাদান পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বাড়ায়। অ্যালোভেরার জুস ক্লান্তি দূর করে দেহকে সতেজ করে।
    • এটির ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও সুগারের মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
    • দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।
    • বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায়।
    • অ্যালোভেরাতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
    • অ্যালোভেরার আঠালো রস খাদ্যনালী ও পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার করতে পারে।
    • অ্যালোভেরার উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করে এবং দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে। এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে, যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।
    • অ্যালোভেরা জুসের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরে জমে থাকা মেদ দূর করে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমাতে সাহায্য করে।
    • অ্যালোভেরার উপাদানগুলো হাড় ও মাংসপেশীকে শক্তিশালীকে করে। হৃদযন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

     

    এছাড়াও দাঁতের যত্নে

    অ্যালো ভেরার রস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথার উপশম করে থাকে। দাঁতে কোনও সংক্রমণ থাকলে দূর করে। নিয়মিত অ্যালো ভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করা সম্ভব।

    ক্যানসার প্রতিরোধক

    গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, অ্যালো ভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যানসার বিস্তার রোধ করে। এ ছাড়াও শরীরের আরোও অনেক স্থানের ক্যানসার প্রতিরোধেও অ্যালোভেরা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে বলে মনে করেন অনেকে।

    এ ছাড়াও সংবহনতন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষায়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ও ডায়াবেটিস কমাতেও এর ভূমিকা আছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ইহুদি জাতির ইতিহাস, পরিচয় ও বর্তমান জানার জন্য যে বই পড়বেন

0

একজন নবি বিরশেবা থেকে হারান প্রান্তরে গেলেন মামা বাড়িতে। সেখানে গিয়ে মামাতো বোনদের বিয়ে করেন। কালে কালে তার বারো জন পূত্র ও একজন কন্যা জন্ম নেয়। তার সবচে প্রিয় পূত্রকে দশ পূত্র কূয়ায় ফেলে দেয়। স্রষ্টার ইচ্ছা তাকে নিয়ে যায় মিশরে, সেখানে জেলবাস থেকে উজিরে পরিণত হন। কানান থেকে নবি পিতা ইয়াকুব ও পরিবারের বাকি সবাইকে নিয়ে যান মিশরে। অনেক অনেক বছর পর আরও একজন বড় নবি আসেন তাদের মাঝে। নবি মুসা ফেরাউনের অত্যাচার থেকে স্বজাতিকে বাচাতে আল্লাহর নির্দেশে লোহিত সাগরের এক প্রান্ত পাড়ি দেন। সেই সময় তার জাতি হিব্রু নামে পরিচিত ছিল।

অনেক ঘটনার পর তারা কানানভূমিতে রাজ্য স্থাপন করে। সেই রাজ্য দুটো ভাগ হয়ে যায়, একটা বিলুপ্ত হয়, অধিবাসীরা চিরকালের জন্য হারিয়ে যায়। অপর রাজ্যও এক সময় বিলুপ্ত হয়। এবার অধিবাসীরা হারিয়ে না গেলেও ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের জনপদে। এসব ইতিহাস মোটামুটি সবার জানা। এর ভেতরেও আরও অনেক গভীর ইতিহাস আছে। 

দুই সহস্র বছর পর আবার তারা আলোচনায়, পূর্ব ইউরোপ থেকে দলে দলে ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা ফিলিস্তিনে গিয়ে নতুন “রাষ্ট্র” প্রতিষ্ঠা করে। সেই থেকে অদ্যবধি সংঘাত, হত্যা, উচ্ছেদ, যুদ্ধ চলছেই। যে কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে ইহুদিদের ইতিহাস ও পরিচয় জানার আগ্রহ বেশি। 

ফিলিস্তিন-ইজরায়েল কেন্দ্রিক ঘটনাপ্রবাহ, তিনটি ধর্মের এস্কেটেলজি অনুসারে কেয়ামত পূর্ববর্তী ঘটনাগুলোর আভাস, ক্রমবর্ধমান ইহুদি প্রভাব, এসব কারণে মানুষের মধ্যে ইহুদি জাতির ইতিহাস নিয়ে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। আর এই কারণেই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রসঙ্গে নিয়মিত বই প্রকাশিত হচ্ছে। এতো বেশি বের হচ্ছে যে মনে হচ্ছে সবারই একটা ইহুদি বিষয়ক বই থাকতে হবে।

