শরিফ হাসান: আওয়ামী লীগের দমনমূলক রাজনীতির শিকার আরিফুর রহমান সুজনকে শেষ পর্যন্ত জেলহাজতে পাঠানো হলো। সুজন দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের সন্তান, আকসু’র সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি।
বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের শাসনামলে ৩০ এর অধিক হয়রানি মামলার আসামি ছিলেন আরিফুর রহমান সুজন। সুজন আবুজার গিফফারী কলেজের ছাত্রসংসদের প্রথমে জিএস এবং পরবর্তীতে ভিপি ছিলেন। বর্তমানে রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার একটি ওয়ার্ডে সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর সুজনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন এবং পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। সোমবার রাজধানীর সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে, আদালত আরিফুর রহমান সুজনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় দোহারসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সুজনের শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। আমরা অবিলম্বে সুজন ভাইয়ের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।’ উল্লেখ্য, সুজন দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
