মৈনটে পদ্মায় ডুবে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

180
নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী

ঢাকার দোহার উপজেলার পর্যটনস্পট মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনট ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির (২৫) লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল। শুক্রবার বেলা ১১:৩০ টার দিকে মৈনট ঘাট থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

দোহার ফায়ার সার্ভিসের জরুরি বিভাগের কর্মরত ফায়ার ফাইটার এস এম জসিম লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেন। জানান আমাদের ইনর্চাজ আবদুল হাদি উদ্ধারের নেতৃত্ব দেন এবং ডুবুরি দলের নেতৃত্ব দেন সব ইন্সপেক্টর আবুল খায়ের। লাশ চরমোহাম্মদপুর পুলিশ ফাড়িতে রাখা হয়েছে স্বজনরা আসলে পরাবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়নাতদন্তের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তোবা ময়নাতদন্ত করা হবে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ঘাটের তীরে অবস্থানরত ড্রেজার বাল্কহেডে উঠে মোবাইলে সেলফি তুলতে গিয়ে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয় সানী।

নিখোঁজ তারিকুজ্জামান সানি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)-এর আর্কিটেকচার বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শরীয়তপুরের জাজিরা থানার বাসিন্দা হারুন উর রশিদের ছেলে। তিনি ঢাকার হাজারীবাগে থাকতেন বলে জানা যায়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সানিকে উদ্ধারে কাজ করছিল দুটিদল ডুবুরি। পদ্মার পাড়ে অপেক্ষায় ছিলেন শত মানুষ। ডুবুরি দলেন নেতৃত্ব দেন বঙ্গবাজার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি আবুল খায়ের। এ সময় আবুল খায়ের বলেন, আমরা খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে এখানে এসেছি। তবে নদীতে প্রচর- স্রোত থাকায় উদ্ধার অভিযান কিছুটা ব্যাহত হয়। আমরা প্রায় ১৪ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আজকে শুক্রবার সকাল ১১:৩০ টায় মরদেহ উদ্ধার করেছি।

অন্য খবর  আমরা চাই দলীয় নির্দেশে শান্তিপূর্ণভাবে একসাথে কাজ করতে - মোঃ আওলাদ হোসেন

তিনি স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, সানিসহ ১৬ জন বন্ধু মিলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৈনট ঘাটে ঘুরতে আসে। পাড়ে রাখা একটি ড্রেজার মেশিনের উপরে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান সানি। এ সময় তার বন্ধুরা উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরে তারা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশ ডাকে। পুলিশ এসে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।

মন্তব্য