সেই সব বইয়ের মধ্যে শুরু থেকে ইতিহাসের গভীরতায় ডুব দেবার মত একটা তালিকা করেছি।

১. হিব্রু থেকে ইহুদি

লেখক: খন্দকার মাহমুদুল হাসান

৮৮ পৃষ্ঠার বইটিকে ইহুদি ইতিহাসের একটা বেসিক বই বলা যেতে পারে। আরও বড় ও জটিল ইতিহাস পড়ার আগে সামগ্রীক বিষয়ে প্রথামিক ধারণা নেবার জন্য আদর্শ বই। সেকুলার দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা ইতিহাস বর্ণনা নিরপেক্ষ। জাতির উৎপত্তি, নামের অর্থ থেক শুরু করে আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত ইতিহাস সহজে সংক্ষেপে বর্ণনা করা হয়েছে।

বইয়ের লিংক

২. ইহুদি জাতির ইতিহাস

লেখক: আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

এই বইটা ইহুদিদের ধর্মীয় ইতিহাস। এতো প্রাচীন ইতিহাসের সবকিছুর ঐতিহাসিক এভিডেন্স নেই। কিন্তু ইহুদি ধর্মে, খ্রিস্টান ধর্মে ও ইসলামে এই ইতিহাস বিবৃত আছে বিশদভাবে। এই তিন ধর্মে কী ঘটনার ধারা বিবৃত আছে সেটি পাশাপাশি বর্ণনা করে গিয়েছেন লেখক আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ। কোথাও কোথাও ইহুদি বর্ণনা ও ইসলামি বর্ণনায় পাথর্ক আছে সেগুলো উল্লেখ করেছেন তিনি। এটা কোনো প্রত্নতাত্বিক ইতিহাসের বই নয়। বাংলা ভাষায় এটাই সবচে বিশদ ইতিহাস। এই ইতিহাস তিনি দুটো বইয়ে লিখেছেন, বাকিটি পরের বইতে।

বইয়ের শেষে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সংক্ষিপ্ত জীবনী সংযুক্ত করা হয়েছে, যেটি প্রাসঙ্গিক লাগে নি। তবে এমন ব্যতিক্রমি তথ্যবহুল জীবনী পড়তে ভালও লেগেছে।

বইয়ের লিংক

৩. ইসরাইলের উত্থান-পতন

লেখক: আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

উপরের বইটির দ্বিতীয় খণ্ড এটি। আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ এই খণ্ডে ইসা (আ.) এর কিছুটা আগে থেকে বাকি ইতিহাস বর্ণণা করেছেন। আমার একটা জিনিস ভাল লাগে নি, বইয়ের শেষে বিশাল অংশ জুড়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। সেই সব প্রশ্নের বেশ কিছু প্রাসঙ্গিকও নয়। এই সব প্রশ্নের উত্তর তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিতে পারতেন। 

বইয়ের লিংক

৪. ইসরায়েলের পূত্রগণ

লেখক: এম ইদ্রিস আলী

সেকুলার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা ইতিহাস। যদিও ইহুদিদের প্রতি মোহযুক্ত, এবং ইহুদিদের সরবরাহ করা সূত্র গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে; লেখক সেসব লুকান নি, তবু ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করে গিয়েছেন নিরপেক্ষভাবে। তবে প্রথমেই এই বইটি পড়ার পরামর্শ দেব না কারণ এটি একটু এডভান্সড বই। উপরের বই তিনটি যিনি পড়েছেন, অর্থাৎ ইতোমধ্যে ইহুদি ইতিহাস বেশ জানেন তাদের জন্য রিকমান্ডেড। বইয়ের বিশ্লেষণ গভীর। একটা সামগ্রীক বইয়ে ইহুদিদের ইতিহাস, ধর্মীয় বিষয়সমূহ  পাওয়া যাচ্ছে। ইহুদি ইতিহাস ও পরিচয় নিয়ে বাংলা ভাষায় সম্ভবত এটিই সবচে’ জটিল কাজ।

