ঢাকার দোহার উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেগম আয়েশা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ-এর অফিস কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্রসমূহ উদ্ধার ও তালিকাভুক্ত করার লক্ষ্যে একটি ৭ সদস্য বিশিষ্ট উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সোহান-এর নির্দেশক্রমে গঠিত এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত শিক্ষকরা হলেন: শামীম হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, নাদিরা বেগম, আছমা আক্তার, হালিমা সাঈদা ও আলেয়া ফেরদৌসী।
উল্লেখ্য, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়ের অফিস রুমের আলমারিগুলো তালাবদ্ধ থাকায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে প্রথমে নাদিরা বেগম ও পরবর্তীতে শামীমা আক্তার দায়িত্ব গ্রহণের পর, সভাপতির নির্দেশে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক কুলছুম বেগমের কাছে তিনবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে চিঠি পাঠিয়ে আলমারির চাবি ফেরত চাওয়া হয়। কিন্তু কুলছুম বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা কোনো চিঠিই গ্রহণ করেন নি।
পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায়, বিদ্যালয়ের পাঁচটি তালাবদ্ধ আলমারির তালা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভেঙে নতুন তালা স্থাপন করে রেকর্ডপত্র উদ্ধারের কাজ শুরু করা হয়।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন: বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সোহান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শামীমা আক্তার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রকিব হাসান, উপ কমিটির ও অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী, দোহার প্রেসক্লাবের সভাপতি মু. তারেক রাজীব, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান সানী এবং প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক নাজনীন আক্তার, মোঃ আল-আমিন, মোঃ শরীফ হাসান, মাহমুদুল হাসান সুমন ও মাকসুমুল মুকিম।
সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সোহান বলেন, “প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল রাখার স্বার্থে এবং গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক রেকর্ডপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল নিয়মনীতি অনুসরণ করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।”
উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট থেকে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক কুলছুম বেগম নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই অনুপস্থিত রয়েছেন।
