খন্দকার আবু আশফাকের মাতার ইন্তেকাল

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুই বারের চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাকের মাতা নুরজাহান বেগম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নাল্লিল্লাহী ওইন্নাইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেন। তিনি শিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

রত্নগর্ভা মা হিসাবে পুরস্কারপ্রাপ্ত খন্দকার আব্দুল আলীম খন্দকারের স্ত্রী সাত ছেলে ও এক মেয়ের মাতা ছিলেন। বড় ছেলে ডা খন্দকার আবুল কাশেম সাবেক যুগ্ম সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক, মেঝ ছেলে খন্দকার আবুল বাশার ঢাকা শিশু হাসপাতালে আছেন, সেঝ ছেলে খন্দকার আবুল হোসেন স্পেশাল ট্রাইবুনাল জজ, চতুর্থ ছেলে খন্দকার আবুল খায়ের একজন চার্টার্ড একাউন্টেড, পঞ্চম ছেলে খন্দকার আবুল কালাম সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবি, ষষ্ঠ ছেলে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক ও ছোট ছেলে খন্দকার আবু শফিকঃ খন্দকার গ্রুপের একজন কর্ণাধার এবং ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর একজন পরিচালক। একমাত্র মেয়ে আইরিন পারভিন পারুল একজন মাস্টার্স ডিগ্রী হোল্ডার।

বর্তমান মরহুমার মরদেহ ঢাকা শিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছে। মরহুমার নামাজে জানাজা বাদ আসর নবাবগঞ্জের কলাকোপার কোকিলপ্যারী উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

লটাখোলায় সন্ত্রাসী হামলায় আহত ২

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার লটাখোলা সরল সংঘ ক্লাবে প্রবেশ করে দুইজনকে কুপিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন পশ্চিম লটাখোলা বিলেরপাড় এলাকার হাসেন বেপারীর ছেলে আলম বেপারী(২৭) অপরজন একই এলাকার আব্দুল বারেক এর ছেলে রাহাত হোসেন (৩২)।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আহত আলম বেপারীর সাথে তার স্ত্রী অভিমান করে বাবার বাড়ি চলে যায়। পরে স্ত্রীকে নিয়ে আসতে শশুরবাড়ি লটাখোলা বিলেরপাড় গেলে আলমের সাথে বাকবিতন্ডা হয় শশুরবাড়ির লোকদের সাথে। বিষয়টি সমাধানের জন্য সন্ধ্যায় লটাখোলা সরল সংঘ ক্লাবে আসে আলম। এসময় তার শশুরবাড়ির আত্মীয় আব্দুল বারেক এর ছেলে সুজন ওরফে ফল সুজনের নেতৃত্বে স্থানীয় বাবু,শামিম,বড় শামিম,মারুফ,ইব্রাহিম ,জনি, মেহেদী,রাব্বি,মাহিন ও নয়ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করে আলমকে এলোপাথারি কুঁপিয়ে আহত করে। তাকে বাচাতে এলে স্থানীয় রাহাতকেও কুঁপিয়ে আহত করে তারা। এসময় ক্লাবের ভেতরে থাকা টেলিভিশন ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায় দোহার থানা পুলিশ। এসময় ইব্রাহিম নামে একজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

এবিষয়ে দোহার থানার এসআই রবিউল ইসলাম জানান,আমরা খবর পেয়ে ওসির নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং একজনকে আটক করতে সক্ষম হই। এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলা রুজু হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নবাবগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার বিকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন ধরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের শরীরে করোনাভাইরাসে উপসর্গ দেখা দিলে মঙ্গলবার তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেদিন রাতেই ফলাফলে আমরা নিশ্চিত হই তিনি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর ৩৮ নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হলে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ নতুন করে ৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ নিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলায় করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭১৭ জন। মোট সুস্থ্য হয়েছে ৬৫৩ জন এবং করোনায় অাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৯ জন।

নবাবগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক আটক

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় গাঁজাসহ মো. দিপু (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মো. দিপু উপজেলার দত্তখণ্ড গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে মো. দিপুকে আটক করে। এসময়ে তার দেহ তল্লাশি করে ৩ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে  নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করলে আদালত মো. দিপুকে ৬ মাসের সাজা প্রদান করেন।

দোহারে ৪২তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২০ অনুষ্ঠিত

“পরিবেশ সুরক্ষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকার দোহার উপজেলায় ৪২তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২০ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩০শে নভেম্বর) সকালে দোহার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দোহারের জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের আয়োজন করা হয়।

