স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নয়াবাড়ীতে বারী সিদ্দিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক ♦ স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের জন্য দোহার ও নবাবগন্জের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামিলীগ, বিএনপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, বক্তৃতা, কবিতা আবৃত্তি, নাচ, নাটক ও গান।

বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে মুক্ত নাট্যগোষ্ঠীর আয়োজনে মঞ্চায়িত হয় বিশেষ নাটক ‘নির্যাতন’। নাটকে স্বাধীনতা অর্জন ও এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। দেশের উন্নয়নে হাতে হাত রেখে সকলকে কাজ করতে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে উৎসাহ দেয়া হয় এই নাটকে। এর আগে একই মঞ্চে দেশাত্ববোধক গান, কবিতা আবৃত্তি ও নাচের আয়োজন করা হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শামীম আহমেদ হান্নান।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। নয়াবাড়ি ইউনিয়নের যুবকদের উদ্দোগে আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন চ্যানেল আই-এর তিন ক্ষুদে গান রাজ নাদিম চৌধুরী, রুবেল চৌধুরী ও পিংকি চৌধুরী। এছাড়াও গান পরিবেশন করেন ইত্যাদি খ্যাত কন্ঠশিল্পি আকবর। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ  ছিল দেশের খ্যাত নামা কন্ঠশিল্পি ও বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী।  বারী সিদ্দিকী প্রথমেই দেশের গান গেয়ে স্বাধীনতা দিবসকে সম্মান জানান। তার গাওয়া অন্যান্য গান গেয়ে উপস্থিত কয়েক হাজার শ্রোতাকে মুগ্ধ করেন। তার গানের মধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

বারী

সঙ্গীত পরিবেশন করছেন বারী সিদ্দিকী

 

We carry your entire favorite replica Omega watches, including Omega Speedmaster, at affordable prices.

Our shop Cartier replica watches are designed in a similar way to the originals. It looks almost exactly like the actual watch.

Sur repliquesdemontres.is, les répliques de montres de haute qualité au meilleur prix sur le site Web de fausses montres.

দোহারে স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তি উদযাপন

মো: মামুন♦ দোহার থানা প্রশাসন কর্তৃক আড়ম্বরপূর্নভাবে জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তি উদযাপিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গনপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ: মান্নান খান, বিশেষ অতিথি ছিলেন থানা নিবার্হী অফিসার রথীন্দ্রনাথ দত্ত, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খোকন শিকদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনারকলি পুতুলসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামীলীগ এবং এর অংগ প্রতিষ্ঠানের নেতা-নেত্রীসহ জনসাধারণ। অনুষ্ঠানটি প্রবিত্র কোরআন তেলওয়াত ও গীতাপাঠ সহ শুরু হয়। এরপর দোহার থানার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, পুলিশ, আধা-সামরিক বাহিনী কুচকাওয়াচ ও সালাম প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্ম-ত্যাগের স্বীকৃতি স্বরুপ সকল মুক্তিযোদ্ধাকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে স্বাধীনতার শুরু হয়। পরবর্তীতে তার সোনার বাংলা গড়ে তোলার আগেই একদল কুচক্রী তাকে হত্যা করে। এখন দেশ এগিয়ে চলছে বঙ্গবন্ধুর সুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।” তিনি শিক্ষকদের ছাত্রদের সামনে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার আহবান জানান। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন এ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সরকার। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানের জন্য চাকুরী ক্ষেত্রে ৩০(ত্রিশ) শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের এক থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, আপনারা এক থাকলে যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমরা সামনে এগিয়ে যাব। এছাড়া, তার নিজের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্মক সহযোগীতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন। পরবর্তীতে মন্ত্রী ব্লাড গ্রুপিং কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এরপর একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ছোট নাটিকা অভিনীত হয়।

দোহার থানা ছাত্রদলের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

মো: মামুন ♦ স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে দোহার থানা ছাত্রদলের পক্ষে উপজেলা স্বাধীনতা স্তম্ভে পুস্পস্তবক অপর্ন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন থানা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল হাশেম, সেক্রেটারি- সেন্টু ভূঁইয়া, পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি জুলহাস উদ্দিন সহ জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, কলেজ সেক্রেটারী মো:  মামুন সহ আরো নেতা-কর্মীবৃন্দ। পুস্পস্ত অর্পণ শেষে তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। আমাদেরে প্রতিনিধির সাথে সাক্ষাৎকারে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বলেন,  এদিন শহীদ জিয়ার কন্ঠস্বরে ভেসে আসা স্বাধীনতার ঘোষনা  ও মুক্তিযুদ্ধের আহবানে লাখো  বাংলাদেশী যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেলো। এখনো দেশ গড়ার অংগীকারে প্রত্যয়দীপ্ত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বেগম খালেদা জিয়ার দিক-নির্দেশনায়, তারেক জিয়ার নেতৃত্বে ও শহীদ জিয়ার আদর্শে কাজ করে যাচ্ছে, ভবিষ্যতের ইনশাল্লাহ্ করে যাবে।

