যেভাবে ভালবাসা দিবস এলো

0

প্রতি বছর সারা বিশ্বে ১৪ই ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। ‘ভালবাসা দিবস’ বা ‘ভ্যালেনটাইন’স ডে’ এদিন সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ তাদের প্রিয়জনকে উপহার ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করে থাকেন। 

যেভাবে ভালবাসা দিবস এলো: দিবসটি পালনের মূলে রয়েছে প্রায় সাড়ে সতেরশো বছর পূর্বের একজন রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের কথা।

প্রায় ২৭০ সালের তখনকার দিনে ইটালীর রোমে শাসন করতেন রাজা ক্লডিয়াস-২। তখন রাজ্যে চলছিলো সুশাসনের অভাব, আইনের অপশাসন, অপশিক্ষা, স্বজন-প্রীতি, দূর্নীতি এবং কর বৃদ্ধি। এতে সাধারন জনগন ফুঁসছিলো। রাজা ক্লডিয়াস-২ তার সুশাসন ফিরিয়ে থানার জন্য রাজ দরবারে তরুন-যুবকদের নিয়োগ দিলেন। আর যুবকদের-কে দায়িত্বশীল ও সাহসী করে গড়ে তোলার লক্ষে তিনি রাজ্যে যুবকদের বিয়ে নিষিদ্ধ করলেন। কারন, রাজা বিশ্বাস করতেন বিয়ে মানুষকে দূর্বল ও কাপুরুষ করে।

বিয়ে নিষিদ্ধ করায় পুরো রাজ্য অসন্তোষ সৃষ্টি হলো। এ সময় সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামক জনৈক যাজক গোপনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করলেন; তিনি পরিচিতি পেলেন ‘ভালবাসার বন্ধু বা ‘Friend of Lovers’ নামে। কিন্তু তাকে রাজার নির্দেশ অমান্য করার কারনে রাষ্ট্রদ্রোহিতার দায়ে আটক করা হল।

জেলে থাকাকালীন ভ্যালেন্টাইনের সাথে পরিচয় হয় জেল রক্ষক আস্ট্রেরিয়াসের সাথে। আস্ট্রেরিয়াস জানতো ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা সম্পর্কে। তিনি তাকে অনুরোধ করেন তার অন্ধ মেয়ের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিতে। ভ্যালেন্টাইন পরবর্তীতে মেয়েটির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেন। এতে মেয়েটির সাথে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। রাজা তার এই আধ্যাতিকতার সংবাদ শুনে তাকে রাজ দরবারে ডেকে পাঠান এবং তাকে রাজকার্যে সহযোগীতার জন্য বলেন। কিন্তু ভ্যালেন্টাইন বিয়ের উপর  নিষেধাজ্ঞা না তোলায় সহযোগীতায় অস্বীকৃতি জানান। এতে রাজা ক্ষুদ্ধ হয়ে তার মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করেন।

মৃত্যু দন্ডের ঠিক আগের মূহুর্তে ভ্যালেন্টাইন কারারক্ষীদের কাছে একটি কলম ও কাগজ চান। তিনি মেয়েটির কাছে একটি গোপন চিঠি লিখেন এবং শেষাংশে বিদায় সম্ভাষনে লেখা হয় ‘From your Valentine’ এটি ছিলো এমন একটি শব্দ যা হৃদয়কে বিষাদগ্রাহ করে।

অতঃপর ১৪ ই ফেব্রুয়াররি, ২৭০ ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। পরবর্তীতে ভ্যালেন্টাইনকে সেইন্টহুড খেতাব দেয়া হয়। প্রতি বছর খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা ১৪ ফেব্রুয়ারি “সেইন্ট ভ্যালেন্টাইনের পার্বন” পালন করে।

পরবর্তীকালে এটি পরিণত হয় ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবসে’। প্রথমবার ভালবাসা দিবস পালিত হয় ৪৯৬ সালে। ভালবাসা দিবসের সাথে ইউরোপীয়ান প্যাগান উৎসেরও সম্পর্ক রয়েছে। একটি নির্দিষ্ট দিনে ভ্যালেন্টাইন’স ডে পালনের বিষয়টি বেশ প্রাচীনকালের ঐতিহ্য, যা রোমান উৎসব থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়। রোমানদের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে লুপারকালিয়া নামে একটি উৎসব ছিল – আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বসন্ত মৌসুম শুরু হওয়ার সময়।

