
স্পোর্টস ডেস্ক ♦ ক্রিকইনফো জানা গেছে নিরাপত্তা জনিত কারনে যদি বাংলাদেশ দল পাকিস্তান সফর না করে তবে বিসিবি এবং পিসিবির সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে। উল্লেখ্য পাকিস্তান আগামি এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রন জানিয়েছিল। সম্পর্ক খারাপ হবার অবশ্য কারনও আছে। পাকিস্তানের ভোটে বিসিবি প্রধান মুস্তফা কামাল আইসিসি ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন পেয়েছেন।
আইসিসির এক্সকিউটিভ বোর্ড কামালকে ২০১৪ সালে এলান ইসক এর দলে পরেরবার সহ সভাপতি হিসাবে বিবেচনা করবে। ২০০৯ সালের পর পাকিস্তানে শ্রীলংকান টিম বাসে হামলার পর পাকিস্থানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড কামালকে ভোট দেয়ার পাশাপাশি চেয়েছিল বাংলাদেশকে দিয়ে পাকিস্তানে ক্রিকেট ফেরাতে।
কিন্তু পাকিস্তানে ক্রিকেট ফেরানোর ব্যাপারে বিসিবি ব্যাতিত আইসিসির বাকি ৯টি সদস্য তেমন কোন ইতিবাচক দিক দেখাননি। কিন্তু বিসিবি প্রধান সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন পাকিস্তানে ক্রিকেট ফেরানোর ব্যাপারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখার জন্য নিজেসহ বিশেষ দল নিয়ে দুই দিনের সফরে গিয়েছেন পাকিস্তানে। তিনি তখন পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে ইতিবাচক বলেছিলেন।
পরে অবশ্য আইসিসি নিজেদের আম্পায়ার পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালে কামাল বলেছেন, "আইসিসি যদি রাজি না হয় তাহলে আমরা যাব না।" কামালের কথা কানেই নেয়নি পিসিবি উল্টা পিসিবি অভিযোগ করেছে বিসিবি তৃতীয় কোন দেশ দ্বারা প্রভাবিত। পিসিবি সূত্রে বলা হয়, "আমরা জেনেছি তৃতীয় কোন দেশ বিসিবিকে চাপ প্রয়োগ করছে।" কিন্তু তৃতীয় দেশটির নাম বলেনি পিসিবি।
সেখানে আরও বলা হয়, "আমরা জানি বেশীর ভাগ ক্রিকেট বোর্ড আমাদের সমর্থন দিচ্ছে না। কিন্তু আমরা বাংলাদেশকে পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি তাদের জন্য আমরা কি করতে পারি। আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে আমরা তা করতে পারবো।" নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে পিসিবি পাকিস্তান সরকারের সাথেও কথা বলেছে।
লাহোরে বোমা হামলার পর পাকিস্তান তাদের হোমসিরিজ খেলছে আমিরাতে। এশিয়া কাপের জন্য পিসিবি প্রধান জাকা আশরাফ এখন ঢাকাতে। তিনি বাংলাদেশের পাকিস্তান সফরের ব্যাপারে এখনও ইতিবাচক চিন্তা করছেন বলেই জানান। তিনি বলেন, "খেলার ব্যাপারে আমরা আর ভারতীয় বোর্ডকে জিজ্ঞেস করবো না। আমরা বুঝে গিয়েছি তারা আমাদের সাথে খেলতে চায় না।"