নবাবগঞ্জের হরিস্কুল গ্রামে এসএসসি পরিক্ষার্থী খুন

আবু নাঈম মোঃ তাইমিয়া ♦  নবাবগঞ্জের উপজেলার হরিস্কুল গ্রামের এসএসসি পরিক্ষার্থী স্বপন বিশ্বাসকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। ঘটনার পর নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ হত্যার সথে জরিত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, গত শুক্রবার উপজেলার ইউনিয়নের হরিস্কুল গ্রামের তরুনী বিশ্বাসের ছেলে চলমান এসএসসি পরিক্ষার্থী স্বপন বিশ্বাস (১৮) একই ইউনিয়নের নবগ্রাম গ্রামে তার ফুফুর মেয়ের বিয়েতে যায়। সেখানে রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে তার প্রতিবেশী নেশাগ্রস্ত রুবেল মজুমদার, গোবিন চান বিশ্বাস, শংকর ফকির, পীযূষ বিশ্বাস তাকে তার পিসিবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বাড়ির পাশের নির্জন স্থানে গিয়ে তাকে ছুরি দিয়ে কোপাতে থাকে। তার চিৎকারের ফলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। তখন সন্ত্রাসীরা স্বপনকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

বাহ্রাবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

আবু নাঈম মো: তাইমিয়া  : গতকাল রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে দোহারের নয়াবাড়ি ইউনিয়নের বাহ্রা বাজারে এক ভয়াবাহ অগ্নিকান্ড সংগঠিত হয়। আগুনের ফলে নয়টি দোকান সম্পূর্ন পুড়ে যায় ও কিছু দোকনের মালামাল লুট হয়। পুড়ে যাওয়া দোকান গুলোর মধ্যে হোটেল, মুদির দোকান, কাপড়ের দোকান ও অন্যান্য দোকান রয়েছে।

আগুনের সূত্রপাত ঘটে চাঁন স্টোরের মালিক আলমের দোকানের বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে। একে একে নয়টি দোকান পুড়ে যায়। একটি বিকট শব্দের পর দোকান থেকে ধোয়াঁ বের হতে থাকে। এসময় ধোয়াঁ দেখে লোকজন চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। প্রায় ১ঘন্টা ৩০ মিনিট চেষ্টার পর রাত আনুমানিক রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে।

রাতের আধাঁরে আগুনের লেলিহান শিখায় এলাকা আলোকিত হয়ে যায় এবং লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আগুন লাগার পর আশেপাশের দোকানের মালিকরা আতংকিত তাদের দোকানের মালামাল বের করার সময় কিছু মালামাল লুট হওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।

আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় চাঁন স্টোরের মালিক আলম দোকানদারের। তার দোকানের এই করুন অবস্থা দেখে তিনি বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় তার পরিবারের সবাই কান্নাকাটি করছে। তার দোকানের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় ১০লাখ টাকা।

মোট ক্ষতির সঠিক পরিমান এখনই নির্ণয় করা না গেলও ক্ষতিগ্রস্থ দোকানদারদের মতে, মোট ক্ষতির পরিমান আনুমানিক প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।

খবর পেয়ে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে দোহার থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছায়।