উদযাপনের অংশ হিসাবে ছেলেরা একটি বাক্স থেকে মেয়েদের নাম লেখা চিরকুট তোলেন। যে ছেলের হাতে যেই মেয়ের নাম উঠত, তারা দুজন ওই উৎসব চলাকালীন সময়ে বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড থাকতেন বলে মনে করা হয়। অনেক সময় ওই জুটিই বিয়েও সেরে ফেলতেন। পরবর্তী সময়ে, গির্জা এই উৎসবটিকে খ্রিস্টান উৎসবে রূপ দিতে চেয়েছিল।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে ডাকাতি: আহত দুই

0

আবু নাইম ♦ দোহারের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর কুসুমহাটি গ্রামে এক ভয়াবহ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। আনুমানিক ষাট থেকে সত্তুর জন এর এক দল ডাকাত রাত একটা থেকে দুইটা তিরিশ মিনিট পর্যন্ত ডাকাতি করে। ডাকাতদল পুরো বাড়ী ঘিরে ফেলে ডাকাতি করে। তারা বিভন্ন আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এক এক করে বনি আমিন শিকদার এবং তার ছয় ভাইয়ের বাড়ীতে ডাকাতি করে। তারা বাড়ীর এক গৃহিনী ও এক মেয়েকে আঘাত করে। ডাকাতিকালে আনুমানিক ৭০ ভরি স্বর্ণ, এক লাখ তিরিশ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

 

কুকুরের দুধ বিড়াল পান করছে

0

১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১১ : সবাই হয়তো জানেন যে বিড়াল কুকুর দেখলেই দৌডে পালায়, তাদের মধ্যে রয়েছে চিরন্তন শত্রুতা। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে গত কয়েক মাস ধরে বৌবাজার এলাকার এক বাড়ীতে কুকুর ও বিড়ালের বাচ্চা একই সাথে বাস করছে। এবং বিড়ালের বাচ্চা কুকুরের দুধ পান করছে।

সেই বাড়ীর এক সদস্য জানান যে, কয়েক মাস আগে তাদের বাড়ীতে অজ্ঞাত স্থান থেকে একটি বিড়ালের বাচ্চা আসে। বাচ্চাটি সারাক্ষণ ডাকত, এবং কোন ধরণের খাবার দিলে খেত না। তিনি জানান যে, তারপর বিড়ালের বাচ্চাটিকে কয়েকদিন দেখা যায় নি। হঠৎ একদিন সকালে তারা দেখতে পান যে বিড়ালের বাচ্চাটি কুকুরের দুধ পান করছে। এই দৃশ্য দেখে সকলেই বিস্মিত হন, গ্রামের মানুষ বিড়াল ও কুকুরটিকে দেখতে ভীর জমায়।

বিড়ালের বাচ্চাটি সবসময় কুকুরটির সাথে থাকে এবং একসাথেই ঘুমায়। মাতৃহীন বিড়ালটি এই কুকুরের কাছে আশ্রয় খুজে পেয়েছে, আর কুকুরটি মাতৃস্নেহে তাকে গ্রহণ করেছে। পশুদের মধ্যেও জাতিগত শত্রুতার চেয়ে মাতৃত্বের মহত্ত্বই বড়।

বিলাশপুর ইউনিয়নে জনসভা পালিত

0

ঢাকা জেলার দোহার থানার বিলাশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যন প্রার্থী আলাউদ্দিন মোল্লা এক  জনসভার আয়োজন করেন, জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দোহার থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক জনাব মোতালেব খান। দোহার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যন আলী আহসান খোকন শিকদার, উপস্থিত ছিলেন উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন আনারকলি পুতুল ।

আরো উপস্থিত ছিলেন জয়পাড়া কলেজের সাবেক ভিপি আলমাস হোসেন সহ বিভিন্ন নেতাকর্মী। উক্ত সভায় আলাউদ্দিন মোল্লা সকলের উদ্দেশ্য বলেন যদি জনগন তাকে যোগ্য মনে করে এবং তাকে জনগন চায় তবেই তিনি  চেয়ারম্যন নির্বাচন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। আর জনগন যদি আন্য কউকে যোগ্য মনে করে তবে তিনি জনগনের পক্ষে আছেন। সেই সাথে তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন। সভায় অন্যান্য নেতাকর্মী বক্তব্য রাখেন । 

 

Bilashpor

১১.০২.২০১০

রাত ১০:১৫ মি:

