নিউজ ডেস্ক: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মাঝে এখন এক ধরনের নীরব বেদনা বিরাজ করছে। রাজপথের সাহসী মুখ, তৃণমূলের আস্থার প্রতীক ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে সরব হয়েছেন সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। প্রিয় নেতাকে আবারও স্বপদে দেখতে কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী শুধু একজন সাংগঠনিক নেতা নন, তিনি নবাবগঞ্জ ছাত্রদলের রাজপথের সংগ্রামী চেতনার প্রতীক। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি কঠিন সময়ে তিনি ছিলেন সম্মুখসারির যোদ্ধা। হামলা, মামলা, জেল-জুলুম কিংবা রাজনৈতিক চাপ—কোনো কিছুই তাকে দলীয় আদর্শ ও কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো থেকে বিরত রাখতে পারেনি।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি তৃণমূলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করেছেন। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার পেছনে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য বলেই মনে করেন নেতাকর্মীরা।
নেতাহীনতায় হতাশ তৃণমূল। তাদের দাবি, ইশতিয়াকের অনুপস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রমে আগের সেই প্রাণচাঞ্চল্য নেই। এক কর্মীর ভাষায়,
যিনি সবসময় আমাদের আগলে রাখতেন, তার অনুপস্থিতিতে আমরা যেন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, এই শূন্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে সংগঠনের ভেতরে স্থবিরতা আরও বাড়তে পারে এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
নেতাকর্মীদের মতে, দলের দুঃসময়ে যিনি রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার মূল্যায়ন হওয়া উচিত রাজনৈতিক ত্যাগ ও অবদানের ভিত্তিতে। তারা মনে করেন, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে পুনরায় নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনা হলে নবাবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল আবারও শক্তিশালী ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
তৃণমূলের প্রত্যাশা—ত্যাগী এই নেতার প্রতি সুবিচার করা হবে এবং রাজপথের লড়াকু সৈনিক ইশতিয়াক আহমেদ চৌধুরী আবারও সংগঠনের নেতৃত্বে ফিরবেন।
