বিএনপিতেই ফিরছেন নাজমুল হুদা|

নিজ ঘর ত্যাগ করে অন্য ঘরে আশ্রয়, অতপর আবারও পুরনো ঠিকানায় ঠাঁই নিচ্ছেন আলোচিত ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। দল পালটিয়ে আবারও বিএনপিতে পত্যার্পণ করছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খুলতে চাচ্ছেন না ব্যারিস্টার হুদা। মঙ্গলবার বিষয়টি এই প্রতিবেদককে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্রের দাবি, শেষ মুহুর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি যোগ দেবেন সদ্য আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপত্র তোলা নাজমুল হুদা। তবে বিএনপি ফিরে তিনি নির্বাচন করবেন না। নির্বাচন করবে তার কন্যা। কিন্তু তিনি সক্রিয়ভাবে নির্বাচনি মাঠে থাকবেন।

এদিকে নাজমুল হুদাও বিষয়টি নিয়ে এখনই মুখ খুলতে রাজি নন। বিষয়টি এক প্রকার এড়িয়ে যাচ্ছেন। তবে সূত্র বলছে, পুনরায় বিএনপিতে ফেরার বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে গেলে পুলিশি হয়রানিতে পড়বেন নাজমুল হুদা। কিন্তু লন্ডনে নির্বাসিত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সঙ্গে গতকাল সোমবার একাধিকবার কথা বলেছেন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। আলোচনাও ইতিবাচক হয়েছে। উল্লেখ্য, নিজ দল বিএনপি ছেড়ে প্রথমে তৃণমূল বিএনপি পরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলে যোগদান করে সমালোচিত হন সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী নাজমুল হুদা।

আবু আশফাক সহ বিএনপি নেতা- কর্মিদের ৮ সপ্তাহের জামিন|

আবু সাঈদ নিউজ৩৯ আদালত প্রতিবেদকঃ অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে দোহার নবাবগঞ্জে পুলিশবাদী হয়ে দায়ের করা ৪ টি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন ঢাকা জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক সহ তার কর্মি-সমর্থক ও সাধারণ জনগণ। এতে দোহার নবাবগঞ্জ মিলিয়ে প্রায় ৩ শত জনকে আসামী করা হয়েছিল। ৪ টি মামলার ২টি তে আবু আশফাক ছিলেন প্রধান আসামী। মঙ্গলবার হাই কোর্টের বিচারপতি এনায়েতুর রহমানের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।এতে আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

আমি কখনও হারাম গ্রহণ করি নাই: মাহবুবুর রহমান

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে মানুষের সেবা ও কল্যাণের জন্য নিজেকে ব্যস্ত রেখেছি। আমি কখনও হারাম গ্রহণ করি নাই, কারও বাড়ি ঘর দখল করি নাই। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করে যে দায়িত্ব দিয়েছে আমি সেই দায়িত্ব অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যাচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। শনিবার নবাবগঞ্জে কোকিল প্যারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমি ঢাকা জেলাকে একটি মডেল জেলা উপহার দিতে চাই। সারা দেশের মধ্যে এটি একটি শ্রেষ্ঠ জেলা হবে ইহা আমার চ্যালেঞ্জ। আগামী তিন বছরে দোহার-নবাবগঞ্জে কোন রাস্তাই কাঁচা থাকবে না। শিক্ষার্থীদের যাতে কষ্ট করে ক্লাস করতে না হয় তার ব্যবস্থা করে যাব। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রতি বছর কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে বৃত্তি প্রদাণ করে আসছি।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এস আলম পোখরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মোতালেব, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মোল্লা, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম মোস্তফা শিমু, ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম খলিল, দোহার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ভিপি আলমাস, আওয়ামী লীগ নেতা জয়নাল আবেদিন, প্রধান শিক্ষক মো. শাহআলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে  শিল্পকলা একাডেমী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যৌথ ভাবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান পরিবেশন করেণ।