বইয়ের লিংক

৫. জুদাইজম

লেখক: মাসরুর ইশরাক

লেখক নিজেই বলেছেন এই বইয়ে জুদাইজমের তিনটা বিষয় সম্পর্কে তিন ভাগে আলোচনা করেছেন। প্রথম ভাগে আলোচিত হয়েছে হিব্রু জাতির ইতিহাস সম্পর্কে। তাদের উত্থান, সাম্রাজ্য বিস্তার, শাসন কাঠামো, দ্বন্দ্ব এবং অবশেষে পতন। দ্বিতীয় ভাগে হিব্রু জাতির ধর্মীয় বিশ্বাস; তাদের ধর্মীয় গ্রন্থসমূহ, বিশ্বাস, ইহুদি ধর্মের বিবর্তন, আইন ইত্যাদি বিষয়াবলি তুলে ধরা হয়েছে। তৃতীয় ভাগে ইহুদি এস্কেটোলজি, মেসিয়াহ, জায়োনিজম, খ্রিষ্টান এবং মুসলিম সম্পর্কে ইহুদিদের ধারণা, পরকালীন জীবন সম্পর্কে ইহুদি বিশ্বাস প্রভৃতি বিষয় উত্থাপন করা হয়েছে। 

প্রাচীন ইতিহাস এহুদা রাজ্যের পতনের সাথে শেষ করেছেন। এর পরের ইতিহাস ইসরাইলের উত্থান-পতন বইটিতে পাবেন। এই বইয়ে ইহুদি এস্কেটোলজি বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। বইটির বিশেষ বৈশিষ্য হল লেখক ইতিহাস বর্ণনা করেছেন শুধু ইহুদি রেফারেন্সের ভিত্তিতে, অর্থাৎ ইহুদিরা তাদের ইতিহাস যেভাবে বিশ্বাস করে বা বর্ণনা করে সেভাবে। প্রাচীন ইতিহাসের ব্যাপারে ইহুদি ও খ্রিস্টান বিশ্বাস একই রকম।  আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ ইহুদি বর্ণনা ও ইসলামি বর্ণনা দুটোর মধ্যে সমন্বয় করেছেন, কখনও একই রকম, যেখানে আলাদা সেখানে দুটোই উল্লেখ করেছেন। আর মাশরুর ইশরাক দিত চেয়েছেন সেই তথ্য যেটা ইহুদিরা বিশ্বাস করে। তাই ইহুদি বিশ্বাস বোঝার জন্য এটা ভাল বই।

লেখক টার্মগুলো ইহুদিরা যেভাবে উচ্চারণ করত সেভাবে লিখেছেন অথাৎ হিব্রুতে যা বলা হয়, ইংরেজি বা লাতিন এড়িয়ে। সেই হিসেবে বইয়ের নামটি ঠিক করেন নি। যুদাইজম যা ইংরেজিতে জুডাইজম হিব্রুতে ইয়াহুদুত।

বইয়ের লিংক

৬. জেরুজালেম ইতিহাস

লেখক: সায়মন সেবগ মন্টেফো

জেরুজালেমে জন্ম ও বেড়ে উঠা সায়মন সেবগ মন্টেফোর লেখা ইতিহাসে যেখানে প্রো-ইজরায়েলি দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ ঘটেছে। এই বইতে জানা যাবে একজন বিদগ্ধ ইহুদি ইতিহাসকে কীভাবে দেখেন। যারা উপরের বইগুলো পড়ে ফেলেছেন তারা এই বইটি পড়তে পারেন। উপরের ৫টি বই যারা পড়েন নি তাদের এই বইটি ও তালিকার পরের বইটি পড়তে পরামর্শ দেব না।

বইয়ের লিংক

৭. জেরুসালেম ওয়ান সিটি থ্রি ফেইথস

লেখক: ক্যারেন আমস্ট্রং

প্রখ্যাত থিওলজিস্ট ক্যারেন আমস্ট্রং এর লেখা বই। তিনটি বিশ্ব ধর্মের জেরুজালেম কেন্দ্রিক ইতিহাস বিবরণ।  একজন সেকুলার থিওলজিস্টের দৃষ্টিতে ইতিহাসের বিশ্লেষণ, যেখানে আপনি জানা ইতিহাসের ভিন্ন ন্যারেটিভ পাবেন। মূলত বোঝতে পারবেন পশ্চিমে ইহুদি ইতিহাসকে কীভাবে দেখা হচ্ছে।

