বেনজির আহমেদ দেশের বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করছে : জামায়াত আমির

0

ডেস্ক রিপোর্টার মোঃ সোহেল: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কক্সবাজারে এক বিরাট জনসভায় বক্তব্য রাখেন, যেখানে তিনি জামায়াতের উদ্দেশ্য ও প্রস্তুতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জামায়াত একটি ন্যায়ভিত্তিক, ইনসাফপূর্ণ ও অহিংস সমাজ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশবাসী এমন মানুষের নেতৃত্ব চায় যারা সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। নতুন বাংলাদেশ গঠনে জামায়াত কোনো ষড়যন্ত্রকেই সফল হতে দেবে না এবং দেশের প্রয়োজনে সব ধরনের ত্যাগ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

জনসভায় জামায়াত আমির সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বেনজির আহমেদ শাপলা চত্বরে নিরীহ আলেম ও হাফেজদের হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন এবং তার হাজার হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পত্তি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করছে। জামায়াত আমির পুলিশ বাহিনীকে সতর্ক থাকার এবং ওই ষড়যন্ত্রকারীর ফাঁদে না পড়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনী যেন তাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করে এবং সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রকারীর প্রতি ঘৃণা প্রদর্শন করে।

জনসভায় জামায়াতে ইসলামী’র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীর সংখ্যায় শীর্ষে বাংলাদেশ

0

মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী স্টিভেন সিম বলেছেন, বর্তমানে ৮ লাখ ৯৮ হাজার ৯৭০ জন বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় বৈধভাবে কর্মরত আছেন। বিদেশি কর্মীদের সংখ্যার বিচারে যা সর্বোচ্চ। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এ দেশটিতে কর্মদক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশিরা এ অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

স্টিভেন সিম বলেন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় মোট অভিবাসী কর্মীর সংখ্যা ২৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪২২ জন, যা দেশটির মোট কর্মীর ১৪ শতাংশ। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, যাদের সংখ্যা ৫ লাখ ৮২ হাজার ১০৮ জন। তৃতীয় স্থানে থাকা নেপালের ৩ লাখ ৭০ হাজার ১২৭ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় কাজ করেন।

মন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকারের নীতিতে নির্ধারিত বিদেশি কর্মীর সংখ্যা ১৫ শতাংশ অতিক্রম করেনি। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ থেকে অভিবাসী কর্মী নিয়ন্ত্রণের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা এখনও চলমান রয়েছে।

বরকতপূর্ণ শাবান থেকেই রমজানের প্রস্তুতি

রমজানের পূর্বপ্রস্তুতির জন্য শাবান মাস। এ মাসের পূর্ণ নাম হচ্ছে ‘আশ শাবানুল মুয়াজ্জাম তথা মহান শাবান মাস’। এ মাসে রাসূল (সা.) বেশি বেশি ইবাদত পালন করতেন। অথচ আজ আমাদের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুত করতে ব্যস্ত হয়ে যায় ব্যবসায়ীদের কিছু মহল।

এমনকি ভোক্তাদের অনেকেই রোজায় খাবারের পসরা সাজাতে প্রস্তুতি নেন শাবান মাসেই। অথচ এ মাস হাতছানি দিয়ে ডাকে রবের নৈকট্য অর্জনে। কেউ ফিরে আসে, কেউবা ভাবে এত পাপ করেছি, ক্ষমা পাওয়ার পথ হয়তো আমার জন্য খোলা নেই।

প্রিয় বন্ধুরা! আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘বলুন, হে আমার বান্দারা যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। সূরা যুমার, আয়াত নং ৫৩।

হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) শাবানের পূর্ণ মাসই রোজা রাখতেন। তিনি শাবানের রোজা রাখতেন, তবে অল্প কিছু দিন (রাখতেন না)। (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, বায়হাকি, মিশকাত, মুসনাদে আহমাদ)। তাই এ মাসে রোজার প্রস্তুতি হিসাবে আমাদের উচিত রোজা রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা।

এ মাসে রয়েছে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান, আমাদের সংস্কৃতিতে যাকে বলা হয় শবেবরাত। রাসূল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা অর্ধ শাবানের রাতে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখে মুশরিক এবং বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তি ছাড়া সব সৃষ্টিকে ক্ষমা করে দেন।’ ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ১৩৯০।

