নবাবগঞ্জে সরকারী সম্পত্তি দখল করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ

328

স্টাফ রিপোর্টার♦ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া বাজারে সরকারী সম্পত্তি আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী মহলের নেতৃত্বে জোরপূর্বক দখল করে ১১টি দোকান ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় মো: সিদ্দিক খানের নেতৃত্বে শিকারীপাড়া সরকারী সম্পত্তি ও গতিগাড়ির স্ট্যান্ডের জায়গাটি জোরপূর্বক দখল করে পাকা টিনসেট ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেয়ার অভিযোগ উঠে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ৭টি দোকান ঘর নির্মাণ, ৪ দোকান ঘর নির্মাণের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি দোকান ঘর ১ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া এবং জামানত বাবদ ৪০/৫০ হাজার টাকা করে নেয়া হবে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানায়। ঘটনার সংবাদ পেয়ে সহকারী কমিশনার ভুমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকান নির্মাণ বন্ধ করে দেয়। 

এলাকাবাসির সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় লোকজন মৌখিকভাবে জায়গাটি মাদ্রসার নামে ও সরকারীভাবে গতিগাড়ি স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার নির্দেশ দিয়েছে। বাস স্ট্যান্ড থেকে যে টাকা উঠানো হয় সেই টাকা মাদ্রাসার এতিমদের খাবার বাবদ দেয়া হয়। স্বার্থান্বেষী মহল জোরপূর্বক জায়গাটি দখল করে দোকান পাঠ নির্মাণ করে ভাড়ার প্রক্রিয়া করছে।

অন্য খবর  দোহারে নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার ভুইয়া বলেন, সরকারী অর্থায়নে সরকারী জমিতে মাটি ভরাট করে গতি গাড়ির স্ট্যান্ড করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এতিমখানা হওয়ার সকলের সহযোগিতা স্ট্যান্ড থেকেয় টাকা উত্তোলন করে এতিমদের ভরনপোষণ করা হয়। জায়গাটি হাতছাড়া হয়ে গেলে এতিমরা অসহায় হয়ে পড়বে।

মো: সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, সরকারী সম্পত্তিতে দোকান নির্মাণ করা হয়নি।  আমাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে দোকান নির্মাণ করা হয়েছে। কুচক্রী মহল আমাকে হেয়পন্ন করার জন্য দখলের কথা বলছে।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভুমি) আজিজ হায়দার ভূইয়া বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে সরকারী জায়গাটি চিহিৃত করে দোকান নির্মাণ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে সরকারী সম্পত্তি কারো নামে লীজ দেয়া হয়নি। বাজারটি ফেরী আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে স্থানীয় লোকজনদের মাঝে দোকান বরাদ্ধ দেয়া হবে।

আপনার মতামত দিন