দোহারে নাজমুল হত্যা মামলার ২ আসামি গ্রেফতার 

news39.net: দোহারে নাজমুল হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে দোহার থানা পুলিশ।

জানা যায়, দোহার থানার একাধিক চৌকশ টিম দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলাসহ আশ পাশের বিভিন্ন একালায় অভিযান পরিচালনা করে নাজমুল হত্যা মামলার আসামী ১) রনি মিয়া ওরফে ডাকাত রনি (৩৫) পিতা-মৃত নুরু কসাই, পালক পিতা-চান মিয়া, ও ২) মোঃ নাজমুল (২০) পিতা-রনি মিয়া ওরফে ডাকাত রনি গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

উল্লেখ্য আসামী রনি মিয়া ওরফে ডাকু রনি (৩৫) এর বিরুদ্ধে ঢাকা সহ বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি, মাদক ও খুন সহ সর্বমোট ১২ টি মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ অক্টোবর, দোহার উপজেলা রাইপাড়া ইউনিয়নের বাঁশতলা বাজারে তারেক খানের দোকানে চা খেতে নাজমুলকে ডেকে নেন তারই বন্ধু মিলন হোসেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে তিন যুবক এসে নাজমুলকে ধারালো ছোরা দিয়ে ঘাড়ে ও গলায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীরা তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাজা সহ গ্রেফতার পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মানিক

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানায় সোমবার থানা পুলিশ কর্তৃক পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী মানিক মাদক সহ গ্রেফতার। ১০/১১/২০২৪ খ্রিঃ তারিখ নবাবগঞ্জ থানা এলকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নবাবগঞ্জ থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ মমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে নবাবগঞ্জ থানায় কর্মরত এসআই মনিরুজ্জামন ও সঙ্গীয় অফিসার, ফোর্সদের সহায়তায় কলাকোপা ইউনিয়নের সমসাবাদ এলাকা হতে গ্রেফতার হন।

পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী ১। মাঃ মানিক (৪৭), পিতার মৃত জয়নাল আবেদীন, মাতা বেগম, ঢাকা জেলা নবাবগঞ্জ থানার কলাকোপা ইউনিয়ন এর সাং-সমসাবাদ গ্রাম থেকে থানা এলকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় মাদক ব্যবসায়ী মানিক ০১ কেজি ৫০ গ্রাম গাঁজা সহ গ্রেফতার হলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন আছে। নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযান চলমান আছে।

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের মানুষের শৃঙ্খলমুক্তির অধ্যায়: মেহনাজ মান্নান

শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য প্রদান করেন সাবেক মন্ত্রী, বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের কণ্যা ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান। আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সাল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি যুগ সন্ধিক্ষণ। এটা যেন পূর্বাপরের এক মেলবন্ধন। দুটি বিপরীত দ্বান্দ্বিক রাজনৈতিক সমীকরণের এক ঐতিহাসিক মোহনা। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও কঠিন; শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে এই কঠিন রাজনৈতিক পরীক্ষারই এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হলো ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর।
পঁচাত্তরের ৭ নভেম্বর হলো বাংলাদেশের নিপীড়িত বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের শৃঙ্খলমুক্তির এক অধ্যায়; যা বাকশালের নাগপাশে বন্দি ছিল।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা স্বাধীনতা লাভ করি বটে। কিন্তু ’৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত প্রকৃতপক্ষে এদেশের জনগণ স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। কারণ ৭২-৭৫ পর্যন্ত মানুষ ছিল মৌলিক অধিকার তথা বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তি স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার এমনকি রাজনৈতিক স্বাধীনতা হতে বঞ্চিত।

তিনি আরও বলেন, সময়ের স্রোতে আওয়ামী লীগের চরম ব্যর্থতার সমাধির ওপর ৭ নভেম্বর দাঁড়িয়ে যায় জনগণের আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের সোপান। সিপাহী-জনতা কাঁধে কাঁধ রেখে দেশের ও নিজেদের প্রয়োজনে জিয়াউর রহমানকে কারাগারের অন্ধকার জিঞ্জির ভেঙে বের করে নিয়ে আসে আলোয়।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, আগলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবেদ হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের সাবেক ভিপি হারুন অর রশিদ ওসমানী।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান পান্নু, ঢাকা জেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল রশিদ, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, ঢাকা জেলা যুবদলের সহ সভাপতি সাবেক গালিমপুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান তপন মোল্লা, মোঃ সিরাজ, আবজাল খান, শাহীন খন্দকার, আব্দুল আওয়াল আকন্দ, এডঃ সুমন মৃধা, মোঃ বোরহান, আব্দুল বাতেন, সেলিম চৌধুরী, হুমায়ূন মোল্লা, মোঃকায়কোবাদ, মুরাদ মেম্বার, আমান ভূইয়া, নুর ইসলাম, ইয়াহিয়া খান, এস এম সেলিম, জাহাঙ্গীর, গাজী হাসেম, ইলিয়াস হোসেন শাহিন, সবুজ খান, মুন্না, লুৎফর ভূইয়া, সালাউদ্দিন, রহমত, কাওছার, আফানুর, রাকিব, মেহেদি হাসান বিপ্লব, জসিম মোল্লা, সিফাত,অলক, তৌহিদ বেপারী, সংগ্রাম, ইমরান সহ দোহার-নবাবগঞ্জ এর বিভিন্ন ইউনিটের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা জেলা বিএনপি ও আবু আশফাককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন

বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি’র বিশাল র‍্যালীতে উল্ল্যেখযোগ্য ভূমিকা রাখায় ঢাকা জেলা বিএনপি ও জেলা বিএনপি’র সভাপতি বার বার কারাবরণকারী নেতা খন্দকার আবু আশফাককে ধন্যবাদ জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

দোহারের মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ভুয়া পিএইচডি ও নিয়োগের অভিযোগ

Our Breitling Replica Watches Online Store offer cheap Swiss Breitling Replica with top quality, 60 days money back and free shipping!

Best Replica Watches Online Store replicaomega.io,High-end Grade AAA+ 1:1 Replica Omega Watches Swiss Made.

This fresh line of panerai replica watches for sale available at affordable prices are what you need in your collection.

মো আল – আমিনঃ ভুয়া পিএইচডি ডিগ্রি দিয়ে নিয়েছেন নিয়োগ।  বাগিয়েছেন কোষাধ্যক্ষ পদও। বিজ্ঞপ্তির কোনো শর্তই পূরণ না করে ভুয়া ডিগ্রি নিয়ে ‘অধ্যাপক’ বনে যান তিনি। শুধু তাই নয়, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পরে বিশ্ববিদ্যালয়টির কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) পদও বাগিয়ে নেন মোয়াজ্জেম হোসেন। তার পিএইচডি ডিগ্রিটি নামসর্বস্ব বলেও অভিযোগ।  তার এই জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে নিয়োগ বাগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্তেও। ইউজিসির গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি চলতি বছরের ২৭ জুন এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ইউজিসি।

পিএইচডি ডিগ্রির বিষয়ে কমিটির সদস্যদের কাছে খোদ মোয়াজ্জেম হোসেন স্বীকার করেন যে, তার পিএইচডি ডিগ্রিটি ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি জানতেন না যে প্রতিষ্ঠানটি ভুয়া। অথচ ওই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আগেই পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে সবাইকে অবগত করেছিল ইউজিসি।

তদন্ত প্রতিবেদনে মোয়াজ্জেম হোসেন মিয়ার নিয়োগ বাতিল এবং কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাকাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক অবস্থা ‘খুবই করুণ’ ও ‘শোচনীয়’ উল্লেখ করে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনায় কমিটি গঠনের সুপারিশও করা হয়।

ইউজিসি সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন মিয়ার বিরুদ্ধে ইউজিসিতে লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। একই বছরের ২৬ অক্টোবর অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে ইউজিসি। এতে আহ্বায়ক ছিলেন ইউজিসির তৎকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. হাসিনা খান। বাকি তিন সদস্য হলেন ইউজিসির বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুখ ও উপ-পরিচালক রাবেয়া খন্দকার। তাছাড়া সদস্যসচিব ছিলেন একই বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. মুহিব্বুল্লাহ। কমিটির সদস্যরা সরেজমিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং অভিযুক্ত মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে কথাও বলেন। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গত ২৭ জুন চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোয়াজ্জেম হোসেন মিয়া জার্মান ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ পদে নিযুক্ত হওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়টির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপক পদে নিয়োগ পান। অধ্যাপক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যেসব যোগ্যতা, শর্ত ও অভিজ্ঞতার উল্লেখ ছিল; তার জীবনবৃত্তান্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাতে কোনো শর্তই পূরণ করে না।

এদিকে, মোয়াজ্জেম হোসেনের যেসব প্রকাশনা রয়েছে, তার কোনোটিই দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত নয়। কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধকে প্রকাশনা হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি। তাছাড়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাজীবনে প্রথম বিভাগ বা শ্রেণির কথা উল্লেখ থাকলেও মোয়াজ্জেম হোসেনের কোনো স্তরেই প্রথম বিভাগ বা শ্রেণি নেই।