সকাল ৯টা থেকে দোহার উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজসমূহ পরিবেশ সুরক্ষায় জ্ঞান ও প্রযুক্তিকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি তৈরি করে সকলের মাঝে উপস্থাপন করে। স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, পরিবেশ সুরক্ষায় পরিত্যক্ত পলিথিন থেকে উৎপন্ন উপাদানের পূর্ণ ব্যবহার সহ নানান ধরনের প্রযুক্তি তৈরি করে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য। এসময় বিচারকরা বিভিন্ন স্টল ঘুরে নাম্বারিং করে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এফ এম ফিরোজ মাহমুদ নাঈম। এ সময় তিনি সকল স্কুল ও কলেজের বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তির স্টল পর্যবেক্ষণ করেন।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে স্কুল শাখায় ১ম স্থান অধিকার করে ড্যাফোডিলস্ হাইস্কুল,২য় স্থান অধিকার করে মুকসুদপুর শামসুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও ৩য় স্থান অধিকার করে জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। এছাড়াও কলেজ শাখায় ১ম স্থান অধিকার করে জয়পাড়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ, ২য় স্থান অধিকার করে মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল ও কলেজ, ৩য় স্থান অধিকার করে পদ্মা সরকারি কলেজ। সোমবার দুপুরে বিজয়ী স্কুল ও কলেজ সমূহকে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দোহার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রকিব হাসান, পদ্মা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জালাল হোসেন সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ।

দোহারে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল

সোমবার দোহার উপজেলায় জঙ্গিবাদ মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে দোহার উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোঃআলমাছ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান আকন্দ এর নেতৃত্বে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল হয়। মিছিলটি দোহার উপজলার রতন চত্বর থেকে শুরু হয়ে থানার মোড় হয়ে কলেজ মোড় প্রদক্ষিণ করে রতন চত্বরে এসে, পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয়।

এসময় যুবলীগ দোহার উপজেলা সভাপতি আলমাছ উদ্দিন বলেন, ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণে এক হয়ে, এদেশের ছাত্র-জনতা যুবসমাজ মুক্তি সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল। দেশকে স্বাধীন করেছিলো। আর আজকে মৌলবাদী গোষ্ঠী এই মামুনুল হক-রা সেই স্বাধীনতার বিরোধিতা করছে।

আলমাছ উদ্দিন আরো বলেন, আজ স্বাধীন দেশে জাতির জনকের কণ্যার নেতৃত্বে যখন এই দেশ উন্নয়নের চূড়ায় আহরণ করতে যাচ্ছে; ঠিক সেসময়ই সেসব প্রেতাত্মারা আবার শুরু করেছে বিরোধিতা। আজ তারা বিরোধিতা করছে আমাদের স্বাধীনতার, সংস্কৃতি ও বংগবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের। আমরা এসব প্রতিরোধ করবো।

যুবলীগ সেক্রেটারি আব্দুর রহমান আকন্দ বলেন, দোহার উপজেলা যুবলীগ, দোহার পৌরসভা যুবলীগসহ ৮টি ইউনিয়নের সকল যুবলীগ ভাইদের কে আহবান জানাচ্ছি, মামুনুল হক দোহারের যেখানে আগমন করবে, সেখানেই আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। পাশাপাশি আগামি দিনগুলোর জন্য প্রস্তুত থাকার জন্য অনুরোধ করছি, যখন যে মুহুর্তে আপনাদের ডাক দেয়া হবে, সেই মহুর্তে রাজপথে ঝাপিয়ে পড়বেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলো দোহার পৌরসভা যুবলীগের আহবায়ক দেওয়ান মোশারফ হোসেন, রাহিম কমিশনারসহ দোহার উপজেলা যুবলীগ, দোহার পৌরসভা ও সকল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা-কর্মী।

নবাবগঞ্জে অপহরনের পর শিক্ষার্থীকে হত্যা

ঢাকার নবাবগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঘোষাইল গ্রামের কলেজ শিক্ষার্থী হৃদয় হোসেন (১৭) এর লাশ নিখোঁজের ১৫ দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ । সে শিকাড়ীপাড়া তোফাজ্জল হোসেন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেনির শিক্ষার্থী। হৃদয় ঘোষাইল গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।

হৃদয়ের স্বজনদের কাছে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর সন্ধায় তাকে অপহরণ করা হয়। পরে তার মুক্তিপণ বাবদ মুঠোফোনে ৫ লাখ টাকা দাবি করে দূবৃত্তরা। এ ব্যপারে হৃদয়ের মা ময়না বেগম বাদি হয়ে ২ জনকে আসামী করে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে শাওন মোল্লা (২০) নামের একজনকে আটক করেছে। সে আর ঘোষাইল গ্রামের সাইদুল মোল্লার ছেলে। মামলার অপর আসামী একই গ্রামের সাহেদ মোল্লার ছেলে পারভেজ মোল্লা।