বইয়ের লিংক

৮. সিক্রেটস অব জায়োনিজম : বিশ্বব্যাপী জায়োনিস্ট ষড়যন্ত্রের ভেতর-বাহির

লেখক: হেনরি ফোর্ড

বইটি “ইহুদি-বিরোধী” অভিযোগে অভিযুক্ত। লেখক কোনো প্রথাগত লেখক নন, একজন ব্যবসায়ী যিনি আমেরিকায় ব্যবসায় করতে গিয়ে সর্বক্ষেত্রে একটি গোষ্ঠীর বিশেষ নিয়ন্ত্রণকামী মানসিকতা দেখে ধারাবাহিকভাবে কলাম লিখতে শুরু করেন। তিনি ফোর্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ফোর্ড। এন্টি-সেমিটিক অভিযোগে বইটিকে হাওয়া করে দেয়া হয়েছিল। এটি সারাবিশ্বে আবার প্রকাশিত হচ্ছে। 

বইয়ের লিংক

৯. দ্য কিংডম অব আউটসাইডারস

লেখক: সোহেল রানা

এটা আধুনিক ইতিহাসের ভিত্তিতে লেখা, প্রাচীন ইতিহাস আছ অল্প। মূলত “ইজরায়েল” প্রতিষ্ঠা ও তার পরবর্তী ঘটনা, মোসাদের কার্যক্রম, রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাত এসবই আলোচ্য। বলা যায় বিশ্লেষণধর্মী বই।

বইয়ের লিংক

১০. ইহুদি ও খ্রিষ্টান জাতির ইতিহাস

লেখক: ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান আজমি

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা ইতিহাস। লেখক ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান আজমি ইহুদি ইতিহাসকে কুরআন-হাদিসের আলোকে এবং যুক্তির নিরিখে ব্যাক্ষা করেছেন। ইহুদিদের আদি নিবাস এবং উৎপত্তিস্থল থেকে ঐতিহাসিক উত্থান-পতন থেকে কীভাবে এলো আজকের ইসরাইল? সেটিও তিনি ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরেছেন। খ্রিস্টান ধর্মের ইতিহাস ইহুদি ধর্মের ইতিহাসে প্রোথিত যদিও এর পর আলাদা পথ চলা। বইয়ে ইহুদি ধর্মের সাথে খ্রিস্টান ধর্মের ইতিহাস রয়েছে।

বইয়ের লিংক

১১. টেন মিথস অ্যাবাউট ইজরাইল

লেখক: ইলান পাপ্পে

দখলদারিত্বের পঞ্চাশতম বার্ষিকীতে প্রকাশিত এই যুগান্তকারী বইটিতে, স্পষ্টভাষী ইসরায়েলি ইতিহাসবিদ ইলান পাপ্পে সমসাময়িক ইস্রায়েল রাষ্ট্রের উৎপত্তি এবং পরিচয় সম্পর্কিত সবচেয়ে বিতর্কিত ধারণাগুলি বিশ্লেষণ করেছেন।

ইসরায়েল “রাষ্ট্রের” অস্তিত্বকে যায়েজ করতে যেসব তথ্য প্রচার করা হয় সেগুলোকে তিনি খণ্ডন করেছেন, মিথ আখ্যা দিয়েছেন। যেমন বেলফোর ঘোষণার সময় ফিলিস্তিন একটি খালি ভূমি ছিল, যায়োনবাদ উপনিবেশবাদ নয়, জানোয়িজমই যুদাইজম, ফিলিস্তিনিরা স্বেচ্ছায় বাড়ি ঘর ছেড়ে গিয়েছে, ইজরায়েল মধ্য প্রাচ্যের একমাত্র গণতন্ত্র ইত্যাদি। এইসব প্রপাগান্ডা খন্ডন করে ছেন লেখক।

বইয়ের লিংক

১২. ফিলিস্তিনের ইতিহাস

লেখক: ডা. রাগিব সারজানি

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা এটি সবচে বিস্তৃত ইতিহাসের বই। প্রাচীণ ইতিহাস ছাড়াও মধ্যযুগের ইসলামি খিলাফত যুগের ইতিহাস বিস্তারিত অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