মোয়াজ্জেম হোসেনের নিয়োগ বোর্ডের নথিপত্র চেয়েও পায়নি ইউজিসি। ২০১৮ সালের ৪ ডিসেম্বর নিয়োগ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে সভাপতিত্ব করেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শামসুদ্দীন। জালিয়াতি ও যোগ্যতা না থাকলেও কেন মোয়াজ্জেমকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, জানতে চাইলে তদন্ত কমিটিকে তৎকালীন উপাচার্য জানান, ‘সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল’।

তবে ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০’ অনুযায়ী নিয়োগের জন্য কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ থাকলেও সে সংক্রান্ত কোনো তথ্য বা নথি তদন্ত কমিটিকে দেখাতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া নিয়োগ বোর্ডে সদস্যদের উপস্থিতির স্বাক্ষর সংবলিত নথি, নিয়োগের বিষয়টি সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে কি না; তার নথি চেয়েও পায়নি ইউজিসির তদন্ত কমিটি।

দোহারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

Patek Philippe Nautilus Replica watches in stock now.

Our website brings with high-quality replica watches uk of Rolex at very affordable prices.

Our breitling replica watches, produced in the same quality as the originals and all models at affordable prices.

মো. আল-আমিন / শরিফ হাসান (দোহার প্রতিনিধি): ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়ায় বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের  প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও অসদাচরণের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।

দীর্ঘদিন যাবত স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন প্রধানশিক্ষক কুলছুম বেগম। দীর্ঘদিন ধরে কুলসুম বেগমের বিরুদ্ধে নিজের নিয়োগসহ, বিসিবি সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের শ্যালিকা পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার ও স্বেচ্ছাচারীতা, ১২ জন আত্মীয় স্বজনের নিয়োগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাদাবাজি, দূর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য, অসদাচরণ ও বোর্ড পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয়ের অভিযোগে এবং স্কুল থেকে স্থায়ী অপসারণের দাবীতে আবারো বৃহস্পতিবার আন্দোলন করেছে হাজারো শিক্ষার্থী।

উল্লেখ্য, ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী দীর্ঘদিন যাবত প্রধান শিক্ষক কুলছুম বেগম বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তার স্থায়ী অপসারণের দাবীতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলে ততকালীন ইউএনও জনাব মো: জাকির হোসেন, কুলছুম বেগমের অনুপস্থিতিতে তার সাথে ব্যাক্তি ও ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হলে,  স্বাক্ষরিত এক পত্রে  ২৫/০৮/২০২৪ তারিখে তার পরিবর্তে,  সর্বজৈষ্ঠ্য সহকারি শিক্ষক নাদিরা বেগমকে ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক  হিসাবে নিয়োগ দেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির ক্ষমতাবলে ইএনও এই দ্বায়িত্ব অর্পণ করেন।

বিগত প্রায় ৩ মাস ধরে কুলছুম বেগম প্রতিষ্ঠানে আসেননি। গণ অভ্যুত্থানে উৎখাত বিগত আওয়ামী সরকারের এমপি ও বিসিবির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও স্থানীয় সাবেক এমপি সালমান এফ রহমানের ঘনিষ্ট হিসাবে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব বিস্তার ও অনিয়মতান্ত্রিক কাজ করায় এবং একাডেমিক কাজে মনোনিবেশ না করায় অপসারন দাবীতে এই আন্দোলন আরো তীব্র হয়েছে।

এছাড়াও, ছাত্র জনতার আন্দোলনে সক্রিয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে হুমকি ধামকি দিয়ে তিনি আন্দোলন থেকে নিবৃত্ত করতে চেষ্টা করেছেন এবং আন্দোলনকারীদের নিয়ে ক্লাসে কটুক্তির অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এই আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের অন্যতম নেতৃত্বেদানকারী শীর্ষ উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেনির মেধাবী শিক্ষার্থী, সানজিদা আক্তার বলেন,আমরা চাই এমন স্কুল যেখানে থাকবে না কোনো দূর্নীতি  ও অনিয়ম । আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে একজন দক্ষ, রুচিশীল, স্নেহপ্রবণ এবং মার্জিত প্রধান শিক্ষিকা চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, কুলছুম বেগমের  হুমকিতে, আমরা কিছু শিক্ষার্থী পরিবারসহ নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমরা ফ্যাসিবাদের দোসর এবং নিজে ফ্যাসিস্ট, দূর্নীতিবাজ কুলছুম বেগমের স্থায়ী অপসারন চাই।