FireBarrah

FireBarrah

পতাকা হোক চির অম্লান, সমুন্নত

আজ ২রা মার্চ ‘পতাকা দিবস’। ১৯৭১ সালের এই দিনে ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের’ ব্যানারে ডাকসুর সহসভাপতি আ,,ম আব্দুর রব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রসমাবেশে মানচিত্র অংকিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রস্তাবিত পতাকা উত্তোলন করেন। এর পূর্ব ১ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নির্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী, সেক্রেটারী শাজাহন সিরাজ, ডাকসুর সহসভাপতি আ,,ম আব্দুর রব এবং ডাকসু সেক্রেটারী আব্দুল কুদ্দুস খান মাখন এ চার নেতা মিলে এক বৈঠকে ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিসদ’ গঠন করেন। আর এ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদই পরিবর্তীতে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ ঘোষনা করে। এদিকে ১মার্চ পাকিস্থানী সামরিক জান্তা অনির্দিষ্ট কারনে হঠাৎ করেই জাতীয় অধিবেশন বন্ধ ঘোষনা করেন; এতে পূর্ব পাকিস্থানের স্বাধীনতার দাবী ক্রমান্বয়েই জোরালো হতে থাকে।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ এর প্রাদেশিক নির্বাচন ও যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৬২ এর হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৬৬ এর ৬দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং বন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তিদান, ৬৯ এর গনঅভ্যুথান, ৭০এর সাধার নির্বাচন সহ ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ১৯৯০ এর সৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনসহ প্রতিটি জাতীয় আন্দোলনে আমাদের ছাত্র সমাজ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। আজ যারা জাতীয় নেতৃবৃন্দ তারা প্রায় সবাই ছাত্র রাজনীতির ফসল। তবে কেন আজ ছাত্র রাজনীতি অপরাজনীতির শিকার?

একসময় মেধবী, বুদ্ধিদীপ্ত, প্রগতিশীল ছাত্ররা স্বক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতি করে জাতীয় নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহন করত।কিন্তু আজ ছাত্র রাজনীতি মানেই দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি, সন্ত্রাস, টেন্ডার, চাঁদাবাজী। দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র রাজনীতির প্রাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্র সংসদ ডাকসুকে স্বক্রিয় করা যায় নি। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ বারবার আশ্বাস দিলেও, তা তারা রাখেনি। এছাড়া প্রায় প্রতিটি ছাত্র সংগঠনেই বয়ষ্ক নেতৃত্ব তারুন্যকে সামনে এগিয়ে আসতে বাধা দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে কোন নির্বাচন না হওয়ায়, দলীয়, অন্তকোন্দল জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব তৈরিতে তীব্র সংকট সৃষ্টি করছে। আমরা আশা করি, বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতির সুষ্ঠু পরিচালনা এবং ছাত্র সংসদ সহ ছাত্র সংগঠনগুলোর সময় মত নির্বাচন এদেশে আবারও নতুন নতুন তরুন্যদীপ্ত মেধাবী নেতা তৈর করবে; বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিনত করবে। অন্যথায়, জাতি কি তীব্র নেতৃত্ব সংকটের দিকে এগিয়ে যাবে?

ছাত্র রাজনীতির সুষ্ঠু ধারার মাধ্যমেই পতাকা হোক চির অম্লান, শ্বাশত।

লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশী শ্রমিকদের উদ্ধারের দাবিতে দোহারে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক ♦ লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশী শ্রমিকদের উদ্ধারের দাবিতে দোহারে মানববন্ধন পালন করা হয়। মানববন্ধনের  রেলীটি জয়পাড়া কলেজ গেট থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মানববন্ধনে লিবিয়ায় আটকে পড়া শ্রমিকদের স্বজনেরা এবং দোহারের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ সহ, জয়পাড়া কলেজের ছাত্র-ছাত্রী অংশ নেয়। মানববন্ধনটি সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু করে ১১টা ৩০ পর্যন্ত চলতে থাকে। মানববন্ধন শেষে লিবিয়ায় আটকে পড়া বাংলাদেশী শ্রমিকদের উদ্ধারের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

স্মারকলিপির বিষয়:- লিবিয়ার সিনহান কোম্পানিতে কর্মরত ও রামুদার আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থানরত দোহারের প্রবাসী সহ সকল বাংলাদেশীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন জানান।

