দোহার নবাবগঞ্জের ক্লিনিকগুলোতে উপচে পড়া ভীড়

151

প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার আসলেই দোহার নবাবগঞ্জ উপজেলার ক্লিনিকগুলোতে উপচেপড়া ভীড় পরিলক্ষিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না এসব ক্লিনিকে। কোথাও যেন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। এক্সরে রুমে, আলট্রাসোনোগ্রাম, ডাক্তার দেখানো বা সিজার করার জন্য গাইনি বিভাগ বা অপারেশন থিয়েটার; যাই বলেন না কেন সকল জায়গায় ধাক্কাধাক্কি করে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। নিরুপায় হয়ে, এটাই এখন সহনীয় হয়ে পড়েছে এই দুই উপজেলার রোগীদের কাছে। কেউ কেউ সকালে এসে বসে থাকেন বিকাল পর্যন্ত। কারণ পূর্ব থেকেই সিরিয়াল নেন না বেশিরভাগ রোগীর স্বজনরা। এসব ক্লিনিকগুলোতে রোগীদের বেশির ভাগই মহিলা।

দোহার উপজেলার দোহার জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, অসংখ্য রোগী বসে আছে সিরিয়াল দিয়ে। জান্নাতুল ফেরদৌস নামের এক মহিলা রোগী বলেন, গতকাল এসেছিলাম, বাধ্য হয়েই আজ আবার আসতে হয়েছে। কারণ আমি আলট্রাসোনোগ্রাম করাবো কিন্ত মহিলা ডাক্তার শুক্রবার ছাড়া পাওয়া যায় না। এত বড় একটা ক্লিনিক হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ কেন স্থায়ীভাবে কোন মহিলা ডাক্তার রাখতে পারেন না তা বোধগম্য নয়। একইচিত্র দোহার নবাবগঞ্জের অন্যান্য হাসপাতালেও। অন্যান্য দিনের চেয়ে শুক্রবার কেন্দ্রিকই ভীড় বেশি হয়। এছাড়া বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের অযাচিত ভীড় তো আছেই। এক্ষেত্রে, দুই উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনকে ক্লিনিকগুলোকে স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে
রোগীদের প্রতি আরো শৃঙ্খল হওয়ার ও সেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ করেন স্বজনেরা।

অন্য খবর  মহা আতংকে দোহার পৌরবাসী

এই বিষয়ে জয়পাড়া ক্লিনিকের প্রশাসনিক কতৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট আসিফ জানান, আমাদের হাসপাতালে শুক্রবার রোগীর চাপ বেশি থাকে। সে জন্য রোগীরও লাইন বেশী হয়। এছাড়া, আগের থেকে অধিকাংশ রোগীই সিরিয়াল নেন। ঢাকার ডাক্তারদের সবাইকেও এই দুদিন পাওয়া যায়৷ সেজন্য হয়তো রোগীদের বিভিন্ন টেস্ট বা ভিজিটে একটু সময় লাগে। তবে, অন্যান্য যে কোন ক্লিনিকের চেয়ে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে থাকি। আর প্রতিনিয়ত সেবারমান বাড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

মন্তব্য