সালমান এফ রহমানই ঢাকা-১ এর নৌকার মাঝি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকেই ঢাকা-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে ঘোষনা করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আজ রবিবার ২৫ নভেম্বর সকাল ১০টার দিকে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ সাক্ষরিত এক চিঠিতে সালমান এফ রহমানের এই মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়। সালমান এফ রহমানের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব ওবায়দুর রহমান নিউজ৩৯কে সালমান এফ রহমানের মনোনয়নের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে গত কয়েকদিন মনোনয়ন নিয়ে বিভিন্ন ধোঁয়াশা থাকার পর আজ সকালে আওয়ামী লীগের ঘোষনায় অনেকটাই হাপ ছেড়েছেন দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা। ফেসবুক্সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সকাল ৯টার দিকে বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে সালমান এফ রহমানের মনোনয়নের খবর। খবরে উচ্ছ্বাসের সাথে সাথে গত তিন বছরে দোহার ও নবাবগঞ্জের উন্নয়নে সালমান এফ রহমানের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দেন আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।

ঢাকা-১ থেকে আবু আশফাকসহ দেড় শতাধিক প্রার্থী নিশ্চিত বিএনপি’র

ঢাকা-১ থেকে বিএনপির প্রার্থীতা পাচ্ছেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খোন্দকার আবু আশফাক। খোন্দকার আবু আশফাকসহ প্রায় ১৫০ আসনে বিএনপির প্রার্থীতা নিশ্চিত করেছে বিএনপি। ২০০১ এবং ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বিএনপি। অর্থাৎ পুরনোদের অধিকাংশই এবারও মনোনয়ন পাচ্ছেন। ‘শক্ত’ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে গিয়ে সংস্কারপন্থিদের কয়েকজনকে প্রার্থী করা হচ্ছে। দলের নীতিনির্ধারণী একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগেই তিনটি জরিপ চালিয়েছেন। সেই জরিপের ভিত্তিতে তিনি ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছেন। তবে এবার ঢাকা মহানগরের আসনে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হচ্ছে। ঐক্যফ্রন্টের কয়েকজন নেতাকে ঢাকায় নির্বাচন করতে দেখা যাবে। কয়েকজন তরুণ নেতাও থাকবেন প্রার্থী।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। তার পর অধিকাংশ আসনে কয়েকজন বিকল্প রেখে প্রার্থীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন প্রার্থীর ব্যাপারে মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যদের মতামতও আছে। এখন একক প্রার্থী তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে জানিয়ে দেওয়া হবে।

যে আসনে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত : বরগুনা-১ মতিউর রহমান তালুকদার, বরগুনা-২ নুরুল ইসলাম মনি। পটুয়াখালী-১ এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ শহিদুল আলম তালুকদার/মুনির হোসেন, পটুয়াখালী-৩ হাসান মামুন, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিমউদ্দিন আলম/নুরুল ইসলাম নয়ন।

কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. এম ওসমান ফারুক বা তার স্ত্রী, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ এহসান কুপিয়া/শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ-৬ শরিফুল আলম। ময়মনসিংহ-১ এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সারোয়ার, ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন, ময়মনসিংহ-৪ দেলোয়ার হোসেন খান দুলু, ময়মনসিংহ-৫ একেএম মোশাররফ হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ ইঞ্জিনিয়ার শামস উদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, ময়মনসিংহ-৮ লুৎফুল্লাহেল বাবু, ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী/মামুন বিন আবদুল্লাহ, ময়মনসিংহ-১০ ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন/অ্যাডভোকেট আল-ফাতাহ্ মো. আবদুল হান্নান খান, ময়মনসিংহ-১১ মোরশেদ আলম/ ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।

মানিকগঞ্জ-১ খোন্দকার আখতার হামিদ ডাবলু/আকবর হোসেন বাবলু, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা। মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই/কামরুজ্জামান রতন। ঢাকা-১ খন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আমানউল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৫ নবীউল্লাহ নবী/ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা-৬ আবুল বাশার/ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা-৭ ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিব উন নবী খান সোহেল, ঢাকা-১০ ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম/ ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা-১১ এমএ কাইয়ুম, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নীরব/ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা-১৩ আবদুস সালাম, ঢাকা-১৪ এসএ সাজু/ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা-১৫ মামুন হাসান বা সিনিয়র কোনো নেতা, ঢাকা-১৬ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া/আমিনুল ইসলাম/ঐক্যফ্রন্ট, ঢাকা-১৭ মেজর জেনারেল (অব) রুহুল আলম চৌধুরী/ মেজর জেনারেল (অব) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, ঢাকা-১৮ মেজর (অব) কামরুল ইসলাম/এসএম জাহাঙ্গীর, ঢাকা-১৯ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ঢাকা-২০ তমিজ উদ্দিন, গাজীপুর-১ চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ এমএ মান্নান/ হাসান সরকার, গাজীপুর-৩ ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-৪ সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আ স ম হান্নান শাহের ছেলে রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর-৫ একেএম ফজলুল হক মিলন।

নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল/আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, নরসিংদী-৫ জামাল আহমেদ চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম, নারায়ণগঞ্জ-২ আতাউর রহমান খান আঙ্গুর/ নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ-৪ মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আবুল কালাম/ঐক্যফ্রন্ট, রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, রাজবাড়ী-২ হারুন অর রশীদ। ফরিদপুর-১ শাহ আবু জাফর, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ/ ইসলাম রিংকু, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ/শাহজাদা মিয়া/মাহবুবুল হাসান পিংকু, মাদারীপুর-১ কামাল জামান নুরুদ্দিন মোল্লা/সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাবলু, মাদারীপুর-২ হেলেন জেরিন খান, মাদারীপুর-৩ আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন, গোপালগঞ্জ-১ সরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর/সেলিমুজ্জামান সেলিম গোপালগঞ্জ-২ এমএইচ খান মঞ্জু, গোপালগঞ্জ-৩ এসএম জিলানী। শরীয়তপুর-১ সরদার একেএম নাসির উদ্দিন খান, শরীয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরণ, শরীয়তপুর-৩ মিয়া নূরুদ্দিন অপু।

সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ নুরুল ইসলাম সাজু/কয়সর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সিলেট-১ ইনাম আহমেদ চৌধুরী/আবদুল মোক্তাদির চৌধুরী, সিলেট-২ নিখোঁজ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহমিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ শফি আহমেদ চৌধুরী/ব্যারিস্টার এমএ সালাম, সিলেট-৪ আবদুল হেকিম, মৌলভীবাজার-১ এবাদুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মনসুর (ঐক্যফ্রন্ট), মৌলভীবাজার-৩ নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ হাজী মুজিব। হবিগঞ্জ-১ শেখ সুজাত মিয়া/রেজা কিবরিয়া (ঐক্যফ্রন্ট), হবিগঞ্জ-২ ডা. এম সাখাওয়াত হোসেন জীবন, হবিগঞ্জ-৩ পৌর মেয়র জিকে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সাল।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আবদুস সাত্তার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান/নাসির উদ্দিন হাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ প্রয়াত সাবেক এমপি কাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে কাজী তাপস/তকদির হোসেন জসিম। কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। কুমিল্লা-২ প্রয়াত এমকে আনায়ারের ছেলে মাহমুদ আনোয়ার কায়জার, কুমিল্লা-৩ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের ভাই মুজিবুল হক, কুমিল্লা-৫ শওকত মাহমুদ, কুমিল্লা-৬ আমিনুর রশীদ ইয়াসিন, কুমিল্লা-৭ রেদোয়ান আহমেদ (এলডিপি), কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-১০ মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, ঢাকা-১১ সৈয়দ আবদুুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (জামায়াত), চাঁদপুর-১ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন/মোশাররফ হোসেন/ নাজমুন্নাহার বেবী, চাঁদপুর-২ ডা. জালাল/সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত নূরুল হুদার ছেলে তানভির হুদা/আতাউর রহমান ঢালী, চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ এমএ হান্নান, চাঁদপুর-৫ ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক, ফেনী-১ খালেদা জিয়া পরিবারের কেউ অথবা বিএনপির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা, ফেনী-২ জয়নুল আবেদীন ভিপি, ফেনী-৩ আবদুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবেদীন ফারুক, নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-১ নাজিম উদ্দিন/শাহাদাৎ হোসেন সেলিম (এলডিপি), লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, লক্ষ্মীপুর-৪ আ স ম আবদুর রব/ শফিউল বারী বাবু, বান্দরবান ম্যা ম্যা চিং, রাঙ্গামাটি- মনিষ দেওয়ান, খাগড়াছড়ি- ওয়াদুদ ভূঁইয়া, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমেদ/হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-২ আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ/জামায়াত, কক্সবাজার-৩ লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১ কামাল উদ্দিন চৌধুরী/এলডিপি, চট্টগ্রাম-২ গোলাম আকবর খন্দকার/কাদের গণি চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ আসলাম চৌধুরী অথবা বিএনপির অন্য কোনো নেতা, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াস কাদের চৌধুরী বা তার ছেলে, চট্টগ্রাম-৭ ফরহাদ কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এম মোরশেদ খান, চট্টগ্রাম-৯ ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ গাজী শাহজাহান জুয়েল/এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সারওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪ অলি আহমদ (এলডিপি), চট্টগ্রাম-১৫ শামসুল ইসলাম (জামায়াত), চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী।

বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত, আজ-কালের মধ্যে মনোনয়ন দেবেন তারেক জিয়া

0

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে বিএনপি একক প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শেষে খসড়া তালিকা তৈরিতে টানা তিনদিন বৈঠক করে পার্লামেন্টারি বোর্ড। শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত তারা এ বৈঠক করেন। এ তালিকায় প্রতিটি আসনে দুই বা তিনজন করে সম্ভাব্য প্রার্থী রাখা হয়েছে। তবে প্রায় অর্ধশত আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।

কোনো কারণে তাদের প্রার্থিতা বাতিল হলে ওই আসনটি যাতে শূন্য না থাকে সে জন্য বিকল্প হিসেবে একজন করে ডামি প্রার্থী রাখা হয়েছে।

যেসব আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে তার মধ্যে আছেন- ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, নাটোর-২ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভোলা-৩ মেজর (অব.) এম হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান, নোয়াখালী-৩ বরকতউল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী লক্ষ্মীপুর-৩, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমেদ, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, চট্টগ্রাম-১০ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

এছাড়া অন্যান্য আসনে যারা চূড়ান্ত হয়েছেন আজ-কালের মধ্যে এ খসড়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে পাঠানো হতে পারে। ওই তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবেন তারেক রহমান।

খসড়া তালিকায় যাদের নাম থাকবে তাদের দলীয় মনোনয়ন ফরম দেয়া হবে। আজ-কালের মধ্যে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ ফরম ছাড়ার সম্ভাবনা আছে। তবে প্রতিটি আসনে বিকল্প রেখেই এ তালিকা তৈরি হচ্ছে। চার দিনের সাক্ষাৎ শেষে পার্লামেন্টারি বোর্ড টানা তিন দিন বৈঠক করে এ খসড়া তালিকা তৈরি করে।

সূত্র জানায়, ২০ দলীয় জোটের শরিক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জন্য যেসব আসনে ছাড় দেয়া হবে, সে তালিকাও তৈরি করেছে বিএনপি। ২০ দলীয় জোটের শরিক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৬০টি আসনে ছাড় দেয়া হতে পারে।

জোট ও ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনায় বসবে বিএনপি। আজ-কালের মধ্যেই এ বৈঠক হবে। জোট ও ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে কিছু আসনে এখনও সমঝোতা হয়নি। আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

এরপর দল, জোট ও ফ্রন্টের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তবে কৌশলগত কারণে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থী ঘোষণার পর তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, তৃণমূলের মতামত এবং সবকিছু বিবেচনা করে যাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেয়া হবে। অতীতে দলের প্রতি তার কতটা অবদান আছে সে বিষয়টিও প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। প্রার্থী চূড়ান্তের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দ বিবেচনায় আনা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, শরিক ও ফ্রন্টের সঙ্গে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা হয়নি। শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।

প্রার্থী চূড়ান্তে বড় ধরনের সমস্যা হবে না। যাদের জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারবে তাদেরকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারিত হলেও মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৮ নভেম্বর।

বাছাই ২ ডিসেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় আগামী ৯ ডিসেম্বর। প্রার্থীর নাম ঘোষণার ক্ষেত্রে বিএনপি প্রায় শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। ঝুঁকি এড়াতে আপাতত একাধিক বিকল্প প্রার্থীর মনোনয়নপত্র কমিশনে জমা দিলেও চূড়ান্তভাবে একজনকে রেখে বাকিদের প্রত্যাহার করতে বলা হবে।

প্রার্থীদের কাছ থেকে আগেই এ ব্যাপারে হলফনামা বা অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করিয়ে রাখা হবে। যাতে বিএনপি চিঠি দিলেও একটি বাদে অন্য প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহার হয়ে যায়।