স্মারকলিপিতে তারা বলেন, লিবিয়ায় তাদের স্বজনেরা দীর্ঘদির যাবত ত্রিপলির পাশে রামুদার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করেছেন। লিবিয়ার বিক্ষোভকারীরা রামুদার নিয়ন্ত্রন গ্রহন করেছেন এবং তাদের সব কিছু লুট করে নিয়েছে। ইতমধ্যে লিবিয়ার সরকার বিদ্রোহী দমনে বোমা হামলা বা এর চেয়ে বড় ধরনের হামলার ঘোষনা দিয়েছে। লিবিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমিকেরা আজ হুমকির সম্মুক্ষীন। এদের মধ্যে এমনও কেউ রয়েছেন যিনি ঐ পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাই এদের কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে এসব পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাবে। এই অবস্থায়, তারা প্রধানমন্ত্রীর নিকট তাদের স্বজনদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আকুল আবেদন জানান।

রেলী

রেলী

দোহারে বিশ্বকাপ উপলক্ষে মনোমুগ্ধকর র‍্যালি

0

কে. টুটুল♦ এগিয়ে যাও বাংলাদেশ” শ্লোগানে মুখরিত দোহার থানার জনগন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত রেলীটিতে নেতৃত্ব দেন দোহার থানার নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ দত্ত। এতে সর্বস্তরের জনগনসহ, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, শিক্ষক শিক্ষিকাসহ, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ অংশ নেন।

 

রেলীটি দোহার উপজেলা গেট থেকে বেলা ১১টায় শুরু করে ডাক বাংলা রোড প্রদক্ষিন করে রতন স্বাধীনতা ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়। উপজেলা স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভে সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে খাবার পরিবেশন করা হয়। এবং বাংলাদেশের বিজয় কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।

অনুষ্ঠানটির দ্বিতীয় পর্ব দুপুর ৩টায় জয়পাড়া হাইস্কুল মাঠে শুরু হবে। এতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। সন্ধায় এই প্রথম দোহারে আতশবাজির মনোমুগ্ধকর শো এর আয়োজন করা হবে। এরপর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম থেকে আইসিসি বিশ্বকাপের উদ্ভদোনী আনুষ্ঠানটি বড় পর্দায় জয়পাড়া স্কুল মাঠে সরাসরি দেখানো হবে।

অনুষ্ঠানটি স্পনসর করেছেন ইসলামী বাংক বাংলাদেশ লি. ও ডেসটিনি গ্রুপ। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার এটিএন বাংলা ও ওয়ান মোর জিরো কম্যুনিকেশন।

 Worlscup Rally

Worldcup Rally

Worldcup Rally

আলোকচিত্র: এম. মামুন

 

নিউজ ৩৯ ♦ফেব্রু/১৭

যেভাবে ভালবাসা দিবস এলো

0

প্রতি বছর সারা বিশ্বে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। ‘ভালবাসা দিবস’ বা ‘ভ্যালেনটাইন’স ডে’ এদিন সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রিয়জনকে উপহার ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে থাকেন। 

যেভাবে ভালবাসা দিবস এলো: দিবসটি পালনের মূলে রয়েছে প্রায় সাড়ে সতেরশো বছর পূর্বের একজন রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের কথা।

প্রায় ২৭০ সালের তখনকার দিনে ইটালীর রোমে শাসন করতেন রাজা ক্লডিয়াস-২। তখন রাজ্যে চলছিলো সুশাসনের অভাব, আইনের অপশাসন, অপশিক্ষা, স্বজন-প্রীতি, দূর্নীতি এবং কর বৃদ্ধি। এতে সাধারন জনগন ফুঁসছিলো। রাজা ক্লডিয়াস-২ তার সুশাসন ফিরিয়ে থানার জন্য রাজ দরবারে তরুন-যুবকদের নিয়োগ দিলেন। আর যুবকদের-কে দায়িত্বশীল ও সাহসী করে গড়ে তোলার লক্ষে তিনি রাজ্যে যুবকদের বিয়ে নিষিদ্ধ করলেন। কারন, রাজা বিশ্বাস করতেন বিয়ে মানুষকে দূর্বল ও কাপুরুষ করে।