কম্পিউটারে বাংলা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান

এটি ২০১০-২০১১ সালের দিকের টেক ডিভাইসগুলোতে বাংলা লেখা ও পড়ার সমস্যার প্রেক্ষিতে লেখা।

কমপ্লেক্স: 
কমপ্লেক্স কম্পিউটারকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভাষাসমূহের উপযোগী করে তোলে। এর ফলে এই অঞ্চলের ভাষায় লেখা ফাইল বা ফোল্ডারের নাম প্রদর্শন করে, এই সব ভাষার ওয়েব সাইটগুলোর লেখা সঠিক ভাবে প্রদর্শন করে। অন্যথায় এগুলোর স্থানে অয়তকার চর্তুভূজ দেখায়। সাধারণ ভাবে উইন্ডোজ এক্সপিতে কমপ্লেক্স ইন্সটল করা থাকে না। উইন্ডোজ ভিস্তা বা সেভেনে কমপ্লেক্স ইন্সটল করাই থাকে। এক্সপিতে কমপ্লেক্স ইন্সটলের কয়েকটি উপায় রয়েছে-

১. উইন্ডোজ এক্সপি সেট আপের একটি পর্যয়ে যখন Regional and Language Option আসবে তখন Customize-এ ক্লিক করে Language ট্যাবে ক্লিক করে Install files for complex script and right to left languages (including Thai) এর পাশে টিক বসিয়ে OK চাপুন। এর ফলে উইন্ডোজ সেট আপের সময়ই কমপ্লেক্স ইন্সটল হয়ে যাবে।
২. সেট আপ পরবর্তী পর্যায়ে যেকোন সময়: এক্ষেত্রে সিডি রমে উইন্ডোজ এক্সপি’র সিডি থাকতে হবে। Control Panel-এ Regional and Language Option-এ Language ট্যাবে ক্লিক করে Install files for complex script and right to left languages (including Thai) এর পাশে টিক বসিয়ে OK চাপুন। কমপ্লেক্স ইন্সটল হবে।

৩. iComplex এর সাহায্যে: যদি উইন্ডোজের সিডি ছাড়াই কমপ্লেক্স ইন্সটল করতে হলে ওমিক্রন ল্যাব হতে iComplex ডাউনলোড করে নিন। ইন্সটল করুন, রি-স্টার্ট করুন, ব্যাস।
৪. অভ্র কিবোর্ড: অভ্র কিবোর্ড ইন্সটলের সময় আগেই কমপ্লেক্স ইন্সটল করা না থাকলে কমপ্লেক্স ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট ইন্সটলের অফার দেয়া হয়। ‘Install Indic Support Now’-এ ক্লিক করলেই কমপ্লেক্স ইন্সটল করা শুরু হবে।

সঠিক ভাবে ইউনিকোডে বাংলা লিখতে হলে ও বাংলা ওয়েব সাইট পড়তে হলে কমপ্লেক্স জরুরী।

ফন্ট ফিক্সার:

ফন্ট ফিক্সার সমন্ধে আগের পোস্টে বিস্তারিত বলা হয়েছে। উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাক ২ তে একটি ইউনিকোড বাংলা ফন্ট ইন্সটল করা থাকে, নাম বৃন্দ (Vrinda)। এবং এই ফন্টটিই উইন্ডোজের ডিফল্ট বাংলা ফন্ট হিসেবে থাকে। ফন্টটির আকার খুবই ছোট যার কারনে কোন ইউনিকোড নির্ভর বাংলা সাইটে গেলে বা ডিফল্ট ফন্টে বাংলা লিখলে তার লেখা খুব ছোট দেখায়। এই সমস্যা সমাধান করতে হলে ডিফল্ট ফন্টটি পাল্টে এমন ফন্ট যার আকার গ্রহনযোগ্য আকারে বড়। ফন্ট ফিক্সারের সাহায্যে খুব সহজেই ডিফল্ট বাংলা ইউনিকোড ফন্ট পাল্টে দেয়া যায়। চাইলে আবার বৃন্দ ফন্টটিকে ফিরিয়ে আনা যায়। সিয়াম রুপালী ফন্টটি যথেষ্ট বড় তাই এটি ডিফল্ট করে দিতে পারেন। ‘বাংলা’ ফন্টটি সিয়াম রুপালী’র চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট হলেও সুন্দর ও আদর্শ, এছাড়া ‘সোলায়মান লিপি’ ফন্টটি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

