তরুনদের ভাবনাঃ সচেতনার বিকল্প নেই

প্রকাশ:

শেয়ার করুন:

covid-19 এর উৎপত্তি স্থান চীনের উহান প্রদেশে ৭৫ দিনের মাথায় লকডাউন তোলে দেওয়া হয়েছিল এবং এখন পর্যন্ত সেই ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না। নতুন সংক্রামিতের সংখ্যা খুবই নগণ্য। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রের চিত্র বিপরীত ৭৫ তম দিনের পর থেকে রেকর্ড সংখ্যক হারে আক্রান্ত হচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যাও খুব বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর কারন হিসেবে উল্লেখ্য বাংলাদেশে কখনোই লকডাউন ছিল না।লকডাউন নামে চলছে কিছু বিনোদন। আর বর্তমান অবস্তার কথা বলতে গেলে বলা যায় যে, একটা নৌকায় পানি ভর্তি করে যত্রিদের ভাসিয়ে দেওয়ার পর মাঝ নদিতে যাওয়ার পর বলা হয় যদি এটা একটা এক্সপেরিমেন্ট ছিল।এখন কার অবস্তাও তাই ১৫ দিনের এক্সপেরিমেন্ট পরে যদি আবার লকডাউন করা হয় তখন আর কোন লাভ হবে না বরঞ্চ প্রতি ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে করোনাভাইরাস। অথচ যদি ১ম ২১ দিন কঠিন লকডাউন দেওয়া হতো তাহলে এখন হয়তো বা স্কুলকলেজ গুলা খোলে দেওয়া যেতে পারতো।আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না দোষ দেওয়ার সময়ও এখন নাই শুধু মাত্র নিজেদের যোগ্যতা প্রকাশ হয়ে গেল।একজন তরুণ হিসেবে আমি দোহার-নবাবগঞ্জ নিয়ে বলতে পারি আগামিতে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়বে কিন্তু বিচলিত বা আতংকিত হওয়া যাবে না।এখন পর্যন্ত সারাদেশে দৈনিক করোনা রোগীর চাইতে স্ট্রোকের রোগী বেশি মারা যাচ্ছেন।আমরা দেখেছি স্ট্রোক থেকে বাচার জন্য আমারা অনেক অভ্যাস পরিবর্তন করেছি স্বাভাবিক ভাবে পুরাতন অভ্যাস ত্যাগ করতে পারলে নতুন কিছু অভ্যাসের দেখা দেয়।তাই এখন সময় হয়েছে করোনাভাইরাসকে মানিয়ে চলার বিশ্বের বেশ কিছু উন্নত রাষ্ট্র এই কাজটা করছে।এর জন্য শুধু আমাদের দরকার কিছু নতুন অভ্যাস তৈরি করা। যেমন:নিয়মিত হাত ধৌত করা,সামাজিক দূরত্ব বজায় চলা,ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা,অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়া ইত্যাদি।এখন করোনাভাইরাস কে মানিয়ে চলার চাইতে আর কোন পথ আমাদের জানা নাই।বেশি বেশি ঘরে থাকার অভ্যাস গড়ার জন্য বেশি বেশি বই পড়ার অভ্যাস গড়তে হবে।আর এইটা হলো বই পড়ার উত্তম সময়।পাঠ্যবই বাদদিয়েও প্রয়োজনে গল্পের বই পড়তে হবে।কেননা যখন লকডাউনের চলে যাবে তখন আমমাদের অনেকে বিভিন্ন বইএর রিভিও দিবেন।তখন নিজেকে যেন মনে না হয়, আমি কি করলাম? এই জন্য আমি অনুরোধ করব সেই সকল সামাজিক সংগঠন গুলাকে যারা খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা যেন একটা উদ্যোগ গ্রহণ করেন যে ঘরে ঘরে চাহিদা মত বই পৌঁছে দিবেন।প্রয়োজনবোধে বাণিজ্যিক ভাবে বই পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে।কেননা খাদ্য মানুষের দেহকে জীবিত রাখে আর বই মানুষের আত্মাকে জীবিত রাখে।১৯৯৮ সালের বন্যার সময় যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ অসহায় হয়ে গিয়েছিল তখন স্বাধীনতাউত্তর শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদ আহমদ ছফা আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে খাদ্যের পাশাপাশি বাচ্চাদের জন্য অস্থায়ী স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন

সভাপতি

রেনেসাঁ (একটি সামাজিক উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান)

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ সংবাদ

এই রকম আরও

শনিবার নবাবগঞ্জে আসছেন মিজানুর রহমান আজহারী

শরীফ হাসান দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি : জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক ও গবেষক ড. মিজানুর রহমান আজহারী আগামী ০৮ ফেব্রুয়ারি...

যৌতুক নেওয়ার আধুনিক কৌশল

উত্তরবঙ্গে শিক্ষা এবং অশিক্ষা নেই যৌতুকের লোভ সবার। বেসরকারি একটু ভালো চাকুরে পাত্রের দাবি সাধ্যের মধ্যে তাও ৪-৫...

দুই বছরে শিক্ষার্থীদের পাহাড় সমান ক্ষতি পোষাবে কিভাবে ?

করোনায় প্রায় ১৭ মাস ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো। যা ব্যাপক ক্ষতি করেছে শিক্ষার্থীদের। কিন্তু এই ক্ষতি পোষাতে...

শহীদ জিয়া ও বিএনপি

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনাকে ধারনা করে।...