বইয়ের লিংক

১৩. ফিলিস্তিন ইতিহাসের চার হাজার বছর

লেখক: নূর মাসলাহা

ইসরায়েলিরা ‘প্যালেস্টাইন’ একটি আধুনিক ধারণা হিসাবে বিবেচনা ও প্রচার করে, এর পক্ষে প্রচুর “ঐতিহাসিক” যুক্তিও উপস্থাপন করে। কিন্তু, নূর মাসালহা দেখিয়েছেন, প্যালেস্টাইনের ধারণা বাইবেলের সমসামায়িক যা নথিভুক্ত ইতিহাসের শুরুতেই পাওয়া যায। যা  প্রাচীন ইস্রায়েল প্রতিষ্ঠারও পূর্বের। সত্যি বলতে ওল্ড টেস্টেমেন্টও তা অস্বীকার করে না। প্রাচীন গ্রন্থে এই অঞ্চলের প্রথম দিককার রেফারেন্স দিয়ে শুরু করে, মাসলাহা  কীভাবে প্যালেস্টাইন ও এর সাথে সম্পর্কিত পরিচয় হাজার হাজার বছর ধরে ব্রোঞ্জ যুগ থেকে বর্তমান দিন পর্যন্ত বিকশিত হয়েছে তা অনুসন্ধান করেছেন। ফিলিস্তিন ও ইহুদি ইতিহাস বুঝতে অবশ্যপাঠ্য বই।

বইয়ের লিংক

তালিকার দুটো ব্যতিক্রমী বই:

১৪. বাংলায় ইহুদি সম্প্রদায়

লেখক: আপেল মাহমুদ

তালিকায় এটি ব্যতিক্রমী একটা বই। ইহুদি ধর্মালম্বীদের সাথে বাংলার যে সম্পর্ক সেটি বিবৃত করেছেন। একসময় বাংলার নিজস্ব ইহুদিও ছিল, বাংলায় যেসব বিখ্যাত ইহুদি বাস করতেন তাদের সমন্ধে তথ্য পাওয়া যাবে বইটিতে, যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি, সংসদভবনের স্থপতি ইত্যাদি। বইয়ের টপিক খুব আকষর্ণীয়, এই বিষয়ে যতটা গভীর অনুসন্ধ্যানী বই লেখা যেত লেখক সেটি করেন নি। তারপরেও একটা অবশ্যপাঠ্য বই।

বইয়ের লিংক

১৫. শিকড়ের সন্ধানে

লেখক: হাবিবা মুবাশ্বেরা

ইসলাম ধর্মের বয়ানে প্রাচীন আব্রাহামিক নবিদের ইতিহাস, কুরআন ও হাদিসে তাদের বর্ণনা, ইহুদি ও নবিদের জীবনের ঘটনাগুলো থেকে যে শিক্ষা মানুষ নিতে পারে সেসব বর্ণনা করেছেন লেখিকা। সেই অর্থে এটি পুরোপুরি ইতিহাস বই না। তবু এই বইটি পড়তে পারেন ইসলাম ইহুদিদের ইতিহাস থেকে কী শিক্ষা নিতে বলে সেটা জানতে।

বইয়ের লিংক

মিরাজের রাতে কী ঘটেছিল? জানতে ক্লিক করুন..

0

মিরাজ মহানবী (সা.)-এর জীবনের বড় তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এটি তাঁর বিশেষ একটি ভ্রমণ, যা পৃথিবীতে কেবল তাঁকেই আল্লাহ তাআলা দান করেছেন। এই ভ্রমণেই ইসলামের সবচেয়ে বড় ইবাদত নামাজ ফরজ করা হয়। কী ঘটেছিল মিরাজের রাতে, তা সংক্ষেপে এখানে তুলে ধরা হলো।

