আমিরাবাদ চরে দশ হাজার একর জুড়ে পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের পরিকল্পনা

342

ঢাকার দোহার উপজেলার তীরবর্তী ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের আমিরাবাদ চরে দশ হাজার একর জায়গা জুড়ে পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ চরে পাওয়ার প্লান্ট নির্মিত হলে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় পাওয়ার গ্রিডে সংযুক্ত করা হবে।’ – বুধবার দুপুরে ঢাকার দোহারে পদ্মা নদীর বাম তীরের ২শত ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সাড়ে ৬ কিলোমিটার সংরক্ষণ বাঁধ পরিদর্শনে এসে উপজেলা ডাক বাংলো ঘাটে উপস্থিত সাংবাদিকদের ঢাকা-১(দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সাংসদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা দোহারের মৈনটঘাটকে অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলবো। আমরা নদী ভাঙ্গনের জন্য সেখানে কাজ করতে পারতেছি না। তবে নদী ভাঙ্গানরোধের কাজ শেষ হলেই আমরা সেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ ধরবো যেটা মূলত পর্যটকদের আকৃষ্ট করার জন্যই তৈরি করা হবে। এ সময় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হবে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দোহারে সবচেয়ে বড় সমস্যা নদী ভাঙ্গন। গত সংসদ নির্বাচনের আগে আমি কথা দিয়েছিলাম দোহারের নদী ভাঙ্গন সমস্যা সমাধান করার। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রকল্প চাইলে প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেন। তিনি বলেন, শুরুতে যে প্রকল্পটি নিয়েছিলাম সেটি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেখা যায় নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়। ফলে আবার নতুন করে গবেষণা করতে হয়। সে জন্য আমরা আবার পুনরায় স্টাডি করি তখন আমরা আইডাব্লিউ মাধ্যমে ঠিক করি কোথা থেকে ড্রেজিং করা হবে এবং কোথায় প্রটেকশন দেওয়া হবে। শুধু বাঁধ নয় প্রকল্পের সাথে ড্রেজিং ও সংযুক্ত করতে হয়েছে। এর ফলে পুরো দোহারের নদী সীমানা বাঁধের আওতায় আসবে। এতে দোহারের প্রতিটি এলাকা নিরাপদ হবে। এ জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। সালমান এফ রহমান এর আগে সকাল ৯টায় ডাকবাংলো ঘাট থেকে সী-বোট যোগে দোহারের ২২ কিলোমিটার পদ্মার তীর পরিদর্শন করেন। আগে পদ্মার তীর রক্ষা বাদ পরিদর্শনে এসে সকাল ৯টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সী-বোটে দোহারের পদ্মানদীর মাঝিরচর থেকে মৈনটঘাট, বাহ্রা হয়ে ফরিদপুরের সদরপুরের পদ্মানদীর নিকটবর্তী কয়েকটি ইউনিয়ন পরির্দশন করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল তানভীর হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডেও অতিরিক্ত প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মতিন সরকার, দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ, দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ফজলে রাব্বি, দোহার সার্কেল এএসপি জহিরুল ইসলাম, দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শেখ, সদরপুর উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ দোহার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ।

অন্য খবর  ইসলাম প্রচার ও প্রসারে শেখ হাসিনা সরকার কাজ করে যাচ্ছে: নবাবগঞ্জে সালমান এফ রহমান

মন্তব্য