এখানে একটি লক্ষণীয় ব্যাপার, ডিফল্ট ফন্ট পাল্টে দিলেও বৃন্দ নামটি চলে যাবে না। ডিফল্ট হিসেবে যে ফন্টটি দেবেন সেটিকেই ‘বৃন্দ’ নামে দেখাবে এবং নতুন ডিফল্টা ফন্টটি নিজেও থাকবে। যেমন যদি ‘বাংলা’ ফন্টটিকে ডিফল্ট করে দেন, তবে সিঙ্গেল কী-স্ট্রোকের মাধ্যমে অভ্র বাংলা একটিভ করে লিখলে বাংলা ফন্টেই লেখা হবে কিন্তু দেখাবে বৃন্দ, অবার বাংলা ফন্টও সিলেক্ট করে লিখতে পারেন। এর মানে হল বৃন্দই ডিফল্ট বাংলা ফন্ট। এই অবস্থায় আপনি বৃন্দ ফন্ট দিয়ে লেখা কোন ডকুমেন্ট অন্য কারো কম্পিউটারে খুললে যদি তার কম্পিউটারে ডিফল্ট ফন্ট হিসেবে অন্য কোন ফন্ট থাকে তবে আপনার ডকুমেন্টের লেখা সেই ফন্টে দেখাবে। এটা নিয়ে দ্বিধাণ্বিত হবার কিছু নেই।

ফোনেটিক কি আদৌ কোন কীবোর্ড?

ফোনেটিক কোন সমাধান নয়। এটা বলা যায় শিশুকে হাটতে শেখানোর যন্ত্র। কিন্তু সেই শিশুকে দৌড় প্রতিযোগীতায় নামাতে চাইলে, ভাষাকে এগিয়ে নিতে চাইলে ফোনেটিক নয় কোন স্ট্যান্ডার্ড কিবোর্ড নিয়েই কাজ করা উচিৎ। তাছাড়া ফোনেটিক ইংরেজী হরফে বাংলা লিখাকে উৎসাহিত করে। এভাবে বাংলা ভাষা কোনদিনই লেখালেখিতে স্বাতন্ত্র অর্জন করতে পারবে না। তাছাড়া ফোনেটিকের আর একটি সমস্যা হল এটি ইংরেজী বর্ণের উচ্চারণ নির্ভর। যেখানে ইংরেজী ভাষা নিজেই বর্ণদারিদ্রে ভুগছে সেখানে ইংরেজী বর্ণের উচ্চারণ নির্ভর ‘ফোনেটিক’ একটি সমৃদ্ধ ভাষার অবলম্বন হতে পারে না। ন্যূন্যতম যেটা করা যেতে পারে কীবোর্ডে ইংরেজী বর্ণের অবস্থানের সাথে মিলিয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড কীবোর্ড নির্ধারণ করা। আর ফোনেটিকে কখনোই সর্বোচ্চ গতি অর্জন করা যাবে না যা কোন কীবোর্ড লেআউটে লিখে সম্ভব। কিন্তু এমনিতেই বাংলা ভাষা কীবোর্ডের ভারে ন্যূজ্য।

তাহলে কোন কীবোর্ড ব্যবহার করব?

অভ্রে পাঁচটি কীবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে, অভ্র ফোনেটিক, অভ্র ইজি, বর্ণনা, জাতীয়, ইউনিজয়। অভ্র প্যানেলের ডাউনএ্যারোতে ক্লিক করে খুব সহজেই যে কোন কীবোর্ড বাছাই করতে পারেন। এখানে মাউস দিয়ে লেখার সুবিধা রয়েছে। Show active keyboard layout এ ক্লিক করলে যে কীবোর্ড ব্যবহার করছেন তার লেআউট দেখা যাবে। তাই যে লেআউটটি ভাল লাগে সেটি সেখানে দেখে খুব সহজেই শেখা যায়।