সম্প্রতি দোহারে বেড়ে গিয়েছে চুরির ঘটনা

কাজি জিয়াদ ♦ গত কয়েক মাসে ডাকাতির ঘটনায় দোহারের মানুষ ছিল সর্বদাই আতঙ্কিত। কিন্তু সম্প্রতি বেড়ে গিয়েছে চুরির ঘটনা। গত এক সপ্তাহে দোহারের বিভিন্ন স্থান থেকে বেশ কিছু চূরির খবর পাওয়া গিয়েছে। দোহারের সুতারপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমএর বাসা থেকে গত ১৯ তারিখে তার একটি বাইসাইকেল চুরি হয়।

গত ২১ তারিখে পশ্চিম সুতারপাড়া দারুল আখড়া জামে মসজিদের তালা ভেঙে মসজিদের ইমামের বাইসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটে। একই দিনে স্থানীয় এলাকার কয়েকটি বাড়িতে বিদেশী কম্বল ও বেশকিছু বস্ত্র সামগ্রী চুরি হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

চলতি মাসের ২২ তারিখে লটাখোলা গ্রামের এক ভদ্রমহিলার বাসায় আর একটি চুরির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় উক্ত ভদ্রমহিলা তার বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে গেলে বাড়ি ফিরে দেখতে পান তার ঘরের জানালার গ্রিল কেটে আট ভরি স্বর্নালঙ্কার ও নগদ আট হাজার টাকা নিয়ে চলে গেছে দুর্বৃত্ত।

১৬ ও ২১ মার্চ জয়পাড়া কলেজের দুই ছাত্রীর বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। তারা জানান, তাদের দুইজনের বাসা থেকে মোট তিনটি মোবাইল সেট চুরি হয়েছে।

পরপর এতো গুলো চুরির ঘটনা ঘটলেও এ পর্যন্ত কোন অপরাধীকে আটক করতে পারেনি প্রশাসন। এবং এসব চূরির ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

দোহারে ওএমএস এর চাল বাজারে অবৈধভাবে বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক ♦ দোহারে গত সোমবার সরকারী ন্যায্য মূল্যের চাল ডিলার কতৃর্ক বাজারে বিক্রির অভিযোগে দোহার থানায় ১৯৭৪ সালের স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টের ২৫/১ ধারা অনুযায়ী একটি মামলা হয়েছে।

মামলার এস. আই. আর নং-০৮ বলে দোহার থানা সূত্রে জানা যায় গিয়েছে মামলার বাদী দক্ষিণ শিমুলিয়াবাসী মিজানুর রহমান এবং বিবাদী মেঘুলা বাজারের ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র। এদিকে আমাদের প্রতিবেদকের নিকট বিবাদী গোপাল চন্দ্র বলেন যে তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। তার ক্ষতিসাধন করার জন্য ঘটনাটি সাজানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে মামলা হলেও ডিলার শাহজাহানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পত্র দায়ের করা হয়নি। উপরন্তু তাকে হুমকি প্রদান ও মামলা তুলে নেওয়ার জন্য টাকা দাবী করা হচ্ছে বলে জানান। তবে চাল ক্রয়ের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। এদিকে প্রত্যক্ষর্দশীদের বিবরনীতে জানা যায়, তিনি ডিলারের যোগসাজোগে ১৫ বস্তা চাল ক্রয় করেন।

নিউজ ৩৯

জয়পাড়া বাজারে রাস্তার বেহাল দশা

কামরুজ্জামান টুটুল ♦ জয়পাড়া মেইন রোড থেকে খেয়া ঘাট পযর্ন্ত রাস্তাটি যা দোহারের প্রানকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারের ব্যস্ততম তার অবস্থা খুবই শোচনীয়। রাস্তাটির দিকে তাকালে মনে হয় এটি একটি ডোবানালা। নিদিষ্ট স্থান না থাকাতে বড় বড় ট্রাক এবং পিকআপ গুলো রাস্তার মাঝেই লোডিংআনলোডিং করছে এতে সাধারন জনগন ব্যাপক অসুবিধার সমুক্ষিণ হচ্ছে। রাস্তার মাঝে যে ডোবার ন্যায় নোংরা আবর্জনার জন্য এখানে মশা উৎপাদনের কারখানায় পরিনত হচ্ছে।