বিয়ে নিষিদ্ধ করায় পুরো রাজ্য অসন্তোষ সৃষ্টি হলো। এ সময় সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামক জনৈক যাজক গোপনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করলেন; তিনি পরিচিতি পেলেন ‘ভালবাসার বন্ধু বা ‘Friend of Lovers’ নামে। কিন্তু তাকে রাজার নির্দেশ অমান্য করার কারনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার দায়ে আটক করা হল।

জেলে থাকাকালীন ভ্যালেন্টাইনের সাথে পরিচয় হয় জেল রক্ষক আস্ট্রেরিয়াসের সাথে। আস্ট্রেরিয়াস জানতো ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা সম্পর্কে। তিনি তাকে অনুরোধ করেন তার অন্ধ মেয়ের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে। ভ্যালেন্টাইন পরবর্তীতে মেয়েটির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেন। এতে মেয়েটির সাথে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। রাজা তার এই আধ্যাতিকতার সংবাদ শুনে তাকে রাজ দরবারে ডেকে পাঠান এবং তাকে রাজকার্যে সহযোগীতার জন্য বলেন। কিন্তু ভ্যালেন্টাইন বিয়ের উপর  নিষেধাজ্ঞা না তোলায় সহযোগীতায় অস্বীকৃতি জানান। এতে রাজা ক্ষুদ্ধ হয়ে তার মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করেন।

মৃত্যু দন্ডের ঠিক আগের মূহুর্তে ভ্যালেন্টাইন কারারক্ষীদের কাছে একটি কলম ও কাগজ চান। তিনি মেয়েটির কাছে একটি গোপন চিঠি লিখেন এবং শেষাংশে বিদায় সম্ভাষনে লেখা হয় ‘From your Valentine’ এটি ছিলো এমন একটি শব্দ যা হৃদয়কে বিষাদগ্রাহ করে।

অতঃপর ১৪ ই ফেব্রুয়াররি, ২৭০ ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। পরবর্তীতে ভ্যালেন্টাইনকে সেইন্টহুড খেতাব দেয়া হয়। প্রতি বছর খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা ১৪ ফেব্রুয়ারি “সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনের পার্বন” পালন করে।

পরবর্তীকালে এটি পরিণত হয় ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবসে’। প্রথমবার ভালবাসা দিবস পালিত হয় ৪৯৬ সালে। ভালবাসা দিবসের সাথে ইউরোপীয়ান প্যাগান উৎসেরও সম্পর্ক রয়েছে। একটি নির্দিষ্ট দিনে ভ্যালেন্টাইন’স ডে পালনের বিষয়টি বেশ প্রাচীনকালের ঐতিহ্য, যা রোমান উৎসব থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়। রোমানদের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে লুপারকালিয়া নামে একটি উৎসব ছিল – আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বসন্ত মৌসুম শুরু হওয়ার সময়।

উদযাপনের অংশ হিসাবে ছেলেরা একটি বাক্স থেকে মেয়েদের নাম লেখা চিরকুট তোলেন। যে ছেলের হাতে যেই মেয়ের নাম উঠত, তারা দুজন ওই উৎসব চলাকালীন সময়ে বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড থাকতেন বলে মনে করা হয়। অনেক সময় ওই জুটিই বিয়েও সেরে ফেলতেন। পরবর্তী সময়ে, গির্জা এই উৎসবটিকে খ্রিস্টান উৎসবে রূপ দিতে চেয়েছিল।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে ডাকাতি: আহত দুই

