নারিশা উচ্চ বিদ্যালয়

শিক্ষকের নির্যাতনে এক শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি হওয়াকে কেন্দ্র করে না্রিশা উচ্চ বিদ্যালয়ে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তা এখন শান্ত হয় নি। সেই ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিম খান শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর রোষানলে পরে কাউকে কিছু না জানিয়ে অন্যাত্র চলে গেছেন। একই সাথে নতুন করে যেন কোন বিক্ষোভ দানা বাধতে না পারে সেজন্য বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে পুলিশী প্রহরায়। মঙ্গলবার সরেজমিন গিয়ে বিদ্যালয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

বিদ্যালয় গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের এক জরুরী সভাও চোখে পরে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আবুল কালাম বলেন, মঙ্গলবার সকালে আমি জানতে পারি প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের মাঠে প্রধান শিক্ষক আজিম খানের অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ করছে। খবর পেয়ে আমি আমার অন্যান্য সদস্যদের ও পুলিশকে অবগত করি। যাতে কোন ধরনে অপ্রিতীকর ঘটনা না ঘটে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ঘটনাটির ভাল একটি সমাধান দিব বলে আশ্বস্ত করি। পরে তারা বিদ্যালয়ে ক্লাস করে।

দায়িত্বরত দোহার থানার এসআই মোঃ বারেক বলেন, আমি ওসি স্যারের নির্দেশে এখানে এসেছি। আমরা জানতে পেরেছি অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিম খান কয়েকদিন আগে অষ্টম শ্রেনীর নোমান নামে এক শিক্ষার্থীকে দুষ্টমির কারনে মারাত্বকভাবে পিটিয়ে যখম করে। এ ঘটনায় নোমানের মা বাদি হয়ে দোহার থানায় প্রধান শিক্ষক মোঃ আজিম খানকে আসামী করে শিশু আইনে মামলা দায়ের করে। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের অপসারনের দাবিতে আবারো বিক্ষোভ করলে আমরা খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে এসে শিক্ষার্থীদের বিষয়টি দেখবো বলে থামিয়ে দেই।

অন্য খবর  দোহার নৌ পুলিশের এক বছরের সাফল্য গাঁথা 

এদিকে এ ঘটনার পরের দিন থেকে বিদ্যালয়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান প্রধান শিক্ষকের অপসারণ না করলে তাদের অভিভাবকরা এই বিদ্যালয় থেকে তারা অন্য বিদ্যালয়ে তাদেরকে নিয়ে যাবে।

আপনার মতামত দিন