তাছাড়া রাসূল (সা.) প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখতেন। যাকে বলা হয় আইয়ামে বিজ। এ তিন দিন রোজা রাখা সুন্নত। এর মধ্যে শাবানের রজনি তথা শবেবরাত তারই অন্তর্ভুক্ত। তবে আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের শবেবরাতের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো অনেক ক্ষেত্রে সুন্নত সমর্থন করে না।

রমজানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো তারাবির নামাজ। আমরা সাধারণ মানুষ অনেক সময় ইমাম সাহেবকে বলি, হুজুর দ্রুত পড়ুন। কারণ আমরা নিজেরা বিশুদ্ধ কুরআন তেলাওয়াত যেমন শিখি না, তেমনি আমাদের মাতৃভাষায় না হওয়ায় তা অনুধাবনও করি না। অথচ কুরআন শুধু একটি গ্রন্থ বা ধর্মগ্রন্থই নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। রমজান মাসেই অবতীর্ণ হয় এ মহাগ্রন্থ আল কুরআন।

আসুন আমরা কুরআন তেলাওয়াত শিখি; অল্প করে হলেও অনুবাদ পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলি। এ মাসকে কেন্দ্র করে যা হতে পারে আমাদের রমজানে তারাবির নামাজে একাগ্রতার প্রতীক। ইসলামের পাঁচটি ভিত্তির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো রোজা। রোজা ফারসি শব্দ। সাওম হলো তার আরবি প্রতিশব্দ, যার অর্থ বিরত থাকা। অর্থাৎ পানাহার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি যাবতীয় গর্হিত কাজ থেকে বিরত থাকা।

এ রোজা পূর্ববর্তী নবিদের ওপরও ফরজ ছিল। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে ইমানদাররা তোমাদের ওপর রোজাকে ফরজ করা হয়েছে, যেমনভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা খোদাভিরু হতে পার।’ (সূরা বাকারা-১৮৫)।

রোজার বিনিময় সম্পর্কে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্য, কিন্তু রোজা এর ব্যতিক্রম। রোজা আমার জন্য এবং আমিই এর প্রতিদান দেব।’ (বুখারি ও মুসলিম)। দুঃখের বিষয় আমাদের সমাজে অনেকেই শারীরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ইসলামের এ বিধান পালনে উদাসীনতা দেখান।

তাদের জন্য এ মাস থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। কেননা কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া একটি রোজা পরিত্যাগের শাস্তি একাধারে ৬০টি রোজা রাখা; যা পালন করা আরও অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

এ মাসে আমাদের প্রস্তুতি যেমন প্রয়োজন, তেমনিভাবে আমাদের সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন; যাতে আমাদের রমজানের প্রস্তুতি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী হয়, আমরা যেন অতিরঞ্জিত কিছু করে না ফেলি, যা সুন্নতের পরিপন্থি।

দেশবাসীর প্রতি জামায়াত আমিরের আহ্বান

0

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, গত তিন দিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো বিবেক ও দায়িত্ববোধের পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কোনো দায়িত্বশীল নাগরিকের সম্পৃক্ত হওয়া উচিত নয়।

জামায়াত আমির আরও বলেন, “আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই। আমাদের দাবি, গত ১৫ বছরে যারা খুন, গুম, লুটপাট, দুর্নীতি এবং বিশেষ করে ২৪ এর গণহত্যার মতো অপরাধ সংঘটিত করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার ও সাজা নিশ্চিত করতে হবে। পাচার ও লুণ্ঠনের অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফিরিয়ে আনা এবং নিরীহ জনগণের জান, মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।”

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ভাঙচুর, যা বলল অন্তর্বর্তী সরকার

0

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। পলাতক অবস্থায় ভারতে বসে জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে জনমনে গভীর ক্রোধের সৃষ্টি হয়েছে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এমন তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ছয় মাসে ৩২ নম্বর বাড়িটিতে কোনো ধরনের আক্রমণ, ধংসযজ্ঞ হয়নি। গতকাল রাতে এটি ঘটেছে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ঘিরে, যার দুটো অংশ আছে।