জিবরাইল (আ.) মক্কায় মহানবী (সা.)-এর কাছে আসেন এবং তাঁকে মসজিদে হারাম থেকে বিশেষ বাহন বোরাকে করে মসজিদুল আকসায় নিয়ে যান। সেখান থেকে বিশেষ বাহন রফরফে করে শুরু হয় জিবরাইল (আ.) ও মহানবী (সা.)-এর মিরাজ তথা ঊর্ধ্বগমন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে নিয়ে যাওয়া হয় সাত আসমানের ওপরে। পথে প্রথম আসমানে আদম (আ.), দ্বিতীয় আসমানে ইয়াহইয়া (আ.) ও ঈসা (আ.), তৃতীয় আসমানে ইউসুফ (আ.), চতুর্থ আসমানে ইদরিস (আ.), পঞ্চম আসমানে হারুন (আ.), ষষ্ঠ আসমানে মুসা (আ.) ও সপ্তম আসমানে ইবরাহিম (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সেখানে রাসুল (সা.) সিদরাতুল মুনতাহা, জান্নাত, জাহান্নামসহ আল্লাহ তাআলার অসংখ্য নিদর্শন দেখেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই সে (মুহাম্মদ) তাকে (জিবরাইলকে) আরেকবার দেখেছিল সিদরাতুল মুনতাহার নিকটে, যার কাছে অবস্থিত বসবাসের জান্নাত।’ (সুরা নাজম: ১৩-১৫)

এই ভ্রমণের চূড়ান্ত মুহূর্তে রাসুলুল্লাহ (সা.) মহান আল্লাহর দর্শন লাভে ধন্য হন। অসংখ্য হাদিস থেকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত। আর মিরাজের বড় প্রাপ্তি হলো পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ। এ ছাড়া সব নবী-রাসুলের মধ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শ্রেষ্ঠত্বও এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়। কারণ, বিশেষ ব্যবস্থায় আল্লাহ তাআলা মসজিদে আকসায় সব নবী-রাসুলকে সমবেত করেছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁদের সবাইকে নিয়ে নামাজ আদায় করেছেন এবং নামাজে ইমামতি করেছেন। (সিরাতুল মুস্তফা, ১ / ২৯৫-২৯৬)

 

দোহারে জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করেন জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে নাচ, গানসহ বিভিন্ন ধরনের খেলা আয়োজন করা হয়। এ খেলায় প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাছাইকৃত সকল শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে থাকে। খেলা শেষে প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে পুরস্কৃত করা হয়।

দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দোহার উপজেলার আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: মামুন খান,দোহার পৌরসভার মেয়র আলমাছ উদ্দিন, দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন আর রশিদ,সাজ্জাদ হোসেন সুরুজ প্রমুখ।

বিনামূল্যে অনলাইন কোর্স করার ১০ টি বিখ্যাত ওয়েবসাইট

0

কোনো দক্ষতা অর্জনে ট্রেইনিং জরুরি, কিন্তু সেজন্য সবসময় অর্থ ব্যয় করতে হবে এমন নয়। বিনামূল্যে অনলাইন কোর্স নেয়া যায় যার মান উন্নত ও সব যায়গায় গ্রহণযোগ্য। অনেকের ধারণা হতে পারে ফ্রি প্রশিক্ষণে হয়তো সব শেখায় না। আসলে বিষয়টা হল কোনো কিছুই ফ্রি না, যারা ফ্রি দেয় তারা কোনো না কোনো ভাবে লাভ করে। এটা আসলে বিজনেস মডেলের পার্থক্য। যারা অর্থ নেয় তারা সরাসরি টাকা আয় করে। আর যারা অর্থ নেয় না তারা হয়তো বিজ্ঞাপন থেকে আয় করে, যেমন ইউটিউব।

অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যাদের ব্র্যান্ডিঙের জন্য, পরিচিতি বৃদ্ধি, বা নেটওয়ার্ক বড় করতে, তথ্য সংগ্রহ করতে, চ্যারিটি হিসবে বা ফ্রিমিয়াম মডেলে ফ্রি প্রশিক্ষণ দেয়। আমরা বিশ্বের নেতৃস্থানীয় ও বিখ্যাত এমন কিছু ওয়েবসাইটের সন্ধান দেব যারা বিনামূল্যে অনলাইন কোর্স দেয়। এসব কোর্স করে আপনি কোনো পেশা শুরু করতে পারেন অথবা আপনার পেশায় এগিয়ে যেতে পারেন।

১০ টি ওয়েবসাইট যেখানে বিনামূল্যে অনলাইন কোর্স করা যায়

1. Udemy

ইউডেমি বিশ্বের সবচে নামকরা অনলাইন ট্রেইনিং সাইট। তারা যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয় তা হল-