0

আবু নাইম ♦ দোহারের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর কুসুমহাটি গ্রামে এক ভয়াবহ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। আনুমানিক ষাট থেকে সত্তুর জন এর এক দল ডাকাত রাত একটা থেকে দুইটা তিরিশ মিনিট পর্যন্ত ডাকাতি করে। ডাকাতদল পুরো বাড়ী ঘিরে ফেলে ডাকাতি করে। তারা বিভন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এক এক করে বনি আমিন শিকদার এবং তার ছয় ভাইয়ের বাড়ীতে ডাকাতি করে। তারা বাড়ীর এক গৃহিনী ও এক মেয়েকে আঘাত করে। ডাকাতিকালে আনুমানিক ৭০ ভরি স্বর্ণ, এক লাখ তিরিশ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

কুকুরের দুধ বিড়াল পান করছে

0

১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ : সবাই হয়তো জানেন যে বিড়াল কুকুর দেখলেই দৌডে পালায়, তাদের মধ্যে রয়েছে চিরন্তন শত্রুতা। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে গত কয়েক মাস ধরে বৌবাজার এলাকার এক বাড়ীতে কুকুর ও বিড়ালের বাচ্চা একই সাথে বাস করছে। এবং বিড়ালের বাচ্চা কুকুরের দুধ পান করছে।

সেই বাড়ীর এক সদস্য জানান যে, কয়েক মাস আগে তাদের বাড়ীতে অজ্ঞাত স্থান থেকে একটি বিড়ালের বাচ্চা আসে। বাচ্চাটি সারাক্ষণ ডাকত, এবং কোন ধরণের খাবার দিলে খেত না। তিনি জানান যে, তারপর বিড়ালের বাচ্চাটিকে কয়েকদিন দেখা যায় নি। হঠৎ একদিন সকালে তারা দেখতে পান যে বিড়ালের বাচ্চাটি কুকুরের দুধ পান করছে। এই দৃশ্য দেখে সকলেই বিস্মিত হন, গ্রামের মানুষ বিড়াল ও কুকুরটিকে দেখতে ভীর জমায়।

বিড়ালের বাচ্চাটি সবসময় কুকুরটির সাথে থাকে এবং একসাথেই ঘুমায়। মাতৃহীন বিড়ালটি এই কুকুরের কাছে আশ্রয় খুজে পেয়েছে, আর কুকুরটি মাতৃস্নেহে তাকে গ্রহণ করেছে। পশুদের মধ্যেও জাতিগত শত্রুতার চেয়ে মাতৃত্বের মহত্ত্বই বড়।

বিলাশপুর ইউনিয়নে জনসভা পালিত

0

ঢাকা জেলার দোহার থানার বিলাশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যন প্রার্থী আলাউদ্দিন মোল্লা এক  জনসভার আয়োজন করেন, জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দোহার থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক জনাব মোতালেব খান। দোহার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যন আলী আহসান খোকন শিকদার, উপস্থিত ছিলেন উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন আনারকলি পুতুল ।

আরো উপস্থিত ছিলেন জয়পাড়া কলেজের সাবেক ভিপি আলমাস হোসেন সহ বিভিন্ন নেতাকর্মী। উক্ত সভায় আলাউদ্দিন মোল্লা সকলের উদ্দেশ্য বলেন যদি জনগন তাকে যোগ্য মনে করে এবং তাকে জনগন চায় তবেই তিনি  চেয়ারম্যন নির্বাচন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। আর জনগন যদি আন্য কউকে যোগ্য মনে করে তবে তিনি জনগনের পক্ষে আছেন। সেই সাথে তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন। সভায় অন্যান্য নেতাকর্মী বক্তব্য রাখেন । 

 

Bilashpor

১১.০২.২০১০

রাত ১০:১৫ মি:

কম্পিউটারে বাংলা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

এটি ২০১০-২০১১ সালের দিকের টেক ডিভাইসগুলোতে বাংলা লেখা ও পড়ার সমস্যার প্রেক্ষিতে লেখা।