রাস্তাটির দিকে কোনো প্রশাসনিক কতৃপক্ষ বাজার কমিটি ও দোহার পৌরসভার কেউই রাস্তাটির উন্নয়নের জন্য কোন নজর নেই। ফলে রাস্তাটির অবস্থা দিনে দিনে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। এই রাস্তার দু’পাশে প্রতি বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমান কাপড়রের দোকান বসে। এইসব অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা রাস্তার এই নোংরার কারনে তাদের ব্যবসা করতে পারছে না। নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ প্রতিদিন এই রাস্তায় প্রায় ২০০০ পথচারী যাতায়াত করে।

জয়পাড়া বাজারের অতি গুরুত্বপূর্ন এই রাস্তাটির সংস্কার সময়ের দাবী। জনগনর আশা করছে রাস্তাটি বাজার কমিটির নজরে পড়বে এবং অতি দ্রুত এর সংস্কার হবে।

JoyparaBazarRoad

নিউজ ৩৯

জাসাস’র দোহার উপজেলা ও পৌরসভার কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক ♦ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস)দোহার উপজেলার ৮১টি সদস্যবিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ এবং দোহার পৌরসভা শাখার ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল এ কমিটিন অনুমোদন দেয়া হয়।
দোহার উপজেলায় মো: বজলুর রহমান খান পপিকে সভাপতি, মো: লুৎফর রহমান মাস্টারকে সাধারন সম্পাদক ও হুমায়ুন কবির মাস্টারকে সাংগাঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। কমিটির অন্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- সিনিয়র সহ সভাপতি মো: কবির হোসেন, সহসভাপতি কে এম সোহেল তারেক, জাকির ভূইঁয়া পলাশ ও আব্দুস সাত্তার সহ আরো অনেকে।

দোহার পৌরসভা: দোহার পৌরসভায় মো: হারুন-অর-রশিদকে সভাপতি, মো: সামসুজ্জামান খান জুয়েলকে সাধারন সম্পাদক ও মো: হাসান মাহমুদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

ছাত্রদল দোহার উপজেলা কমিটি: এ দিকে মো: আবুল হাসেমকে সভাপতি, মো: সেন্টু ভূইঁয়াকে সাধারন সম্পাদক এ মাহবুবুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দোহার উপজেলার আংশিক কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কমিটির অন্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র সহসভাপতি মো: আব্দুল হান্নান, সহসভাপতি বনি আমিন মনির, মো: শাহজাহান সাজু সহ আরো অনেকে।

নবাবগঞ্জের হরিস্কুল গ্রামে এসএসসি পরিক্ষার্থী খুন

আবু নাঈম মোঃ তাইমিয়া ♦  নবাবগঞ্জের উপজেলার হরিস্কুল গ্রামের এসএসসি পরিক্ষার্থী স্বপন বিশ্বাসকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনার পর নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ হত্যার সথে জরিত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, গত শুক্রবার উপজেলার ইউনিয়নের হরিস্কুল গ্রামের তরুনী বিশ্বাসের ছেলে চলমান এসএসসি পরিক্ষার্থী স্বপন বিশ্বাস (১৮) একই ইউনিয়নের নবগ্রাম গ্রামে তার ফুফুর মেয়ের বিয়েতে যায়। সেখানে রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে তার প্রতিবেশী নেশাগ্রস্ত রুবেল মজুমদার, গোবিন চান বিশ্বাস, শংকর ফকির, পীযূষ বিশ্বাস তাকে তার পিসিবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বাড়ির পাশের নির্জন স্থানে গিয়ে তাকে ছুরি দিয়ে কোপাতে থাকে। তার চিৎকারের ফলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। তখন সন্ত্রাসীরা স্বপনকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

বাহ্রাবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

আবু নাঈম মো: তাইমিয়া  : গতকাল রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে দোহারের নয়াবাড়ি ইউনিয়নের বাহ্রা বাজারে এক ভয়াবাহ অগ্নিকান্ড সংগঠিত হয়। আগুনের ফলে নয়টি দোকান সম্পূর্ন পুড়ে যায় ও কিছু দোকনের মালামাল লুট হয়। পুড়ে যাওয়া দোকান গুলোর মধ্যে হোটেল, মুদির দোকান, কাপড়ের দোকান ও অন্যান্য দোকান রয়েছে।