ইউনিজয়: এটি বিজয়ের ইউনিকোড রুপ। বিজয় কীবোর্ডটি মোস্তফা জব্বারের কপিরাইট করা, তাই বিজয় হুবহু তুলে দেয়া সম্ভব হয় নি।কয়েকটি কম ব্যবহৃত বর্ণে সমান্য পরিবর্তন রয়েছে। পরিবর্তন গুলো এখানে সহজ ভাবে ব্যাক্ষা করা হয়েছে। যারা বিজয় কীবোর্ড জানেন তাদের নতুন করে কীবোর্ড আয়ত্ত করার প্রয়োজন নেই, ইউনিবিজয় যা ইউনিজয় নামেও পরিচিত ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন ওয়েব সাইট, ফোরাম ইত্যাদীতে ইউনিজয় কীবোর্ডটি সংযুক্ত থাকে তাই এটা জানা থাকলে কোন সফটওয়ার না ব্যবহার করে ওইসব ব্লগ, ফোরামে ইউনিজয় দিয়ে লেখা যায়। যদিও বিজয় বা ইউনিজয়-এর লেআউট কোন আদর্শ লেআউট নয় তবু এর বহুল ব্যবহারের কারনে আমরা এই লেআউট হতে বের হয়ে আসতে পারছি না।
বর্ণনা: ওমিক্রন ল্যাব ‘সেফওয়ার্কস’র ১৯৯৬-৯৮ সালে বানানো এই কীবোর্ডটিকে ঈষৎ ও ইউনিকোডে রুপান্তরিত করেছে। এযাবৎকালের আদর্শ কীবোর্ড মনে হয়েছে। ইংরেজী বর্ণের সাথে বাংলা বর্ণের মিল রেখে এর লেআউট তৈরি করা হয়েছে তাই এটা নতুনদের জন্যেও আয়ত্বে আনা খুব সহজ, বিশেষ করে যারা ফোনেটিক ব্যবহার করছেন তারা এটা ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ফোনেটিকের মতই কিন্তু পূর্ণাঙ্গ একটি স্ট্যান্ডার্ড লেআউট।

অভ্র ইজি: ওমিক্রন ল্যাবের তৈরি কীবোর্ড।
জাতীয়: বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল’র (BCC) বানানো কীবোর্ড। প্রায় বিজয়ের মত লেআউট, সামান্য পরিবর্তন রয়েছে।
জাতীয় ও ইউনিবিজয় প্রায় একইরকম তাই এদুটো হতে ইউনিবিজয়ই উত্তম। আর নতুন-পুরোনো সবার জন্য বর্ণনা সহজ ও আদর্শ। প্রতিটি কীবোর্ড সিলেক্ট করে তার লেআউট দেখুন, ব্যবহার করুন, কোনটি আপনার ভাল লাগে তারপর সিদ্ধান্ত আপনার।

সিঙ্গেল কী-স্ট্রোক:

বিজয় দিয়ে বাংলা লিখতে হলে ctrl+alt+b চাপতে হয়। অভ্র দিয়ে বাংলা লিখার জন্যও এটি রাখতে পারেন। তবে তিনটি কী চাপা কষ্টের কাজ তার চে’ অভ্রতে মাত্র একটি কী চেপে বাংলা সিলেক্ট করা যায়। অভ্র কীবোর্ডের প্যানেল হতে সেটিংসের বাটনে চেপে Option, তার পর Keyboard Mood থেকে F1 হতে F12 যে কোন কী বাছাই করতে পারেন। এমন কী বাছাই করতে হবে যার অন্য কোন কাজ নেই এবং হাতে নাগালে। যেমন F1-এ হেল্প, F2-এ রিনেম, F5 এ রিফ্রেশ, F12-এ সেভ এ্যাস ইত্যাদী।

ভাষা পরিবারসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

0

পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার ভাষা রায়েছে। এর মধ্যে অনেক ভাষা বিলুপ্তপ্রায়। আবার অনেক ভষা স্বগৌরবে তার প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়িয়ে চলছে। এই সব প্রভাবশালী ভাষাগুলোকে যায়গা করে দিয়ে আনেক ভাষা বিলুপ্ত হতে চলেছে। ভাষাবিলুপ্তির এই হার পশু-পাখি বিলুপ্তির হারের চেয়ে বেশি। মানুষের যেমন আত্মীয় স্বজন আছে, থাকে পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বন্ধু ইত্যাদী, তেমনি ভাষারও রয়েছে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বংশ পরিচয়।