কমপ্লেক্স: 
কমপ্লেক্স কম্পিউটারকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভাষাসমূহের উপযোগী করে তোলে। এর ফলে এই অঞ্চলের ভাষায় লেখা ফাইল বা ফোল্ডারের নাম প্রদর্শন করে, এই সব ভাষার ওয়েব সাইটগুলোর লেখা সঠিক ভাবে প্রদর্শন করে। অন্যথায় এগুলোর স্থানে অয়তকার চর্তুভূজ দেখায়। সাধারণ ভাবে উইন্ডোজ এক্সপিতে কমপ্লেক্স ইন্সটল করা থাকে না। উইন্ডোজ ভিস্তা বা সেভেনে কমপ্লেক্স ইন্সটল করাই থাকে। এক্সপিতে কমপ্লেক্স ইন্সটলের কয়েকটি উপায় রয়েছে-

১. উইন্ডোজ এক্সপি সেট আপের একটি পর্যয়ে যখন Regional and Language Option আসবে তখন Customize-এ ক্লিক করে Language ট্যাবে ক্লিক করে Install files for complex script and right to left languages (including Thai) এর পাশে টিক বসিয়ে OK চাপুন। এর ফলে উইন্ডোজ সেট আপের সময়ই কমপ্লেক্স ইন্সটল হয়ে যাবে।
২. সেট আপ পরবর্তী পর্যায়ে যেকোন সময়: এক্ষেত্রে সিডি রমে উইন্ডোজ এক্সপি’র সিডি থাকতে হবে। Control Panel-এ Regional and Language Option-এ Language ট্যাবে ক্লিক করে Install files for complex script and right to left languages (including Thai) এর পাশে টিক বসিয়ে OK চাপুন। কমপ্লেক্স ইন্সটল হবে।

৩. iComplex এর সাহায্যে: যদি উইন্ডোজের সিডি ছাড়াই কমপ্লেক্স ইন্সটল করতে হলে ওমিক্রন ল্যাব হতে iComplex ডাউনলোড করে নিন। ইন্সটল করুন, রি-স্টার্ট করুন, ব্যাস।
৪. অভ্র কিবোর্ড: অভ্র কিবোর্ড ইন্সটলের সময় আগেই কমপ্লেক্স ইন্সটল করা না থাকলে কমপ্লেক্স ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট ইন্সটলের অফার দেয়া হয়। ‘Install Indic Support Now’-এ ক্লিক করলেই কমপ্লেক্স ইন্সটল করা শুরু হবে।

সঠিক ভাবে ইউনিকোডে বাংলা লিখতে হলে ও বাংলা ওয়েব সাইট পড়তে হলে কমপ্লেক্স জরুরী।

ফন্ট ফিক্সার:

ফন্ট ফিক্সার সমন্ধে আগের পোস্টে বিস্তারিত বলা হয়েছে। উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাক ২ তে একটি ইউনিকোড বাংলা ফন্ট ইন্সটল করা থাকে, নাম বৃন্দ (Vrinda)। এবং এই ফন্টটিই উইন্ডোজের ডিফল্ট বাংলা ফন্ট হিসেবে থাকে। ফন্টটির আকার খুবই ছোট যার কারনে কোন ইউনিকোড নির্ভর বাংলা সাইটে গেলে বা ডিফল্ট ফন্টে বাংলা লিখলে তার লেখা খুব ছোট দেখায়। এই সমস্যা সমাধান করতে হলে ডিফল্ট ফন্টটি পাল্টে এমন ফন্ট যার আকার গ্রহনযোগ্য আকারে বড়। ফন্ট ফিক্সারের সাহায্যে খুব সহজেই ডিফল্ট বাংলা ইউনিকোড ফন্ট পাল্টে দেয়া যায়। চাইলে আবার বৃন্দ ফন্টটিকে ফিরিয়ে আনা যায়। সিয়াম রুপালী ফন্টটি যথেষ্ট বড় তাই এটি ডিফল্ট করে দিতে পারেন। ‘বাংলা’ ফন্টটি সিয়াম রুপালী’র চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট হলেও সুন্দর ও আদর্শ, এছাড়া ‘সোলায়মান লিপি’ ফন্টটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