এই সময় আন্দোলনকারীরা স্কুলের সামনের প্রধান সড়ক কিছু সময়ের জন্য অবরোধ করে রাখেন। এই  বিষয়ে বক্তব্য  জানতে চাইলে কুলছুম বেগমের  ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নবাবগঞ্জে বিনা বেতনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন কিছু শিক্ষক

Our website is your go-to destination for the best Swiss replica watches worldwide,offering top-quality fake watches at affordable prices.

cartier replica

AAA 1:1 replica watches uk,Audemars Piguet,Omega,Hublot,Patek Philippe,Richard Mille Watches.Swiss High quality replica Watches.

স্টাফ রিপোর্টারঃ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম বিষমপুর। আশেপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটু দূরে হওয়ায় স্থানীয় কিছু শিক্ষিত মানুষ এগিয়ে আসে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিষমপুর আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। এরপর কিছুদিন পর বন্ধ হয়ে ২০১৪ সালে আবার চালু হয় বিদ্যালয়টি। করোনা মহামারী পরিস্থিতির আগ পর্যন্ত মোটামুটিভাবে চলতে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। এর পর থেকেই একটি বড় রকমের ধাক্কা খায় স্কুলে। শিক্ষার্থী কমতে কমতে এখন ৪৯ জন শিক্ষার্থী আছে বিদ্যালয়টিতে। প্রধান শিক্ষক সুফিয়া আক্তার জানান, আমার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন ছিল একটি বিদ্যালয়ের হাল ধরার, সমাজের গরিব শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার। যেহেতু সরকারি প্রতিষ্ঠান না, আবার কোন ব্যক্তিও এখানে অর্থায়ন করেন না তাই আমি নিজে থেকেই টিউশনি করে ২ জন শিক্ষককে ২ হাজার করে ৪ হাজার টাকা দেই তাদের। এছাড়া আরো দুইজন শিক্ষক বিনা বেতনেই পাঠদান করান এখানে। সরেজমিনে দেখা গেছে কিছুদিন আগে ঝড়ে স্কলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তদুপরি এলাকার মাদকসেবীরা স্কুলের টিউবওয়েল ও বেঞ্চ নিয়ে গেছে। দরজাও নেই কক্ষের। এতে অফিস রুমেই পাঠদান চলে। কেউ কোন খোঁজ না রাখায় হুমকির মুখে পরেছে বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ। আশংকা ও দূঃখ ভারাক্রান্ত মুখে প্রধান শিক্ষিকা সুফিয়া আক্তার বলেন, যদি একটি সংস্কার করা যায় তাহলে এলাকার সুবিধা বঞ্চিত শিশুগুলোকে আমরা পড়ানো নিশ্চিত করতে পারি।
অত্র ইউনিয়নের বিশিষ্ট জনের মধ্যে মোস্তাক আহমেদ নামের একজন সমাজসেবকের সাথে কথা বললে তিনি নিশ্চিত করেন কিছু দিনের মধ্যেই তার সাধ্যমত এটা সংস্কার ও পাঠদানের উপযোগী করে দিবেন বলে নিশ্চিয়তা দিয়েছেন।

লেবানন থেকে ধাপে ধাপে ফিরছেন বাংলাদেশি প্রবাসী

0

Best quality replica watches uk is swiss watch brands 1:1 fake watches, high-quality swiss movement.

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে লেবানন থেকে ধাপে ধাপে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি প্রবাসী। এ পর্যন্ত সাতটি ফ্লাইটে ৩৩৮ জন বাংলাদেশিকে লেবানন থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বৈরুতে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত আসতে ইচ্ছুক যারা তাদের ফেরত আনা হয়েছে। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটের মাধ্যমে ৭০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে সম্পূর্ণ সরকারি ব্যয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হলো।

প্রত্যাবাসন করা অসহায় এসব বাংলাদেশি নাগরিককে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম।

আইওএম-এর কর্তৃপক্ষ লেবানন থেকে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা পকেটমানি, কিছু খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক মেডিকেল চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

দোহারে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মাহফুজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে মেধাবীদের সংবর্ধনা

