মসজিদের জায়গা দখল করে দোকান নির্মানঃ জায়গা উদ্ধারে প্রশাসনের অভিযান

253
মসজিদের জায়গা দখল করে দোকান নির্মান

ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার প্রানকেন্দ্র জয়পাড়া বাজার মসজিদের সামনে অবৈধ ভাবে সরকারি জায়গা দখল করে দোকান নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। পরে সরকারি জমি উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করে দোহার উপজেলা প্রশাসন।  সরকারি জমি দখল করে তোলা দোকানের পিলার ভেঙ্গে জায়গা উদ্ধার করে দোহার উপজেলা প্রশাসন। দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বির নির্দেশে সোমবার সকালে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ বিষয়ে জয়পাড়া বাজারের দোকানদার ও নিয়মিত মুসল্লি আবদুল মালেক বলেন, তারা এই স্থানে দোকান উঠানোর পরিকল্পনা আরো আগে থেকে করেছে যে, এই স্থানে তারা দোকান উঠাবে। আমরা যতদূর জানি এই জয়গাটা ফুলের বাগানের জন্য রাখা হয়েছিল কিন্তু সেই স্থানে তারা দোকান উঠাচ্ছিল ভাড়া দেওয়া জন্য। দোহার উপজেলা প্রশাসন খবর পয়ে আজকে এই দখলকরা জায়গা উদ্ধার করে। সেজন্য আমরা তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

এই জায়গার বিষয়ে জয়পাড়া বাজার মসজিদের ইমাম মোঃ হান্নান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,কোন জায়গা, কিসের জয়গা আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমার দায়িত্ব শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো। শুধু মসজিদের ভিতরে ইমামতির দায়িত্ব, বাহিরে আমার কোন দায়িত্ব নাই। পরে তার কাছে কমিটির ফোন নাম্বার চাইলে তিনি বলেন মসজিদের কমিটিতে কে বা কারা তা আমি জানিনা।

অন্য খবর  ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে দুর্গোৎসব পালন করতে হবে: সালমা ইসলাম

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জয়পাড়া বাজারে আরেক মুসল্লি জানান, আমরা যখন মসজিদ কমিটির সদস্য ছিলাম তখন এই জায়গায় একটা ফুলের বাগান করার কথা ছিল। কিন্তু এখন মসজিদের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আমরা সেজন্য আর কোন কথা বলতে পারি না। আর তারা এই জায়গায় যে দোকান উঠাচ্ছিল তাতে যেমন মুসল্লিদের অসুবিধা হত তেমনি এখানে বৃহস্পতিবার হাট বসতো সে ক্ষেত্রেও অনেক সমস্যা হত।

দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বী বলেন, আমরা অভিযোগ পাই এবং আমি নিদেশনা দেই আমার সহকারী কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ারকে উচ্ছেদ অভিযানে চালানো জন্য। তিনি আরো বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে কেউ কোন কিছু করলে তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না। মসজিদের সামনে এই জয়গাটা সরকারি জয়গা বিধায় আমরা এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করি।

উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ হাসান আহাম্মেদ, সার্ভেয়ার কামাল হোসেন,কানন ঘোষ ও মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

মন্তব্য