ভাষাবিজ্ঞানীরা ভাষার অতীত ইতিহাস পর্যালোচানা করে, তাদের শব্দকোষ, ব্যকারণ বিশ্লেষণ করে ভাষাগুলোর কয়েকটি পরিবার চিহ্নিত করেছেন। তবে সব ভাষাবিজ্ঞানী ভাষা পরিবারগুলোর সংখ্যা নির্ণয় করতে গিয়ে একমত হতে পারেন নি। যার কারণে একেক ভাষাবিজ্ঞানীর তালিকায় ভাষা পরিবারের সংখ্যা একেক রকম। এই সংখ্যা দশ থেকে একশ’তে গিয়ে ঠেকেছে! তবু এইসব মতপার্থক্যের পরও বারোটি ভাষা পরিবার সর্বাধিক স্বীকৃত। ভাষাতত্ত্ববিদ কাজী সিরাজ বারোটি পরিবারের তালিকা করেছেন:

১. ইন্দো-ইউরোপীয় (Indo-European)

এই তালিকার সবচে বিস্তৃত ভাষা পরিবারটির নাম ইন্দো-ইউরোপীয় (Indo-European) ভাষা পরিবার। এই পরিবারটির বিস্তৃতি দক্ষিণ র্পূর্ব এশিয়া হতে ইউরোপের পশ্চিম প্রান্তে একেবারে আইসল্যান্ড পর্যন্ত। আর ইউরোপীয় বসতকারীদের মুখ ধরে এই ভাষা পরিবার ছড়িয়েছে উত্তর-দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ, আফৃকা আর প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপসমূহ পর্যন্ত। সহজভাবে সারা বিশ্বেই বাস এই পরিবারের সদস্যদের। সবচে’ বেশি বেশি লোক এই পরিবারের ভাষাগুলোতে কথা বলে। এর অনেকগুলো শাখা রয়েছে। যেমন, বাংলা ইন্দো-ইরানি শাখার ইন্দো-আর্য গোত্রের ভাষা বাংল, জার্মানিক শাখার পশ্চিম জার্মানিক গোত্রের ভাষা ইংরেজি। আফ্রিকি, ফার্শী, রাশিয়ান, হিন্দি এই পরিবারের অন্যতম সদস্য।

ইন্দো-ইউরোপিয় পরিবারের শাখাসমূহ
ইন্দো-ইউরোপিয় পরিবারের শাখাসমূহ- ইউনিভার্সিটি অব অটওয়া

২. চীনা-তিব্বতী (Sino-Tibetan)

ভাষাভাষী লোকসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা পরিবারটির নাম চীনা-তিব্বতী (Sino-Tibetan)। চার শতাধিক ভাষা আছে এই পরিবারে। মান্দারিন (চীনা) সবচে বেশি ব্যবহৃত ভাষা। এছাড়া থাই, বার্মিজ, তিব্বতি এই পরিবারের সদস্য, বাংলাদেশেও চীনা-তিব্বতি ভাষা আছে।

Sino-Tibetan languages

৩. সেমিটিক-হেমিটিক (Semitic-Hamitic)

সাহারার উত্তরাংশ ও আরব উপদ্বীপের ভাষা পরিবার। এই ভাষা পরিবারের দুটি শাখা সেমিটিক ও হেমিটিক। অনেক ভাষা বিজ্ঞানী এই শাখা দুটোকে স্বতন্ত্র পরিবার হিসেবে দেখিয়েছেন। এই যৌথ পরিবারের নতুন প্রস্তাবিত নাম “আফ্রোএশিয়াটিক”। এর সবচে’ বেশি ব্যবহৃত ভাষা হল আরবী। আরবি ও হিব্রু এই পরিবারের সেমিটিক শাখার সদস্য। নুহ (আ.) এর পূত্র সামের বংশধরদের সেমিটিক ও হামের বংশধরদের হেমিটিক বলা হয়। হেমিটিকদের বাস আফ্রিকায় ও সেমিটিকদের বাস আরব অঞ্চলে। সেমিটিক বাদে বাকি পাঁচটি শাখা মিলে হল হেমিটিক যেগুলোর সবগুলো আফ্রিকা অংশে- বারবার, চাদিক, চুশিটিক, মিশরিয়, ওমিটিক। 

Semitic-Hamitic
সেমিটিক-হেমিটিক ভাষার বিস্তৃতি- উইকিপিডিয়া

৪. দ্রাভিড়ীয় (Dravidian)

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় সব ভাষা এই পরিবারের সদস্য, যেমন তামিল (শ্রীলংকা ও মালয়শিয়ায় ব্যাপক পরিমানে ব্যবহৃত), মালায়ালাম, কানাড়া, তেলেগু, কুরুখ, গুন্দি, তুলু এর প্রধান সদস্য। দ্রাভিড়ীয় ভাষাগুলোর মূল কেন্দ্র দক্ষিণ ভারত থেকে বহু দূরে পাকিস্তানের মরু অঞ্চল বালুচিস্তানের এর একটি ভাষা আছে, ব্রাহুই