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকার দোহারে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মাহফুজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে এস.এস.সি-২০২৪ পরীক্ষায় ৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শনিবার সকাল দশটায় পদ্মা সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে সংবর্ধনার আয়োজন করে উক্ত সামজিক সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অত্র এলাকার তথা দোহারের কৃতি সন্তান মেজর জেনারেল (অব:) অধ্যাপক ডা. এ আর খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পদ্মা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো: আব্দুল মজিদ বলেন, মেধার জন্য আন্দোলন হয়েছে সংগ্রাম হয়েছে, যে জাতি মেধার মূল্যায়ন করে না সে জাতি উন্নতি করতে পারে না। আজকে মেধাবীদের মূল্যায়ন করছেন আমরা শিক্ষক হিসেবে গর্বিত। ঠিক এভাবেই শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতে হবে,তাহলেই শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আসবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের এক ঝাঁক গর্বিত সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ; যাদের মধ্যে দোহারের মুকসুদপুরের কুদ্দুসুর রহমান, আব্দুর রউফ,
আব্দুল মোন্নাফ। অত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আহবায়ক হিসেবে স্বাগত বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাজ্জাত হোসেন নিটোল, তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল মেধাবী ও তাদের অভিভাবকদের ধন্যবাদ জানান। অত্র অনুষ্ঠান আয়োজনে কাজ করেছেন অত্র এলাকার কৃতি সন্তান জীবন্ত কিংবদন্তি কবি ডক্টর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ আনসারী, মূল আলোচনায় তিনি দেশে মেধার মূল্যায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, একজন শিক্ষার্থী যদি তিন বছর সাধনা করেন তাহলে জীবনে তার সফলতা আসবেই। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মাধ্যমিকের এই কৃতিত্ব যেনো ধরে রাখা যায় সেই প্রচেষ্টা করতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাইদুর রহমান (কমান্ডার খোকা মিয়া) বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মাহফুজ খান এদেশের গর্ব, তার নামে গড়ে উঠা সমাজ কল্যাণ প্রতিষ্ঠান আজ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য যে সম্মাননার আয়োজন করেছে এটি প্রশংসনীয় একটি কাজ, এসময় তিনি এই উদ্যোগের সাথে জড়িত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা পেশ করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন প্রিন্সিপাল শামসুল হক বাচ্চু এবং প্রভাষক আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব হিসেবে বাস্তবায়নে ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক মিলন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত দোহারের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিলস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: এরশাদ হোসেন, মধুরখোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান,শাইনপুকুর তানযিমুল উম্মাহ দাখিল মাদরাসার সুপারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মন্ডলী। পুরো অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলেন পদ্মা সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ। অনুষ্ঠানের সমাপণিতে দোয়া ও মোনাজাত করেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

দোহার-নবাবগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ‘বার্ষিক নৌ ভ্রমণ-২০২৪’ অনুষ্ঠিত 

আল নাহিয়ান: ১ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখ দোহার-নবাবগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত হয়ে গেলো বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ-২০২৪। এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন দোহার-নবাবগঞ্জ ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, জবি এর সভাপতি কাজী মোসাব্বিরুল আলম (নাহিন)। মৈনট ঘাট থেকে সকাল ৮ ঘটিকায় আনন্দ ভ্রমণ শুরু হয়।

সারাদিনব্যপী এই আয়োজনে ছিল বিভিন্ন খেলাধুলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দোহার ও নবাবগঞ্জ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ গ্রহণ করেন। সাবেক ও বর্তমানদের এক মিলন মেলায় পরিনত হয় এই আনন্দ ভ্রমণ।

আনন্দ ভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাসুদ স্যার, দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মামুন খান, এড. সাইদুর রহমান সাহাদ (এডভোকেট, জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা)।

আরোও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা ইমরান খান, মিথুন হোসেন জয়, সৌরভ ঘোষ, মো: নূর আলম ও মোসাদ্দেক হাবিব মুন্না। উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ আকন্দ ও নিলয় কুমার।

সারাদিনব্যপী এই আয়োজনের বাহন হিসেবে ছিল ‘জলবিন্দু ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস’ এর ‘সাম্পান জলতরঙ্গ’ নামের নৌযান। দুপুরের খাবার ও ঘুরাঘুরির জন্য বেছে নেওয়া হয় ‘মাওয়া রিসোর্ট’। শেষ বিকেলে পদ্মা সেতু ও তার আশেপাশের এলাকা উপভোগ করা হয়।

এই আয়োজনের শেষ পর্বে ছিল পুরষ্কার বিতরনী, সম্মাননা প্রদান ও নতুন কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর।

বিভিন্ন খেলায় যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। কমিটির সম্মানিত উপদেষ্টামন্ডলিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

২০২৪-২৫ নতুন কমিটির হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের মাধ্যমে এই আয়োজনের সকল আনুষ্ঠানিকতা সমপন্ন হয়। নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে সাব্বির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আল নূর খান দায়িত্ব গ্রহণ করেন।