একটা অংশ হলো, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আত্মদান করেছেন শেখ হাসিনা তাদের অপমান করেছেন, অবমাননা করেছেন। শহিদের মৃত্যু সম্পর্কিত অবান্তর, আজগুবি ও বিদ্বেষমূলক কথা বলে পলাতক শেখ হাসিনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবজ্ঞা ও অশ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

দ্বিতীয়ত, শেখ হাসিনা দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও অমানবিক প্রক্রিয়ায় নিপীড়ন চালিয়ে ক্ষমতায় থাকাকালীন যে সুরে কথা বলতেন গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি একই হুমকি-ধমকির সুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া প্রতিটি মানুষের বিরুদ্ধে কথা বলে চলেছেন, হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। শেখ হাসিনা দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির হুমকি দিয়েছেন।

মানুষের মনে জুলাই গণহত্যা নিয়ে যে ক্ষত রয়েছে সে ক্ষততে শেখ হাসিনা একের পর এক আঘাত করে চলছেন। তার এই সহিংস আচরণের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার দেশ ও জনগণের জানমালের রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বাত্মকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার যথাযথ চেষ্টা করছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধে একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শেখ হাসিনা বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়ানো সম্ভব।

সরকার আশা করে, ভারত যেন তার ভূখণ্ডকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে এমন কাজে ব্যবহৃত হতে না দেয় এবং শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না দেয়। অন্তর্বর্তী সরকার ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না।

জুলাই হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচারকাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এই বিচার নিশ্চিত করে গণহত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কী কী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা সরকার খতিয়ে দেখবে।

দোহারে ডিএন মেডিকেল সার্ভিসেস হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন

স্টাফ রিপোটারঃ আল-আমিন: ঢাকার দোহার উপজেলায় আধুনিক চিকিৎসা সেবার নতুন সংযোজন ডিএন মেডিকেল সার্ভিসেস হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দুপুরে উপজেলার লটাখোলা করম আলীর মোড়ে এ হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালক, ঢাকা ইমপালস হাসপাতালের ডিরেক্টর ও চিফ কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মো. জালালউদ্দিন। ডিএন মেডিকেল সার্ভিসেস-এর চেয়ারম্যান মো. করম আলীর সভাপতিত্বে এবং ডিরেক্টর (অ্যাডমিন ও ফিন্যান্স) আব্দুল রাকিব তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— ডা. মো. রবিউল ইসলাম (উজ্জল), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আনোয়ার ইসলাম, কেয়ার মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মুরাদ হোসেন খান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মো. জসীম উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান, ডিএন মেডিকেল সার্ভিসেস খন্দকার আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি মাসুদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক, দোহার উপজেলা বিএনপি অ্যাড. ফজলুর রহমান বেলায়াদি ও জুলহাস উদ্দিন, বিএনপি নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মুজবুর রহমান বেপারী প্রফেসর আনোয়ারুল ইসলাম, পেডিয়াট্রিক কেয়ার মেডিকেল কলেজ আমিনুল হাসনাত, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, নিউরো সাইন্স হাসপাতাল ডা. মো. মিজানুর রহমান .সাদ এম মেহেদী, ডিরেক্টর, ট্রেডসওয়ার্থ গ্রুপ।

অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কুসুমহাটি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুল ওয়াহাব দোহারী।

নতুন এ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ীতে ১১টি বিপন্ন মুখপোড়া হনুমানসহ তিনজন আটক

0

স্টাফ রিপোটারঃ আল-আমিন,ঢাকা: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫: বন অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও ডিবি পুলিশের সম্মিলিত অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল শামিমবাগ রোড থেকে বিপন্ন ১১টি মুখপোড়া হনুমান (Capped Langur) উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে তিনজন আসামিকে আটক করা হয় এবং তাদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।