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. Development
  2. Business
  3. Finance and accounting
  4. IT and software
  5. Office Productivity
  6. Personal development
  7. Design
  8. Marketing
  9. Lifestyle
  10. Photography and video
  11. Health and Fitness
  12. Teaching and academics

লিংকhttps://www.udemy.com/

2. Coursera

পৃথিবীর সেরা সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে শেখার সুযোগ আছে কোর্সেরায়। এখানে অনেকগুলো ক্যাটেগরিতে ফ্রি কোর্স আছে।

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. Data science
  2. Business
  3. Computer Science
  4. Information Technology
  5. Language learning
  6. Health
  7. Personal development
  8. Physical science and engineering
  9. Social science
  10. Arts and humanities
  11. Math and logic

লিংকhttps://www.coursera.org/

3. Khan Academy

খান একাডেমি বিভিন্ন বিষয়ে গভীর প্রশিক্ষণ প্রদান করে। এদের লেকচারগুলো সংক্ষিপ্ত এবং ভাগ ভাগ করে উপস্থাপন করা হয় যা শিক্ষার্থীর ধরতে সহজ হয়। এই সাইটটি বিশেষভাবে স্কুল কলেজের ছাত্রদের জন্য।

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. School courses
  2. Examination preparation

লিংক: https://www.khanacademy.org/

4. YouTube

ইউটিউবে যাবতীয় বিষয়ে অসংখ্য ট্রেইনিং কোর্স আছে। এর মধ্যে ভাল কোর্সগুলো বাছাই করে শিখতে পারবেন। সত্যি বলতে এমন কোনো বিষয় নেই যে বিষয়ে কোর্স পাবেন না। নামকরা সব ট্রেইনাররা ইউটিউবে ফ্রি শিখিয়ে থাকেন, তারা ফ্রি শিখিয়ে বিজ্ঞাপন ও এফিলিয়েশন থেকে আয় করেন। বাংলা ভাষায়ও অনেক কোর্স আছে। আপনাকে লেটেস্ট ও ভাল সিলেবাস বাছাই করতে হবে।

লিংক: https://youtube.com/

5. MIT OpenCourseWare

MIT OpenCourseWare মূলত যাবতীয় MIT কোর্স করায়। OCW বিশ্বের সবার জন্য উন্মুক্ত।

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. Electrical engineering
  2. Urban studies and planning
  3. Mathematics
  4. Mechanical engineering
  5. Literature
  6. Supplemental resources
  7. Architechture
  8. Global studies and languages
  9. Civil and environmental engineering
  10. Political science

লিংক: https://ocw.mit.edu/

6. FreeCodeCamp

ফ্রিকোডক্যাম্পে বিনামূল্যে কোডিং শিখতে পারবেন, প্রজেক্ট তৈরি করতে পারবেন ও সনদপত্র দিবে।

Types of courses:

  1. Responsive web design certification
  2. Javascript algorithms and data structures (beta) certification
  3. Front-end development libraries certification
  4. Data visualization certification
  5. Relational database certification
  6. Back end development APIs certification
  7. Quality assurance certification
  8. Scientific computing with Python (beta) certification
  9. Data analysis with Python certification
  10. Information security certification
  11. Machine learning with Python certification
  12. College Algebra with Python certification

লিংক: https://www.freecodecamp.org/

7. Hubspot Academy

ডিজিটাল মার্কেটিঙের বিভিন্ন কোর্স পাবেন হাবস্পট একাডেমিতে।

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. Social media
  2. Email Marketing
  3. SEO
  4. Inbound Sales
  5. Content Marketing

লিংক: https://academy.hubspot.com/

8. Harvard

আপনার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সগুলি কাজে আসতে পারে।

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. Art and Design
  2. Business
  3. Computer Science
  4. Data science
  5. Education and teaching
  6. Health and medicine
  7. Humanities
  8. Theology
  9. Mathematics
  10. Programming
  11. Science
  12. Social sciences

লিংক: https://pll.harvard.edu/catalog/free

9. Google’s FREE Courses

গুগলের মার্কেটিং প্লাটফর্মগুলোর কাজ শেখার জন্য গুগল নিজেই ভাল ভাল প্রশিক্ষক দিয়ে ফ্রি কোর্স বানিয়ে রেখেছে।