২২ নভেম্বর তার (হৃদয়ের ) মার কাছে ছেলের মুক্তিপণের জন্য ৫ লাখ টাকা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। এর আগে ছেলের খাবার জন্য ১০ হাজার টাকা বিকাশ করেন। প্রথমে বিকাশ নাম্বারের সূত্র ধরে দূর্বৃত্ত শাওনকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেয়া তথ্যে আজ হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করা হলো। একই গ্রামের মহিন ব্যাপারীর পরিত্যক্ত পুকুরে তার লাশ পাওয়া যায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মো. মহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জেরে হৃদয়কে হত্যা করা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জে খাল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জে খাল থেকে হাত-পা বাধা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। আজ রোববার (২৯শে নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের নতুন ভাড়ালিয়া খাল থেকে লাশটি উদ্ধারের খবর নিশ্চিত করেছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পুলিশের উপপরিদর্শক খাইরুজ্জামান।

তিনি জানান, লোক মারফত খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করি। পরবর্তীতে পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়, নিহত ব্যক্তির নাম বাবুল ওরফে ছটাক বাবুল (৫০)। সে মালঞ্চ গ্রামের মৃত ফয়েজ আলীর ছেলে। লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড হাসপাতালে) প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, আমরা লাশটির পরিচয় সনাক্ত করেছি। এখনো পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তদন্ত শেষে মৃত্যু কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শান্তির অভিযাত্রীর উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

ঢাকার দোহারের মুকসুদপুর ইউনিয়নের দুবলি বাজারে শান্তির অভিযাত্রী ছাত্র ও সমাজকল্যাণ সংগঠন এর উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে দুই শতাধিক লোকের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। এছাড়াও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কারীদের ওজন পরিমাপ ও ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়।

দুপুর দুইটা থেকে দুটি বুথে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কার্যক্রম চলে। দুই বুথে টেকনেশিয়ান হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেছেন যথাক্রমে মুক্তি ক্লিনিক এর কর্মকর্তা মোঃ তানজিল হাসান এবং অত্র সংগঠনের প্রচার সম্পাদক ও এ কর্মসূচির যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জয়।

উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন ধীৎপুর সিটি সেন্টার এর কর্ণধার শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম।

উদ্ভোদনী বক্তব্যে শহিদুল ইসলাম বলেন, কারো সেবা করতে হলে সবসময় টাকার প্রয়োজন হয় না। কারো স্বদিচ্ছা থাকলেই সেবা অথবা সামাজিক কাজ করা যায়। এই সময় তিনি শান্তির অভিযাত্রীর উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন এবং ভবিষ্যতেও সে তাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

শুরুতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচির আহ্বায়ক ও সংগঠনের সহ-সভাপতি তাজওয়ার মুহাম্মদ মুনির এর সঞ্চালনায় সচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ সালমান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন হোসেন ।

সালমান মাহমুদ বলেন, “রক্ত দানের মাধ্যমে এক জন লোকের জীবন বাচানো যায়। কিন্তু আমরা অনেকেই নিজেদের রক্তের গ্রুপ জানিনা। তাই এই আয়োজন। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে ইন শা আল্লাহ। “

সংগঠনের অন্যতম সদস্য আদনান মাহমুদ বলেন, “রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির পাশাপাশি দেশব্যাপী জনসচেতনতা তৈরি এবং তারুন্যের মাঝে মানবিক দায়িত্ববোধ সৃষ্টির লক্ষে শান্তির অভিযাত্রী কাজ করে যাবে।”

এই সময় উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা ও নব বাংলা’র সম্পাদক আতাউর রহমান সানী, নির্বাহী সম্পাদক কাজী জুবায়ের আহমদ, শান্তির অভিযাত্রী সংগঠনের সদস্য আদনান মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম জয়, মোঃ নাঈম, দেলোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলহক হোসাইন, সেলিম আশ্রাফ, ওমর ফারুক, ফরহাদ হোসেন, আবু বকর, ইব্রাহিম খান, ইয়াসিন আরিয়ান, সেলিম শিকদার, রোকন হোসেন, আরাফাত হোসেন বাঁধন, মোঃ রনি, মোঃ ওবায়দুল ইসলাম সহ অর্ধ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী।

দোহারে স্বেচ্ছাসেবকলীগের মানববন্ধন

রাজধানীর ধোলাইরপাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন করেছে দোহার উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ। আজ রবিবার বিকেলে দোহার জয়পাড়া থানার মোড়ে দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বাসার চেকদারেরে নেতৃত্বে  এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজিত এই মানব বন্ধনে স্বেচ্ছাসেবক্লীগ ছাড়াও আওয়ামী লীগ ও তার অংগসংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়।

মানব বন্ধনে দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বাসার চোকদার  বলেন, “বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিছক ভাস্কর্য নয়, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য গোটা বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য আমাদের লাল-সবুজের প্রতিচ্ছবি।

সে সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য আব্দুল কদ্দুস, সিনিয়র সহসভাপতি রায়হান বেপারী, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসাইন, প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম, শীবনাথ সরকার প্রমুখ।