রং তুলির আল্পনায় শহীদ স্মরণে প্রস্তুত হচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জের শহীদ মিনার

113

শুরু হয়েছে ভাষার মাস। তাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শহীদ মিনারকে সাজানো হয়েছে রঙের আল্পনায় শহীদ স্মরণে স্বাধীকারের চেতনার রঙে। আশেপাশের বিভিন্ন দেয়ালে আঁকা হচ্ছে শহীদদের প্রতিচ্ছবি। এছাড়াও, দেয়ালে দেয়ালে বাংলা বর্ণ, প্রভাতফেরীর গান, শহীদ মিনারের বেদিতে আঁকা হচ্ছে আলপনা। শহীদ মিনারে লাগানো হয়েছে দৃষ্টিনন্দন লাল গোলাকার বৃত্ত।

এমনই চিত্র চোখে পড়ে দোহারের জয়পাড়া কলেজ, জয়পাড়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ, নবাবগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, বান্দুরা হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শহিদ মিনারে ।

একুশে ফেব্রুয়ারির কদিন আগে থেকেই এই শহীদ মিনার গুলো শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুুত করা হয়। শহীদ মিনারের এই সাজসজ্জার কাজ করছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট ও রোভারগণ। কেউ আলপনা আঁকছেন, কেউ দেয়ালিকা আর কেউবা বিভিন্ন আঁকাআঁকিতে সাজিয়ে তুলছেন শহীদ মিনার।

আলপনা আঁকছেন জয়পাড়া কলেজে এর রোভার স্কাউট জেসমিন। তিনি বলেন, আমরা ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই এই আলপনার কাজ করছি। আমরা শুধুমাত্র ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধায় এই আলপনা আঁকছি। আমরা চাই আমাদের শিল্প সাহিত্যে, নাটক সিনেমায় বাংলা ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার।

অন্য খবর  দোহার- নবাবগঞ্জ উপজেলা থেকেও হারিয়ে যাচ্ছে একসময়কার অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ ঢেঁকি।

আরেক শিক্ষার্থী পায়েল আক্তার বলেন, আমি প্রথম বর্ষ থেকেই ২১ শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আলপনা এঁকে আসছি। এ বছরও একই আগ্রহ নিয়ে কাজটা করছি৷ সবাই মিলে এক সাথে কাজ করে বেশ আনন্দ লাগছে।

মোবারক হোসেন নামে নবাবগঞ্জ কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন সবাই মিলে বাঁশ বা কলাগাছ দিয়ে ও রঙিন কাগজ দিয়ে শহীদ মিনার বানাতাম পরের দিন সকালে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদের স্বরন করতাম। সীমিত সংখ্যক শিক্ষার্থী মিলে এ বছর আমরা কাজটা করছি।

জয়পাড়া কলেজের রোভার স্কাউট মদিনা, স্বপ্ন, শামীমা জানান,আমরা খুবই আনন্দের শ্রদ্ধা দিয়ে কলেজের শহীদ মিনার ও বটমূল রঙ্গিন সাজের মাধ্যমে সাজাচ্ছি। এ কাজ টি করে আমাদের খুবই ভালো লাগতেছে।

আপনার মতামত দিন