ডিএন কলেজে সরকারীকরণে আনন্দ মিছিল ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত

751
ডিএন কলেজে সরকারীকরণে আনন্দ মিছিল ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত

দোহার নবাবগঞ্জ কলেজকে সরকারীকরণ করায় আনন্দ মিছিল র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর বুধবার সকাল ১১ টায় কলেজ প্রাঙ্গণে  মিষ্টি বিতরন ও একে অপরকে রঙ মাখিয়ে সরকারীকরণের আনন্দ উদযাপন করে কলেজের বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীরা। পরে এক বিশাল  আনন্দ মিছিল ও র‍্যালী বের করা হয়। করে দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক মন্ডলী গভনিংবডির সদস্য বৃন্দ ও এলাকাবাসী। দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ থেকে এক বিশাল আনন্দ মিছিল ও র‍্যালী বের হয়। আনন্দ মিছিলটি দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ থেকে শুরু করে বাগমারা বাজার প্রদক্ষিণ করে আবার কলেজে এসে শেষ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিল আহামেদ, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহসিন হোসেন আকবর, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম মোস্তফা শিমু,ঢাকা জেলা বিএনপির সহ সভাপতি খান ইফতেখার আল ফারুকী,নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহামেদ ঝিলু,, সাধারন সম্পাদক জালাল উদ্দিন সহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও  স্থানীয় জনগণ।

অন্য খবর  দোহারে পদ্মার ভাঙন অব্যাহত

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন,”দোহার নবাবগঞ্জ কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী কলেজ। এ কলেজকে সরকারী করনের জন্য নানা ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। আজ ডি.এন কলেজ সকারী হয়েছে।  ঐতিহ্যবাহী দোহার নবাবগঞ্জ কলেজকে সরকারী করনের জন্য তিনি প্রধান মন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান”।

উল্লেখ্য, ১৯৬৫ সালের ১ জুলাই সাবেক ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য মরহুম আশরাফ আলী ওরফে মধু চৌধুরী, উপজেলা সদর সমসাবাদ এলাকায় কলেজটির উদ্ভোদন করেন। তখন অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে এই কলেজটির যাত্রা শুরু হয়। পাশা পাশি দুটি উপজেলার নাম মিলিয়ে এর নামকরণ করা হয় দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ যার সংক্ষিপ্ত নাম ডিএন কলেজ। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নবাবগঞ্জের গালিমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী আতাউদ্দিন খানের মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে কলেজটির বর্তমান অবকাঠামো পূর্ণাঙ্গতা পায়। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আতাউদ্দিন খান সকল স্থাপনা নির্মাণ করেন। বর্তমানে কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক পাঁচটি বিষয়ে অনার্স এবং বিবিএ সহ প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী,  ৫৮ জন শিক্ষক এবং ১৯জন কর্মচারী নিয়ে এর শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।

আপনার মতামত দিন