বন অধিদপ্তরের বন‍্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, জনাব শারমীন আক্তারের নির্দেশনায় পরিচালিত এই অভিযানে বন‍্যপ্রাণী পরিদর্শক নিগার সুলতানা সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী প্রসিকিউশন দাখিল করেন। পরে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব অনিক সাহার নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

মোবাইল কোর্টে বন‍্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ৩৪(খ) এবং ৩৯ ধারা অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত করে আসামিদের মোট ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিভাগীয় বন কর্মকর্তারা জানান, আসামিরা মুখপোড়া হনুমানগুলোকে চট্টগ্রাম থেকে কুষ্টিয়ায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে প্রাণীগুলো উদ্ধার করা হয় এবং পরে সেগুলোকে গাজীপুর সাফারি পার্কে হস্তান্তর করা হয়।

বন অধিদপ্তর জানিয়েছে, বন্যপ্রাণী পাচারের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রাথমিকের ৬ হাজার ৫৩১ সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

0

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। আদালত মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে, গত ১৯ নভেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

উত্তীর্ণদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা অনুসরণের অভিযোগে ফলাফল প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগ বঞ্চিত ৩০ প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করলে প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ ওই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফয়েজ উদ্দিন আহমদ। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান ভূইয়া। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী ও আখতার হোসেন মো. আবদুল ওয়াহাব।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ২৩ জুলাই কোটাপদ্ধতি সংশোধনের পর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের জারি করা পরিপত্রসহ আগের এ-সংক্রান্ত সব পরিপত্র বা প্রজ্ঞাপন বা আদেশ রহিত করা হলো। ফলে আগের কোনো আদেশ বহাল থাকছে না।

তবে ৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীকে নির্বাচন করে নিয়োগের ক্ষেত্রে আগের সেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুসরণ করা হয়।

যেখানে নারী কোটা ৬০ শতাংশ, পোষ্য কোটা ২০ শতাংশ, ৪ শতাংশ অন্যান্য কোটা ছিল। যে কারণে বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে নিয়োগের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছিলেন।

গত বছরের ৩১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

জানা গেছে, তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২১টি জেলার পরীক্ষা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষার সংশোধিত ফল গত বছরের ২২ এপ্রিল প্রকাশিত হয়। এতে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। ২৯ মার্চ সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

কুয়েতে বৈধ ভিসায় গিয়ে অবৈধ হয়ে ফিরছেন প্রবাসীরা

0

২০২৪ সালে কুয়েতের অনেক অঞ্চলে অভিযানে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে বিভিন্ন দেশে ৩৫ হাজার প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

জানা গেছে, ভিসার ধরণ ও স্থানীয় আইন সম্পর্কে ধারণা না থাকায় বৈধ ভিসায় গিয়ে কাজ না পেয়ে অবৈধ হয়ে দেশে ফিরছেন প্রবাসীরা। এছাড়া গ্রেপ্তাররা দেশটিতে পুনরায় ভিসা নিয়ে প্রবেশ করা যোগ্যতাও হারাচ্ছেন।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে বাংলাদেশ থেকে শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকার যুবকেরা ব্যক্তিগত কাফিল গৃহকর্মী ২০ নম্বর ভিসা বা ছোট কোম্পানি ১৮ নাম্বার ভিসা এর অধীনে ৭ লাখ থেকে ৯ লাখ টাকার বিনিময়ে যাচ্ছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দালালের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত হয়ে একক ভিসায় বাংলাদেশি কর্মী কুয়েতে যাওয়ার কিছু দিন পরে মালিক (কাফিল) ওই কর্মীর (ভিসা) ইকামা বসবাসের অনুমতি বাতিল করে অন্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দিচ্ছেন।

এদিকে বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার্থে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুধুমাত্র মালিক দ্বারা জমাকৃত একক ভিসা সত্যায়নের আবেদন দূতাবাসে গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হলেন সাংবাদিক মনির হায়দার

0

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মনির হায়দার। এই পদে তাঁকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ দিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মনির হায়দারকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য গঠন) পদে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

বিশেষ সহকারী হিসেবে তিনি প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শক্তির সঙ্গে লিয়াজোঁ এবং যোগাযোগ রক্ষায় ভূমিকা পালন করবেন বলে জানা গেছে।