সূত্র জানায়, প্রায় প্রতিটি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীর পাশাপাশি বিকল্প প্রার্থী রাখা হবে। কোনো কারণে প্রথম পছন্দের প্রার্থিতা বাতিল হলে দ্বিতীয়জনকে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হবে। দলের পাশাপাশি জোট বা ঐক্যফ্রন্টের আসনেও বিকল্প প্রার্থী রাখার চিন্তাভাবনা চলছে।

দোহার-নবাবগঞ্জে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হবেঃ সালমান এফ রহমান

দোহার-নবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের আমলে যত উন্নয়ন হয়েছে বিগত কোন সরকারের সময় তা হয় নি। এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হলে এই আসনে আওয়ামী লীগকে উপহার দিতে হবে। আওয়ামী লীগকে এই আসন উপহার দিতে না পারলে এই আসনের উন্নয়ন থমকে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান। শনিবার দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক কর্মী সভা ও গনসংযোগ কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি এই কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই দেশ নিরাপদ। সারা দেশে যে উন্নয়ন কার্যক্রমের জোয়ার চলছিল ঠিক তখনই দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা ছিল অবহেলিত। নদী ভাঙ্গন, ভাঙ্গা রাস্তাঘাট এই ছিল এই অঞ্চলের চিত্র। আমাকে নেত্রী যখন দোহার ও নবাবগঞ্জে পাঠালো তখন এই অঞ্চলের উন্নয়ন ছিল স্থবির। আমি নেত্রীর সহায়তায় ও নির্দেশে এই এলাকার সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো শুরু করি। আজ আওয়ামী লীগ সরকারে ছিল বলেই দোহার ও নবাবগঞ্জের মানুষের প্রাণের দাবি পদ্মা বাঁধ তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ছিল বলেই এই অঞ্চলের রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এখন আবার সময় হয়েছে এই অঞ্চলের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। এই অঞ্চলের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের প্রার্থীর বিকল্প নেই। আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসিরুদ্দিন আহমেদ ঝিলু, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জালাল উদ্দিন, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগ দক্ষিনের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন সোহাগসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অংগ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

ঢাকা-১ আসন নিয়ে জটিলতায় মহাজোট; নির্বাচন হতে পারে দলগত ভাবেই

ঢাকা-১ আসন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিতে তৈরি হয়েছে দুরত্ব। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর অমনোননীয় মনোভাবের কারনে উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একদিকে গত তিন বছর দোহার ও নবাবগঞ্জের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে সরাসরি ত্বত্তাবধান করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হওয়া জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যমুনা গ্রুপের ডিরেক্টর সালমা ইসলাম। ফলে চাইলেও এই আসন নিয়ে সমাঝোতায় আসতে পারছেন না আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। ফলে দুই দল থেকেই নির্বাচন করতে পারেন দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। ফলে উন্মুক্ত হয়ে যেতে পারে এই আসন। নিজ নিজ কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে মহাজোটের অন্যতম বড় দুইটি দল আওয়ামী লীগ ও জাতীয়পার্টি।
জানা যায়, গত সপ্তাহের শুরুতে দল থেকে সালমান এফ রহমানকে ঢাকা – ১ এ মনোনয়ন দিতে দলের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ করেন শেখ রেহেনা, শেখ সেলিমসহ শেখ হেলাল। তখন দল থেকে তাকে কাজ চালিয়ে যেতে গ্রীন সিগন্যাল ও দেয়া হয়। কিন্তু হটাৎ ই দৃশপট পালটে যায়, মংগলবার রাতে সালমা ইসলাম দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে। সেসময় জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ তার দলে সালমা ইসলামের গুরুত্ব তুলে ধরে যেভাবেই হোক ঢাকা -১ আসন চান। এছাড়া বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ দলীয় এমপি ও মন্ত্রী আব্দুল মান্নান খানকে পরাজিত করে তিনি এমপি হয়েছিলেন, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। বিনিময়ে তিনি তার নিজের ঢাকা-১৭ বা নারায়ণগঞ্জ -১ যে কোন আসন ছাড় দেয়ার ওয়াদা দেন। এতে করে বৃহস্পতিবার গণ সং যোগে দোহার নবাবগঞ্জে আসেন সালমা ইসলাম। কিন্তু সালমান এফ রহমান গত ৩ বছর, দোহার নবাবগঞ্জে তার অবিরাম গণ সংযোগ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে একক প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন চান। সেক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানোর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। এমন অবস্থায় জাপাকে ৩১ আসন দিলেও, ঢাকা-১ আসন আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টি উভয়ের নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এ আসনটি আওয়ামীলীগ এবং জাতীয়পার্টির জন্য উন্মুক্ত ছিল। সে সময় আসনে প্রার্থী ছিলেন বর্তমান এমপি সালমা ইসলাম ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান।