দ্রাভিড়ীয় ভাষা পরিবার
দ্রাভিড়ীয় ভাষা পরিবার- উইকিপিডিয়া

৫. বান্টু (Bantu)

আফ্রিকার বেশিরভাগ ভাষা, সাহারার দক্ষিণ থেকে মহাদেশের একেবারে দক্ষিণ পর্যন্ত প্রায় সকল ভাষা এই পরিবারের সদস্য। বেশিরভাগ ভাষা বান্টু শাখার যা নিজেই একটা পরিবার বলে বিবেচিত, এর সাথে উত্তরের কিছু শাখা মিলিয়ে নিজার-কঙ্গো একটি ধারণাগত প্রস্তাবিত ভাষা পরিবার। বিস্তৃতি ও বৈচিত্রের কারণে এর শাখা সংখ্যা অনেক। পশ্চিম-মধ্য আফ্রিকার প্রায় সব ভাষা এই পরিবারের সদস্য।

বান্টু
প্রস্তাবিত নিজার-কঙ্গো ভাষা পরিবারের বিস্তৃতি – উ্‌ইকিপিডিয়া

৬. তুর্কী, মোঙ্গল ও মাঞ্চু (Turk, Mongol & Manchu)

এই ভাষা পরিবারটিকে এক নামে ‘আলটাইক’ (Altaic) ভাষা পরিবার বলা হয়। এর তিনটি শাখা তুর্কিক, মোঙ্গল, মাঞ্চু-তুঙ্গুস। অনেক ভাষা বিজ্ঞানী এই তিনটি শাখাকে স্বতন্ত্র ভাষা পরিবার মনে করেন। এর মধ্যে সবচে প্রভাবশালী শাখা হল তুর্কিক। তুরষ্ক থেকে মধ্য এশিয়ার প্রায় সব ভাষা তুর্কিক শাখার অন্তর্গত। তুর্কিক ভাষাগুলোর প্রভাব আশেপাশের অন্যান্য ভাষার উপর  রয়েছে। মঙ্গোলিয়া ও তার আশে পাশে মঙ্গোল শাখার ভাষা বিস্তৃতি। আলতাইকের সবচে ছোট শাখা হল মাঞ্চু-তুঙ্গুস, মূলত রাশিয়া ও চীনের  কিছু ভাষা এর সদস্য। কোনো কোনো ভাষা বিজ্ঞানী কোরিয়ান ও জাপানিকে এই পরিবার ভুক্ত করেন যদিও সমর্থন খুব কম।

আলতাইক ভাষা পরিবারের বিস্তৃতি
আলতাইক ভাষা পরিবারের বিস্তৃতি- উইকিপিডিয়া

৭. ককেশিয়ান (Caucasian)

নামেই বলে দিচ্ছে এটি ককেশান অঞ্চলের ভাষা। এই পরিবারের একটি ভাষা আজ টিকে আছে, জর্জিয়ান ভাষা। [সূত্র: আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান, কাজী সিরাজ, পৃ. ৫১]

৮. ফিনো-উগ্রিক (Finno-Ugric)

উত্তর ইউরোপের ভাষা পরিবার, এর শাখা হল ফিনো-পার্মিক, উগ্রিক। স্ক্যান্ডেনেভিয়ার ভাষাগুলো ও মধ্য রাশিয়ার কিছু ভাষা এই পরিবারের সদস্য, যেমন ফিনিয়, এস্তোনিয়, লিভোনিয়ান ইত্যাদি। এর থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন এলাকায় ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগুলোর ভীরের মাঝে একাকী হাঙ্গেরীয়ান ভাষা এই পরিবারের আরেক সদস্য।

ফিনো-উগ্রিক ভাষা বিস্তৃতি
ফিনো-উগ্রিক ভাষা বিস্তৃতি

৯. অস্ট্রিক (Austric)