এখানে একটি লক্ষণীয় ব্যাপার, ডিফল্ট ফন্ট পাল্টে দিলেও বৃন্দ নামটি চলে যাবে না। ডিফল্ট হিসেবে যে ফন্টটি দেবেন সেটিকেই ‘বৃন্দ’ নামে দেখাবে এবং নতুন ডিফল্টা ফন্টটি নিজেও থাকবে। যেমন যদি ‘বাংলা’ ফন্টটিকে ডিফল্ট করে দেন, তবে সিঙ্গেল কী-স্ট্রোকের মাধ্যমে অভ্র বাংলা একটিভ করে লিখলে বাংলা ফন্টেই লেখা হবে কিন্তু দেখাবে বৃন্দ, অবার বাংলা ফন্টও সিলেক্ট করে লিখতে পারেন। এর মানে হল বৃন্দই ডিফল্ট বাংলা ফন্ট। এই অবস্থায় আপনি বৃন্দ ফন্ট দিয়ে লেখা কোন ডকুমেন্ট অন্য কারো কম্পিউটারে খুললে যদি তার কম্পিউটারে ডিফল্ট ফন্ট হিসেবে অন্য কোন ফন্ট থাকে তবে আপনার ডকুমেন্টের লেখা সেই ফন্টে দেখাবে। এটা নিয়ে দ্বিধাণ্বিত হবার কিছু নেই।

ফোনেটিক কি আদৌ কোন কীবোর্ড?

ফোনেটিক কোন সমাধান নয়। এটা বলা যায় শিশুকে হাটতে শেখানোর যন্ত্র। কিন্তু সেই শিশুকে দৌড় প্রতিযোগীতায় নামাতে চাইলে, ভাষাকে এগিয়ে নিতে চাইলে ফোনেটিক নয় কোন স্ট্যান্ডার্ড কিবোর্ড নিয়েই কাজ করা উচিৎ। তাছাড়া ফোনেটিক ইংরেজী হরফে বাংলা লিখাকে উৎসাহিত করে। এভাবে বাংলা ভাষা কোনদিনই লেখালেখিতে স্বাতন্ত্র অর্জন করতে পারবে না। তাছাড়া ফোনেটিকের আর একটি সমস্যা হল এটি ইংরেজী বর্ণের উচ্চারণ নির্ভর। যেখানে ইংরেজী ভাষা নিজেই বর্ণদারিদ্রে ভুগছে সেখানে ইংরেজী বর্ণের উচ্চারণ নির্ভর ‘ফোনেটিক’ একটি সমৃদ্ধ ভাষার অবলম্বন হতে পারে না। ন্যূন্যতম যেটা করা যেতে পারে কীবোর্ডে ইংরেজী বর্ণের অবস্থানের সাথে মিলিয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড কীবোর্ড নির্ধারণ করা। আর ফোনেটিকে কখনোই সর্বোচ্চ গতি অর্জন করা যাবে না যা কোন কীবোর্ড লেআউটে লিখে সম্ভব। কিন্তু এমনিতেই বাংলা ভাষা কীবোর্ডের ভারে ন্যূজ্য।

তাহলে কোন কীবোর্ড ব্যবহার করব?