আগুনের সূত্রপাত ঘটে চাঁন স্টোরের মালিক আলমের দোকানের বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে। একে একে নয়টি দোকান পুড়ে যায়। একটি বিকট শব্দের পর দোকান থেকে ধোয়াঁ বের হতে থাকে। এসময় ধোয়াঁ দেখে লোকজন চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। প্রায় ১ঘন্টা ৩০ মিনিট চেষ্টার পর রাত আনুমানিক রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে।

রাতের আধাঁরে আগুনের লেলিহান শিখায় এলাকা আলোকিত হয়ে যায় এবং লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আগুন লাগার পর আশেপাশের দোকানের মালিকরা আতংকিত তাদের দোকানের মালামাল বের করার সময় কিছু মালামাল লুট হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় চাঁন স্টোরের মালিক আলম দোকানদারের। তার দোকানের এই করুন অবস্থা দেখে তিনি বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তার পরিবারের সবাই কান্নাকাটি করছে। তার দোকানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১০লাখ টাকা।

মোট ক্ষতির সঠিক পরিমান এখনই নির্ণয় করা না গেলও ক্ষতিগ্রস্থ দোকানদারদের মতে, মোট ক্ষতির পরিমান আনুমানিক প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।

খবর পেয়ে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে দোহার থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছায়।

FireBarrah

FireBarrah

পতাকা হোক চির অম্লান, সমুন্নত

আজ ২রা মার্চ ‘পতাকা দিবস’। ১৯৭১ সালের এই দিনে ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের’ ব্যানারে ডাকসুর সহসভাপতি আ,,ম আব্দুর রব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রসমাবেশে মানচিত্র অংকিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রস্তাবিত পতাকা উত্তোলন করেন। এর পূর্ব ১ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নির্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী, সেক্রেটারী শাজাহন সিরাজ, ডাকসুর সহসভাপতি আ,,ম আব্দুর রব এবং ডাকসু সেক্রেটারী আব্দুল কুদ্দুস খান মাখন এ চার নেতা মিলে এক বৈঠকে ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিসদ’ গঠন করেন। আর এ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদই পরিবর্তীতে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ ঘোষনা করে। এদিকে ১মার্চ পাকিস্থানী সামরিক জান্তা অনির্দিষ্ট কারনে হঠাৎ করেই জাতীয় অধিবেশন বন্ধ ঘোষনা করেন; এতে পূর্ব পাকিস্থানের স্বাধীনতার দাবী ক্রমান্বয়েই জোরালো হতে থাকে।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ এর প্রাদেশিক নির্বাচন ও যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৬২ এর হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৬৬ এর ৬দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং বন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তিদান, ৬৯ এর গনঅভ্যুথান, ৭০এর সাধার নির্বাচন সহ ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ১৯৯০ এর সৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ প্রতিটি জাতীয় আন্দোলনে আমাদের ছাত্র সমাজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। আজ যারা জাতীয় নেতৃবৃন্দ তারা প্রায় সবাই ছাত্র রাজনীতির ফসল। তবে কেন আজ ছাত্র রাজনীতি অপরাজনীতির শিকার?

একসময় মেধবী, বুদ্ধিদীপ্ত, প্রগতিশীল ছাত্ররা স্বক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতি করে জাতীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহন করত।কিন্তু আজ ছাত্র রাজনীতি মানেই দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি, সন্ত্রাস, টেন্ডার, চাঁদাবাজী। দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র রাজনীতির প্রাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র সংসদ ডাকসুকে স্বক্রিয় করা যায় নি। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও, তা তারা রাখেনি। এছাড়া প্রায় প্রতিটি ছাত্র সংগঠনেই বয়ষ্ক নেতৃত্ব তারুন্যকে সামনে এগিয়ে আসতে বাধা দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে কোন নির্বাচন না হওয়ায়, দলীয়, অন্তকোন্দল জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরিতে তীব্র সংকট সৃষ্টি করছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতির সুষ্ঠু পরিচালনা এবং ছাত্র সংসদ সহ ছাত্র সংগঠনগুলোর সময় মত নির্বাচন এদেশে আবারও নতুন নতুন তরুন্যদীপ্ত মেধাবী নেতা তৈর করবে; বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিনত করবে। অন্যথায়, জাতি কি তীব্র নেতৃত্ব সংকটের দিকে এগিয়ে যাবে?

ছাত্র রাজনীতির সুষ্ঠু ধারার মাধ্যমেই পতাকা হোক চির অম্লান, শ্বাশত।