নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার ইছামতি নদী বাঁচাতে সুইচ গেট স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে ‘সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম’ ও ‘নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটি’। গতকাল দুই সংগঠনের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ঢাকা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এল সৈকতের কাছে দোহার ও নবাবগঞ্জে সুইচ গেট স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এ সময় ঢাকা পানি উন্নয়ন সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ ওমর, নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাশিম মোল্লা, সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ ও নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ রবিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ঢাকা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এল সৈকত বলেন, “মঙ্গলবার মাননীয় পরিবেশ উপদেষ্টার নির্দেশক্রমে পাউবো’র দুই কর্মকর্তা ইছামতি নদীটি পরিদর্শন করেছেন। আমরা মনে করি, সেখানে সুইচ গেট হলে ইছামতি নদী আবার আগের রূপ ফিরে পাবে।” তিনি আরও জানান, “বুধবার নবাবগঞ্জের সুইচ গেট প্রকল্পটি এতদিন পাস না হওয়ার কারণসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ঢাকা পানি উন্নয়ন সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।”
সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “আমরা দোহারের কার্তিকপুরের ইছামতি নদী সমীক্ষা করে নবাবগঞ্জের কাশিয়াখালী সুইচ গেট প্রকল্পে যুক্ত করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব।”
প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২১ মার্চ ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ‘ঢাকা জেলার অন্তর্গত ইছামতি নদী অববাহিকার সমন্বিত পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার নিমিত্ত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পের ‘পারফর্মা ফর ফিজিবিলিটি স্টাডি (পিএফএস)’ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয় যে, উক্ত এলাকায় বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক ‘আড়িয়ল বিল এলাকার জীবনযাত্রার মান এবং পানি ও ভূমি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা সমীক্ষা’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্প চলমান থাকায় পাউবো কর্তৃক প্রস্তাবিত সমীক্ষা প্রস্তাবটি অনুমোদন করা যায়নি। ফলে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি এতদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