এই পরিবারের বিস্তৃতি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল হতে ভারত পর্যন্ত বিশাল এলাকা, এর মধ্যে সমূদ্র এলাকাই বেশি। এর দুটি প্রধান শাখা রয়েছে- অস্ট্রোএশিয়াটিক ও অস্টানেশিয়ান, কখনও কখনও ক্রা-দাইমং-মিয়েন ভাষাগোষ্ঠিকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অস্ট্রোএশিয়াটিক শাখার ভাষাগুলো আমাদের উপমাহদেশে আছে যেমন, মুন্ডা, খাশি-খুমি। আমাদের সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রোএশিয়াটিক শাখার একটি ভাষা। খাশি ভাষা সিলেট অঞ্চলে অল্প কিছু মানুষের ভাষা।  অস্টানেশিয়ান ভাষাগুলো ভারত মহাসাগেরর পূর্বাঞ্চল থেকে পশিচম পাড় পর্যন্ত বিস্তৃতি। মালাগাসী (মাদাগাস্কার)-এর ভাষা এর অন্তর্ভুক্ত, তাই ধারণা করা যায় মাদাগাস্কারের মানুষের সাথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষের মধ্যে অতীত যোগাযোগ বা যাতায়ত ছিল। ইন্দোনেশীয়া ও মালয়শিয়া হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপগুলোর ভাষা এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

অস্ট্রিক ভাষা পরিবার
অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের বিস্তৃতি- উইকিপিডিয়া

১০. এস্কিমো-আলেউত (Esquimo-Aleut)

কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীনল্যান্ড সহ উত্তর মেরু অঞ্চলের মানুষের ভাষা এই পরিবারের সদস্য।

১১. হাইপারবোরিয়ান (Hyperborean)

একটি বিচ্ছিন্ন ভাষা পরিবার। একে প্যালেও-সাইবেরিয়ান বা প্যালেও-এশিয়াটিক ভাষা পরিবার বলা হয়। পূর্ব রাশিয়ার অল্প কয়েকটি ভাষা এই পরিবারের সদস্য। এর চারটি শাখা আছে, যেমন- ইয়েনিসিয়ান, চুকচি-কামচাটকান, নিভিখ, ইউকাঘির। চুকচি এর অন্যতম পরিচিত ভাষা।

হাইপারবোরিয়ান
হাইপারবোরিয়ান ভাষা পরিবারের বিস্তৃতি রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলে, এনসাইক্লপিডিয়া ব্রিটানিকা

১২. আদি আমেরিকান (American Indian)

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার আদিবাসীদের প্রায় সব ভাষা আটটি শাখায় বিভক্ত হয়ে এই পরিবারের সদস্য। শাখাগুলো হল, পিমান, সিউয়ান, শোশেনিয়ান, ইরোকিয়ান, মুসকোজিয়ান, আলোগংকুইন, আথাবাসকান, নাহুয়ালতান। এই পরিবারের বেশিরভাগ ভাষা বিলুপ্ত, যেগুলো টিকে আছে তার অল্প কিছু ছাড়া বাকি সহ বিপন্ন।

কিন্তু বিভিন্ন কারনে বেশ কয়েকটি ভাষা এই পরিবারগুলোতে অন্তর্ভূক্ত করা সম্ভব হয় নি। ভাষাগুলো বিশ্লেষণ করে কোন পরিবারে ফেলা যায় নি, কোনটির সমগোত্রীয় সকল ভাষা বিলুপ্ত হওয়ায় সেই ভাষাটিকে তুলনা করে কোন পরিবারভুক্ত করা যায় নি। এমনি একটি বিচ্ছিন ভাষা রয়েছে এশিয়ার উত্তর-পূর্ব প্রান্তে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দ্বীপে। এক সময় ভাষাটি বহুল ব্যবহৃত হত। কিন্ত অন্য ভাষার প্রভাবে যে জাতির ভাষা তারা নিজেরাই এই ভাষায় কথা বলা কমিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে এটি একটি বিপন্ন ভাষা। বেশি দিন হয়তো বাকী নেই ভাষাটির ইতিহাসের জাদুঘরে স্থান নেয়ার। ভাষাটির নাম আইনু ইতাক, জাপানের হোক্কাইদো দ্বীপের আইনু জাতির লোক এই ভাষায় কথা বলে। এমন ভাষাগুলোর মধ্যে সবচে পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত ভাষাটি হল কোরিয়ান ভাষা। স্পেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি ভাষা আছে নাম, বাস্ক। এই ভাষাকেও কোনো পরিবারভুক্ত করা যায় নি।

রিকমান্ডেড বই:

ভাষাবিজ্ঞান
লেখক: ড. ভোলানাথ তেওয়ারি

ভাষাবিজ্ঞান