গালিমপুরে গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নূরে হাফসা (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত করেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার গালিমপুর ইউনিয়নের মুসলিম হাঁটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হাফসা ওই এলাকার মুস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। এ ঘটনায় এক আসামিকে আটকের পর পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ভোক্তভোগী পরিবারের।

আহত গৃহবধূ হাফসা জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে জমির ঘাস কাঁটাকে কেন্দ্র করে তার দেবর রাসেলের সাথে তার ও তার স্বামীর ঝগড়া হয়। সে সময়ে তার শ্বাশুড়ি ফিরুজা মেয়ের বাড়িতে ছিলেন। ঝগড়ার খবর শুনে শ্বাশুড়ি তার দুই মেয়ে কনা ও লাভলী ও মেয়ে জামাই আরিফকে সাথে নিয়ে রাতে বাড়িতে এসে লাঠি, ঝাড়– ও ইঁট দিয়ে এলোপাথারি পিটিয়ে হাফসাকে আহত করে।

নির্যাতিতা গৃহবধূর ছোট ভাই মনির খাঁন বলেন, সংবাদ পেয়ে রাতেই আমার বোনকে উদ্ধার কওে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। আমি বাদি হয়ে বোনের শ্বাশুড়ি ফিরুজা (৬০), দেবর রাসেল (২৮), ননদের স্বামী আরিফ (৩০) ও দুই ননদ কনা ও লাভলীকে আসামি করে রাতেই গালিমপুর তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। পুলিশ গভীর রাতে আমার বোনের শ্বশুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আরিফকে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে যায়। তবে শুক্রবার সকালে জানতে পারি পুলিশ আরিফকে রাতেই ছেড়ে দিয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার গালিমপুর তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই আল-নূর তারেক ঘটনা স্বীকার করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে আরিফকে আটক করি। এসময় তার দেবর বাড়িতে না থাকায় ও অন্যান্য আসামিরা নারী হওয়ায় তাদের আটক করা হয়নি। তবে ঘটনার সাথে আরিফের সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় এবং সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই তারেক।

নবাবগঞ্জে মাদক কারবারির আত্মসমর্পণ

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার ওসির কাছে আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার করল মো. উজ্জল (৩২) এক মাদক কারবারি। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওসি মো. মোস্তফা কামালের কাছে আত্মসমর্পন করে সে। উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে উজ্জল।

নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. কামরুল ইসলাম জানান, উজ্জল দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে মাদক সেবন ও বিক্রয়ের সাথে জড়িত ছিল। গত দেড় বছরে দুইবার পুলিশের হাতে ধরা পড়ে মাদক মামলায় জেলও খেটেছে সে। প্রায় তিন মাস যাবত সে আদালত থেকে জামিনে আছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা জেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন সরকার উজ্জলকে থানায় নিয়ে আসেন। এসময় উজ্জলের সাথে তার বোন ছিল। থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামালের কাছে উজ্জল স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পুলিশের সহযোগিতা কামনা করেণ। ওসি এতে সম্মত হন। পরে অঙ্গিকারনামায় স্বাক্ষর রেখে উজ্জলকে ছেড়ে দেয়া হয়।

উজ্জল জানান, আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। বিপথে জড়িয়ে দীর্ঘসময় পরিবার থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। স্বজনরাও আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল। আমিও দুরে থেকে একাকিত্ম অনুভব করেছি। আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাই। চাই পরিবারের সাথে একত্রিত হতে। এসময় অন্যান্য মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহবান জানান উজ্জল।

নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল বলেন, নবাবগঞ্জের মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান- “তোমরা উজ্জলের মতো দৃষ্টান্ত স্থাপন করো। পরিবার ও সমাজের কথা ভেবে স্বাভাবিক জীবন ফিরে যাও।” যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চাইবে তাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।