ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বান্দুরা হলিক্রসের সাবেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

119
দোহারে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রী নিহত

এহসান আব্দুল্লাহ,news39.net: আল আমিন টুটুল। সাবেক শিক্ষার্থী বান্দুরা হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়। পিতা- আনসার আলী, মাতা – আছিয়া বেগম। দুই ভাইয়ের বড় জন। নবাবগঞ্জের যন্ত্রাইল ইউনিয়নের গোল্লা গোবিন্দপুর গ্রামের সন্তান। কথা ছিলো শুক্রবার বাড়ীতে আসবে। প্রতি সপ্তাহের ন্যায় গ্রামের মসজিদে নামায পড়বে। বাড়ীতে এলেন, কিন্তু জীবিত নয়, আসলেন লাশ হয়ে। বয়স মাত্র ৩১, বিয়ে করেননি। স্বপ্ন ছিলো নতুন বছর বিয়ে করে সংসার সাজাবেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় অফিস থেকে ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন। বিজয় স্বরণী অঞ্চলে আইন অমান্য করে বিপরীতমুখী বিআরটিসি বাসটি চত্ত্বরে ঘাতক বাস কেড়ে নিলো একটি উদীয়মান সূর্যের আলো। স্বপ্নের আলোক আজ অমানিশার ঘোর কালো। শুক্রবার মাগরিবের পর হবে নিজ বাড়ীর পাশের মসজিদে জানাযা। যদিও ঘাতক ড্রাইভার কে আটক করেছে তেজগাঁও থানা পুলিশ।

আজ শুক্রবার হাজারো স্বেচ্ছাসেবক, বান্দুরা হলিক্রস উচ্চ বিদ্যালয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থীর আপনজনকে কাদিয়ে চলে যাবে রব্বি কারীমের কাছে হাজিরা দিতে। কিন্তু রেখে যাবে হাস্যজ্জ্বল মুখের অগণিত স্মৃতি, ভালো কাজের দৃষ্টান্তসহ আপনজন হারানোর বেদনা।
আল আমিন ছিলো একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরীজীবি। বর্ণমালা স্কুল, ইছামতী ছাত্র সংঘটনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সক্রিয় কর্মী। ভাল ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজ কর্মী ছিল।পরিবার, বন্ধু, স্বজন দোয়া চেয়েছে আল আমিনের জন্য।

আপনার মতামত দিন