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. Google Ads
  2. Google Marketing Platform
  3. Google Analytics
  4. Google My Business
  5. Google Ad Manager
  6. Google Admob ইত্যাদি

লিংক: https://skillshop.withgoogle.com/

10. Alison

বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে বিনামূল্যে অনলাইন কোর্স, ডিপ্লোমা কোর্স অফার করে ও সনদপত্র দেয়।

ক্যাটেগরিগুলো:

  1. IT
  2. Health
  3. Language
  4. Business
  5. Management
  6. English
  7. Personal development
  8. Sales and marketing
  9. Engineering and construction
  10. Teaching and academics

লিংক: https://alison.com/

দোহারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ৩মাসের কারাদণ্ড ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা 

ঢাকার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর বটতলা ও কৃষ্ণদেবপুর এলাকাসংলগ্ন পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান কার্যক্রম এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা  হয়।

সোমবার (৫ই ফেব্রুয়ারী) রাত ৮:৩০মিনিটে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মামুন খান।

এসময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে পদ্মা নদীতে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার মেশিন  দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিপণন করার অভিযোগে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ০৩টি মামলায় ৩ জনকে ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং  ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ টাকা) অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। তখন ১টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীরা ০৪টি ড্রেজার মেশিন ঘটনাস্থল থেকে নদীর তীরে এনে রেখে পালিয়ে যাওয়ায় সেগুলো জব্দ করে নিয়মিত মামলা দায়ের করার জন্য উপস্থিত নৌ-পুলিশকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এসময় দোহার উপজেলার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মামুন খান সকলকে পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা করে এবং নদীর ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ, মৎস্য ও জলজ প্রাণি তথা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের স্বার্থে দোহার উপজেলার আওতাভুক্ত পদ্মা নদীতে নিয়মিত অভিযান ও  মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

এসময় সার্বিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে দোহার থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশ এবং আনসার সদস্যগণ সহযোগিতা প্রদান করে।

দোহারে সুতারপাড়া ইউনিয়নে শীতার্ত মাঝে কম্বল বিতরণ

দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলায় সুতারপাড়া ইউনিয়নে অসহায় শীতার্ত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে বিলাশপুর ইউনিয়নে দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো.আলমগীর হোসেনের নিজস্ব অর্থায়নে দুইশত পরিবারের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের জন্য মানুষ এগিয়ে আসবে এটাই আমাদের ধর্ম। আমাদের সবার উচিত নিজের সাধ্য মত গরিব অসহায় মানুষকে পাশে দাড়ানো।গরিব অসহায়দের সুযোগ সুবিধাও আমাদের সবার দেখতে হবে।

সুতারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুজাহার বেপারি,বশির উদ্দিনসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

দোহারে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত পিয়াসের মৃত্যু

ঢাকার দোহারে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত পিয়াস রাজধানী ঢাকার জাপান বাংলাদেশ হাসাপাতালে মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার ঢাকার দোহারে পূর্ব শত্রুতার জেরে পিয়াস (১৮) নামের এক কিশোর ছুরিকাঘাতে গুরুত্বর জখম হয়। আহত পিয়াস নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা ইউনিয়নের ছাতিয়া গ্রামের মো. মুকুল শরীফের ছেলে। সে ১ বছর যাবত দোহার উপজেলার দোহার ঘাটা গ্রামে তার নানা বাড়িতে বাস করতো।

ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত পিয়াস রাজধানী ঢাকার জাপান বাংলাদেশ হাসাপাতালে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পিয়াসের মস্তিস্কে রক্ত জমাটবাধায় অপারেশনের কোন সুযোগ নেই। ৭২ ঘন্টা নিবির পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানানো হয়। আজ সকাল ১১টা ২০মিনিটের দিকে মৃত্যু ঘটে তার।

এদিকে ঘটনার সাথে জরিত প্রধান আসামি রাফিদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দোহার থানা ওসি তদন্ত আজহারুর ইসলাম। ঘটনার সাথে জরিত রাফিদের উপযুক্ত বিচার দাবি করেন পিয়াসের পরিবার।