অভ্রে পাঁচটি কীবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, অভ্র ফোনেটিক, অভ্র ইজি, বর্ণনা, জাতীয়, ইউনিজয়। অভ্র প্যানেলের ডাউনএ্যারোতে ক্লিক করে খুব সহজেই যে কোন কীবোর্ড বাছাই করতে পারেন। এখানে মাউস দিয়ে লেখার সুবিধা রয়েছে। Show active keyboard layout এ ক্লিক করলে যে কীবোর্ড ব্যবহার করছেন তার লেআউট দেখা যাবে। তাই যে লেআউটটি ভাল লাগে সেটি সেখানে দেখে খুব সহজেই শেখা যায়।

ইউনিজয়: এটি বিজয়ের ইউনিকোড রুপ। বিজয় কীবোর্ডটি মোস্তফা জব্বারের কপিরাইট করা, তাই বিজয় হুবহু তুলে দেয়া সম্ভব হয় নি।কয়েকটি কম ব্যবহৃত বর্ণে সমান্য পরিবর্তন রয়েছে। পরিবর্তন গুলো এখানে সহজ ভাবে ব্যাক্ষা করা হয়েছে। যারা বিজয় কীবোর্ড জানেন তাদের নতুন করে কীবোর্ড আয়ত্ত করার প্রয়োজন নেই, ইউনিবিজয় যা ইউনিজয় নামেও পরিচিত ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন ওয়েব সাইট, ফোরাম ইত্যাদীতে ইউনিজয় কীবোর্ডটি সংযুক্ত থাকে তাই এটা জানা থাকলে কোন সফটওয়ার না ব্যবহার করে ওইসব ব্লগ, ফোরামে ইউনিজয় দিয়ে লেখা যায়। যদিও বিজয় বা ইউনিজয়-এর লেআউট কোন আদর্শ লেআউট নয় তবু এর বহুল ব্যবহারের কারনে আমরা এই লেআউট হতে বের হয়ে আসতে পারছি না।
বর্ণনা: ওমিক্রন ল্যাব ‘সেফওয়ার্কস’র ১৯৯৬-৯৮ সালে বানানো এই কীবোর্ডটিকে ঈষৎ ও ইউনিকোডে রুপান্তরিত করেছে। এযাবৎকালের আদর্শ কীবোর্ড মনে হয়েছে। ইংরেজী বর্ণের সাথে বাংলা বর্ণের মিল রেখে এর লেআউট তৈরি করা হয়েছে তাই এটা নতুনদের জন্যেও আয়ত্বে আনা খুব সহজ, বিশেষ করে যারা ফোনেটিক ব্যবহার করছেন তারা এটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ফোনেটিকের মতই কিন্তু পূর্ণাঙ্গ একটি স্ট্যান্ডার্ড লেআউট।

অভ্র ইজি: ওমিক্রন ল্যাবের তৈরি কীবোর্ড।
জাতীয়: বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল’র (BCC) বানানো কীবোর্ড। প্রায় বিজয়ের মত লেআউট, সামান্য পরিবর্তন রয়েছে।
জাতীয় ও ইউনিবিজয় প্রায় একইরকম তাই এদুটো হতে ইউনিবিজয়ই উত্তম। আর নতুন-পুরোনো সবার জন্য বর্ণনা সহজ ও আদর্শ। প্রতিটি কীবোর্ড সিলেক্ট করে তার লেআউট দেখুন, ব্যবহার করুন, কোনটি আপনার ভাল লাগে তারপর সিদ্ধান্ত আপনার।

সিঙ্গেল কী-স্ট্রোক:

বিজয় দিয়ে বাংলা লিখতে হলে ctrl+alt+b চাপতে হয়। অভ্র দিয়ে বাংলা লিখার জন্যও এটি রাখতে পারেন। তবে তিনটি কী চাপা কষ্টের কাজ তার চে’ অভ্রতে মাত্র একটি কী চেপে বাংলা সিলেক্ট করা যায়। অভ্র কীবোর্ডের প্যানেল হতে সেটিংসের বাটনে চেপে Option, তার পর Keyboard Mood থেকে F1 হতে F12 যে কোন কী বাছাই করতে পারেন। এমন কী বাছাই করতে হবে যার অন্য কোন কাজ নেই এবং হাতে নাগালে। যেমন F1-এ হেল্প, F2-এ রিনেম, F5 এ রিফ্রেশ, F12-এ সেভ এ্যাস ইত্যাদী।