“ডাক্তার আর পারলো না, দোয়া চাই” ফেসবুকে শেষ স্ট্যাটাসে ওমায়ুল ইসলাম খান

883

সকালেই স্ট্রোক করেছিলেন দোহার উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ওমায়ুল ইসলাম খালেক। নিয়ে যাওয়া হয়েছীল জয়পাড়া ক্লিনিকে। সেখান থেকে ডাক্তাররা ঢাকায় জাতীয় হ্র্দরোগ ইনষ্টিটিউটে নিয়ে যেতে বললে বললে ফেসবুকে তার শেষ স্ট্যাটাসটা দেন ওমায়ুল ইসলাম খালেক।

“আজ ভোরে স্ট্রোক করেছি জয়পাড়া ক্লিনিক থেকে জাতীয় হ্র্দরোগ ইনষ্টিটিউটের নাকি নিতে হবে।ডাঃ আর পারলো না, দোয়া চাই”

সেই স্ট্যাটাসটাই শেষ স্ট্যাটাস হয়ে রইলো। জীবিত আর ফিরতে পারলেন না দোহারে। ফিরলো দোহারের এই যুবনেতার মরদেহ।

বিএনপির এই তুখোড় যুবনেতার পরিচয় ছিল দোহারের আনাচে কানাচে। তার হাত ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির দীক্ষা নিয়েছেন অনেক ছাত্রনেতা।

সকালেই স্ট্রোক করেছিলেন দোহার উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ওমায়ুল ইসলাম খালেক। নিয়ে যাওয়া হয়েছীল জয়পাড়া ক্লিনিকে। সেখান থেকে ডাক্তাররা

আজ দুপুর ১১ টায় নিজ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তার নামাজে জানাজা। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মান্নান, সালাউদ্দিন মোল্লা, সুরুজ আলম সুরুজ, তানভির হোসেন সানুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

ইতিমধ্যে ওমায়ুল ইসলাম খালেকের ছেলের পড়াশোনা ও চাকরির দায়িত্ব নিয়েছেন তানভির হোসেন সানু। এবং তার পরিবারকে বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা দান করেছে দোহার উপজেলা জাতীয়তাবাদী অনলাইন একটিভিস্ট নামে একটি সংগঠন।

Comments

comments